রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৭ পি.এম
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ অভিযোগ করেছেন যে, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় জামায়াত, এনসিপি এবং নিষিদ্ধ লীগ প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।
তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে এই দাবি করেন।
আবু হানিফ বলেন, "প্রথমত, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আমি নিন্দা জানাই। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "দ্বিতীয়ত, সালমান মুক্তাদির তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, কেউ তার কাছে চাঁদা দাবি করেনি। তিনি বলেছেন, মূলত জমির মালিকের সঙ্গে বিরোধের কারণে এই হামলা হয়েছে।"
পুলিশের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও টার্গেট ছিল না।
আবু হানিফ পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, "মূল ঘটনা হলো দুই জমির মালিকের মধ্যে চলমান বিরোধের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। অথচ প্রচার করা হচ্ছে যে সালমান মুক্তাদির চাঁদা দেয়নি বলেই এই হামলা। এটা স্পষ্ট যে, সালমান মুক্তাদির ইস্যুতে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে জামায়াত, এনসিপি এবং নিষিদ্ধ লীগ।"
প্রসঙ্গত, শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সিসি ক্যামেরাসহ সব স্টুডিওর যন্ত্রাংশ এবং রুমের যাবতীয় জিনিসপত্র লুটপাট ও অন্যান্য জিনিসপত্র ভেঙে তছনছ করে ফেলে দুর্বৃত্তরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজীবের বিরুদ্ধে জারি করা বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে তার পূর্বের পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দপ্তর শাখা থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, খায়রুল ইসলাম সজীবকে পূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শের বিরুদ্ধে কার্যকলাপের অভিযোগে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজকের দিনে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং তাকে পূর্বের পদে পুনর্বহাল করা হয়।
যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ইতোমধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির যৌথ সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত বার্তায় দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এই নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দক্ষিণী তারকা নানির নতুন সিনেমা ‘দ্য প্যারাডাইস’। সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও, দর্শকদের আগ্রহের কারণে ছবিটি মাত্র তিন দিনে বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি রুপি আয় করে ফেলেছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, সিনেমাটির মোট বিশ্বব্যাপী আয় প্রায় ১১৯ কোটি ৫০ লাখ রুপি হয়েছে।
ভারতের বাজারে ছবিটির আয়ও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তৃতীয় দিনে সিনেমাটি ভারত থেকে ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপি নেট আয় করেছে। এর ফলে, তিন দিনে ভারতের মোট নেট সংগ্রহ ৭৬ কোটি ৪০ লাখ রুপি হয়েছে, আর ভারতীয় গ্রস আয় প্রায় ৯০ কোটি ৫০ লাখ রুপি। একই দিনে বিদেশের বাজার থেকে ৪ কোটি রুপি আয় হয়েছে, ফলে বিদেশে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি রুপি।
২৩ সেপ্টেম্বর প্রিমিয়ার শো দিয়ে ছবিটির বক্স অফিস যাত্রা শুরু হয়। ওই দিন ৯০০টি শো থেকে ১১ কোটি ৬০ লাখ রুপি নেট আয় করে সিনেমাটি। ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথম দিনের আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনে আয় হয় ৩৪ কোটি ৬৫ লাখ রুপি। দ্বিতীয় দিনে আয় কিছুটা কমে ১৪ কোটি ৯০ লাখ রুপি হলেও, তৃতীয় দিনে তা সামান্য বেড়ে ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপি হয়েছে।
ভাষাভিত্তিক আয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে তেলুগু সংস্করণ। তৃতীয় দিনে তেলুগু সংস্করণ থেকে এসেছে প্রায় ১৩ কোটি ৩৫ লাখ রুপি নেট। একই দিনে হিন্দি সংস্করণ আয় করেছে প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ এবং তামিল সংস্করণ প্রায় ২৫ লাখ রুপি।
শ্রীকান্ত ওদেলা পরিচালিত ‘দ্য প্যারাডাইস’-এ নানির সঙ্গে অভিনয় করেছেন কায়াদু লোহার, মোহন বাবু, সোনালি কুলকার্নি ও রাঘব জুয়াল। সিনেমাটির গল্পে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, অধিকার ও প্রতিরোধের বিষয় উঠে এসেছে। ছবিটি বর্তমানে একাধিক ভাষায় প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে।
তিন দিনের হিসাব অনুযায়ী, সিনেমাটি নানির ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় বক্স অফিস ওপেনিং হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। তবে চতুর্থ দিনের চূড়ান্ত আয় এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে, প্রথম সপ্তাহে ছবিটি কতটা গতি ধরে রাখতে পারে, সেটিই এখন বক্স অফিসের পরবর্তী আলোচনার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডার অন্টারিওর এক কিশোর মাত্র ১৬ বছর বয়সে পানিদূষণ শনাক্ত করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে একটি রোবট কচ্ছপ তৈরি করেছেন। ইভান বুডজের তৈরি রোবটটির নাম ‘বার্ট’। এটি পানির নিচে কচ্ছপের মতো চলতে সক্ষম এবং পানিতে থাকা ক্ষতিকর উপাদান শনাক্ত করতে পারে।
২০২৪ সালের গ্রীষ্মে রোবটটি তৈরির ধারণা ইভানের মাথায় আসে। কানাডার দাদা-দাদির বাড়ির সুইমিংপুলে প্রথমবার রোবটটি পানিতে নামানোর পর ইভান বড় সমস্যায় পড়েন। রোবটটি পানিতে নামানোর পর সরাসরি তলিয়ে যাচ্ছিল। পানির গভীরতা নিয়ন্ত্রণে অক্ষম ছিল এবং সাঁতার কাটতেও পারছিল না।
ইভান একবার পরিবারের সঙ্গে অন্টারিওর দুর্গম এলাকায় ক্যাম্পিং করতে গিয়ে পানির মধ্যে একটি স্ন্যাপিং কচ্ছপকে শান্তভাবে চলতে দেখেছিলেন। সেই দৃশ্য থেকেই কচ্ছপের চলন অনুসরণ করে পানির নিচে চলতে পারে এমন রোবট তৈরির ধারণা পান তিনি।
সাধারণ পানির নিচের অনেক রোবট চলাচলের জন্য পাখা বা উচ্চচাপের পানির প্রবাহ ব্যবহার করে, যা পানির নিচের পরিবেশে শব্দ ও নড়াচড়া তৈরি করে। এটি সামুদ্রিক প্রাণী ও সংবেদনশীল জলজ পরিবেশের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে।
কচ্ছপের সাঁতারের কৌশল অনুকরণ করে ‘বার্ট’ তৈরি করেছেন ইভান। রোবটটি ঘণ্টায় প্রায় শূন্য দশমিক ৫ মাইল গতিতে চলতে পারে, যা একটি আসল কচ্ছপের স্বাভাবিক গতির কাছাকাছি।
রোবটটিতে একটি ক্ষুদ্র কম্পিউটার, সামনের দিকে থাকা ক্যামেরা এবং পরিবেশগত ঝুঁকি শনাক্ত করার জন্য প্রশিক্ষিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা রয়েছে। এর সঙ্গে একটি সৌর প্যানেলও যুক্ত করা হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় কাজ করতে সহায়তা করে।
ইভানের নিজস্ব পরীক্ষায় কৃত্রিমভাবে তৈরি প্রবাল বিবর্ণতার নমুনা শনাক্ত করতে ‘বার্ট’ ৯৬ শতাংশ নির্ভুলতা দেখিয়েছে। তবে এই ফল নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরিচালিত পরীক্ষার ভিত্তিতে পাওয়া। বাস্তব সমুদ্রের প্রবালপ্রাচীর বা দীর্ঘ সময় ধরে প্রাকৃতিক পরিবেশে একই মাত্রার নির্ভুলতা বজায় থাকবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
পরে ইভান রোবটটি সুইমিংপুলের বাইরেও পরীক্ষা করেন। অন্টারিও হ্রদেও এর কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে।
ঘোলাটে পানিতে কাজ করার জন্য রোবটটিতে শব্দতরঙ্গভিত্তিক একটি যন্ত্র যুক্ত করা হয়েছে। ক্ষুদ্র কণার আকার ও গঠন শনাক্ত করার জন্য একটি বিশেষ আলোকচিত্র প্রযুক্তিও যুক্ত করেছেন ইভান। এসব তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে পানিতে থাকা কোনো কণা মাইক্রোপ্লাস্টিক কি না, তা শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।
বিজ্ঞান মেলায় সেরা প্রকল্প
ইভানের তৈরি রোবটটি ইতোমধ্যে বিজ্ঞান মেলার গণ্ডি পেরিয়েছে। ২০২৫ সালের কানাডা-ব্যাপী বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবন বিভাগে সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পায় ‘বার্ট’। এই প্রতিযোগিতায় দেশটির প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে লাটভিয়ার রিগায় অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের তরুণ বিজ্ঞানী প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার অর্জন করে ইভান। ৪০টি দেশের ১৪ থেকে ২০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়। পুরস্কার হিসেবে সে পায় ৭ হাজার ইউরো।
এছাড়া ইভান ইতিবাচক ফলাফলের জন্য গর্ডন ই. মুর পুরস্কার হিসেবে ৫০ হাজার ডলার এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ভ্রমণের সুযোগসহ এলিসন স্কলার্স পুরস্কার পেয়েছে।
এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে
‘বার্ট’ এখনো নিজে থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পথ পরিবর্তন করতে পারে না। এটি আগে থেকে নির্ধারিত একটি অনুসন্ধান পথ অনুসরণ করে। তবে কোনো দড়ি বা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয় না। এতে রোবটটি শান্তভাবে কাজ করতে পারে এবং পানির নিচে কোনো অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পেলে সেটির কাছে গিয়ে পরীক্ষা করতে পারে না।
ইভানের পরবর্তী লক্ষ্য হলো রোবটটির মাধ্যমে সরাসরি পানির নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি কৃত্রিম বা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের বাইরে প্রাকৃতিক জলাশয়ে আরও পরীক্ষা চালাতে চান তিনি।
ভবিষ্যতে তৈরি করতে চান রোবটের বহর
ইভান জানিয়েছেন, তার লক্ষ্য শুধু একটি রোবট তৈরি করা নয়। ভবিষ্যতে একই ধরনের অনেকগুলো রোবট কচ্ছপ একসঙ্গে পানিতে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার। এতে একটি জলাশয় বা প্রবালপ্রাচীরের বড় এলাকা একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হতে পারে।
‘বার্ট’ তৈরিতে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার বা বড় প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বাজেটের প্রয়োজন হয়নি। ক্ষুদ্র কম্পিউটার, ক্যামেরা ও সহজলভ্য যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেই এটি তৈরি করেছেন ইভান।
তবে ৯৬ শতাংশ নির্ভুলতার ফলকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখছেন না তিনি। বরং ভবিষ্যতের আরও উন্নত পরীক্ষা ও গবেষণার ভিত্তি হিসেবেই এই ফলকে কাজে লাগাতে চান।
সূত্র: রিসার্চ ডট কম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির থেকে চুরি হওয়া বহুমূল্য কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি, স্বর্ণ-রৌপ্যের অলংকার এবং বিভিন্ন পিতলের প্রতিমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার মাত্র ছয় দিনের মধ্যে মূল মূর্তিসহ অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার বুরাইচ গ্রামের আসাদুজ্জামান সাদ্দাম (৩৮), তার মা সাজেদা বেগম (৬৫), বোয়ালমারীর কান্দাকুল গ্রামের আল আমিন মোল্লা (২৪) এবং বোয়ালমারী বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমান।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে পূজা শেষে মন্দির তালাবদ্ধ করে চলে যান সেবায়েত ও মন্দির কমিটির সভাপতি কুশল চক্রবর্তী। পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে মন্দিরে গিয়ে তিনি দেখতে পান তালা কেটে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি, প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ৩০ ভরি রৌপ্যালংকার ও পিতলের একাধিক প্রতিমা চুরি হয়ে গেছে। এজাহার অনুযায়ী চুরি হওয়া ২০ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীর নির্দেশনায় কোতোয়ালি থানা, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারদের সমন্বয়ে গঠিত দল অনুসন্ধানে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার সাজেদা বেগমের দেওয়া তথ্যে তার বাড়ির রান্নাঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখা স্বর্ণ-রৌপ্যের গহনা ও ৬টি পিতলের মূর্তি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে সাদ্দাম ও আল আমিনের দেওয়া তথ্যে বোয়ালমারী রুপাপাত এলাকার একটি বাড়ির পিছনের মাটির তলদেশ থেকে উদ্ধার করা হয় কষ্টিপাথরের কালীমূর্তিটি। এছাড়া স্থানীয় এক জুয়েলারি দোকান থেকে মূর্তি থেকে চুরিকৃত গলানো স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া সাদ্দামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টিরও বেশি এবং আল আমিনের বিরুদ্ধে ৮টির বেশি চুরি ও ডাকাতির মামলা রয়েছে। মামলাটি প্রাথমিক অবস্থায় সূত্রহীন থাকলেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে স্বল্পতম সময়ে এই সফলতা পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ সুপার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ