বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:০২ পি.এম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল বলেছেন, মৌলিক ক্রিকেট জ্ঞান না থাকলে কাউকে জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে না। তামিম স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, কোচ নিয়োগে কোনো ধরনের সুপারিশও গ্রহণ করা হবে না।
বুধবার বিসিবির বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা ও বিভাগীয় কোচ নিয়োগ পরীক্ষায় ১৭০ জন অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৩৮ জন। তার মতে, অতীতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিছু ত্রুটি ছিল, তাই এবার পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও মানসম্মত করা হচ্ছে।
তামিম বলেন, আগের বিজ্ঞপ্তিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার বা লেভেল-ওয়ান কোচদের আবেদন করার কথা থাকলেও পরে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছিল, যা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক—এই তিন ধাপের মূল্যায়নের মাধ্যমে যোগ্যদের নির্বাচন করা হবে।
তিনটি পরীক্ষার খাতা দেখে হতাশার কথাও তুলে ধরেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, একটি প্রশ্ন ছিল—‘ওয়াইড বলে কীভাবে আউট হওয়া যায়?’ সেখানে কেউ উত্তর দিয়েছেন ‘বোল্ড’ ও ‘এলবিডব্লিউ’। আবার অফসাইডের পাঁচটি পজিশনের নাম লিখতে গিয়ে কেউ ‘মিড উইকেট’ লিখেছেন। এসব দেখে তিনি মন্তব্য করেন, “যারা ‘ওয়াইড বলে বোল্ড হয়’ লেখে, তাদের কোচিংয়ে না আসাই ভালো।”
তামিম আরও জানান, কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে কাউকে ব্যক্তিগত, বোর্ড কর্মকর্তা বা প্রভাবশালী মহলের সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে না। তিনি বলেন, ‘কেউ লিখিত, ব্যবহারিক বা ভাইভায় উত্তীর্ণ না হলে শুধু সুপারিশের ভিত্তিতে তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ৪ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ডিএসসিসির নগর ভবন অডিটোরিয়াম এই বাজেট ঘোষণা করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
গত ২৬ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পরিচালনা কমিটির ১৪তম কর্পোরেশন সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪০০৪.৬০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদিত হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বাজেটের পরিমাণ ছিলো ৩৮৪১.৩৮ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের পরিমাণ ছিলো ৩১৩৮.৭৭ কোটি টাকা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রারম্ভিক স্থিতিসহ সর্বমোট প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০৪.৬০ কোটি টাকা। যেখানে প্রারম্ভিক স্থিতির পরিমাণ ৭৩০.৯৩ কোটি টাকা, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৮১৫.৭৪ কোটি টাকা ও উন্নয়ন বাবদ আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৪৫৭.৯৩ কোটি টাকা।
এছাড়া ব্যয়ের ক্ষেত্রে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন ও মূলধন ব্যয়সহ উন্নয়ন ব্যয় এবং সমাপনি স্থিতিসহ মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪০০৪.৬০ কোটি টাকা। যেখানে সমাপনী স্থিতি ৫৪০.৫০ কোটি টাকা, পরিচালন ও মূলধন ব্যয় বাবদ বরাদ্দ ১৫৫৯.৬৮ কোটি টাকা ও উন্নয়ন ব্যয় বাবদ বরাদ্দ ১৯০৪.৪২ কোটি টাকা।
বাজেট উপস্থাপনায় ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, "আমরা চেষ্টা করেছি উচ্চাভিলাষী বড় অঙ্কের বাজেট প্রণয়ন না করে বাস্তবায়নযোগ্য যৌক্তিক বাজেট প্রণয়ন করতে।" ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সম্মানিত নগরবাসীর উপর অতিরিক্ত করারোপ বা কর হার বৃদ্ধি না করে বরং সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য নতুন নতুন রাজস্ব খাত সৃষ্টি করা হয়েছে। ক্ষেত্রমতে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, "সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধাদি ও সেবার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে 'ক্লিন সিটি-গ্রিন সিটি' বাস্তবায়নের ধাপ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।"
তিনি নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, "ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এই বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের একটি হিসাব নয়; এটি সম্মানিত করদাতাদের অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব ও আস্থার প্রতিফলন।" এই বাজেটের প্রতিটি টাকা জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতার সঙ্গে ব্যয় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : ডিমের পরিবর্তে নিরামিষ খাবার পরিবেশন করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিনামূল্যে স্কুলের খাবারে আবারও ডিম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।
শিক্ষক, পুষ্টিবিদ এবং অভিভাবকদের সমালোচনার পর সরকার তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। তাদের মতে, স্কুলের খাবার থেকে ডিম বাদ দিলে দরিদ্র পরিবারের শিশুরা প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস থেকে বঞ্চিত হবে। কলকাতা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।
গত মাসে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। মে মাসে প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র সরকার কিছু সরকারি স্কুলের খাবার থেকে ডিম বাদ দেয়। এরপর একটি হিন্দু ধর্মীয় দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে নিরামিষ খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।
এই সিদ্ধান্ত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে খাদ্য ও ধর্ম নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আবারও উসকে দিয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, সরকার স্কুলশিক্ষার্থীদের নিরামিষভোজী করে তোলার চেষ্টা করছে।
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগস্ট মাস থেকে স্কুলশিক্ষার্থীদের আবারও ডিম দেওয়া হবে।
নতুন ব্যবস্থায় নারীদের কল্যাণমূলক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে আলাদাভাবে ডিম সরবরাহ করা হবে। একই সঙ্গে ওই দাতব্য সংস্থা ‘বিশুদ্ধ’ নিরামিষ খাবার সরবরাহ অব্যাহত রাখবে।
অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগস্টের ১ তারিখ থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকে যুক্ত করে রাজ্য সরকার এসব স্কুলে আলাদাভাবে সেদ্ধ ডিম সরবরাহ করবে।’
তিনি জানান, ‘কিছু অভিভাবক সরকারের কাছে খাবারে ডিম অন্তর্ভুক্ত রাখার অনুরোধ জানান।’
বিজেপি তাদের বৃহত্তর জাতীয়তাবাদী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রায়ই নিরামিষভোজনকে উৎসাহিত করে। যদিও অধিকাংশ হিন্দুই মাংস ও মাছ খেয়ে থাকেন।
হিন্দুদের কাছে ডিম আমিষ হিসেবে বিবেচিত এবং ব্যাপকভাবে খাওয়া হয়।
শিক্ষক ও পুষ্টিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা খাবারের তালিকা থেকে ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তাদের মতে, এটি নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের পুষ্টির উন্নতি এবং স্কুলে উপস্থিতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভারতে এ ধরণের কর্মসূচি বিনামূল্যের কর্মসূচির মধ্যে স্কুল মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচিটি বিশ্বের সবচেয়ে বড়। শিশুদের স্কুলে ভর্তি বাড়ানো এবং অপুষ্টি ও খর্বাকৃতি সমস্যা কমাতে এ কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের সময় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে কারাবন্দী করার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক প্যানেল, যা চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ছিল, এর পক্ষ থেকে এ আদেশ দেয়া হয়। এই প্যানেলে আরও দুই সদস্য হিসাবে বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
এ মামলার প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তিনি আদালতে বক্তব্য রাখার সময় বলেন, এই মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা। বর্তমান পর্যন্ত আসামির পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি। এ কারণে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানাচ্ছি।
শুনানির শেষের দিকে আবেদনটি মঞ্জুর করে আদালত লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এ সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, জহিরুল আমিন, তারেক আবদুল্লাহ এবং অন্যান্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া এবং লতিফ সিদ্দিকীর ভাই কাদের সিদ্দিকীসহ অন্যান্য আইনজীবীগণ।
এই দিন দুপুর ১টার পর ডিবি পুলিশের একটি মাইক্রোবাস দ্বারা লতিফ সিদ্দিকীকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয়।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, শাপলা চত্বরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা সংক্রান্ত লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। সে অনুযায়ী বুধবার, ২৯ জুলাই, সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে তার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এর আগে, ২৭ জুলাই, প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং ১০ জনকে হাজির করার নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-২। পাশাপাশি, পরবর্তী শুনানির জন্য ১৬ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বর্তমানে এই মামলায় আটজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন: সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবু।
অন্য এক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন হাসানুল হক ইনু। এ ছাড়া আবদুর রাজ্জাকও গ্রেপ্তার রয়েছেন। বাকিরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় সুনির্দিষ্ট দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রথম অভিযোগে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্ত্বরে আবু বকর সিদ্দিকসহ ৩২ জনকে হত্যা করার ঘটনা উল্লেখ করা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছাদেক মিয়াসহ ২০ জনকে হত্যা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ডের উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া, রাশেদুল ইসলাম, আবু ইউসুফসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি এবং নির্যাতনের মাধ্যমে গুরুতর আহত করা হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার মধ্যে গণহত্যা, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় উদ্দেশ্যে নিপীড়ন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের উপাদান রয়েছে, যা প্রসিকিউশনের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৩১৭২টি মামলা করেছেন ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
বুধবার (২৯ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন ও এসব মামলা করেন।
ডিএমপির তথ্যমতে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে140টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে 10টি বাস, 1টি ট্রাক, 8টি কাভার্ডভ্যান, 13টি সিএনজি ও 56টি মোটরসাইকেল রয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে 180টি মামলা হয়েছে, সেখানে 10টি বাস, 12টি ট্রাক, 6টি কাভার্ডভ্যান, 28টি সিএনজি ও 103টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তাছাড়া, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে মোট 319টি মামলা, যার মধ্যে 40টি বাস, 16টি কাভার্ডভ্যান, 65টি সিএনজি ও 144টি মোটরসাইকেল আছে।
ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে মোট 714টি মামলা হয়েছে। সেখানে 102টি বাস, 75টি ট্রাক, 67টি কাভার্ডভ্যান, 112টি সিএনজি ও 183টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে 25৬টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে 23টি বাস, 3টি ট্রাক, 17টি কাভার্ডভ্যান, 43টি সিএনজি ও 103টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে 946টি মামলা হয়েছে, সেখানে 124টি বাস, 40টি ট্রাক, 80টি কাভার্ডভ্যান, 78টি সিএনজি ও 450টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে 401টি মামলা হয়েছে যার মধ্যে 80টি বাস, 21টি ট্রাক, 21টি কাভার্ডভ্যান, 66টি সিএনজি ও 106টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে 216টি মামলা হয়েছে যেখানে 12টি বাস, 5টি ট্রাক, 12টি কাভার্ডভ্যান, 25টি সিএনজি ও 79টি মোটরসাইকেল আছে।
অভিযান চলাকালে মোট 715টি গাড়ি ডাম্পিং ও 186টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে, পুলিশ এ কথা জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ