মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
০৪:১৪ পি.এম
নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার ট্রাক টার্মিনালের মাঠ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন
অদ্য ৩০ জুন ২০২৬ খ্রি. নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকার যানবাহনের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গতকালকের মিটিং এর পর আজ সকাল ১১ টায় ট্রাক টার্মিনাল, এজেন্ট (দালাল) অফিস, প্রস্তাবিত ট্রাক টার্মিনালের মাঠ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি পরিবহন মালিক, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ , চালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঢাকা বাস স্ট্যান্ড সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট নিরসন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাসস্ট্যান্ডে যানবাহনের সুশৃঙ্খল চলাচল নিশ্চিত করা, যেখানে-সেখানে যানবাহন দাঁড় করানো থেকে বিরত থাকা, নির্ধারিত স্থানে যাত্রী ওঠানামা করানো এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। নওগাঁ জেলার গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় নিরাপদ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও জনবান্ধব সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পরিবহন মালিক-শ্রমিক, চালক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সুপার, মালিক এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দের নিয়ে নওগাঁ জেলার প্রস্তাবিত ট্রাক টার্মিনাল এর এলাকা ঘুরে দেখেন। টার্মিনাল এলাকায় প্রবেশ এবং বের হওয়ার রাস্তার সমস্যা চিহ্নিত করেন। এ সময় তিনি ট্রাক টার্মিনালে প্রবেশ এবং বের হওয়ার রাস্তা মেরামত এবং সংস্কার করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী নওগাঁ পৌরসভা মহোদয়কে অনুরোধ করেন। তিনি ট্রাক এবং সিএনজি শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং মালিক পক্ষ দেরকে টার্মিনালটি ব্যবহার শুরু করার জন্য অনুরোধ করেন। এরফলে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা বাসস্টান্ড এলাকায় যানজট কমবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ট্রাক মালিক এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও সিএনজি সিএনজি নেতৃবৃন্দ ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ঢাকা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তার উপর গাড়ি পার্কিং হতে বিরত থাকা এবং নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে নওগাঁ জেলা পুলিশের সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ইরান সফরে যেতে পারেন, যেখানে তিনি মরহুম আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে পারেন।
প্রতিবেদন অনুসারে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সালে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের প্রথম ঘণ্টায়, তেহরানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে চালানো হামলায় শহীদ হয়েছিলেন। এই হামলায় তার পুত্রবধূ, কন্যা এবং অন্তত একজন নাতিও শহীদ হন।
এখনো আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হয়নি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানে তিন দিনব্যাপী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর, পবিত্র শহর কোমে আরও একদিনের সময় প্রয়োজন হবে এবং এরপর আগামী ৯ জুলাই তাকে তার নিজ শহর, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদে দাফন করা হবে।
তার ছেলে মোজতবা আলি খামেনি আহত অবস্থায় বেঁচে যান এবং তিনি বর্তমানে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যদিও এখনো তিনি জনসমক্ষে আসেননি।
এদিকে, ইরান সফর শেষে, প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কও ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের যুদ্ধে ইসলামাবাদ প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর, পাকিস্তান ও ইরানের সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে। শেহবাজের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন যুদ্ধরত দেশগুলোকে আলোচনার টেবিলে এনে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ওয়ারীর নারিন্দা এলাকা থেকে এক যুবককে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। ওই যুবককে নির্যাতন করে টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত যুবক সুভাষ দেউরী (২৭) নামের ব্যক্তি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) রাত ৮টার সময় ওয়ারী স্বামীবাগ এলাকা থেকে সুভাষকে অপহরণ করা হয়। পরদিন মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে তিনি নিজেই একটি কৌশল অবলম্বন করে মুক্ত হয়ে আসেন এবং তারপর তার রুমমেট তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করান।
সুভাষ বলেন, তিনি পুরান ঢাকার সেন্ট্রাল ল’ কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র। এছাড়া তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দিরের সহকারী পুরোহিত হিসেবে কাজ করছেন। তার বাড়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায়। বাবার নাম শ্যামল দেউরী। তিনি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় রিকশা নিয়ে স্বামীবাগ যান। কিন্তু ঠিক তার পরের ঘটনা তিনি ভালোভাবে মনে করতে পারছেন না।
সুভাষ বলেন, আমার মাইগ্রেনের সমস্যার কারণে আমার কিছু বিষয় বেশি সময় মনে থাকে না। সোমবার রাতে যখন তিনি বাসা থেকে বের হন, তখন তিনি রিকশা নিয়ে স্বামীবাগে যান। এরপর কী ঘটেছে সেই সম্পর্কে তিনি পরবর্তীতে কিছু জানেন না।
তিনি জানান, এক সময় তাকেসহ ৭-৮ জন যুবক একটি মেস বাসার ভেতরে আটক করে। সেখানে তিনি দেখতে পান, যুবকদের মধ্যে কেউ কেউ মাদকসেবন করছে। তাঁরা তাকে মারধর করে এবং মোবাইল ও মানিব্যাগ হাতিয়ে নেয়। মোবাইলের মেসেজ দেখে তারা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা রয়েছে জানার পর, ৩০ হাজার টাকা দিতে বলে। তবে সেজন্য সুভাষের কাছে ব্যাংকের অ্যাপ বা চেক বই ছিল না। তারা পরে তার রুমমেটকে ফোন করিয়ে বিকাশের মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা নেয় এবং তার বোনকে ফোন করিয়ে আরও ২০ হাজার টাকা আদায় করে।
এদিকে, তিনি বলেন, তিনি অপরাধীদের কাছে তার পরিচয় দেননি কিন্তু তারা তার গলায় থাকা হিন্দু ধর্মের মালা দেখে বুঝে যায় তিনি একজন হিন্দু। তবে তিনি জানিয়েছেন যে তিনি মন্দিরের পুরোহিত, এটা তাদের জানাননি। পরে সারারাত ধরে তারা তাকে নির্যাতন করে এবং সবসময় তার কাছে টাকা আদায় করার চেষ্টা করে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি পালানোর পরিকল্পনা করেন এবং তাদের বলেন তাকে ছাদে নিয়ে যেতে। কিন্তু ছাদকামনা পথে কিভাবে তিনি নিচে পড়ে গেছেন, সে সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নয়। পরে তাকে রিকশায় তুলে এনে নারিন্দায় তার বাসার সামনে নিয়ে যায়। সেখান থেকে রুমমেটকে খবর দেয়ার পর, রুমমেট তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসে।
তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর দেখা যায়, তার কপালে কাটা জখম এবং বাম পায়ে গুড়ালি ভেঙে গেছে। ডান পায়ের গোড়ালিতেও আঘাত রয়েছে।
ওয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী সুভাষ দেউরী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দিরের সহকারী পুরোহিত এবং তিনি সোমবার রাতে স্বামীবাগের ইসকন মন্দিরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রবেশের পর কয়েকজন যুবক তাকে একটি বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছিল। পরে, আজ ভোরে তিনি ওই বাসা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে আসেন। লাফিয়ে পড়ার কারণে তার স্বাস্থ্যের সমস্যা দেখা দিয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থলটি গেন্ডারিয়া থানার আওতার মধ্যে পড়লেও বিষয়টি নিয়ে ওয়ারী থানা পুলিশ তদন্ত করছে। ভুক্তভোগীর আগে থেকেই কিছু স্মৃতিজনিত সমস্যা রয়েছে, ফলে তিনি ঘটনার বিস্তারিত জানাতে পারছেন না। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের একটি আদিবাসী সংগঠন অভিযোগ করেছে যে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে। সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, সেখানে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে চারণভূমি ও কৃষিজমিসহ একটি বিস্তৃত এলাকা দখল করে নিয়েছে চীন। কিন্তু ভারতীয় সেনাবাহিনী আদিবাসী সংগঠনের এই দাবি অস্বীকার করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবনসিরি জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের আদিবাসীদের ওই অভিযোগকে সামনে রেখে বলা হয়েছে, চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করেছে। তাদের অভিযোগ অনুসারে, চীনা সেনাবাহিনীর দখলদারির কারণে গত ছয় বছর ধরে ওই অঞ্চলের স্থানীয় চাষের কাজ এবং পশুচারণ বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নাকচ করা হয়েছে। তারা বিবৃতিতে মন্তব্য করেছে যে, "অরুণাচল প্রদেশে চীনার সেনাবাহিনীর অনুপ্রবেশ এবং সেখানে ঘাঁটি স্থাপনের অভিযোগ করে যেসব প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তা ভিত্তিহীন।" অরুণাচল প্রদেশের উত্তর অংশে চীনের তিব্বত ভূখণ্ডের কিছুকালের পাশে এ এলাকার ‘নাহ’ আদিবাসীরা বসবাস করে। তাদের সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’-র সভাপতি কেরু চাদের টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদককে জানান, "ওই জমিটি আমাদের পূর্বপুরুষদের। সেখানে বহু যুগ ধরে আমরা শিকার, পশুচারণ এবং চাষাবাদ করেছি।" কেরু চাদের অভিযোগ করেন, চীনা সামরিক বাহিনী সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) লাগোয়া আপার সুবনসিরি জেলার অন্তত পাঁচটি অঞ্চলে প্রবেশ করে স্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণ করেছে এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের সেখানে যেতে বাধা দিচ্ছে। কেরু আরও জানিয়েছেন যে, গত ১২ বছর আগে মাঝে মাঝে ওই এলাকাগুলোতে চীনের সেনাবাহিনী ঢুকে পড়তো, কিন্তু ২০২০ সালে তারা পাকাপাকিভাবে ওই অঞ্চলগুলো দখল করে নেয়। তিনি বলেন, "সরলভাবে বললে, ওই সময় থেকেই আমাদের সেখানে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।" আসাফিলার ওয়িং এবং পানিয়ারের (চুজার্তা অঞ্চল), মারপানের (মারনাফে), পোত্রাং (হ্রদ) ও টিনডিংতাং (টিজি)-তে চীনারা দখলদারি করেছে বলেও উল্লেখ করেন কেরু চাদের। এসব স্থান তাকসিং সদর দফতরের কাছাকাছি এবং স্থানীয়রা এর মধ্যে কিছু স্থানকে তীর্থস্থান হিসেবেও বিবেচনা করেন। গত কয়েক বছর আগে লাদাখেও ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে স্থানীয় পশুপালকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল চীনের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার তখন জানিয়েছিল, লাদাখে ভারতের এক ইঞ্চি ভূখণ্ডও চীন দখল করেনি। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, সম্প্রতি আপার সুবানসিরি জেলার ডেপুটি কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি কেরু চাদের। সেখানে তিনি বলছেন, "কয়েক বছর আগে যেসব পূর্বপুরষের জমিতে আমরা অবাধে শিকার করতে পারতাম, বনজ সম্পদ সংগ্রহ করতে পারতাম এবং গবাদিপশু চরাতে পারতাম, সেগুলো এখন চীনা সেনাবাহিনীর দখলে রয়েছে।" এনডব্লিউএসের অভিযোগ, আপার সুবানসিরির তাকসিং রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন পাঁচটি এলাকায় চীন ধীরে ধীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে। সংগঠনটি দাবি করছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে কৌশলগতভাবে দখল করে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে চীনের সরকার। নাচো এলাকার বিধায়ক নাকাপ নালো বলেছেন, বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং তাই অভিযোগগুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তিনি মন্তব্য করেন, "এটি জাতীয় ইস্যু হওয়ায় অভিযোগগুলো নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ রয়েছে।" স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১০ থেকে ১৫ বছরে তাকসিং সীমান্ত এলাকায় চীনের কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সংগঠনটি বলছে, চীনের সেনাবাহিনী যত বেশি সম্ভব অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। স্মারকলিপিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতের ভূখণ্ডের ভেতরে চীনা সেনাবাহিনী সামরিক ক্যাম্প ও সড়ক নির্মাণ করেছে। কেরু চাদের দাবি, "ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তারা বহু বছর ধরে আমাদের সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। তাকসিং এলাকায় চীনা সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম এবং উদ্দেশ্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা প্রতিদিন ইঞ্চি ইঞ্চি করে আমাদের ভূমি হারাচ্ছি।" রিপোর্ট লেখার সময় জেলা প্রশাসন বা অরুণাচল প্রদেশ সরকার যে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, জেলা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের গোয়াইনঘাটে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। এসময় তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার সারিঘাট পুরাতন বাজার এলাকার একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতাররা হলেন: জুবায়ের আহমেদ, সাগর মালাকার, মফিজুর রহমান, শাহীন আহমেদ ও আজিজুল হক। তাদের সবার বাড়ি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটের গোয়াইনঘাটে সারিঘাট এলাকার পুরাতন বাজারের একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালানো হয়। এসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে ওই স্থান থেকে পাঁচজন আটক করা হয় র্যাব-৯ এর দ্বারা। পরে তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত তিনটি স্মার্টফোন ও দুটি বাটন মোবাইল জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানান, তারা ‘77abc, Night Teer, 1111bet’ সহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মানুষকে ২০০ টাকা বিনিয়োগে ৩ হাজার টাকা লাভের প্রলোভন দেখিয়ে জুয়ায় যুক্ত করতেন এবং কমিশন গ্রহণ করতেন। জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলোতে অনলাইন জুয়া পরিচালনার বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
এ বিষয়ে র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, এ ঘটনায় গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে আসামি ও জব্দকৃত আলামত গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অনলাইন জুয়াসহ অন্যান্য অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ