বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:২৪ এম
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রামে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার পরে, তাঁর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে উপজেলাজুড়ে নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশার আবহ তৈরি হয়েছে। শিল্প, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় এই অঞ্চলের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আশাবাদের কথাও শোনা যাচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রয়াত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পর চট্টগ্রামের রাজনীতিতে জনসম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আসলাম চৌধুরী একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছেন। দীর্ঘ কারাবাস শেষে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীতাকুণ্ড আসনে বিপুল ভোটে বিজয় তাঁর রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন বলেও তারা মনে করেন। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীতাকুণ্ড আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরেও, আইনি জটিলতার কারণে তাঁর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়ে যায়।
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীদের একটি অংশের মতামত হল, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রিভিউ আবেদন করা হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে নতুন আশাবাদ দেখা দিয়েছে। বহু মানুষ এটিকে সীতাকুণ্ডের উন্নয়নযাত্রার নতুন সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়দের মতে, গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাব এবং শিল্পাঞ্চলকেন্দ্রিক নানা সংকটের কারণে সীতাকুণ্ডের উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোয়নি। জাতীয় সংসদে কার্যকর প্রতিনিধিত্বের অভাবে বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্পও দীর্ঘসূত্রতায় পড়েছে বলে তাদের অভিযোগ। এ কারণে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সক্রিয় ভূমিকা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনবে বলে তারা আশা করছেন।
দেশের অন্যতম বৃহৎ শিপব্রেকিং শিল্প, রি-রোলিং মিল, ভারী শিল্পাঞ্চল এবং পর্যটন সম্ভাবনার কেন্দ্র হিসেবে সীতাকুণ্ড দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ। তবে, শিল্পাঞ্চলে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, নিরাপত্তা সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে বিনিয়োগ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ। তাদের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চয় হলে, শিল্পাঞ্চলে নতুন বিনিয়োগ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের সুবিধা প্রকৃত অর্থে সম্প্রসারিত হবে।
দলীয় সূত্র জানাচ্ছে, দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হলে শিল্পাঞ্চলে অবৈধ চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকত, চন্দ্রনাথ পাহাড় ও আশপাশের পর্যটন এলাকাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও স্থানীয়ভাবে আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে।
পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে, এ খাতে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। এ ছাড়াও, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে আন্ডারপাস নির্মাণ, গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, পাহাড়ি ঢল নিয়ন্ত্রণ এবং উপকূলীয় অবকাঠামো শক্তিশালী করার দাবিও দীর্ঘদিনের।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং দুর্যোগকালে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াসের কারণে আসলাম চৌধুরী স্থানীয়ভাবে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। করোনা মহামারি ও রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ এবং সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাঁর উদ্যোগে পরিচালিত চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রমও দলমত নির্বিশেষে সকল মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
সীতাকুণ্ড সংসদীয় আসনের মানুষের প্রত্যাশা হল, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিল্পের নিরাপত্তা ও জনসেবামুখী নেতৃত্ব নিশ্চিত হবে। তাদের বিশ্বাস, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে কার্যক্রম শুরু হলে সীতাকুণ্ডের স্থবির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নতুন গতি পাবে। শিল্প, পর্যটন, যোগাযোগ, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অপার সম্ভাবনাময় সীতাকুণ্ডকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা এখন স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে। উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও পর্যটন জনপদ হিসেবে সীতাকুণ্ড আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করবে, এমন আশাই করছেন এখানকার বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা আবার পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের অসাধারণ গল্প রচনা করলো। বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সাত মিনিটে যেন নতুন করে লেখা হলো মেসিদের রুপকথা। আটলান্টার স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা লিওনেল স্কালোনির দল অবিশ্বাস্যভাবে প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে।
এতে আলবিসেলেস্তেরা টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রবেশ করেছে। এবারের শিরোপা লড়াইয়ে তাদের শেষ প্রতিপক্ষ হবে স্পেন। তবে এই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে গোলশূন্য প্রথমার্ধে দুই দলই আক্রমণের চাইতে বেশি লড়াই করেছে মাঝমাঠের দখল নেওয়ার জন্য। শুরু থেকেই মাঠে ছিল ফাউল, সংঘর্ষ এবং স্নায়ুযুদ্ধ। ইংল্যান্ড বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকার পরও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। প্রথমার্ধের সেরা সুযোগটি এনজো ফার্নান্দেজ পেয়ে ছিলেন, তবে তার দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য ক্রসবারের উপর দিয়ে চলে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে মরগান রজার্সের নিখুঁত ক্রস থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের ট্যাপ-ইনে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়। এরপর একাধিক সুযোগ তৈরি সত্ত্বেও আর্জেন্টিনা সমতা ফেরাতে পারেনি। অবশেষে ৮৫ মিনিটে শর্ট কর্নার থেকে মেসির পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন এনজো ফার্নান্দেজ।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ডান প্রান্তে জেড স্পেন্সকে কাটিয়ে নিখুঁত ক্রস বল তোলেন মেসি। দূরের পোস্টে অরক্ষিত অবস্থায় থাকা লাওতারো মার্তিনেজ হেড দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন এবং ইংল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে দেন। এই জোড়া অ্যাসিস্টের মাধ্যমে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বিশ্বকাপ ফুটবলের আধুনিক ইতিহাসের পাতায় নিজের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ ও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন।
এটি ছিল বিশ্বকাপে মেসির ১২তম অ্যাসিস্ট (গোল করানো)। তিনি ছয়টি বিশ্বকাপ আসরে অংশ নিয়ে এই চোখধাঁধানো কীর্তি গড়েছেন। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচেও তিনি একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে লিওনেল মেসি একমাত্র ফুটবলার, যিনি পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন আসরে অ্যাসিস্ট করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ দিয়ে এই যাত্রার শুরু হয়েছিল। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং চলমান বিশ্বকাপে প্রতি আসরেই সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। ৮ অ্যাসিস্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের ট্রাফিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০৭টি অবৈধ যানবাহন আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) চাঁদপুর পুলিশ মিডিয়া সেল থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে শহরে সড়ক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট নিরসন এবং অবৈধ যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে এই বিশেষ ট্রাফিক অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানকালে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান চাঁদপুরের বাবুরহাট বাজার মোড়ে সরাসরি উপস্থিত থেকে ট্রাফিক কার্যক্রম তদারকি এবং অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাদিরা নূর।
অন্যদিকে, পালের বাজার ব্রিজ চত্বরে অভিযান পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. লুৎফর রহমান। এই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবীর। পুলিশ সুপারের সরাসরি তদারকিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত ট্রাফিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় সবমিলিয়ে ৩০৭টি অবৈধ যানবাহন আটক করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদান করা হয়। এই সময় টিআই (এডমিন), শহর ও যানবাহন শাখা, অফিসার ইনচার্জ, সদর মডেল থানা, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), চাঁদপুরসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চাঁদপুর জেলা পুলিশ সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ যান চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং জনস্বার্থে এ ধরনের ট্রাফিক অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়া বাজার ইউনিয়নের খারাই এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের একটি ডোবা থেকে পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই ব্যক্তির মৃত্যু অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের ধাক্কায় ঘটেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার সময় স্থানীয়রা মহাসড়কের পাশের একটি ডোবায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে জয়কলস হাইওয়ে থানায় ও জাউয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেন।
সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোতালেব হোসেন। একই সময়ে জাউয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই (নিরস্ত্র) মো. মিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত ব্যক্তি আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী একজন পুরুষ। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, ১৪ জুলাই দিবাগত রাতের কোনো এক সময় অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের ধাক্কায় তার মৃত্যু ঘটে থাকতে পারে। কিন্তু ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে।
ওসি মো. মোতালেব হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে আবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে। আটলান্টায় মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়ে গেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘আমি ভাষাহীন। আমাদের দেশ ও মানুষের জন্য এটি বিশাল আনন্দের মুহূর্ত। এই অসাধারণ দলটিকে দেখে আমি মুগ্ধ। আমরা অবশ্যই শিরোপা জেতার চেষ্টা করব।
কিন্তু আজকের ম্যাচের পর কথা বলাটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
এরপর খেলোয়াড়দের প্রশংসায় ভাসিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন, আমাদের খেলোয়াড়রা মাঠে কী অসাধারণ পারফম্যান্স দেখাচ্ছে। আমরা অনন্য। এই কথা আমি অহংকার করে বলছি না।’
‘শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার মর্যাদা এই জার্সির প্রাপ্য, কোনো কিছুই জমিয়ে রাখা উচিত নয়। আমাদের খেলোয়াড়রা আবারো প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ মানুষের মতোই তারাও এই জার্সির টান মনে-প্রাণে অনুভব করে’—যোগ করেন স্কালোনি।
নিউ জার্সিতে আগামী রবিবার রাতে ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে স্পেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ