ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ কোথায় কী?


আজ কোথায় কী?

দেশে প্রতিদিন নানা কর্মসূচি পালন করে সরকারের বিভিন্ন দফতর, সংস্থা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং অনেকগুলো সংগঠন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে কী কী রয়েছে, সেটি দিনের শুরুতেই আপনারা জেনে নিতে পারেন।

সকাল ৭টায় মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের ‘ঢাকা হেরিটেজ রান’ শুরু হবে। এই দৌড়টি বুড়িগঙ্গা মঞ্চে (সোয়ারীঘাট) গিয়ে শেষ হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

আরও পড়ুন: রংপুরের কাউনিয়ায় পূজামণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তরুণের মৃত্যু

সকাল সাড়ে ৯টায় মিরপুর-২ এলাকায় একটি বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করবেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচি মিরপুর শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন সংস্কৃতি চর্চাকে লালন ও পরিচর্যা করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ এম


অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন সংস্কৃতি চর্চাকে লালন ও পরিচর্যা করতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন সংস্কৃতি চর্চাকে লালন ও পরিচর্যা করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য ‘কাওয়ালী সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ ধরনের বৈচিত্র্যপূর্ণ বিনোদনমূলক আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে, আমাদের দেশের সংস্কৃতিতে ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরাট প্রভাব রয়েছে। আবার এটি প্রমাণিত হয় যে, ধর্ম নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবন থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখে, কাওয়ালীর মতো সুফি ধারার সংস্কৃতি চর্চা তাদের মানসিকতা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।’

উপমহাদেশে ইসলামের মতো শান্তির ধর্ম প্রচারে কাওয়ালী ও সুফি সংস্কৃতি একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে, এই মন্তব্যও করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘সর্বশক্তিমান স্রষ্টা কেবল কঠোর বিচারক নন, তিনি তাঁর সৃষ্টির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন—এই কাওয়ালীর মূল সুরের ভেতরে সেই পরম সত্যই লুকিয়ে থাকে।’

শিল্পকলার এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ শিগগিরই বাউল সংগীত সন্ধ্যারও আয়োজন করতে যাচ্ছে। কাওয়ালী ও বাউল সংগীতের সম্মিলনের মাধ্যমে জাতীয় প্রেস ক্লাবের বর্তমান নেতৃত্ব আমাদের দেশের আসল জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করছে। সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন সংস্কৃতি চর্চাকে লালন ও পরিচর্যা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও প্রেস ক্লাবের সাথে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যতদিন আছি, প্রেস ক্লাবের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক থাকবে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে আমরা এক হয়ে কাজ করে যাব।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার) মো. শাহ আলম, দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমসহ অনেকে।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী এবং প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যবৃন্দ ও সংস্কৃতিপ্রেমী ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাঁকা মেসে ডেকে প্রেমিককে হত্যা, মরদেহ ৯ টুকরা করে দুই জেলায় ফেলেন দম্পতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১১ এম


ফাঁকা মেসে ডেকে প্রেমিককে হত্যা, মরদেহ ৯ টুকরা করে দুই জেলায় ফেলেন দম্পতি

ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে সুমাইয়া তৃষ্ণার (২৬) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন সাজ্জাদ হোসেন (২৪)। তাদের মধ্যে একাডেমিক ও সামাজিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। ধীরে ধীরে তারা পরস্পরের ছবি আদান-প্রদান শুরু করেন। এক সময় এই সম্পর্ক বিষয়টি তৃষ্ণার স্বামী রোকনুজ্জামান পলাশ (২৬) জানতে পারেন। যা পরিস্থিতিকে অসমাপ্ত ও জটিল করে তুলে। শেষ পর্যন্ত তারা মিলিত হয়ে পরিকল্পনা করেন, স্বামী-স্ত্রী মিলিত হয়ে প্রেমিক সাজ্জাদকে হত্যা করবেন। উপযুক্ত পরিকল্পনার আওতায় রাজধানীর বছিলার একটি ফাঁকা মেসে ডেকে সাজ্জাদকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহকে ৯ টুকরো করে দুই জেলা ফেলে দেওয়ার করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকার এক যুবকের হত্যার তদন্তের সময় এসব তথ্য প্রকাশ করে। গত বছরের ৩ এপ্রিল নির্মমভাবে খুন হওয়া যুবকের নাম সাজ্জাদ হোসেন, যিনি মা-বাবার একমাত্র সন্তান হিসেবে পরিচিত। তিনি সাভারের হেমায়েতপুরে মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন। স্থানীয় কলেজ থেকে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেছিলেন। প্রায় এক বছর আগে রাজধানীর বনানীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন এবং সেখানে যাওয়ার জন্য নিয়মিত বাসা থেকে আসা-যাওয়া করতেন। এই সময়েই সুমাইয়া তৃষ্ণার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমাইয়া মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা এবং ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। তার স্বামী রোকনুজ্জামান পলাশও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বর্ষের ছাত্র ছিলেন। সাজ্জাদকে হত্যা করার জন্য তাকে মেসে ডেকে নিয়ে যায় সুমাইয়া। বর্তমানে দুজনেই কারাগারে বন্দী রয়েছে এবং সাজাদের হত্যার মামলার বিচার চলছে। পিবিআইয়ের আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে সুমাইয়ার সঙ্গে সাজ্জাদের প্রেম ও তার পরবর্তী সময় সুমাইয়া ও তার স্বামীর সাজ্জাদ হত্যার ষড়যন্ত্রের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে রোকনুজ্জামান ও সুমাইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পুলিশ পরিদর্শক জামাল উদ্দীন। বর্তমানে মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে রয়েছে। অভিযোগপত্রে ৪০ জনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৩১ আগস্ট মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, সাজ্জাদের সঙ্গে সুমাইয়ার পরিচয় একটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হয়েছিল। হত্যার দুই মাস আগে থেকে তাদের মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়, যা পরে শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় প্রবাহিত হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর রোকনুজ্জামান এবং সুমাইয়া ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করেন। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে রোকনুজ্জামানের বাড়ি। জীবননগর সীমান্ত হয়ে তারা ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস আগে থেকে তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গ ছবি আদান-প্রদান সংঘটিত হতে থাকে। ২০২৫ সালের ১ মার্চ সুমাইয়া বলেছিল, তার স্বামী রোকনুজ্জামান ব্যক্তিগত ছবি চান। সুমাইয়া ছবি দিতে গিয়ে ‘সুপ্ত’ নামের একটি আইডিতে ছবি পাঠিয়ে দেয়, যা সাজ্জাদের অধিকারী ছিল। এই থেকেই সুমাইয়া এবং সাজ্জাদের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়, এবং সাজ্জাদ সুমাইয়াকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে।

তবে সুমাইয়া ও সাজ্জাদের মধ্যে সম্পর্কটি মাত্র দুই মাসের বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ সময় তারা একাধিকবার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক করে। যেহেতু রোকনুজ্জামান সব জানেন, তাই তাদের মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে সত্য লুকাতে সুমাইয়া মিথ্যা বলেন। স্বামীর কথায় রাজি হয়ে হত্যার পরিকল্পনায় অংশ নেন তাঁরা।

পিবিআইয়ের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, রোকনুজ্জামান ও সুমাইয়ার পরিচয় উচ্চমাধ্যমিকে লেখাপড়ার সময় থেকে। তারা ২০২৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, কিন্তু তাদের বিয়ের কথা দুই পরিবারের কারও কাছেও ছিল না। তারা আলাদাভাবে বসবাস করতেন। সুমাইয়া পরিবারের সঙ্গে মোহাম্মদপুরে এবং রোকনুজ্জামান বছিলার মেসে অবস্থান করতেন।

তদন্তে দেখা গেছে, ঈদের ছুটিতে কেউ মেসে নেই বলে সাজ্জাদকে ফোন করে ডেকে নেয় সুমাইয়া এবং পরিকল্পনা অনুসারে সুমাইয়া সেই মেসের গোসলখানায় লুকিয়ে থাকেন রোকনুজ্জামান। সাজ্জাদ কক্ষে প্রবেশ করলে পেছন থেকে এসে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে রোকনুজ্জামান। বিবেকবর্জিত, অনিবার্য মদনির্ব্বিত পেঁছেজাতির চূড়ান্ত আঘাতের বাসনায় ছুরি দিয়ে সাজ্জাদকে আক্রমণ করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন জানিয়েছেন, বিভিন্ন সময় রোকনুজ্জামান সুমাইয়াকে মুখ ঢেকে নগ্ন ছবি ও ভিডিও তৈরি করতে বাধ্য করতেন। সেই কারণেও তাদের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন ছিল। অন্যদিকে সাজ্জাদের সঙ্গে সুমাইয়ার সম্পর্ক এবং তাদের ব্যক্তিগত ছবি আদান-প্রদানের বিষয়টি জানার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

২০২৫ সালের ২ এপ্রিল রাতে রোকনুজ্জামান একজন রিকশাচালককে ৫০০ টাকা দিয়ে মোবাইলের একটি সিম কিনতে বলেন। সেই সিমটি ওই রিকশাচালকের নামে নিবন্ধিত ছিল। এই নম্বর থেকে সাজ্জাদকে ফোন করে পরদিন সকালে যাবার জন্য আহ্বান জানায় সুমাইয়া। সুমাইয়া ওই মেসে থাকতেন, যেখানে সাজ্জাদ পরদিন সকালে গেলে ঘটে পুরো হত্যাকাণ্ড।

আদালতে রোকনুজ্জামান জবানবন্দিতে বলেন, সাজ্জাদের মৃত্যুর পর মেঝেটা রক্তে ভেসে যায়। তারা প্রথমে মরদেহ সরানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তা সম্ভব না হলে মরদেহ টুকরো করার সিদ্ধান্ত নেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, মরদেহের খণ্ডগুলো সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী কেনা হয় যেমন চালের বস্তা, চটের ব্যাগ, বড় কার্টন এবং স্কচটেপ। পরে খণ্ডিত মরদেহ তিনটি কার্টনে ভরা হয় এবং স্কচটেপ দিয়ে সেগুলো ভালোভাবে মুড়িয়ে দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি এভাবে করা হয়েছিল যাতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ না থাকে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, হত্যার পর লাশ গুম করতে ৪ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে একটি প্রাইভেট কার ভাড়া করেন তারা। তিনটি কার্টনে মরদেহের খণ্ডিত অংশ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুন্সীগঞ্জের মাওয়ার দিকে রওনা দেন তারা। সেখানকার রাতে খাওয়া শেষে ফেরার পথে তারা কার্টনগুলো নির্জন স্থানে ফেলে দেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, একটি কার্টন মুন্সীগঞ্জের পদ্মা সেতুর (উত্তর) থানার মেদিনীমণ্ডল এলাকায় ফেলা হয় এবং অন্য দুটি কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের পাওয়ার হাউস থেকে মালঞ্চ হাসপাতাল সড়কের পাশে একটি নিচু জমিতে ফেলে দেওয়া হয়।

পরদিন, ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল কেরানীগঞ্জে পাওয়া একটি কার্টন থেকে কুকুর একটি পোঁটলা টেনে বের করে ছিঁড়ে ফেলে এবং তখন সাজ্জাদের খণ্ডিত মরদেহের অংশ বেরিয়ে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে। প্রায় একই সময় মুন্সীগঞ্জের পদ্মা সেতু (উত্তর) থানাধীন এলাকা থেকে অন্য একটি কার্টনও উদ্ধার করা হয়।

মরদেহের খণ্ডিত অংশগুলো স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও হাড়, দাঁত ও নখের নমুনা সংগ্রহ করে এবং পরে ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, উদ্ধার হওয়া অংশগুলো সাজ্জাদের।

এদিকে সাজ্জাদের নিখোঁজের খবর পেয়ে ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল রাতেই তার বাবা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী সাভার মডেল থানায় একটি জিডি করেন। পরে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

সাজ্জাদের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ শুরু করে পিবিআই। মুঠোফোনের কলের তথ্য, অবস্থান এবং অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সম্পূর্ণভাবে ‘ক্লুলেস’ ছিল। শুরুতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইলে কথা বলার সূত্র যাচাই করা হয়। এর মাধ্যমে রিকশাচালককে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আশ্বস্ত হন যে, অন্য একজন তার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে সিম কিনেছেন। পরে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় রোকনুজ্জামানের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং সেটির সূত্র ধরে আসামি সুমাইয়াকেও শনাক্ত করা হয়।

নিজেদের অবস্থান গোপন রাখতে সুমাইয়া তার ব্যবহৃত সিম ফেনীতে গ্রামের বাড়িতে রেখে দেন এবং তারপর গাবতলী হয়ে জীবননগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে তার অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ এবং ওই বাসে সুমাইয়া যাচ্ছিলেন এমন একজন পুলিশ সদস্যও যাত্রী হিসেবে সদস্য ইয়ারের ৮ এপ্রিল রাত দেড়টার দিকে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে রোকনুজ্জামানকেও গ্রেফতার করা হয়।

সুমাইয়ার আইনজীবী মোজ্জাম্মেল হোসেন বলেন, এই মুহূর্তে বিশেষ কিছু বলার নেই। মামলার পূর্ণাঙ্গ বিচারক কার্যক্রম শুরু হলে বোঝা যাবে। তার দাবি, অভিযোগপত্রের সঙ্গে আসামির ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দির অমিল রয়েছে।

ছেলের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, সাজ্জাদ তার একমাত্র সন্তান ছিল। ঘটনার দিন সকালে আটটার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখেন, ছেলে বাসাতে নেই। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে সেটিও বন্ধ পান। পরে বাসার ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জানতে পারেন, সকাল পৌনে ছয়টায় সাজ্জাদ বাসা থেকে বের হয়ে গেছেন।

সারা দিন ছেলের কোনো খবর না পেয়ে সন্ধ্যা সাতটায় থানায় জিডি করেন ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, 'আমার ছেলে খুব ভালো ছিল। ছেলের কোনো শত্রু ছিল না। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজকে শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ এম


হরমুজকে শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হবে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, শিগগিরই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে নতুন নাসাউ কাউন্টি পুলিশ একাডেমিতে দেয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানকে পরাজিত করার পর খুব শিগগিরই আমি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা করব।’

এদিকে, ট্রাম্প দাবি করেন যে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ এখনো বহাল রয়েছে এবং বলেন, ‘আমরা না চাইলে কোনো জাহাজই সেখান দিয়ে যেতে পারে না।’

তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। বৃহস্পতিবার, দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড মার্কিন দাবিকে ‘ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে অভিহিত করে।

পণ্য ও জাহাজ চলাচল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর ১৬৬ দিনে, ১২ আগস্ট পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৭১টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এটি প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

এদিকে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। পরে ১৭ জুন দুই দেশ একটি চুক্তিতে সই করে চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা শুরু করে। তবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা পরবর্তী সময়ে স্থবির হয়ে পড়ে।

আপেক্ষিকভাবে, ৮ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ফের সামরিক হামলা-পাল্টা হামলা ঘটে। ওয়াশিংটন ইরানের ভেতরে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। জবাবে, তেহরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতসহ কয়েকটি আরব দেশের মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রণতরি পাঠিয়ে ‘টানা’ অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ এম


মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রণতরি পাঠিয়ে ‘টানা’ অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের ওপর হামলার অংশ হিসেবে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরিবর্তে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনকে সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে। লিংকন দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকার কারণে নাবিকদের মানসিক চাপ এবং বিভিন্ন সমস্যার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এই পরিবর্তন করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেও যুদ্ধবিরতির আলোচনা যদি অচলাবস্থায় রয়ে যায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে যে ইরানের বন্দরগুলোতে তারা ‘অনির্দিষ্টকাল’ নৌ অবরোধ চালিয়ে যাবে। একই রকমভাবে ওয়াশিংটন দাবি করছে যে, হরমুজ প্রণালি তাদের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে।

তবে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রয়েছে এবং তারা এ পথে চলাচল বন্ধ রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের শর্তগুলো মেনে না নেয়, তবে ওই জলপথ খুলবে না। তাদের শর্তের মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পত্তি ছাড়া।

মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য নতুন রণতরি পাঠানোর সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এসেছে, যখন ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন টানা ২৪০ দিনের বেশি সময় ধরে গতিশীল। মার্কিন আইনপ্রণেতারা জাহাজটির নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য, প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের অভাব, পানিদূষণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এসব প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপিত’ বলে দাবি করেছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, জাহাজের কোনো নৌ সদস্য মারা যাননি। ৩ আগস্ট, জাহাজ থেকে পড়ে যাওয়া একজন নাবিককে দ্রুত উদ্ধার করা হয়েছিল।

ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের দীর্ঘ অভিযানে নাবিকদের মানসিক চাপের সঙ্গে পানিদূষণ এবং মৌলিক সরবরাহের ঘাটতির খবর এসেছে। অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন নৌ কর্মকর্তা হারলান উলম্যান বলেন, জটিল যুদ্ধজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ সমুদ্রে করা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকলে জাহাজের প্রস্তুতি এবং সক্ষমতা কমে যেতে পারে। লিংকন একটানা প্রায় ২০০ দিন কোনো বন্দরে ভেড়েনি।

এ কারণে জর্জ ওয়াশিংটনকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোকে শুধু নিয়মিত জাহাজ বদল নয়, বরং দীর্ঘ অভিযানে মার্কিন নৌবাহিনীর চাপের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জর্জ ওয়াশিংটন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাত্রা করেছে।

এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ গত বৃহস্পতিবার বলেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর চলমান নৌ অবরোধ কার্যকর রাখার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি ‘অনির্দিষ্টকাল’ স্থায়ী রাখা সম্ভব। তিনি জানান, জাহাজগুলোকে পর্যায়ক্রমে বদল করে এ অবরোধ চলবে।

একই দিনে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে আগামী সপ্তাহ থেকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার জন্য ‘নজিরবিহীন’ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গত ১৭ জুন যুদ্ধ বিরতি সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্মারকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সই করেছিল। সেই স্মারকে বলা হয়েছিল পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনা করে চূড়ান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু আলোচনা ভেঙে যায় এবং দুই দেশ আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করে।

৬০ দিনের ওই সময়সীমা আগামীকাল রবিবার শেষ হতে যাচ্ছে। তবে এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা নবায়ন বা নতুন আলোচনার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই ইরানের ওপর চাপ তৈরি করতে নৌ অবরোধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন।

হরমুজে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করলেও মঙ্গলবার তা মাত্র আটটিতে নেমে এসেছে। কিন্তু গত ১০ দিন ধরে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১২টি জাহাজ এই প্রণালী ব্যবহার করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ এবং ইরানের ‘প্রণালি বন্ধ’—দুটি দাবিই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে হরমুজ প্রণালি স্বীকৃত। যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হত। অবরোধ এবং ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের ফলে এই সরবরাহব্যবস্থা চাপের মুখে পড়েছে।

ইরান বলছে, তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকার দাবি করে দেশটির যৌথ সামরিক কমান্ড বলছে, এটি হচ্ছে ‘মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন’।

এদিকে, মার্কিন অবরোধের ফলে ইরানের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস তেল রপ্তানি বিঘ্নিত হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের মাধ্যমে তেহরানকে আলোচনায় ছাড় দিতে বাধ্য করতে চায় ওয়াশিংটন।

তবে ইরানের হাতে রয়েছে বড় চাপ তৈরির হাতিয়ার—হরমুজ প্রণালি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ জলপথের জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির সক্ষমতা রাখে।

ফলে যুক্তরাষ্ট্র নতুন রণতরি নিয়ে এসে অবরোধের দীর্ঘায়িত করার সক্ষমতা দেখাচ্ছে। অপরদিকে, ইরান হরমুজকে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা আবার শুরু না হলে, এই অচলাবস্থা আরও দীর্ঘতর হতে পারে।

সূত্র : আল-জাজিরা ও রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%