ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ


২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৭ সালের (হিজরি ১৪৪৮) হজের জন্য রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে।

এই রোডম্যাপটি রোববার (৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে প্রকাশ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের সময়সূচি ঘোষণা করে এবং এটি বিভিন্ন দেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রীদের কাছে হস্তান্তর করে।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের সময় ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে হজের রোডম্যাপটি হস্তান্তর করেন।

রোডম্যাপ অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে এবং ৮ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হবে দ্বিপাক্ষিক হজচুক্তি। ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং ৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হতে যাচ্ছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৫ মে (০৯ জিলহজ্ব) ২০২৭ সালের হজ অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া, সৌদি প্রান্তের খরচের অর্থ নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্মের ই-ওয়ালেটে সরাসরি স্থানান্তরের কার্যক্রম ১৫ জুলাই থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। নুসুক মাসারের মাধ্যমে সামগ্রিক সেবা প্যাকেজ (তাঁবু, সার্ভিস প্যাকেজ, মক্কা ও মদিনায় হোটেল, ক্যাটারিং ও পরিবহন সেবা) গ্রহণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর শুরু হবে ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই এবং এটি শেষ হবে ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি।

হজযাত্রীদের ডাটা নুসুক মাসার সিস্টেমে আপলোড করতে হবে ১৪ আগস্ট ২০২৬ থেকে ২৮ জানুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যে। এদিকে, হজযাত্রী পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর ও নুসুক মাসারে ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করতে হবে চলতি বছরের ২৯ জুলাই থেকে ৮ নভেম্বরের মধ্যে। ঘোষিত এই রোডম্যাপ অনুযায়ী, হজের কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মন্ত্রীসভা অনুরোধ করেছে।

আরও পড়ুন: মাদক কারবারি ও দুর্নীতিবাজদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: এমপি মিলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ট্রফি দিয়েই দেশমকে বিদায় জানাতে চান দেম্বেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


বিশ্বকাপ ট্রফি দিয়েই দেশমকে বিদায় জানাতে চান দেম্বেলে

ফরাসি ফুটবলের এক গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তির সময় এসে গেছে এবারের বিশ্বকাপের পর। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করার পর বিদায় নিতে যাচ্ছেন কোচ দিদিয়ের দেশম। তবে দেশমের বিদায়ের ঘোষণার পর ফ্রান্স দলের মনোযোগে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি, এমনটাই জানিয়েছেন তারকা উইঙ্গার উসমান দেম্বেলে। বরং দেশমকে বিশ্বকাপ ট্রফি উপহার দিয়ে বিদায় জানানো জন্য ফরাসি ফুটবলাররা আরও বেশি অনুপ্রাণিত হয়ে উঠেছেন।

২০১২ সালে ফ্রান্সের দায়িত্ব নেওয়া দেশম জাতীয় দলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। তার অধীনে ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ফ্রান্স। এছাড়াও ২০২১ সালে উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা জিতেছে দলটি। দেশমের নেতৃত্বে ২০১৬ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল ফ্রান্স এবং ২০২৪ ইউরোর সেমিফাইনালেও জায়গা করে নিয়েছে।

ইএসপিএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দেম্বেলে বলেন, "সবাই জানে এটি দেশমের শেষ টুর্নামেন্ট। ফরাসি ফুটবলে তার অবদান অসাধারণ এবং তাকে কোচ হিসেবে পাওয়া দলের জন্য গর্বের বিষয়।" তিনি বিশ্বাস করেন, কোচের বিদায়ের ঘোষণার ফলে দলের মানসিকতায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

দেম্বেলের মতে, দেশম সবসময় খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রাখেন এবং প্রতি ম্যাচের পর তাদের অনুপ্রাণিত করেন। তাই কোচের শেষ টুর্নামেন্ট স্মরণীয় করে তুলতে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে প্রস্তুত ফরাসি ফুটবলাররা।

বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী ভাবা হলেও দেম্বেলে সতর্ক। তিনি জানান, "আর্জেন্টিনা, স্পেন, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, জার্মানি ও ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ রয়েছে।" কাগজে-কলমে ফেবারিট থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে সবাই সমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামপুরায় সড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


রামপুরায় সড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

রাজধানীর রামপুরা সড়কে অবস্থান নিয়ে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছেন, কারণ তাদের চাকরি পূর্বনোটিশ ছাড়াই ঝেরে ফেলা হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) দুপুরের দিকে বিটিভি ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

ফলস্বরূপ, তীব্র গরমের মধ্যে ওই এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। সাধারণ পথচারী ও যাত্রীদের জন্য এটি একটি চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

জানা গেছে, বিটিভি সেন্টারের সামনে ‘টেক্সাস ড্রেসেস লিমিটেড’ নামক পোশাক কারখানার কয়েক শ শ্রমিক এই আন্দোলনে অংশ নেন। শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মালিবাগ-রামপুরা-বাড্ডা রুটের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এক পাশে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

আন্দোলনরত শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, শ্রম আইনের তোয়াক্কা না করে কোনও পূর্বনোটিশ বা বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের ঘোষণা ছাড়াই কারখানা কর্তৃপক্ষ বেআইনিভাবে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে। চাকরি হারিয়ে জীবিকা নির্বাহের সংকটে পড়ে তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা বিটিভি ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ভবন ঘেরাও করে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যেতে সংকল্পবদ্ধ।

এ সময় শ্রমিকদের পক্ষ থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলি হলো—

১. ছাঁটাই করা ১৪৭ জন শ্রমিককে অবিলম্বে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।

২. আন্দোলন দমাতে পুলিশ প্রশাসন বা বহিরাগতদের দিয়ে শ্রমিকদের ওপর কোনও ধরনের মামলা, হামলা বা হয়রানি করা যাবে না।

৩. কারখানার পূর্ববর্তী স্বাভাবিক নিয়ম ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে যেভাবে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল, ঠিক সেভাবে কারখানা পরিচালনা করতে হবে।

৪. কারখানার অভ্যন্তরে শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. প্রত্যেক শ্রমিকের চাকরির আইনি ও স্থায়ী নিশ্চয়তা দিতে হবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, ১৪৭ জন শ্রমিকের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে দুপুরে রামপুরায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন। এতে প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছি। এখন শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা শ্রম অধিদপ্তরে যাচ্ছেন, সেখানে আশা করি বিষয়টি সমাধান হবে। বর্তমানে রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডব্লিউটিও বাণিজ্য সক্ষমতা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


ডব্লিউটিও বাণিজ্য সক্ষমতা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখবে

বাংলাদেশে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)।

সংস্থাটি জানিয়েছে যে, অবকাঠামো, উৎপাদনশীল খাত, বাণিজ্য নীতি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

বাসস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডব্লিউটিও’র উপ-মহাপরিচালক শিয়াংচেন ঝাং বলেন, বাণিজ্য সহায়তা উদ্যোগের উল্লেখযোগ্য সুবিধাভোগী দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ও তার উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে বাণিজ্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও অর্থনীতির সহনশীলতা জোরদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতারই এটি প্রতিফলন।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) ক্রেডিটর রিপোর্টিং সিস্টেমের তথ্য অনুসারে, ২০০৬ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ‘এইড ফর ট্রেড’ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা পেয়েছে। উল্লেখযোগ্য সময়ে, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই সর্বোচ্চ সহায়তা পাওয়া দেশ।

ঝাং বলেন, এই সহায়তার প্রায় ৬৮ শতাংশ ব্যয় হয়েছে অর্থনৈতিক অবকাঠামো খাতে। বিশেষ করে জ্বালানি উৎপাদন ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে। কৃষি, ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবাসহ উৎপাদনশীল খাতে প্রায় ৩০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাকি প্রায় দুই শতাংশ ব্যয় হয়েছে বাণিজ্যনীতি ও নিয়ন্ত্রকমূলক কার্যক্রমে।

তিনি বলেন, ‘অবকাঠামো ও উৎপাদনশীল খাতে গুরুত্ব দেওয়া বৈশ্বিক বাণিজ্য সহায়তা প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এসব উদ্যোগ সরবরাহ-পক্ষের সীমাবদ্ধতা দূর করে বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই নেওয়া হচ্ছে।’

ডব্লিউটিওর এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ভবিষ্যতেও অবকাঠামো উন্নয়ন ও উৎপাদনশীল খাতে সহায়তা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে বাণিজ্যনীতি, ডিজিটালাইজেশন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

তার মতে, বাণিজ্যনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সক্ষমতা বেড়ে গেলে বাংলাদেশ সহজেই বৈশ্বিক বাজারের সুযোগ কাজে লাগাতে সক্ষম হবে এবং বিশ্ব বাণিজ্যের পরিবর্তনশীল পরিবেশে কার্যকরভাবে সাড়া দিতে পারবে।

বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডব্লিউটিওর সহযোগিতা তুলে ধরে ঝাং বলেন, সংস্থাটি বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বাংলাদেশে ডব্লিউটিওর সমর্থনে দুটি কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে।

ডব্লিউটোতে বিভিন্ন তথ্য ও প্রতিবেদন দাখিলসংক্রান্ত একটি কর্মসূচির পর বাংলাদেশের সরকার বাণিজ্য আলোচনা দক্ষতা বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানিয়েছে।

ঝাং বলেন, ‘আশা করছি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম আয়োজন করতে পারব।’

তার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণের সক্ষমতা আরও বাড়াবে।

ডব্লিউটিওর উপ-মহাপরিচালক জানান, ই-লার্নিং কোর্স, উন্নত বাণিজ্যনীতি কর্মসূচি, আঞ্চলিক কর্মশালা এবং বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণসহ ডব্লিউটিওর কারিগরি সহায়তা কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত ২৮১ জন বাংলাদেশি কর্মকর্তা অংশ নিয়েছেন।

এছাড়া, ডব্লিউটিওর দীর্ঘমেয়াদি প্লেসমেন্ট কর্মসূচি ও ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাত তরুণ পেশাজীবী উপকৃত হয়েছেন। এটি ভবিষ্যতের বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ তৈরির ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করছে।

বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক চাপের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ঝাং বলেন, নতুন নতুন বাণিজ্য সমস্যা নিয়ে আলোচনা এবং সেগুলোর সমন্বিত সমাধান খুঁজে বের করার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ওয়টিও কাজ করছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর চালু হওয়া ডব্লিউটিওর ‘ট্রেড মনিটরিং রিপোর্ট’ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব ফেলা বিভিন্ন পদক্ষেপের স্বচ্ছতা ও পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় সদস্য দেশগুলোর সাড়া দেওয়ার বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন ঝাং।

তিনি বলেন, ব্যাপক বিপর্যয়ের মধ্যেও আন্তর্জাতিক কারণে জরুরি পণ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব হয়েছিল।

তিনি জানান, ২০২২ সালে মানবিক সহায়তার জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কেনা খাদ্যপণ্যের ওপর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার সিদ্ধান্ত নেয় ডব্লিউটিওর সদস্যরা। এটিকে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবেও বর্ণনা করেন।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত বলেও মন্তব্য করেন ঝাং। তিনি আরও বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণেও বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করছে।

ডব্লিউটিওতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা ও নীতি বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক আলোচনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। সেখানে ফুটওয়্যার, ওষুধশিল্প, পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক, হোম টেক্সটাইল, ক্ষুদ্র উৎপাদন খাত ও ডিজিটাল সেবার নতুন সম্ভাবনার বিষয়টি উঠে এসেছে।

ঝাংয়ের মতে, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে এবং বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হতে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, নকশা দক্ষতা, মেধাস্বত্ব উন্নয়ন এবং বিপণন কৌশলে আরও বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ও মূল্য শৃঙ্খলের কিছু অংশে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ উচ্চ মজুরির কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তোলার সক্ষমতার প্রমাণ দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ধীরে ধীরে আরও বহুমুখী উৎপাদন ও রপ্তানি কাঠামো গড়ে তুলছে। এর মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’

ডব্লিউটিও’র এই উপ-মহাপরিচালক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়েও আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, অবকাঠামো, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং নীতিগত সক্ষমতায় ধারাবাহিক বিনিয়োগ বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি পেরেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


আবারও রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি পেরেজ

রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি নির্বাচনে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ আবারও জয় অর্জন করেছেন। ক্লাব সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে সফল হয়ে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ক্লাবটির নেতৃত্ব দেওয়ার ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছেন তিনি।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুসারে, মোট ভোটের ৬৫ শতাংশ পেয়ে পেরেজ প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ী এনরিকে রিকেলমেকে পরাজিত করেছেন। নির্বাচনের আগে তিনি বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যার মধ্যে নতুন এক ‘গ্যালাকটিকো’ তারকাকে দলে ভেড়ানোর কথা উল্লেখ ছিল।

পেরেজের বিজয় রিয়াল মাদ্রিদে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরী করেছে। বিশেষত, কোচ হিসেবে জোসে মরিনহোর প্রত্যাবর্তন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

এছাড়া, নির্বাচনের আগে পেরেজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, একটি শীর্ষ ইউরোপীয় ক্লাবের তারকাকে দলে ভেড়াতে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হবে। তবে খেলোয়াড়ের নাম তিনি প্রকাশ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%