মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৫:১০ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, এডভোকেট সাখাওয়াত ইসলাম, শহরের বিভিন্ন রাস্তা পরিদর্শন করেন।
জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের রোজ বুধবার, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত প্রশাসক, জনাব এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, নারায়ণগঞ্জ শহরের দুই নম্বর রেলগেট থেকে চাষাড়া পর্যন্ত বিভিন্ন রাস্তা পর্যবেক্ষণ করেন। এতে তার সাথে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট, আবু আল ইউসুফ খান টিপু এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
শহরের ফুটপাতের হকারদের পূর্ণবাসনের জন্য ২ নম্বর গেট থেকে চাষাড়া পর্যন্ত রাস্তাসমূহের দুই ধারে হকারদের পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেন পরিদর্শন দলটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদেরকে নিজেদের স্কুল পরিষ্কার রাখতে এবং ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে একে অপরকে সাহায্য করার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার ‘সবুজ বিদ্যালয়’ কর্মসূচির অধীনে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর স্থাপিত স্টল পরিদর্শনকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
এর আগে সেখানে একটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ‘গ্রিন স্কুল’ বা সবুজ বিদ্যালয় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখেন।
প্রদর্শনীতে ৬০টি জেলার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা উদ্ভাবনী শিক্ষামূলক কার্যক্রম, স্থানীয় ঐতিহ্য, হস্তশিল্প, পরিবেশগত উদ্যোগ এবং সৃজনশীল শিক্ষণ প্রকল্প প্রদর্শন করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ প্রদান, দেশব্যাপী ‘সবুজ বিদ্যালয়’ বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন এবং সারাদেশ থেকে আসা প্রাথমিক শিক্ষার উদ্ভাবনী উদ্যোগসমূহের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু, শিক্ষক এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন। তিনি তাদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন এবং অনুপ্রেরণা জোগাতে তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলো অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করেন।
বিভিন্ন স্টলে প্রধানমন্ত্রী প্রবেশ করার সাথে সাথে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে তাদের তৈরি করা হস্তশিল্প, মডেল এবং শিক্ষা উপকরণ প্রদর্শন করে।
শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, খেলার মাঠের সুবিধা এবং ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘ডিজিটাল শিক্ষা’ কর্মসূচির অধীনে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের তাদের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান। এ সময় তিনি খেলাধুলা নিয়েও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করেন। খুদে শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি জানতে চান, তারা কী কী ধরনের খেলাধুলা করে। শিক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের ব্যাখ্যা তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
একটি স্টলে শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর নিকট জানায়, তারা সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সহপাঠীদের সাহায্য করতে এবং একসঙ্গে খাবার ভাগ করে খাওয়ার জন্য নিয়মিত টিফিনের টাকার একটি অংশ জমায়। এই কথা শুনে প্রধানমন্ত্রীর মুখে খুশির ছাপ পরিলক্ষিত হয়। তিনি তাদের উৎসাহিত করে বলেন, ‘তোমরা খুব ভালো কাজ করছো’। শিক্ষার্থীরা তাদের দৈনন্দিন ক্লাসের রুটিন, টিফিনের বিরতি এবং পাঠ্যক্রমের বাইরের কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত করে।
অন্য একটি স্টল পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করমর্দন করেন। এ সময় তিনি তাদের উৎসাহিত করেন, যাতে স্কুল সব সময় পরিষ্কার রাখে। তিনি বলেন, তোমাদের স্কুল পরিষ্কার রাখবে। যখনই কোনো ময়লা দেখবে, তা তুলে সঠিক ডাস্টবিনে ফেলবে।
শিক্ষার্থীদের তৈরি করা প্রদর্শনীগুলো দেখে প্রধানমন্ত্রী তাদের কাজের প্রশংসা করেন। তিনি প্রত্যেক শিশুকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে ও তার যত্ন নিতে আহ্বান জানান।
একটি স্টলে শিশুরা তাঁকে একটি ফুলের টবে চারাগাছ লাগিয়ে দিতে বলে, যাতে তাঁর এই সফরের একটি স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে পরে সেটি তাদের স্কুলে রোপণ করা যায়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাওয়ার পর, শিশুরা দ্রুত একটি ফুলের টব ও চারাগাছ এনে দিলে তিনি নিজেই সেটি রোপণ করেন।
এ সময় ছাত্রছাত্রীরা তাঁর সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ করলে তিনি হাসিমুখে স্টলের ভেতরে ঢুকে শিশুদের সঙ্গে পোজ দেন।
এর আগে সারাদেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুরু হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সেখানে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশজুড়ে আজ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একযোগে প্রায় ২ লাখ চারা রোপণ হচ্ছে।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস-সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের উদ্যোক্তাদের সমন্বিত তালিকা প্রণয়ন করা হবে প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নে। শিক্ষিত তরুণরা বাণিজ্যিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে এলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগও তৈরি হবে এবং এভাবে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরো সুদৃঢ় হবে।
বুধবার (১৫ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজন করা একটি ভার্চুয়াল (জুম) সভায় তিনি এসব কথা বলেন, যা বিভাগীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিভাগীয় পরিচালক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সারা দেশের খামারি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে সমস্যার সমাধানে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষিত উদ্যোক্তারা পরিকল্পিতভাবে খামার পরিচালনা করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সার, খাদ্য এবং অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করেন। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় কমে এবং লাভও বাড়ে। অন্যদিকে অপরিকল্পিতভাবে উপকরণ ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায় এবং খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
এছাড়াও তিনি বলেন, তালিকা প্রণয়নের পর বিভাগের ভিত্তিতে খামারিদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব সভায় তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা, প্রতিবন্ধকতা এবং করণীয় বিষয়ে সরাসরি মতামত নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে বাস্তবসম্মত নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা সহজ হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এই খাতের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে।
এই সময় চলাকালীন, প্রতিমন্ত্রী খামারিদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত তালিকা প্রস্তুতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন এবং এ বিষয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ত্রাণ বিতরণ টিম সেখানে ছুটে গিয়েছে। টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন।
১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবিএম সিরাজুল মামুন। তিনি ছাড়া, কেন্দ্রীয় এই টিমে আরো অংশগ্রহণ করেছেন, দলের যুগ্ম-মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি অধ্যাপক খুরশিদ আলম, কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক মুফতী শিহাবুদ্দীন, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দীন আহমদ খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, প্রচার সম্পাদক মুফতী তৌফিক বিন হারিছ, অংকুরের নির্বাহী পরিচালক শাহ শিহাবুদ্দীন, ইসলামী ছাত্র মজলিস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি সাকিব মাহমুদ রুমী এবং খেলাফত মজলিস ও ইসলামী ছাত্র মজলিসের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
১৫ জুলাই, ২০২৬ বুধবার সকাল থেকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিজে উপস্থিত থেকে দলের পক্ষ থেকে উপহার পৌঁছে দিচ্ছেন এবিএম সিরাজুল মামুন। এসময় তিনি উল্লেখ করেন, বন্যার শুরু থেকেই মজলিসের বিভিন্ন টিম সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, "দায়িত্বশীলগণও সরাসরি উপস্থিত হয়ে মানুষের দুঃখ দুর্দশায় পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।" তিনি সরকারকে বন্যার্ত এলাকায় জরুরি ও বিশেষ ত্রাণ তৎপরতা চালানোর জন্য আবেদন জানান এবং নারায়ণগঞ্জসহ দেশবাসীকে বন্যার্ত মানুষের সহায়তায় নিজ নিজ সামর্থ্যের আলোকে অংশ নেওয়ার আহ্বান করেন।
মোহাম্মদ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনায় দুলাভাই-শ্যালক হত্যা মামলায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুসরাত জাবিন এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী শুভেন্দু রায় চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফারুক শেখ ওরফে গাড়ি ফারুক, নুরুদ্দিন মো. রাজু ওরফে ইন্ডিয়ান রাজু, জাহাঙ্গীর হোসেন, সোহেল শিকদার, কালু শেখ ওরফে রাজিব, সিদ্দিক, ওয়াসিম ওরফে দাদা ওয়াসিম ও জব্বার। এদের মধ্যে গাড়ি ফারুক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, রূপসা উপজেলার খান মোহাম্মদপুর গ্রামের শেখ মহিউদ্দিনের ছেলে মো. হায়দার ওরফে কানা হায়দার, নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার বানরগাতি মাটিয়াপুল এলাকার ফারুকের মেয়ে মর্জিনা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করতেন। তার সঙ্গে এজাহারভুক্ত আসামি রাজু, আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে কানা সিদ্দিক, সিদ্দিক, নাসির, মুক্তা ও বেটে রফিকের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ছিল।
২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩টার দিকে আসামিরা রামদা, ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র নিয়ে হায়দারের ঘরে প্রবেশ করে তার বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে। সে সময় তার আর্তচিৎকারে শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার সময় হায়দারের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে হায়দার ও তার শ্যালক তরিকুল ইসলাম পিকু মারা যান।
এ ঘটনায় নিহত হায়দারের ভাই তৈয়ব আলী হয়ে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১০ সালের ১৩ আগস্ট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। ২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালতে চার্জ গঠন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ