ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

শ্রীমঙ্গলে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে পিকআপের চালক নিহত


শ্রীমঙ্গলে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে পিকআপের চালক নিহত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে একজন পিকআপচালক নিহত হয়েছেন, যার নাম লোকমান মিয়া। তার আবাস সদর ইউনিয়নের লালবাগ আবাসিক এলাকায় অবস্থিত।

শনিবার ভোরে, উপজেলার ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক সড়কের সাতগাঁও চৌমুহনা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, উদার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে পিকআপভ্যানটি পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় পিকআপের চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেনের মাসব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নিশাত নওয়াব মুমু জানান, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই আহত ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার জানান, নিহত ব্যক্তির মরদেহ বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে সাতগাঁও হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সাতগাঁও হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং এ ঘটনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে এসআরবি-২-এর অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধসহ চক্রের ৬ সদস্য আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদ শেষ, তবু কমেনি বাসভাড়া: লক্ষ্মীপুর-ঢাকা রুটে ৭০০ টাকা আদায়ের অভিযোগে যাত্রীদের ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুর

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


ঈদ শেষ, তবু কমেনি বাসভাড়া: লক্ষ্মীপুর-ঢাকা রুটে ৭০০ টাকা আদায়ের অভিযোগে যাত্রীদের ক্ষোভ

ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হয়েছে প্রায় ১০ দিন আগে। স্বাভাবিক নিয়মে এ সময় গণপরিবহনের ভাড়া পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসার কথা থাকলেও লক্ষ্মীপুর-ঢাকা রুটে এখনও যাত্রীদের কাছ থেকে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বাসের টিকিটের ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ভাড়া হিসেবে ৭০০ টাকা আদায়ের তথ্য সামনে আসে। যাত্রীরা বলছেন, ঈদকেন্দ্রিক অতিরিক্ত ভাড়ার যৌক্তিকতা শেষ হলেও কিছু পরিবহন প্রতিষ্ঠান এখনও বাড়তি অর্থ আদায় করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) প্রকাশিত আন্তঃজেলা বাস ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা-রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) রুটে ৫১ আসনের বাসের নির্ধারিত ভাড়া ৪৪৫ টাকা এবং ৪০ আসনের আরামদায়ক বাসের ভাড়া ৫৬৮ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন পরিবহন প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত ভাড়া তালিকায় ঢাকা-লক্ষ্মীপুর রুটে নন-এসি বাসের ভাড়া প্রায় ৪৫০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ৫৫০ টাকার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে।

সে হিসেবে বর্তমানে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়া আদায় করা হলে যাত্রীপ্রতি ১৩০ থেকে ২৫০ টাকারও বেশি অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, অনেক কাউন্টারে টিকিটে নির্ধারিত ভাড়ার পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। কেউ প্রতিবাদ করলে বলা হচ্ছে, “গাড়ি কম, যাত্রী বেশি” অথবা “ঈদের চাপ এখনো রয়েছে।”

যাত্রীদের অভিযোগ, শুধু ইকোনো সার্ভিস নয়, লক্ষ্মীপুর-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আরও কয়েকটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ঈদ-পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এ রুটে ইকোনো সার্ভিস, হিমাচল এক্সপ্রেস, ঢাকা এক্সপ্রেস, আল-আরাফাহ এক্সপ্রেস, রয়্যাল কোচ, মিয়ামি এয়ার কন্ডিশন ও জোনাকি সার্ভিস লাইনসহ বিভিন্ন পরিবহন যাত্রী পরিবহন করে থাকে। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে ইকোনো সার্ভিসের একটি ৭০০ টাকার টিকিটকে ঘিরে।

এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

“ঈদ শেষ হওয়ার ১০ দিন পরও যদি ৭০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়, তাহলে সরকারি ভাড়ার তালিকার প্রয়োজন কী? সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে।”

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ নতুন নয়। গত ১২ জুন লক্ষ্মীপুরে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে দুটি বাস কাউন্টারসহ মোট ২৪টি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়। অভিযানে টিকিটে ভাড়ার পরিমাণ উল্লেখ না করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের প্রমাণও পাওয়া যায়।

যাত্রীদের প্রশ্ন, সরকারি নির্ধারিত ভাড়া যদি ৪৪৫ থেকে ৫৬৮ টাকার মধ্যে হয়, তাহলে কোন নিয়মে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে? সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষ কি বিআরটিএর নির্দেশনা মানছে না?

পরিবহন খাত-সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাবে কিছু অসাধু পরিবহন ব্যবসায়ী সুযোগ নিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।

সচেতন নাগরিকরা বলছেন, লক্ষ্মীপুর-ঢাকা রুটে চলাচলকারী বাসগুলোর ভাড়া তালিকা প্রকাশ, কাউন্টারভিত্তিক মনিটরিং জোরদার এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। অন্যথায় সাধারণ যাত্রীরা প্রতিনিয়ত আর্থিক ক্ষতির শিকার হবেন।

তাদের দাবি, ঈদকে কেন্দ্র করে নয়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া আদায় নিশ্চিত করতে হবে। যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), জেলা প্রশাসন এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরের বাজারে ব্রাজিল সমর্থকদের ‘প্রবেশ নিষেধ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


চাঁদপুরের বাজারে ব্রাজিল সমর্থকদের ‘প্রবেশ নিষেধ’

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর বাজারে ব্রাজিল সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিনব পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। তবে এই পোস্টারটি কে বা কারা করেছে, তার কোনো তথ্য জানা যায়নি।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর বাজারের মোড়ে সাঁটানো পোস্টারের ছবি তোলা হয়েছে। ছবিটি প্রকাশ করেছে সময় সংবাদ।

শনিবার (৬ জুন) এই পোস্টারটি বাজারে আসা লোকজনের চোখে পড়েছে।

বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নামে ওই পোস্টারে লিখিত হয়েছে, ‘বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিল সমর্থক কেউ এই বাজারে প্রবেশ করতে পারবেন না। যদি কেউ তা অমান্য করে তাহলে, দেশের প্রচলিত আইনে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে, এই অভিনব পোস্টারটি কে বা কারা সাঁটিয়েছে, সেক্ষেত্রে নারায়ণপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা কোন তথ্য দিতে পারেননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘পোস্টারের লেখা পড়ে আমরাও বিব্রতবোধ করছি। কারণ, বাজারে সবাই যেমন আসতে পারবেন, তেমনি সব দলের সমর্থকরাও। তাই এটি নিয়ে বিভিন্নজনের মধ্যে হাস্যরস এবং কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে।’

অন্যদিকে, নারায়ণপুর বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এমন পোস্টার দেখে সেখানে অনেকেই ভিড় করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদের আমেজের মাঝেই ১৮৬৮ শ্রমিক ছাঁটাই, কারখানার সামনে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


ঈদের আমেজের মাঝেই ১৮৬৮ শ্রমিক ছাঁটাই, কারখানার সামনে বিক্ষোভ

সাভারে ঈদুল আজহার আনন্দের মাঝেই আল-মুসলিম গ্রুপের পোশাক কারখানার কর্তৃপক্ষ ১৮৬৮ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করেছে। শ্রমিকরা ছুটি শেষে যখন কাজে যোগ দিতে কারখানায় যায়, তখন তাদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

শনিবার (৬ জুন) সকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার উলাইল বাসস্ট্যান্ডের আল মুসলিম পোশাক কারখানার প্রধান ফটকের সামনে এসব শ্রমিক প্রতিবাদ-বিক্ষোভে অংশ নেয়। তারা বলেন, কাজে যোগ দিতে আসার পর তারা ছাঁটাইয়ের নোটিশ পান। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের এক মাসের বেতন পরিশোধ করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে তাদের দাবি, ২৬ ধারার অধীনে তিন মাসের বেতন পরিশোধ করতে হবে।

তারা সতর্ক করেন, যদি কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে তাদের দাবি মেনে না নেয়, তবে তারা আরো কঠোর আন্দোলনে যাবেন। ১৩ বছর ধরে সুইং অপারেটর হিসেবে কর্মরত আফানুর বলেন, তাকে হঠাৎ মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে ছাঁটাই করা হয়েছে। সকালে কাজে এলে কর্তৃপক্ষ তাকে কারখানায় ঢুকতে দেয়নি।

একইভাবে ৭ বছর ধরে কর্মরত রোজিনা আক্তার, ২ বছর ৫ মাস ধরে কর্মরত মো. রকিবুল্লাহ এবং ট্রেনিং সেন্টার থেকে সদ্য লাইনে আসা আছিয়া আক্তারও একই অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, তিন মাস ১৩ দিনের পাওনা দিয়ে ছাঁটাই করার নিয়ম থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা মানেনি।

এদিকে, দুপুরের পর ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে শ্রমিক সমাবেশ, মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেন সাভার-আশুলিয়ার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী শ্রমিকরা বলেন, কর্তৃপক্ষ তাদের কোনো নোটিশ ছাড়াই ছাঁটাই করে দিয়েছে। সকালে ঈদের ছুটি শেষে তারা কারখানায় কাজে যোগ দিতে গেলে কর্তৃপক্ষ তাদের আইডি কার্ড কেড়ে নেয়।

সুইং অপারেটর মাকসুদা আক্তার জানান, তিনি সকালে অফিসে গিয়ে কার্ড পাঞ্চ করতে গিয়ে দেখেন তার পাঞ্চ হচ্ছেনা। কর্তৃপক্ষ তাদের পাওনা টাকা না দিয়েই জোর করে কারখানা থেকে বের করে দিয়েছে। এই অবস্থায় তাদের চাকরি কোথায় হবে, কিভাবে চলবে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী শ্রমিকেরা অভিযোগ করেন, ঈদের ছুটির আগে তাদের ২০ দিনের বেতন দেওয়া হয়। তবে, কোনো নোটিশ না দিয়ে ছাঁটাই করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, কারখানায় কাজ নেই। অথচ তাদেরকে অতিরিক্ত শ্রম দিতে হয়। ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন যথাযথভাবে করা হয়নি।

ছাঁটাইয়ের কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়িক মন্দা ও ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার দাবি করেন, যার ব্যাপারে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সমাবেশে অনেক শ্রমিক চাকরি হারানোর পর তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুঃখ ও দুর্দশার কথা জানান। একাধিক শ্রমিক ও শ্রমিক নেতা জানান, বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ২০ ধারা অনুসারে কর্তৃপক্ষ শ্রমিক ছাঁটাই করতে পারলেও, ২১ ধারা অনুসারে ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পরবর্তীতে পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা নেই।

আল মুসলিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রায়হান জানান, শ্রমিকদের ২০ ধারার ভিত্তিতে ছাঁটাই করা হয়েছে এবং এক মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু ২৬ ধারার তিন মাসের বেতন পরিশোধের বিষয়ে শিল্প পুলিশের সাথে আলোচনা হয়নি এবং তা দেওয়া হবে না। এক মাসের বেতন যারা পাননি, তাদের বিষয়ে কথা বলা হচ্ছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন বলেন, অতিরিক্ত শ্রমিক হলে সর্বশেষ নিয়োগপ্রাপ্তদের ছাঁটাই করা উচিত, কিন্তু দীর্ঘকাল ধরে কর্মরত শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যাদের ছাঁটাই করা হয়েছে, তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা না হলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, শ্রমিক অসন্তোষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং শ্রমিকদের বুঝিয়ে শান্ত করেছে। এ ছাড়া মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়েছে। পুলিশ দাবি করে, মালিকপক্ষ তাদের দাবির প্রতি সম্মতি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, আল মুসলিম গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার মালিকানাধীন আল মুসলিম গ্রুপের সাভার ও আশুলিয়ার তিনটি কারখানা থেকে একযোগে এসব শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের মধ্যে সাভার পৌর এলাকার উলাইল মহল্লার কারখানা থেকে ১,২৮৬ জন, রেডিও কলোনির কারখানা থেকে ৫২৯ জন এবং আশুলিয়ার আল মুসলিম অ্যাপারেলস কারখানা থেকে ৫৩ জন শ্রমিক-কর্মকর্তা রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমালোচনার মুখে স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলো ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


সমালোচনার মুখে স্টেডিয়ামে পানির বোতল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলো ফিফা

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষিতে স্টেডিয়ামের আচরণবিধিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল নিয়ে যাওয়ার ওপর যা নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন ফিফা প্রবর্তন করেছিল, এই বিষয়ে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর তারা তাদের অবস্থান নমনীয় করেছে। ফলস্বরূপ, এবার শিথিল করা হয়েছে পানির বোতল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি।

তবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতলগুলো স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধই থাকছে। অনুমতি প্রদান করা হয়েছে শুধুমাত্র প্লাস্টিকের নরম সিল করা একবার ব্যবহারযোগ্য বোতলের ক্ষেত্রে। এই বোতলের সর্বোচ্চ ওজন ২০ আউন্স পর্যন্ত হতে পারে এবং এর পানি ধারণক্ষমতা ৫৯০ মিলিলিটার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে।

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য অপারেটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী তেইমো শিরগি এক ভিডিওবার্তায় জানিয়েছেন, ‘প্রতি দর্শক স্টেডিয়ামে একটি ২০ আউন্স (৫৬০ মিলিলিটার) ধারণক্ষমতার নরম প্লাস্টিকের, একবার ব্যবহারযোগ্য এবং কারখানায় সিল করা পানির বোতল নিয়ে আসতে পারবেন। তবে শক্ত (হার্ড-সাইডেড) ও পুনরায় বন্ধ করা যায় এমন (রিসিলেবল) পানির পাত্র বা বোতল গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ সেগুলো নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।’

ফিফা পূর্বে স্টেডিয়াম আচরণবিধিতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য খালি পানির বোতল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল, কিন্তু এই সপ্তাহের শুরুর দিকে টিকিট ক্রয়ের পর প্রত্যেক দর্শকের কাছে ইমেইল প্রেরণ করে জানানো হয় যে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা বিবেচনায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফিফার এই পদক্ষেপের ফলে তীব্র সমালোচনার ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। ফুটবল সাপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক মুখপাত্র মন্তব্য করেছেন, ‘এই বিশ্বকাপে আবারও দেখা যাচ্ছে যে সমর্থকদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে না। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা স্বচ্ছন্দ এবং নিরাপদভাবে দর্শকদের জন্য একটি বড় উদ্বেগ। ফিফার মূল মনোযোগ এই বিষয়টি হওয়া উচিত, অতিরিক্ত দামে আরও বেশি বোতলজাত পানি বিক্রির সক্ষমতার দিকে নয়।’

বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মন্তব্য করেছেন, ‘এটা একেবারেই ভুল। এবং আমি মনে করছি এর পেছনে অর্থ উপার্জনের বিষয়টি রয়েছে। আপনি বাইরে থেকে প্লাস্টিকের বোতল আনতে পারবেন না, কিন্তু ভেতরে ঢোকার পর আবার পানির বোতল কিনতে পারবেন? আর এর দামও হবে অনেক বেশি। আমার মতে, টিকিটের দাম ইতিমধ্যে আকাশছোঁয়া, অত্যন্ত ব্যয়বহুল। সুতরাং টিকিট বিক্রির দামও অতিরিক্ত।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%