০৭:৪১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার ছয় জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার (২২ জুন) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এই ছয় জেলা হলো ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলা। ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।
এতে আরও বলা হয়, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’-এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী এই সময় এবং এসব এলাকা জন্য এই কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো। কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তারাও এ ক্ষমতার আওতাভুক্ত হবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ অনুযায়ী অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে এ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন তারা।
এছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর আগে এ ছয় জেলায় সেনা মোতায়নের অনুরোধ জানিয়ে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) পণ্য খালাসের কাজে ব্যবহৃত একটি আরটিজি (রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি) ক্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সৃষ্টি হয়েছে। পরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস এবং নৌবাহিনীর যৌথ ও তাৎক্ষণিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আগুন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
আজ সোমবার (২২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে এনসিটির ৪ নম্বর বার্থ এলাকায় ‘আরটিজি-৪০১৪’ নম্বর ক্রেনটিতে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে টার্মিনালের ভেতরে আগুন লেগেছে বলে খবর পান তারা। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি চটজলদি ইউনিট ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যায় এবং আগুন নেভানোর কাজে হাত দেয়।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাসির উদ্দিন জানান, দুপুরের দিকে এনসিটির দক্ষিণ প্রান্তের ৪ নম্বর বার্থে অবস্থানরত একটি আরটিজি ক্রেনে আকস্মিকভাবে আগুন জ্বলে ওঠে। ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে বন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং দল দ্রুত সেখানে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
তিনি জানান, আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পরবর্তীতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স, পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ দলও উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। এই তিন বাহিনীর সমন্বিত ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
বন্দর সচিব আশ্বস্ত করে জানান, আগুনের কারণে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের ধাক্কা সামলে বর্তমানে বন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম যথাসাধ্যভাবে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় এক যাত্রীর স্মার্টফোনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এটি ঘটে যখন ফ্লাইটটি জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। এই ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মূলত, উড্ডয়নের মুহূর্তে কেবিনে ধোঁয়া দেখা গেলে বিমানটি রানওয়ের দিকে যাত্রা থামিয়ে আবার পার্কিং স্ট্যান্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। পরে ক্রুরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রে জানা যায়, ঘটনা ঘটে ১৮ জুন হানেদা বিমানবন্দরের উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময়ে। পিপল ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুর ১টার কিছু পরে রানওয়ের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করলে কেবিনের ভেতর থেকে ধোঁয়া দেখা যায়। জাপানের পরিবহন মন্ত্রণালয় ও টোকিও ফায়ার ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ধোঁয়ার উৎস ছিল এক যাত্রীর লাগেজে থাকা একটি স্মার্টফোন। ফোনটিতে আগুন ধরে গেলে কেবিনটি ধোঁয়ায় পূর্ণ হয়ে যায়। জাপান টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেবিনে ধোঁয়া দেখতে পেয়ে এক ক্রু সদস্য কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এরপর কেবিন ক্রুরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং বিমানে থাকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে পরিস্থিতি বড় ধরনের বিপর্যয়ে রূপ নেয়নি। ঘটনার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমানটিকে পার্কিং স্ট্যান্ডে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। পরে দমকলকর্মী ও জরুরি সেবা বিভাগের সদস্যরা বিমানে গিয়ে কেবিন পরীক্ষা করেন। এরপর পরিস্থিতিকে নিরাপদ ঘোষণা করা হয়। জাপানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়, ওই ফ্লাইটে যাত্রী ও ক্রুসহ মোট ২১১ জন ছিলেন এবং এই ঘটনায় কেউ আহত হননি। নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে বিমানটিকে উড্ডয়নের অনুমতি দেয়া হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্বে ফ্লাইটটি লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এদিকে, পিপল ম্যাগাজিনকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ একটি বিবৃতিতে জানায়, ‘আমাদের যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ফ্লাইটটি নিরাপদভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে বিমানে ত্যাগ করেছেন।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, একই সপ্তাহে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের আরেক ফ্লাইটে মোবাইল ফোনে আগুন লাগার এটি দ্বিতীয় ঘটনা। এর কিছুকাল আগে লন্ডন থেকে লাস ভেগাসগামী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে আকাশে উড্ডয়নের সময় একটি মোবাইল ফোনে আগুন লেগে যায়। এতে কেবিনের ভেতরের অংশ পুড়ে যায় এবং অবতরণের পূর্বে ক্রুরা সহায়তা চাইতে বাধ্য হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি বলেছেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি’র ভূমিকার প্রশংসা করে। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বর্তমান নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার ও শক্তিশালী বিরোধী দলের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তিনি সংসদকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এই সংসদ গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ধারণ করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সংসদ গণমানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তার মেয়াদ পূর্ণ করবে।
সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউরোপীয় দেশ হিসেবে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান। স্পিকার আশা করেন যে, এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। তিনি বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে আন্তঃসংসদীয় টিম গঠন করে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আইপিইউ’র (ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন) মাধ্যমে দুই দেশের সংসদীয় কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা যেতে পারে। এই লক্ষ্যে তিনি সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি বলেন, বাংলাদেশে মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং বেসরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড উভয় দেশই উপকৃত হতে পারে।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ