ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ করে বি-ক্ষোভ


স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ করে বি-ক্ষোভ

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চলমান অভিযান বন্ধ করা এবং দূরপাল্লার 'স্লিপার বাস' চলাচলের সরকারি অনুমোদনের জন্য বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন বাসের মালিক, চালক ও শ্রমিকেরা।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে, রাজধানীর বনানীর বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে এই বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রতিবাদ সভায়, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকেরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, স্লিপার বাসের ওপর বিআরটিএর টানা অভিযানের কারণে এই খাতের বিনিয়োগ এবং শ্রমিকদের জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

সুতরাং, তারা দাবি করেছেন যে, হঠাৎ করে বাস বন্ধ না করার পাশাপাশি অনতিবিলম্বে এ সেবাকে আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে বৈধতা দেওয়া উচিত।

পরবর্তীতে, আন্দোলনকারীদের ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিআরটিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি-সংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।

স্মারকলিপি গ্রহণের পরে, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান জানান, স্লিপার বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে শিগগিরই বিআরটিএ আলোচনায় বসবে। তবে, তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বিদ্যমান পরিবহন আইনের বাইরে গিয়ে কর্তৃপক্ষের কিছু করার সুযোগ নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, আলোচনার ভিত্তিতে প্রচলিত আইন অনুসরণ করে যতদূর সম্ভব যৌক্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তবর্তী যুবকদের আত্মনির্ভরশীল করতে বিজিবির প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


সীমান্তবর্তী যুবকদের আত্মনির্ভরশীল করতে বিজিবির প্রশিক্ষণ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা এবং চোরাচালান ও মাদকের প্রভাবে থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে।

রাজশাহী ব্যাটালিয়নের (১ বিজিবি) ব্যবস্থাপনায় গোদাগাড়ী থানার মাটিকাটা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বেকার যুবক-যুবতীদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণটি ২৩ আগস্ট শুরু হয়ে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তারা সীমান্তবর্তী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সে অনুযায়ী, সীমান্ত কারিগরী ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধীনে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে সীমান্ত এলাকার ২০ জন বেকার যুবক-যুবতী প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা স্বল্প পুঁজি ও সীমিত পরিসরে গবাদিপশু এবং হাঁস-মুরগি পালন করে আয় করার প্রয়োজনীয় জ্ঞান এবং দক্ষতা অর্জন করবেন।

বিজিবির মতে, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী বেকার যুবকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে পুষ্টির চাহিদা পূরণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ায় যুবসমাজকে চোরাচালান ও মাদকের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে এ উদ্যোগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিজিবি আরও জানায়, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী যুবসমাজকে দক্ষ, কর্মঠ ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিবার ও দেশের উন্নয়নে তাদের ইতিবাচক অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। তরুণ প্রজন্মকে সঠিক দিকে পরিচালিত করা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিজিবি ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বিগত ১৭ বছরে গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে।

রবিবার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ বিষয়ে পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান উল্লেখ করেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্র যেমন স্বীকৃতি দিয়েছে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন করেছে; ঠিক তেমনি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যাদের অপরিসীম ত্যাগ রয়েছে—যারা গুম হয়েছেন, নির্মমভাবে খুন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে আর পরিবারে ফিরে আসেননি, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন কিংবা শত শত মিথ্যা মামলায় নিঃস্ব হয়ে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন—রাষ্ট্র তাদের এই ত্যাগকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়।’

মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ‘ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি এভাবে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হয়ে স্বজন হারাতে না হয়, সেটির স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও অধিদপ্তর গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

সভায় মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল—মানুষ স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করবে, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে, রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ হবে এবং প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই মৌলিক ভাবমূর্তি পদদলিত করা হয়েছে।

তাই আমাদের ওপর একটা দায়িত্ব বর্তায় যে, এই যে বিশাল একটা জনগোষ্ঠী, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শ সেটাকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন দিল, অত্যাচারিত হলো, গুম হলো, আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে গেল—তাদের জন্য আমরা কিছু করতে পারি কিনা।’

সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালি বা ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর প্রথম তফসিল (Allocation of Business) সংশোধন করে এই নতুন দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার নীতিগত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপলস অ্যান্ড গাইডলাইনস অন দ্য রাইট টু আ রেমিডি অ্যান্ড রেপারেশন’ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুসরণে এই লক্ষ্য অর্জনে তিনটি প্রধান বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য আলোচনা করা হয় :

১. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা।

২. গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ভুক্তভোগী ও পরিবারের পূর্ণ অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সমোপযোগী আইন প্রণয়ন করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাব্বিরের ফিফটি, শেষ ওভারে রোমাঞ্চকর জয় বাংলাদেশ এইচপির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


সাব্বিরের ফিফটি, শেষ ওভারে রোমাঞ্চকর জয় বাংলাদেশ এইচপির

সাব্বির রহমান শামীম পাটোয়ারীর সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি গড়েন। 

বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা কোনো দলের হয়ে সাব্বির রহমান সর্বশেষ কবে এত দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেছিলেন, তা মনে করতে হলে পরিসংখ্যান ঘাঁটতে হবে।

টপ এন্ড টি-২০ সিরিজে গতকাল নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে সহজেই হারালেও আজ হোবার্ট হারিকেন্স একাডেমির বিপক্ষে বাংলাদেশ হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) দলকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হলো।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাওয়ারপ্লেতেই বাংলাদেশ এইচপি তিন ব্যাটারকে হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু সাব্বিরের দায়িত্বশীল ফিফটির পর আবদুল গাফফার সাকলাইনের ক্যামিওতে বাংলাদেশ শেষ ওভারে একটি রোমাঞ্চকর জয় পায়।

ডারউইনের মারারা ওভালে আজ আগে ব্যাটিংয়ে নেমে হোবার্ট হারিকেন্স ৭ উইকেটে ১৫৩ রান করেছে। বাংলাদেশ এইচপি ২ বল আর ৩ উইকেট বাকি রেখে লক্ষ্য টপকাতে সক্ষম হয়।

নয় দলের এই টুর্নামেন্টে টানা দুই জয় পূর্ণ করে ৪ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ এইচপির অবস্থান দ্বিতীয়। শীর্ষে থাকা নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলেরও ৪ পয়েন্ট রয়েছে। তবে কিউইরা নেট রান রেটে এগিয়ে আছে।

আগের দিন বল হাতে আলো ছড়ানো মোহাম্মদ রুবেল আজও ভালো বোলিং করেন। তিনি ২৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করার পথে একটি মেডেনও করে ফেলেন। রিপন মণ্ডল ২ উইকেট নিয়েছেন।

হোবার্ট হারিকেন্সের টিগ ওয়াইলি ছাড়া দলের অন্যরা বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তিনি ৫৩ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন।

লক্ষ্য তাড়াতে গিয়ে হাবিবুর রহমান সোহান (৪), জিসান আলম (৯) ও আরিফুল ইসলাম (৪) দ্রুত আউট হলে বাংলাদেশ এইচপি চাপের মধ্যে পড়ে যায়।

তবে চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরের সঙ্গে ২৪ রানের একটি জুটি এবং পঞ্চম উইকেটে শামীম পাটোয়ারীর সঙ্গে ৪৬ রানের একটি জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন সাব্বির। তিনি ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৫ বলে ৫৯ রান করে আউট হন, কিন্তু দলকে জয়ের অবস্থায় রেখে যান। এরপর এস এম মেহেরব ও আবু হায়দার রনিকে নিয়ে বাকি কাজ সম্পন্ন করেন সাকলাইন।

বাংলাদেশ এইচপির পরবর্তী ম্যাচ আগামীকাল ভিক্টোরিয়া একাদশের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

হোবার্ট হারিকেন্স একাডেমি : ২০ ওভারে ১৫৩/৭ (ওয়াইলি ৭৮*, হোপ ২২; রুবেল ৩/২৫, রিপন ২/৩৪, সাকলাইন ১/২৫, হায়দার ১/৩৫)।

বাংলাদেশ এইচপি: ১৯.৪ ওভারে ১৫৫/৭ (সাব্বির ৫৯, সাকলাইন ১৯*, শামীম ১৬, মেহেরব ১৩; ম্যাকমিলান ২/২১, মালাডে ২/৩৬, রাধাকৃষ্ণান ১/১৫)।

ফল: বাংলাদেশ এইচপি দল ৩ উইকেটে জয়ী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৮ গ্রাহকের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের রহস্য উদ্ঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


৪৮ গ্রাহকের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের রহস্য উদ্ঘাটন

লক্ষ্মীপুরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ঘটনায় ৪৮ গ্রাহকের প্রায় সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের একটি রহস্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নোয়াখালী দীর্ঘদিন পর উদ্ঘাটন করেছে। এ ঘটনার মূল আসামি মো. নাছির উদ্দিন, যিনি ওরফে খোকন নামে পরিচিত, আদালতে এসে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে সংস্থাটি জানাচ্ছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল বেলায় লক্ষ্মীপুরের সিনিয়র জ Judicial ম্যাজিস্ট্রেট (ক্ষমতাপ্রাপ্ত) তাসলিমা ইসলামের আদালতে আসামি খোকন জবানবন্দি দেন। ৫৫ বছর বয়সী আসামি খোকন লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার সাহাপুর গ্রামের মৃত আলী আকবরের ছেলে।

পিবিআই নোয়াখালী জেলা কার্যালয় জানায়, লক্ষ্মীপুর সদর থানায় একটি মামলার তদন্তকালে জানা গেছে, মো. নাছির উদ্দিন ওরফে খোকন ২০১৯ সাল থেকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির লক্ষ্মীপুর জেলার আওতাধীন এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মিরিকপুর শাখার একটি আউটলেটের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি মো. শহিদুল্লাহ ওরফে জিয়াকে ট্রেইলার হিসেবে নিয়োগ দেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় যে, তারা পরস্পর যোগসাজশ করে গ্রাহকদের জমা দেওয়া টাকা ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। এই পরিস্থিতিতে যখন গ্রাহকরা টাকা উত্তোলন বা হিসাব হালনাগাদ করতে যাচ্ছিলেন, তখন বিষয়টি সামনে আসে এবং আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান।

পিবিআইয়ের তদন্তে আরও জানা গেছে যে, ব্যাংকের সার্ভারে ত্রুটির কথা বলে ৪৮ জন গ্রাহককে ভুয়া, হাতে লিখা এবং ভুয়া বায়োমেট্রিক ফিক্সড ডিপোজিট স্লিপ সরবরাহ করা হয়। এই মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

মামলাটি লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ২০২৫ সালের ১ জুলাই দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৮, ৪০৯ ও ৪২০ ধারায় দায়ের করা হয়। লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট মো. নাছির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তভার পিবিআই নোয়াখালী জেলার ওপর ন্যস্ত করেন। মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন পিবিআই নোয়াখালীর এসআই (নিরস্ত্র) মো. কামাল আব্বাস। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধার করার লক্ষ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে পিবিআই জানিয়েছে।

পিবিআই নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে মামলাটির নিরবচ্ছিন্ন তদন্ত করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে অর্থ আত্মসাতের বিস্তারিত তথ্য অধিগ্রহণ করা গেছে। পরে মূল আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের কাজ অব্যাহত রয়েছে পিবিআই নোয়াখালী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%