০৯:২৯ এম
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي وَوَسِّعْ لِي فِي رِزْقِي وَبَارِكْ لِي فِيمَا رَزَقْتَنِي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লি জাম্বি, ওয়া ওয়াসসি লি ফি রিজকি, ওয়া বারিক লি ফিমা রাজাকতানি।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন, আমার রিজিক প্রশস্ত করে দিন এবং আপনি আমাকে যে জীবিকা দান করেছেন তাতে বরকত দান করুন।
আরও পড়ুন: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবীজি (সা.)-কে রাতে উল্লিখিত দোয়া পড়তে শুনেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৫০০)
নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়-রোজগার বাড়ানোর জন্য এই দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘তিনিই তোমাদের জন্য জমিনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ করো এবং তার রিজিক থেকে আহার করো।’ (সুরা মুলক: ১৫)
আয়-রোজগার বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু আমল রয়েছে। তবে এ বিষয়টি মনে রাখা দরকার যে, প্রচুর আয়-রোজগার করলেই সুখ ও মানসিক শান্তি পাওয়া যায় না। এর জন্য কিছু আমল রয়েছে, যার মাধ্যমে জীবনে বরকত এসেছে, এবং অল্পেও অনেক তৃপ্তি ও মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: নিজের যা নেই, তা থাকার ভান করা নিন্দনীয়
তাকওয়া অর্জন করা।
তাকওয়া বলতে বোঝায় মহান আল্লাহর ভয়। এটি আয়-রোজগারের লাভের অন্যতম একটি উপায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতি বের করে দেবেন। এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেবেন।’ (সুরা তালাক, আয়াত : ২-৩)।
হাফেজ ইবনে কাসির (রহ.) উপরোক্ত আয়াত দুটির তাফসির প্রসঙ্গে বলেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশাবলী পালন করে এবং তার নিষিদ্ধ কার্যাবলী থেকে বিরত থেকে তাকওয়া অবলম্বন করে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য সব বিপদাপদ থেকে মুক্ত হওয়ার পথ করে দেবেন এবং যেখান থেকে সে রিজিক লাভ করার কথা স্বপ্নেও চিন্তা করে না, সেখান থেকে তাকে রিজিক দেবেন। (তাফসিরে ইবনে কাসির ৪/৪০০)
পাপাচার থেকে মুক্ত থাকা।
আরও পড়ুন: মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে মসজিদুল হারামে নামাজ ও কাবা শরিফের তাওয়াফ অব্যাহত
সবসময় পাপাচার থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখা উচিত। কারণ নেক আমল ও ভালো কাজে মানুষের জীবন এবং জীবিকায় বরকত আসে, এবং পাপ কাজ জীবন-জীবিকার বরকত নষ্ট করে। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘কেবল দোয়াই ভাগ্যকে প্রতিহত করে, নেক কাজে আয়ু বৃদ্ধি পায় এবং বান্দা পাপের কারণে জীবিকা থেকে বঞ্চিত হয়।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২২৪১৩)
হালাল পন্থায় আয়।
রিজিকে বরকতের জন্য অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হালাল পন্থায় আয় করা। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘হালাল জীবিকা সন্ধান করা নির্ধারিত ফরজসমূহের পরে বিশেষ একটি ফরজ।’ (শুআবুল ইমান, বায়হাকি; কানজুল উম্মাল: ৯২০৩)।
দান করা।
আরও পড়ুন: আমিরাতে শুরু হলো আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব
দান-সদকা মানুষের জীবনে বরকত নিয়ে আসে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে আদম সন্তান! তুমি খরচ করো, তোমার জন্য খরচ করা হবে (অর্থাৎ প্রাচুর্য আসবে)।’ (বুখারি: ৫৩৫২)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন