ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাঙ্গামাটিতে শতাধিক প্রতিমার মাধ্যমে ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রদর্শনী


রাঙ্গামাটিতে শতাধিক প্রতিমার মাধ্যমে ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রদর্শনী

রাঙ্গামাটি, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলায় সার্বজনীন দূর্গোৎসবে শতাধিক প্রতিমার মাধ্যমে পাহাড়ী জনগোষ্ঠির ধর্মীয় বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার এলাকার গীতাশ্রম মন্দির।

এটি যেন পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বৈচিত্র্যের সহাবস্থান, সম্প্রীতি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্নের রেইনবো নেশনের বার্তা প্রদান করছে।

শারদীয় দুর্গোৎসব শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরার উপলক্ষও। এই প্রেক্ষাপটে, রাঙ্গামাটির শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দিরে শতাধিক প্রতিমার মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির ধর্ম, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করা হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই আয়োজন দেখতে মণ্ডপে ভিড় করছেন হাজারো দর্শনার্থী।

আরও পড়ুন: নাসিরনগরে নিখোঁজের চার দিন পর পুকুরে মিলল গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ

গীতাশ্রম মন্দিরে বর্ণিল সাজে সজ্জিত মণ্ডপ, সারি সারি শত প্রতিমা। প্রতিটি প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে পাহাড়ের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের নানা দিক।

রাঙ্গামাটির শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দিরে এবারের দুর্গাপূজার আয়োজন, অন্য মণ্ডপের তুলনায় আলাদা মাত্রা পেয়েছে।

মন্দিরে আসা মনু মারমা বাসস’কে জানান, এবারের দুর্গোৎসবে রাঙ্গামাটির সবচেয়ে আকর্ষণ হলো গীতাশ্রম মন্দিরে দুর্গাপূজায় পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ঐতিহ্য তুলে ধরা। তিনি বলেন, "এ ধরনের আয়োজন আমাদের সকলের মাঝে সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধ আরো শক্তিশালী করবে।"

শারদীয় দুর্গোৎসবে গীতাশ্রম মন্দিরে সাজানো শত প্রতিমাগুলোর মধ্য দিয়ে দর্শনার্থীরা দেখতে পাচ্ছেন সমতল ও পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের ধর্ম ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের নানা দিক। এর মধ্যে শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দিরের শতাধিক প্রতিমার আয়োজন বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

আরও পড়ুন: সিংড়ায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তার নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে

আয়োজকদের এই উদ্যোগে গুরুত্ব পেয়েছে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরার বিষয়টি। এই ব্যতিক্রমী আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতেও ভূমিকা রাখছে। ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরার এই প্রয়াস এবারের আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করছে এই মণ্ডপ।

গীতাশ্রম মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শংকর হোড় বাসস’কে জানান, দুর্গোৎসবের আনন্দের সঙ্গে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে শক্তিশালী করার বার্তা দেয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, "এমন উদ্যোগ পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যকে নতুন করে জানার সুযোগ করে দিচ্ছে।"

এই উদ্যোগ দুর্গোৎসবের পাশাপাশি সংস্কৃতির বহুমাত্রিক উপস্থাপনার এক অনন্য ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

গীতাশ্রম মন্দির ছাড়াও জেলা-উপজেলার প্রতিটি মন্ডপে এবার আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব।

আরও পড়ুন: কৃষকের দুই পায়ের রগ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

এবার রাঙ্গামাটি জেলাজুড়ে ৪৭টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপে শান্তিপুর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপুজা পালনের জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য সংস্থার পক্ষ থেকে নানা রকম উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতিটি পুজা মন্ডপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে আছে সরকার, ‘সংখ্যালঘু’ বলতে কোনো শব্দ নেই: প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি।

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে আছে সরকার, ‘সংখ্যালঘু’ বলতে কোনো শব্দ নেই: প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে সরকার রয়েছে উল্লেখ করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বলেছেন, “সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভাই-বোনদের পাশে সরকার রয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও তাঁদের পাশে রয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে আর্থিক অনুদান ও উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে চার হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এ ছাড়া অসহায় মানুষের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, বিএনপি সরকার সব সময় দুর্গাপূজার আয়োজনের ওপর নজর রাখছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাঁদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। স্বাধীনতার পর এবারই দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আহসান কবীর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দীন মোহাম্মদ এবং কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন।
এ সময় পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন পল্লব সিকদার, অ্যাডভোকেট সুধীর, জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী রতন ও পলাশ কর্মকার।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


বান্দরবানে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন

বান্দরবান, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।

সোমবার সকালে বান্দরবান রাজার মাঠে কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এই চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।

এ সময় ডিআইজি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজার সার্বিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়কালে আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, বান্দরবানের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিটি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও বলেন, এবার চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি জেলায় জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজার আয়োজন সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ, বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিপ্লব দাশ রাজেশ্বর, সাধারণ সম্পাদক তপন কান্তি দাশ, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, জেলা পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ।

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উপলক্ষে দিনব্যাপী রাজার মাঠের কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। ক্যাম্পে চর্ম, চক্ষু, দন্ত ও মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিবেন। পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারিসের বিশৃঙ্খলায় মেসির দুটি অমূল্য স্মৃতিচিহ্ন চুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


প্যারিসের বিশৃঙ্খলায় মেসির দুটি অমূল্য স্মৃতিচিহ্ন চুরি

প্যারিসের বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মাঝে লিওনেল মেসির সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি মূল্যবান স্মৃতিচিহ্ন চুরি হয়েছে। মুখোশ পরিহিত কয়েকজনকে মেসির স্বাক্ষর করা একটি বার্সেলোনার জার্সি এবং অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনীসহ দুটি বাঁধানো ফ্রেম নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে দেখা গেছে। এই ঘটনা ঘটে ১৭ অক্টোবরের অস্থিরতার সময়। একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্যারিসের একটি ফুটবল জাদুঘর বা ক্রীড়া সংগ্রহশালা থেকে এসব সামগ্রী চুরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে সামগ্রীর উৎস দেখা যায়নি।

চুরি হওয়া জার্সিটিতে বার্সেলোনার ১০ নম্বর এবং মেসির স্বাক্ষর ছিল। অন্য ফ্রেমে মেসির স্বাক্ষর করা অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী ছিল, যেখানে ম্যাচ চলাকালে সেটি পরা মেসির একটি ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কালো পোশাক ও মুখ ঢাকা কয়েকজনকে এসব সামগ্রী বহন করতে দেখা যায়।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে লুটের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তবে মেসির স্মৃতিচিহ্নগুলো কোথা থেকে নেওয়া হয়েছিল এবং সেগুলো বর্তমানে কোথায় রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এগুলো ফুটবল জাদুঘর থেকে চুরি হয়েছে, অন্যদিকে কিছু প্রতিবেদনে শুধুমাত্র একটি সংগ্রহশালা বা প্রতিষ্ঠানে লুটের কথা বলা হয়েছে। ফলে ঘটনার সবিস্তার পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।

মেসির বার্সেলোনা অধ্যায়ের স্মৃতিচিহ্ন হওয়ায় সামগ্রীর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। স্বাক্ষর করা জার্সি ও ম্যাচে ব্যবহৃত অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী সংগ্রাহকদের কাছে বিশেষ মূল্য বহন করে। তবে চুরি হওয়া সামগ্রী দুটির নির্দিষ্ট আর্থিক মূল্য সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মেসি নিজে এসব সামগ্রীর মালিক ছিলেন কি না বা তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ক্ষতির মুখে পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, মেসির স্বাক্ষরযুক্ত দুটি বাঁধানো স্মৃতিচিহ্ন প্যারিসের অস্থিরতার সময় মুখোশধারীদের হাতে দেখা গেছে এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থান অজানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণে মামলা গ্রেপ্তার নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণে মামলা গ্রেপ্তার নেই

বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ৭৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে মামলা দায়েরের পরও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বরিশাল নগরের কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করা হয়। নগরীর বাংলাবাজার এলাকায় সংঘটিত ওই মিছিল ও বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে বাংলাবাজার এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থায় মিছিল করেন। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রকাশ্যে এ ধরনের মিছিল ও বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। জনবহুল এলাকায় এমন ঘটনা ঘটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, বিস্ফোরণের প্রকৃতি এবং ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এদিকে, নগরীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন জাফর আহাম্মেদ। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের দুর্বল ভূমিকার কারণে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরা এ ধরনের সশস্ত্র মিছিল করার সাহস পাচ্ছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের কথা জানানো হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।


মামলা দায়ের হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নগরীর একটি এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র মিছিল ও একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠার পরও জড়িত ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছেন স্থানীয়রা।

এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের শনাক্তকরণ এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।

বরিশাল নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মামলাটির তদন্ত কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। পুলিশের পক্ষ থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর কথা জানানো হলেও অভিযানের অগ্রগতি কিংবা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে মিছিলের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, ককটেল বিস্ফোরণের প্রকৃত ঘটনা এবং সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%