বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২১ পি.এম
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া এবং ভবন মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করার।
গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, আদাবর এলাকায় সিটি করপোরেশনের পয়োনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া এবং ভবন মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করা। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি ছাত্রদল নেতা নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতটি ইসলামী দল একত্রে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়ে ‘সমমনা ইসলামী জোট’ গঠন করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মাখযানুল উলূম মাদরাসায় দলগুলোর প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন।
এই জোটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।
হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমান জানান, সমমনা ইসলামী দল’ প্লাটফর্মে সাতটি ইসলামী দল একত্রে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর মধ্যে যেসব দল অন্য জোটে রয়েছে, তারা সেই জোট ছেড়ে সমমনা ইসলামী দল রাজনৈতিক প্লাটফর্মে আসার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
সাজিদুর রহমান আরও বলেন, হেফাজতে ইসলাম দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে সমমনা ইসলামী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। তবে নিজেদের নির্দলীয় ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সাবেক তারকা ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, যিনি ‘পঞ্চপাণ্ডব’ হিসেবে পরিচিত, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় ধরে বিতর্ক এড়িয়ে চলা এই ক্রিকেটার সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জমজম ব্রাদার্সের অফিসে একটি মিটিংয়ে অংশগ্রহণের কারণে সমালোচনার সম্মুখীন হন।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি জমজম ব্রাদার্সের অফিসে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন এবং বিতর্কের জন্ম দেওয়া পোস্টটিও ইতোমধ্যে মুছে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন।
এই সমালোচনার শুরু হয়েছিল সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। ওই পোস্টের পর মাহমুদউল্লাহর জমজম ব্রাদার্সের অফিসে যাওয়া এবং সেখানে অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হলেও, এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম পরিচিত মুখ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দীর্ঘদিন জাতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও সাধারণত বিতর্কের বাইরে থাকা এই ক্রিকেটারের ওপর সাম্প্রতিক ঘটনাটি ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
সায়েরের পোস্টে দাবি করা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় দলের এক সাবেক ক্রিকেটার ভানুয়াতুর নাগরিকত্বে বিনিয়োগের বিষয়টি প্রচার করছেন। পোস্টে এ ধরনের বিনিয়োগের অর্থ বিদেশে পাঠানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। একইসঙ্গে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো পরিচিত একজন ক্রিকেটারের এমন প্রচারে যুক্ত থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
যখন সায়েরের পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন তুঙ্গে ওঠার উপক্রম, তখনই বিষয়টি স্পষ্ট করেন রিয়াদ। তিনি বুঝতে পারেন যে, বিনা স্বার্থে তিনি যে ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন সেখানে দেশের স্বার্থের প্রশ্ন জড়িত। তাই জমজম ব্রাদার্সকে বলে পোস্টগুলো মুছে ফেলেন। এরপর নিজেই ভেরিফাইড ফেসবুকে বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে মাহমুদউল্লাহ লেখেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই।’
তিনি লেখেন, ‘কিছুদিন আগে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়। তাদের আমন্ত্রণে একদিন তাদের অফিসে গেলে, তারা তাদের একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে আমার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের ব্যাবসায়িক এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।’
রিয়াদ আরও লেখেন, ‘আমার অনুরোধে তারা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেন।’
তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সব সময় বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা কোনো ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।’ পোস্টের শেষে সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকবেন এবং সবার প্রতি ভালোবাসা, সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মো. আলম শেখ (৪১) নামের একজন ব্যক্তিকে শিশু চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাটি ঘটে বুধবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সামনে।
শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন মিয়া বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে আলম শেখ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন। এ সময় সেখানে চিকিৎসাধীন শিশুদের স্বজনেরা তাঁকে শিশু চোর মনে করে। তাঁরা তাঁর হাসপাতালে আসার কারণ জানতে চান। কিন্তু সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে আলম শেখকে টেনেহিঁচড়ে হাসপাতালের নিচে নামিয়ে মারধর করেন। এক পর্যায়ে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
এসআই রিমন মিয়া বলেন, ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর দেওয়া হয়। পরে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলম শেখের মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, আঙুলের ছাপের মাধ্যমে আলম শেখের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি রাজধানীর রূপনগরের টিনশেড এলাকায় বসবাস করতেন। পুলিশ তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
পুলিশের বরাত অনুযায়ী, আলম শেখ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং তিনি মস্তিষ্কে স্ট্রোকের শিকার হয়েছিলেন। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর তাঁর মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ বুঝে নিতে তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক তাজমহল প্যালেস হোটেলে নিয়ে যান। এ সময় জয়শঙ্কর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হোটেলটির নিরাপত্তা প্রধান সুনিল কুদিয়াদির পরিচয় করিয়ে দেন। উল্লেখ্য, সুনিল ২০০৮ সালের ভয়াবহ ‘তাজ হোটেল’ সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনরা এটিকে ‘পাকিস্তানের মদদপুষ্ট’ সন্ত্রাসবাদের বাস্তব রূপ তুলে ধরার এবং ওয়াশিংটনকে এক ধরনের ‘আয়না দেখানোর’ শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখছেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে একটি ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক যোগাযোগের পটভূমিতে ঘটেছে।
সফরকালে রুবিও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পাকিস্তান নীতির পক্ষে সাফাই গেয়ে মন্তব্য করেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতা ও ভৌগোলিক গুরুত্বের কারণে তাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, ইসলামাবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ বা আচরণ থেকে পাকিস্তানকে নিবৃত্ত করা সহজ হবে।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রুবিও বলেন, ‘তাজমহল প্যালেস হোটেলে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ছয়জন মার্কিন নাগরিকসহ নিহতদের সম্মান জানাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছি। আমরা নিহতদের স্মরণ করি, যারা এর মোকাবেলা করেছিলেন তাদের সাহসিকতাকে সম্মান জানাই। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত-মার্কিন যৌথ প্রতিশ্রুতি ও আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিকে পুনর্ব্যক্ত করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ