০৬:০৪ পি.এম
ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার প্রয়োগ করা সামরিক কৌশল এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজে লাগাচ্ছে ইরান।
আকাশ প্রতিরক্ষাকে বিভ্রান্ত করতে কোনো একক অস্ত্রের ওপর নির্ভর না করে একসঙ্গে ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে সমন্বিত আক্রমণ চালাচ্ছে তেহরান।
মূলত মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ানো এবং ব্যয়বহুল ‘প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর’ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত শেষ করে দেওয়াই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। জর্ডানের তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে টানা পাঁচ দিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউ পাঠায় ইরান।
আরও পড়ুন: দেশের ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৫.০৭ মেগাওয়াট
এর মধ্যে এমন কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যা আকাশে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করতে পারে। প্রথম চার দিন যুক্তরাষ্ট্র বেশিরভাগ হামলা ঠেকালেও ১৭ জুলাই একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ভেদ করে মার্কিন ঘাঁটির অস্থায়ী আবাসে আঘাত হানে।
এই হামলায় ৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং শতাধিক আহত হন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, প্রায় সব ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা গেলেও একটি ভেতরে ঢুকে পড়ে।
জানা গেছে, চলমান এই যুদ্ধে পেন্টাগন ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫০০টিরও বেশি প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যবহার করে ফেলেছে এবং তাদের কাছে এখন ১ হাজার ৭০০টিরও কম মিসাইল অবশিষ্ট রয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক সেথ জি জোন্স জানান, ইউক্রেনে ব্যবহৃত রুশ কৌশল দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তাকে কঠিন করে তুলছে ইরান।
আরও পড়ুন: ইতালি বিক্ষোভ ও দাঙ্গা দমনে নতুন আইন জারি করেছে
যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রগুলো মেরামত করে তারা আবারও আক্রমণ শুরু করেছে। এমনকি মাটির ৩০০ ফুটেরও বেশি গভীরে ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এর মতো অতি সুরক্ষিত স্থানে নিজেদের পরমাণু সরঞ্জাম ও শীর্ষ নেতৃত্বকে নিরাপদ রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন