রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি।
০৪:২২ পি.এম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে সরকার রয়েছে উল্লেখ করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বলেছেন, “সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভাই-বোনদের পাশে সরকার রয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও তাঁদের পাশে রয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে আর্থিক অনুদান ও উপহারসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে চার হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এ ছাড়া অসহায় মানুষের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, বিএনপি সরকার সব সময় দুর্গাপূজার আয়োজনের ওপর নজর রাখছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাঁদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। স্বাধীনতার পর এবারই দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আহসান কবীর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দীন মোহাম্মদ এবং কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন।
এ সময় পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন পল্লব সিকদার, অ্যাডভোকেট সুধীর, জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী রতন ও পলাশ কর্মকার।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
সোমবার সকালে বান্দরবান রাজার মাঠে কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এই চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।
এ সময় ডিআইজি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজার সার্বিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মতবিনিময়কালে আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, বান্দরবানের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিটি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও বলেন, এবার চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি জেলায় জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজার আয়োজন সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ, বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিপ্লব দাশ রাজেশ্বর, সাধারণ সম্পাদক তপন কান্তি দাশ, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, জেলা পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ।
শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উপলক্ষে দিনব্যাপী রাজার মাঠের কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। ক্যাম্পে চর্ম, চক্ষু, দন্ত ও মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিবেন। পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্যারিসের বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মাঝে লিওনেল মেসির সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি মূল্যবান স্মৃতিচিহ্ন চুরি হয়েছে। মুখোশ পরিহিত কয়েকজনকে মেসির স্বাক্ষর করা একটি বার্সেলোনার জার্সি এবং অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনীসহ দুটি বাঁধানো ফ্রেম নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে দেখা গেছে। এই ঘটনা ঘটে ১৭ অক্টোবরের অস্থিরতার সময়। একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্যারিসের একটি ফুটবল জাদুঘর বা ক্রীড়া সংগ্রহশালা থেকে এসব সামগ্রী চুরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে সামগ্রীর উৎস দেখা যায়নি।
চুরি হওয়া জার্সিটিতে বার্সেলোনার ১০ নম্বর এবং মেসির স্বাক্ষর ছিল। অন্য ফ্রেমে মেসির স্বাক্ষর করা অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী ছিল, যেখানে ম্যাচ চলাকালে সেটি পরা মেসির একটি ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কালো পোশাক ও মুখ ঢাকা কয়েকজনকে এসব সামগ্রী বহন করতে দেখা যায়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে লুটের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তবে মেসির স্মৃতিচিহ্নগুলো কোথা থেকে নেওয়া হয়েছিল এবং সেগুলো বর্তমানে কোথায় রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এগুলো ফুটবল জাদুঘর থেকে চুরি হয়েছে, অন্যদিকে কিছু প্রতিবেদনে শুধুমাত্র একটি সংগ্রহশালা বা প্রতিষ্ঠানে লুটের কথা বলা হয়েছে। ফলে ঘটনার সবিস্তার পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।
মেসির বার্সেলোনা অধ্যায়ের স্মৃতিচিহ্ন হওয়ায় সামগ্রীর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। স্বাক্ষর করা জার্সি ও ম্যাচে ব্যবহৃত অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী সংগ্রাহকদের কাছে বিশেষ মূল্য বহন করে। তবে চুরি হওয়া সামগ্রী দুটির নির্দিষ্ট আর্থিক মূল্য সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মেসি নিজে এসব সামগ্রীর মালিক ছিলেন কি না বা তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ক্ষতির মুখে পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, মেসির স্বাক্ষরযুক্ত দুটি বাঁধানো স্মৃতিচিহ্ন প্যারিসের অস্থিরতার সময় মুখোশধারীদের হাতে দেখা গেছে এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থান অজানা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ৭৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে মামলা দায়েরের পরও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বরিশাল নগরের কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করা হয়। নগরীর বাংলাবাজার এলাকায় সংঘটিত ওই মিছিল ও বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে বাংলাবাজার এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থায় মিছিল করেন। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রকাশ্যে এ ধরনের মিছিল ও বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। জনবহুল এলাকায় এমন ঘটনা ঘটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, বিস্ফোরণের প্রকৃতি এবং ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এদিকে, নগরীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন জাফর আহাম্মেদ। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের দুর্বল ভূমিকার কারণে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরা এ ধরনের সশস্ত্র মিছিল করার সাহস পাচ্ছেন।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের কথা জানানো হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
মামলা দায়ের হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নগরীর একটি এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র মিছিল ও একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠার পরও জড়িত ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছেন স্থানীয়রা।
এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের শনাক্তকরণ এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
বরিশাল নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মামলাটির তদন্ত কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। পুলিশের পক্ষ থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর কথা জানানো হলেও অভিযানের অগ্রগতি কিংবা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে মিছিলের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, ককটেল বিস্ফোরণের প্রকৃত ঘটনা এবং সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসী কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০০টি লাগেজ ট্রলি হস্তান্তর করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই ট্রলিগুলো হস্তান্তর করেন। একই অনুষ্ঠানে তিনি জাপানের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত একটি যুগান্তকারী চুক্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন।
পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচী অনুযায়ী দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মন্ত্রী বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি জানান, বিমানবন্দরের কর্তৃপক্ষের কাছে ২০০টি ট্রলি হস্তান্তর করা হয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। তিনি আরো জানান, যাত্রীদের সুবিধার্থে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সিভিল এভিয়েশন বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগেও আরও পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রলি যুক্ত করা হবে।
জাপানের সাথে নতুন চুক্তিতে যেসব সুবিধা থাকছে।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জাপানের সাথে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির (MoC) বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অন্যান্য চুক্তির তুলনায় এবারের চুক্তিতে বেশ কিছু ভিন্নতা ও প্রবাসী কর্মীদের জন্য বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় কর্মীরা জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন। এর ফলে কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে, তারা উচ্চ বেতন পাবেন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুবিধা পাবেন।
চুক্তিতে নারী কর্মীদের সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ সমান সুযোগ পাবেন। গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনো নারী কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না বা তার সাথে কোনো বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এমনকি গর্ভধারণের বা সন্তান প্রস্তুতির কারণে কাউকে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যতামূলক বিধান এই চুক্তিতে রাখা হয়নি। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আটকে পড়া যাত্রীদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন ফ্লাইট সংকটের কারণে যারা আটকে আছেন, তাদের অন্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। ইতিমধ্যে আটকে পড়া যাত্রীদের মধ্যে বগুড়া ও কুমিল্লার দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মিশনগুলো নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ