ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা


প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচদিনের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এই কর্মসূচিগুলি প্রকাশ করেন।

রিজভীর ঘোষণার ভিত্তিতে, ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন সকাল ৯টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। তিনি জানান, এই কর্মসূচিতে দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

এছাড়া, ৫ সেপ্টেম্বর দলের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বিশেষ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সুবিধাজনক সময়ে দলের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ এবং মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করা।

মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন দলের নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। অন্যদিকে, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন, নিপীড়ন ও নির্যাতনের মুখেও বিএনপিকে পরাস্ত করা যায়নি বলে মন্তব্য করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

দলের প্রতিষ্ঠাতার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সুরক্ষা এবং গণতন্ত্র- এই তিনটি প্রত্যয়কে সামনে রেখে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করেছিলেন।

একটি তলাবিহীন ঝুড়ির দেশকে তিনি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন এবং নিরক্ষর মানুষকে অক্ষরজ্ঞান দিয়েছিলেন। দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা এই সাফল্য মেনে নিতে পারেনি বলেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এছাড়া, এরশাদের আমল থেকে শুরু করে দীর্ঘ সময় খালেদা জিয়া আপসহীনভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন বলেও স্মরণ করেন রিজভী।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রান্নার আগে চাল কতবার পানি ধোয়া উচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


রান্নার আগে চাল কতবার পানি ধোয়া উচিত

রান্নার আগে চাল কতবার ধোয়া উচিত এমন সাধারণ প্রশ্ন নিয়েই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাজ্যে পানি অপচয় রোধে চাল ধোয়ার বিষয়ে সচেতনতামূলক একটি উদ্যোগ নেওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। সেখানে দক্ষিণ এশীয় পরিবারগুলোকে প্রচলিত ৫ থেকে ৭ বারের পরিবর্তে মাত্র দুইবার চাল ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে চালের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়েও। ভারতের পিএসআরআই হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান ডায়াটেশিয়ান শালিনী ব্লিসের মতে, বেশিরভাগ পরিবারের জন্য দুই থেকে তিনবার চাল ধোয়াই যথেষ্ট।

তিনি জানান, প্যাকেটজাত চাল পরিষ্কার পানির নিচে দুইবার ধুলেই সাধারণত ধুলোবালি, আলগা স্টার্চ ও সামান্য ময়লা দূর করা যায়। চাল পাঁচ থেকে সাতবার ধুলে যে তা আরও নিরাপদ হয়ে ওঠে, এমন প্রমাণ নেই।

চাল বারবার ধুলে আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকর উপাদান দূর হয় এমন ধারণা অনেকের মধ্যে রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু চাল ধোয়ার মাধ্যমে আর্সেনিকের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায় না। দুই থেকে তিনবার ভালোভাবে ধোয়ার তুলনায় পাঁচ থেকে সাতবার ধুলে বাড়তি স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়ার প্রমাণও নেই।

আর্সেনিক নিয়ে উদ্বেগ থাকলে বারবার চাল ধোয়ার পরিবর্তে চালের উৎস এবং রান্নার পদ্ধতির দিকে নজর দেওয়াই বেশি কার্যকর।

চাল অতিরিক্ত ধোয়ার আরেকটি নেতিবাচক দিক হলো পুষ্টি উপাদান কমে যাওয়ার আশঙ্কা। পানিতে দ্রবণীয় আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, থায়ামিন ও নিয়াসিনের মতো কিছু পুষ্টি উপাদান ধোয়ার সময় পানির সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে পালিশ করা বা কিছু ধরনের সিদ্ধ চালের ক্ষেত্রে এ ধরনের পুষ্টি অপচয় বেশি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী, চাল দুই থেকে তিনবার পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে রান্না করাই ভালো। পানি পুরোপুরি স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত বারবার ধোয়ার প্রয়োজন নেই।

আর আর্সেনিক নিয়ে উদ্বেগ থাকলে অতিরিক্ত ধোয়ার পরিবর্তে নিরাপদ উৎসের চাল বেছে নেওয়া এবং উপযুক্ত রান্নার পদ্ধতি অনুসরণ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।রান্নার আগে চাল দুই থেকে তিনবার ধোয়া সাধারণত যথেষ্ট। এতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পানি অপচয় ও অতিরিক্ত পুষ্টি ক্ষয়ের ঝুঁকিও কমানো যায়।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁর পোরশায় ভূমি অফিস অরক্ষিত: কম্পিউটার দোকানের কর্মীর হাতে সরকারি নথিপত্র, দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


নওগাঁর পোরশায় ভূমি অফিস অরক্ষিত: কম্পিউটার দোকানের কর্মীর হাতে সরকারি নথিপত্র, দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ

নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর-তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি, দালালদের দৌরাত্ম্য এবং বাইরের অননুমোদিত ব্যক্তির হাতে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র থাকার অভিযোগ উঠেছে।

গত রোববার (২৩ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী উপস্থিত নেই। এ সময় কার্যালয়ের কার্যক্রম সামলাচ্ছিলেন সামনের একটি কম্পিউটার দোকানের এক কর্মী। তাকে অফিসের ভেতরে নামজারিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নথিপত্র নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়।

ওই কর্মী জানান, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনুপস্থিত থাকলে মাঝেমধ্যে তাকে অফিসে বসিয়ে রেখে যাওয়া হয়। তিনি ও আরও কয়েকজন নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) রাশেদুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, সরকারি মামলার শুনানি ও দাপ্তরিক কাজের প্রয়োজনে তিনি এবং অফিসের আরও দুই কর্মী বাইরে ছিলেন। অফিস পাহারার জন্য ঝাড়ুদার মফিজুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি ওই দায়িত্ব পালন না করে বাইরের একজনকে অফিসে বসিয়ে রেখে চলে যান।

তহসিলদার আরও বলেন, বহিরাগত ব্যক্তির হাতে সরকারি নথিপত্র রাখা কোনোভাবেই বিধিসম্মত নয়। বিষয়টি দায়িত্বে অবহেলার মধ্যে পড়ে বলেও তিনি স্বীকার করেন।

অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ঝাড়ুদার মফিজুল ইসলাম স্থানীয় কয়েকজন কথিত দালালকে সঙ্গে নিয়ে অফিসে এসে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেন। দালালদের উপস্থিতি এবং ঝাড়ুদারের এমন আচরণকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেছেন তহসিলদার রাশেদুল ইসলাম।

এদিকে, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ভূমি অফিসকে ঘিরে কথিত দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়েও নানা অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা ভূমি প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে সরকারি নথিপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভূমি অফিসে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে লাখো মানুষের ঢল

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫৫তম জশনে জুলুস, যেখানে লাখো আশেকে রাসুল অংশগ্রহণ করেছেন। এবারের জুলুসের নেতৃত্ব প্রদান করেছেন পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) এবং শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জুলুসের শুরুতে আল্লামা সাবির শাহ সাংবাদিকদের জন্য একটি ব্রিফিং প্রদান করেন এবং সেখানে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা থেকে বের হয়ে জুলুসটি মুরাদপুর, দুই নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা, লালখান বাজার হয়ে টাইগারপাস পর্যন্ত সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর একই পথে দুপুরে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে ফিরে আসে।

আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় জলুসকে ঘিরে দেশ-বিদেশের কয়েক লাখ আশেকে রাসুলের সমাগম ঘটে। এবারের জুলুসের কারণে নগরীর কয়েক কিলোমিটার এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ট্রাক, বাস, পিকআপযোগে হাজার হাজার মানুষ জুলুসে যোগদান করেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে আওলাদে রাসুল আল্লামা হাফেজ সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.)-এর দিকনির্দেশনায় চট্টগ্রামে প্রথম জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়েছিল। এরপর প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এই আয়োজন হয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমাকে কিছুই জানানো হয়নি’, ‘সরকে চুনর’ বিতর্কে নোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


‘আমাকে কিছুই জানানো হয়নি’, ‘সরকে চুনর’ বিতর্কে নোরা

অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ ছবির ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গান নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষাপটে। তিনি একটি পডকাস্টে উল্লেখ করেছেন যে, গানটির হিন্দি সংস্করণ তৈরির সময় তাঁর অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি গানটির লিরিক্যাল ভিডিওতে তাঁর ছবি ব্যবহারের বিষয়েও তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।

নোরা দাবি করেছেন, অনেক সময় তাঁর নীরবতাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। তাই তিনি পুরোনো এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চান।

গানটি প্রকাশের পর থেকেই এর কথা ও দৃশ্যায়ন নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। গানে নোরা ফাতেহি এবং সঞ্জয় দত্তকে দেখা যায়। গানটির কথা নিয়ে আপত্তির পাশাপাশি নোরা সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

পরে নোরা একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছিলেন, হিন্দি সংস্করণটির সঙ্গে তাঁর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

পডকাস্টে নোরা জানান, গানটির শুটিং তিনি প্রায় তিন বছর আগে করেছিলেন। সেই সময় গানটি ছিল কন্নড় ভাষায়। বড় বাজেটের সিনেমা এবং সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে কাজের সুযোগ থাকায় তিনি সেই সময় গানটিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

নোরার অভিযোগ, কন্নড় গানটির হিন্দি সংস্করণ তৈরির সময় তাঁর কাছ থেকে কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গানটি হিন্দিতে ডাব করার সময় এমন কিছু শব্দ ও কথা ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিয়ে তিনি একমত নন। অথচ এসব পরিবর্তন সম্পর্কে তাঁকে পূর্বে কিছু জানানো হয়নি।

শুধু গান নয়, এর লিরিক্যাল ভিডিও নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন নোরা। তাঁর অভিযোগ, ভিডিওতে তাঁর এমন কিছু ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলো তাঁর পছন্দ নয় এবং ব্যবহারের আগে তাঁর অনুমতি নেওয়া হয়নি।

এমনকি নোরা ও সঞ্জয় দত্তের একটি এআই-তৈরি ছবিও ভিডিওতে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%