ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় রিভলবার ও ৪১ রাউন্ড গুলিসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেফতার


খুলনায় রিভলবার ও ৪১ রাউন্ড গুলিসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেফতার

খুলনা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহানগরীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১টি রিভলবার এবং ৪১ রাউন্ড তাজা গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী রফিক বাহিনীর দুই সক্রিয় সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার সকালে কেএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (খুলনা জোন) মো. শফিকুল ইসলাম এবং খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল এই অভিযানটি সম্পন্ন করে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সালাউদ্দিন আহমেদ (২৯) এবং আবিদ হাসান রানা (৩৮) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রবাসী নিহত, আহত ৪ জন।

পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশের একটি দল লবণচরা থানার ৪নং ওয়ার্ডের মধ্য হরিণটানা এলাকায় অভিযান চালায়। সকাল আনুমানিক পৌনে ৭টার দিকে আবিদ হাসান রানার বাসার একটি কক্ষের বিছানার নিচ থেকে তল্লাশি করে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে ১টি রিভলবার, ১টি রিভলবারের কার্তুজ, ১৬টি পিস্তলের কার্তুজ এবং ২৪টি শর্টগানের তাজা কার্তুজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা খুলনা অঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী রফিক বাহিনীর সক্রিয় সহযোগী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়েছে। তারা দীর্ঘ সময় ধরে খুলনা মহানগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নিজেদের সহযোগীদের অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করে আসছিল।

এ ঘটনায় খুলনা সদর থানায় সংশ্লিষ্ট অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: কমলনগরে কোরআনের আলোয় আলোকিত ৫ শিক্ষার্থী, ফয়জুল কোরআন ইসলামী একাডেমির সংবর্ধনা

অভিযান সম্পর্কে সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, অপরাধী যতই সংঘবদ্ধ বা পরিকল্পিত হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।

এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগী ও ইন্ধনদাতাদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিএলে আট বিভাগের স্কোয়াড ঘোষণা, অধিনায়ক যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


এনসিএলে আট বিভাগের স্কোয়াড ঘোষণা, অধিনায়ক যারা

জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর ২৮তম সংস্করণ আগামী ৩ অক্টোবর মাঠে গড়াবে। নতুন মৌসুমে আটটি বিভাগীয় দলের স্কোয়াড চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলা এবং বর্তমানে জাতীয় দলের আশপাশে থাকা একাধিক ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে এসব দল।

খুলনা বিভাগের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ মিঠুন। তার দলে রয়েছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। মিঠুন, বিজয় ও সোহানের পাশাপাশি দলে আছেন ইমরানুরজ্জামান, আজিজুল হাকিম তামিম এবং নাহিদুল ইসলামদের মতো পরিচিত মুখ।

ঢাকা বিভাগের নেতৃত্ব দেবেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। তার দলে জাতীয় দলের হয়ে খেলা নাঈম শেখ ও জিসান আলম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উইকেটের পেছনে অঙ্কনের সঙ্গে থাকবেন আশিকুর রহমান শিবলী।

চট্টগ্রাম বিভাগেও জাতীয় দলের পরিচিত মুখের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয় এবং শামীম হোসেন পাটোয়ারীর মতো ব্যাটাররা এই দলে রয়েছেন। উইকেটরক্ষক হিসেবে আছেন ইরফান শুক্কুর ও সাব্বির হোসেন সিকদার। দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল ইয়াসির আলী রাব্বির, তবে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকার কারণে তিনি শুরুর কিছু ম্যাচ খেলতে পারছেন না।

সিলেটের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাকির হাসান। তার দলে রয়েছেন অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ এবং নাবিল সামাদ। রংপুরকে নেতৃত্ব দেবেন আকবর আলী। তার দলে ব্যাটার হিসেবে রয়েছেন অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ ও নবিন ইসলাম।

ময়মনসিংহের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন রকিবুল হাসান। এই দলে জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান পর্যায়ের পরিচিত ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং মুনিম শাহরিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

রাজশাহীর নেতৃত্বে থাকবেন প্রীতম কুমার। এই দলে অভিজ্ঞ সাব্বির রহমান রুম্মান ও সানজামুল ইসলাম রয়েছেন। বরিশালের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইফতেখার হোসেন ইফতি।

এবারের এনসিএলে আট বিভাগীয় দল একে অপরের বিরুদ্ধে সাতটি করে ম্যাচ খেলবে। চার দিনের এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাত রাউন্ডে। ৩ অক্টোবর শুরু হয়ে আসরের শেষ রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর। উদ্বোধনী রাউন্ডে খুলনা খেলবে বরিশালের বিপক্ষে, চট্টগ্রাম মুখোমুখি হবে রাজশাহীর, সিলেট খেলবে ময়মনসিংহের বিপক্ষে এবং বর্তমান রংপুরের প্রতিপক্ষ ঢাকা।

বরিশাল বিভাগ

অধিনায়ক: ইফতেখার হোসেন ইফতি

স্কোয়াড: ইফতেখার হোসেন ইফতি, জাওয়াদ আবরার, মোঃ রাফসান আল মাহমুদ, মোহাম্মদ সালমান হোসেন ইমন, অভি আহমেদ নোবেল, হাফিজুর রহমান, আব্দুল্লাহ শিফাত, মোঃ শামসুল ইসলাম অনিক, মোঃ তানভীর ইসলাম, মঈন খান , মইনুল ইসলাম, মোজাম্মেল হাসান শাকিল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, মোঃ শহিদুল ইসলাম ও রুয়েল মিয়া।

চট্টগ্রাম বিভাগ

অধিনায়ক: ইরফান শুক্কর

স্কোয়াড: ইরফান শুক্কুর, শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয়, সাদিকুর রহমান, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তাসামুল হক, সাব্বির হোসেন সিকদার,

হাসান মুরাদ, আশরাফুল হাসান রোহান, মোঃ রুবেল, আহমেদ শরীফ, ফাহাদ হোসেন, ইরফান হোসেন, এনামুল হক আশিক ও মোঃ শাহ পরান সোহেল।

ঢাকা বিভাগ

অধিনায়ক: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন

স্কোয়াড: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন, জিসান আলম, মোঃ মার্শাল আইয়ুব ও নাঈম শেখ, আশিকুর রহমান শিবলী, আরিফ আহমেদ, তৈবুর রহমান পারভেজ, মোঃ ইয়াসিন হোসেন , আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মোঃ এনামুল হক, মোঃ সুমন খান, আনিসুল ইসলাম ইমন, সালাউদ্দিন শাকিল, রিপন মন্ডল ও তৌফিক আহমেদ।

খুলনা বিভাগ

অধিনায়ক: মোহাম্মদ মিঠুন

স্কোয়াড: মোহাম্মদ মিঠুন, এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আজিজুল হাকিম তামিম, কালাম সিদ্দিকী এলিন, সামিউন বাশির রাতুল, ইমরানুজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম, শেখ পারভেজ জীবন, টিপু সুলতান, রাকিব হাওলাদার, সফর আলী, আব্দুল হালিম ও মেহেদী হাসান রানা।

ময়মনসিংহ বিভাগ

অধিনায়ক: রকিবুল হাসান

স্কোয়াড: রকিবুল হাসান, আব্দুল মজিদ, মোঃ ফাহিম, রনি চৌধুরী, মোঃ আল আমিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মুনিম শাহরিয়ার, খালিদ হাসান, মোঃ মাহফিজুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, আরিফুল হাকিম রনি, আবু হায়দার রনি, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, মোঃ আল আমিন হোসেন ও রিজান হোসেন।

রাজশাহী বিভাগ

অধিনায়ক: প্রীতম কুমার

স্কোয়াড: প্রীতম কুমার, সাব্বির রহমান রুম্মান, মেহেরব হাসান অহিন, হাবিবুর রহমান সোহান, সাব্বির হোসেন, নাঈম আহমেদ, শাখীর হোসেন শুভ্র, সানজামুল ইসলাম, নিহাদুজ্জামান, ওয়াসি সিদ্দিক, রহিম, একরামুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম, আলী মোহাম্মদ ওয়ালিদ ও মোহর শেখ অন্তর।

রংপুর বিভাগ

অধিনায়ক: আকবর আলী

স্কোয়াড: আকবর আলী, অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ, নোবিন ইসলাম ,আলাউদ্দিন বাবু, মিম মোসাদ্দেক, আবু হাসিম, স্বাধীন ইসলাম, ইকবাল হোসেন, মাহমুদুল হাসান লিমন , হাসিবুল হোসেন সিয়াম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেদী হাসান, চৌধুরী মোঃ রিজওয়ান ও শাহরিয়ার আল আমিন।

সিলেট বিভাগ

অধিনায়ক: জাকির হাসান

স্কোয়াড: জাকির হাসান, অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ, মুবিন আহমেদ দিশান, সৈকত আলী, মোঃ তানভীর হোসেন সজীব, আসাদুল্লাহ আল গালিব, শাহানুর রহমান, নাঈম আহমেদ, নাবিল সামাদ, নাঈম হোসেন সাকিব, তোফায়েল আহমেদ রায়হান, মহিউদ্দিন তারেক ও অনিক দেববর্মা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনার মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘুমন্ত ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


পাবনার মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘুমন্ত ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের জামিয়া ফারুকিয়া মাদরাসার আবাসিক এক ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষককে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগীর মা পাবনা সদর থানায় ৯(খ) ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

অভিযুক্ত শিক্ষক আক্তারুজ্জামান জামিয়া ফারুকিয়া মাদরাসার শিক্ষক। তিনি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার গফুর বিশ্বাসের ছেলে। ভুক্তভোগী ছাত্রের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের মনিদহ গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্প্রতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে নুরানী শ্রেণিতে পড়া ছাত্রকে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসার টিনশেড ঘরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন শিক্ষক আক্তারুজ্জামান। ঘটনাটি জানাজানি হলে বৃহস্প্রতিবার বিকেলে এলাকার লোকজন মাদরাসা শিক্ষকের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা আসামীকে মারপিট করে। ঘটনার পর পুলিশকে খবর দিলে পাবনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আসামি শিক্ষককে হেফাজতে নেয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, পাবনা সদর থানার ভজেন্দ্রপুরে জামিয়া ফারুকিয়া মাদরাসায় আবাসিক অবস্থায় নুরানী শ্রেণির ভুক্তভোগী ছাত্র উক্ত মাদরাসার শিক্ষক আক্তারুজ্জামানের দ্বারা নির্যাতিত হন। বেশ কিছুদিন ধরে আক্তারুজ্জামান মাদরাসায় ওই ছাত্রসহ অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে নাবালক ছেলেকে ঘুম থেকে ডেকে একতলা বিশিষ্ট টিনশেড কক্ষে কাপড়ের পর্দা দ্বারা ঘেরাও করে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে কাউকে কিছু না জানানোর জন্য তিনি হুমকিও দেন। পরে ওই ছাত্র শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানালে ঘটনা প্রকাশ পায়।

ভূক্তভোগীর বাবা মেহেদী হাসান জিল্লুর বলেন, "আমি এই নরপশুর ন্যায় বিচার চাই। এমন বিচার চাই যাতে আর কোন মাদ্রাসা শিক্ষক এমন ঘটনা না ঘটানোর সাহস পায়।"

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জলেহাজতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ পুলিশের জন্য গঠন হচ্ছে নতুন স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


বাংলাদেশ পুলিশের জন্য গঠন হচ্ছে নতুন স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট

বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হচ্ছে, যা সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় কাজ করবে। অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নেতৃত্বে, বিশেষ এই ইউনিটটি প্রাথমিকভাবে পুলিশের বর্তমান জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে কার্যক্রম শুরু করবে। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-৩ শাখা থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। চিঠিটি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তানভীর-আল-নাসীফ স্বাক্ষরিত, যেখানে বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোয় বিশেষায়িত ও স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশের বর্তমান জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার পুলিশ ইউনিটের কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে ইউনিটটির পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক কাঠামো, নতুন পদের সংখ্যা, যানবাহন ও অন্যান্য লজিস্টিকস এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ কারণে প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টি এবং যানবাহন টিওঅ্যান্ডইভুক্তকরণসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে সাইবার অপরাধের তদন্ত, ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল ফরেনসিক কার্যক্রম পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিট এবং পুলিশের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট শাখা আলাদাভাবে এসব কাজ করছে। নতুন ইউনিটের মাধ্যমে এসব সক্ষমতাকে একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানায়, দেশে সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরাধের ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। সাইবার অপরাধীদের ধরা ও নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষিত পুলিশ সদস্য প্রয়োজন। এজন্য বিভিন্ন ইউনিটে থাকা সাইবার বিশেষজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তারা সাইবার পুলিশ ইউনিটে যুক্ত হবেন।

বর্তমানে সিআইডির অধীনে সাইবার পুলিশ সেন্টার ও ফরেনসিক বিভাগ রয়েছে। পুলিশের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের আওতায় ডিজিটাল তদন্ত ও ফরেনসিক-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। সিআইডির বর্তমান সাংগঠনিক তথ্য অনুযায়ী ডিআইজি (সাইবার পুলিশ সেন্টার) পদও রয়েছে। সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের বর্তমান কাঠামো একেবারে শূন্য থেকে তৈরি হচ্ছে না। পূর্বে থাকা সক্ষমতাকে নতুনভাবে কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) কাঠামোর মধ্যেও সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত কর্মকর্তা রয়েছেন। ফলে নতুন ইউনিট গঠনের পর এসব ইউনিটের দায়িত্ব, এখতিয়ার ও জনবলের পুনর্বিন্যাস হবে।

২১ সেপ্টেম্বরের মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা নেই। ফলে নতুন ইউনিট চালু হওয়ার পর সিআইডি, ডিএমপি ও অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে এর সম্পর্ক কী হবে, কোন ধরনের মামলা নতুন ইউনিট তদন্ত করবে এবং কোন পর্যায়ে স্থানীয় থানা বা জেলা পুলিশের ভূমিকা থাকবে- এসব বিষয় পরবর্তী সাংগঠনিক প্রস্তাবে স্পষ্ট হওয়ার কথা রয়েছে বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তানভীর-আল-নাসীফ গণমাধ্যমকে জানান, পুলিশের সাইবার ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে। বর্তমান জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেই প্রাথমিকভাবে ইউনিটটির কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পুলিশের প্রস্তাবিত কাঠামোতে প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে তা দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআর কঙ্গোতে নৌকাডুবিতে নিহত ৪১, চলছে উদ্ধার অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


ডিআর কঙ্গোতে নৌকাডুবিতে নিহত ৪১, চলছে উদ্ধার অভিযান

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) আবারও একটি ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। পূর্বাঞ্চলীয় টাঙ্গানিকা হ্রদে শতাধিক যাত্রী ও মালামাল নিয়ে একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। খবরটি আল জাজিরা থেকে জানা যায়।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে কঙ্গোর ম্যাপেরা গ্রামের কাছে টাঙ্গানিকা হ্রদে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নৌকাটি তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে কঙ্গোর কালেমি শহরের দিকে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনার শিকার যাত্রী আনি ময়োনি জানান, রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ করে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় যাত্রীরা দেখতে পান নৌকাটি একদিকে প্রচণ্ডভাবে কাত হয়ে পড়েছে এবং মুহূর্তের মধ্যেই তা হ্রদের পানিতে তলিয়ে যায়।

নৌকাডুবির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। ডিআরসির তানগানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মূলঙ্গোয়ী বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে হ্রদে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডিআরসিতে নৌযানগুলো প্রায়ই ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য বহন করে থাকে। অধিকাংশ নৌযানে লাইফ জ্যাকেটসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম না থাকার কারণে প্রায়ই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে। সড়ক অবকাঠামোর দুর্বলতা কারণে ১০ কোটির বেশি জনসংখ্যার এই দেশে নৌপথই যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম।

এর আগে গত জুলাইয়ে কঙ্গোর মধ্যাঞ্চলে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%