মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
০৪:২৭ এম
২৩ শে জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ মঙ্গলবার, নারায়ণগঞ্জ জেলা পাইকপাড়ায় বড় কবরস্থানে জিয়াউদ্দিনের বেকারি থেকে দশ পিস কেক ক্রয় করার পর বাসায় নিয়ে যায় পাইকপাড়ার বাসিন্দার মোঃকবির হোসেন, কেক ভাঙ্গার পর, কেকের ভিতর সিগারেটের শেষ অংশটি মিললো কেকের ভিতরে, উক্ত বিষয়ে বেকারির মালিকে অবগত করা হইলে, মালিকপক্ষ সাব জানিয়ে দেন যে দুই একটু হইতেই পারে সমস্যা কিসের, তাই ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদেরকে জানানো যাচ্ছে যে এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ কবির হোসেন, এইধরনের খাদ্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের নিকট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেস্টিনেট প্রতিষ্ঠাতা আমিনুল ইসলামকে হস্তান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ মালয়েশিয়া পায়নি, এমনটি জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) পার্লামেন্টের সুবাংয়ের এমপি ওং চেনের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও জানান, গণমাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ পক্ষ থেকে মালয়েশিয়ার কাছে আমিনুল এবং তার সহযোগীকে গ্রেফতারের বিষয়ে দুই বছর আগে সাহায্য চাওয়ার বিষয়টি প্রচারিত হলেও, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের তরফে বা তাদের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের কাছ থেকে বন্দি হস্তান্তরের বিষয়ে কোনো অফিসিয়াল আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেনি।
মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব প্রাপ্ত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমিনুল ইসলাম আব্দুল নর হলেন বেস্টিনেট এসডিএন বিএইচডি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। এই প্রতিষ্ঠানটি মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়ে আসার কার্যক্রম পরিচালনা করে 'ফরেন ওয়ার্কার সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম' (এফডব্লিউসিএমএস) এর মাধ্যমে।
এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরের একটি প্রতিবেদনে ব্লুমবার্গ জানিয়েছিল, অভিবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগে আমিনুল ইসলামের হস্তান্তর এবং মালয়েশিয়াকে এফডব্লিউসিএমএস প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের অক্টোবরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন জানিয়েছিলেন এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে সরকারের জিটুজি এবং পুলিশি পিটুপি পর্যায়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে এই আইনি প্রক্রিয়ার সর্বশেষ অবস্থান পরিষ্কার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিদ্যমান প্রত্যর্পণ কাঠামোর সমস্ত আইনি শর্ত পূরণ হওয়ার পরেই মালয়েশিয়া কাউকে হস্তান্তরের বিষয়ে বিবেচনা করতে পারে।
তিনি আবার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সরাসরি কোনো বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও, মালয়েশিয়ার 'এক্সট্রাডিশন অ্যাক্ট ১৯৯২' এর ৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব। তবে উক্ত আইনের ১২ নম্বর ধারা অনুযায়ী যেকোন ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশকে অবশ্যই তাদের কূটনৈতিক প্রতিনিধির মাধ্যমে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘানা তাদের রক্ষণনৈপুণ্য ব্যবহার করে একটি সমান অঙ্কে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার জিলেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। ম্যাচটি ছিল প্রাণহীন ও আকর্ষণহীন, যেখানে ইংল্যান্ডের প্রধান খেলোয়াড়েরা যেমন জুড বেলিংহ্যাম, অ্যান্থনি গর্ডন এবং হ্যারি কেইন নিজেদের সেরাটা দিতে পারেননি। এর ফলে, ইংল্যান্ডের জন্য গ্রুপের শীর্ষস্থান দখলের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
এই ড্রয়ের ফলে ইংল্যান্ডের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি ক্রোয়েশিয়া তাদের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে জয়ী হয়, তবে ইংল্যান্ডের ভাগ্য গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পানামার বিপক্ষে ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।
ইংল্যান্ড দুই ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, আর ঘানা দুইয়ে আছে। পানামা এবং ক্রোয়েশিয়া এখনও একটি ম্যাচ করে খেলে পয়েন্টের মুখোমুখি হয়নি।
ম্যাচে ইংল্যান্ড ৭৯ শতাংশ পজেশন পেয়ে ১৯টি শট নেয়, কিন্তু কেবল তিনটি শট লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। ঘানার গোলরক্ষককে তারা তেমন কোনো পরীক্ষার মুখোমুখি করতে পারেনি, অপরদিকে ঘানার দুজনের একটি শট লক্ষ্যে ছিল।
মাঠে নামার সময় জুড বেলিংহ্যাম ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাচ খেলার ফিফটি পূর্ণ করলেন (২২ বছর, ৩৫৯ দিন)। তিনি ওয়েইন রুনিকে (২৩ বছর, ১৫৯ দিন) ছাড়িয়ে যান।
বৃষ্টিবিহীন ও মেঘলা আবহাওয়ায় বোস্টনে ৬৭ হাজারেরও বেশি সমর্থক জিলেট স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিল, যেন টি সাময়িকভাবে ওয়েম্বলির রূপ নেয়। ইংলিশ সমর্থকদের উপস্থিতি দলের জন্য ছিল একটি বড় অনুপ্রেরণা।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে রক্ষণভাগের দুর্বলতায় অসন্তুষ্ট টুখেল এই ম্যাচে দুটি পরিবর্তন আনেন। জন স্টোনস ও ও’রাইলির পরিবর্তে দলে স্থান পান মার্ক গুয়েহি ও স্পেন্স। বিশেষ করে গুয়েহি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে রক্ষণভাগের নেতৃত্বের দাবিদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ পুরো ম্যাচে দৃঢ়তা করে।
তবে ইংল্যান্ডের আক্রমণে হতাশা ছিল উল্লেখযোগ্য। ম্যাচের শুরু থেকেই ঘানা শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ইংল্যান্ড বলের দখল রাখলেও গোলের দেখা পায়নি। প্রথমার্ধে একমাত্র উল্লেখযোগ্য সুযোগটি আসে ম্যাচের ১৫ মিনিটের পর, যখন ডেকলান রাইসের জোরালো শট ক্রসবারের অল্প উপরে চলে যায়।
ঘানার মিডফিল্ডার থমাস পার্টি দলের প্রেসিং ও রক্ষণভাগকে দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন। ইংল্যান্ড প্রথমার্ধে মোট ৬টি শট নেয়, কিন্তু কোনোটিই লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।
বিরতির পর ম্যাচ পুরোপুরি কুইরোজের পরিকল্পনার আওতায় চলে যায়। ঘানা রক্ষণাত্মক কৌশল বজায় রেখে ড্র নিশ্চিত করার চেষ্টা করে, আর মাঝে মাঝে পাল্টা আক্রমণে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে। জর্ডান আইয়ুর কিছু বিপজ্জনক আক্রমণ থেকে ঘানা গোলের কাছাকাছি পৌঁছালেও গুয়েহি ও পরে এজরি কনসা তা প্রতিহত করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে আক্রমণাত্মক ফুটবলের তুলনায় বাস্তববাদী কৌশলই বেশি প্রাধান্য পায়। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে নায়ক বেলিংহাম এদিন পুরোপুরি নিষ্প্রভ ছিলেন। তার মাঝমাঠে প্রভাব ছিল নেই বললেই চলে। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি তাকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হয় মরগান রজার্সকে, তবে মাঠ ছাড়ার সময় সমর্থকদের করতালিতে সিক্ত হন তরুণ এই তারকা।
তবে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে বুকায়ো সাকার প্রচেষ্টা ঘানার গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেন। একই আক্রমণে বল একবার লাগে পোস্টে। পরবর্তীতে ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
ব্যক্তিগতভাবে দিনটি বেলিংহামের জন্য হতাশাজনক হলেও ইংল্যান্ড এখনও তার কাছ থেকে বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোতে বড় কিছু প্রত্যাশা করছে। অন্যদিকে এই ড্র ঘানাকে নকআউট পর্বে ওঠার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। গ্রুপের শেষ রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় আগামী শনিবার রাত তিনটায় পানামার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। একই সময়ে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলবে ঘানা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বমঞ্চে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে যখন উৎসবের আমেজে ভাসছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, তখনই সংবাদ সম্মেলনে একটি নাটকীয় ঘটনা ঘটে। খেলা শেষে প্রেস কনফারেন্সে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন করতেই রাগান্বিত হয়ে পড়লেন ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ মহাতারকা। প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে সোজাসুজি বলে দিলেন, "নেক্সট কোশ্চেন" (পরবর্তী প্রশ্ন)।
জনপ্রিয় ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক ও ফুটবল দলবদল বিশেষজ্ঞ ফাব্রিজিও রোমানো তাঁর ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া পেজে এই ঘটনার একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি পোস্ট হওয়ার পর পরক্ষণে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং মেসি-রোনালদো দ্বৈরথকে নতুন করে উস্কে দেয়।
উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫-০ ব্যবধানের বিশাল জয়ের পর ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেখানে টানা ৬টি বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য বিশ্বরেকর্ড স্মরণ করানোর একপর্যায়ে একজন সাংবাদিক বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির চলতি বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স ও তাঁর রেকর্ডের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন।
মেসির নাম শুনতেই রোনালদোর অভিব্যক্তিতে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ পায়। সাংবাদিকের প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই সিআরসেভেন মাইক্রোফোন হাতে বেশ কঠোর ও গম্ভীর গলায় বলেন, "নেক্সট কোশ্চেন প্লিজ"। তাঁর এই আচমকা প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলন কক্ষে মুহূর্তের জন্য নীরবতা নেমে আসে।
ফাব্রিজিও রোমানো এই ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, "উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে লিওনেল মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো! উত্তর না দিয়ে সরাসরি এড়িয়ে গেলেন সিআরসেভেন।"
ফুটবল বিশারদদের মতে, মাঠের পারফরম্যান্সে দুজনেই নিজ নিজ দেশের হয়ে দারুণ খেললেও তাঁদের মধ্যকার দীর্ঘ দেড় যুগের ব্যক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা যে এখনও কতটা তীব্র, রোনালদোর এই এক লাইনের প্রতিক্রিয়াই তা প্রমাণ করে। বিশেষ করে কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে এসেও একে অপরকে নিয়ে কথা বলতে বা তুলনা শুনতে যে তাঁরা এখনও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, এই ঘটনার মাধ্যমে ফুটবল বিশ্বে সেই আলোচনার পালে নতুন করে হাওয়া দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের শক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে পর্তুগাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জোড়া গোল এবং নুনো মেন্দেস-রাফায়েল লিয়াওদের আক্রমণাত্মক ফুটবলে পর্তুগিজ 'নাবিগেটরস'রা এখন ধরা দিচ্ছে। তবে, এই বড় জয়ের পরও ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, কোচ রবার্তো মার্তিনেজের এই দলটি বিশ্বকাপ জিততে সক্ষম হবে, যদি এবং কেবল যদি তারা মাঠের কিছু নির্দিষ্ট দুর্বলতা ও ট্যাকটিক্যাল ঘাটতি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারে।
উজবেকিস্তানের মত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৫-০ স্কোরলাইন দেখালেও, ম্যাচের ভেতরের কিছু চিত্র পর্তুগালের জন্য বড় সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১. মাঝমাঠের পজিশনাল ভুল ও বল হারানোর প্রবণতা: ম্যাচের প্রথমার্ধে পর্তুগালের মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগের মধ্যে পজিশনাল কিছু ভুল স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষত, জোয়াও ক্যানসেলো উজবেকের উইঙ্গার আব্বোসবিক ফায়েজুল্লাহয়েভের কাছে বল হারিয়ে ফেলেছিলেন। ক্যানসেলোর এই মারাত্মক ভুলের কারণে ২৯ মিনিটে উজবেকিস্তানের আজিজ গানিয়েভ ২৫ গজ দূর থেকে পর্তুগালের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন। যদিও বিল্ড-আপে ফাউল থাকায় ভিএআর (VAR) এই গোলটি বাতিল করে দেয়, তবে নকআউট পর্বে ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের মতো দল এই ধরনের ভুলের শাস্তি দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
২. রক্ষণভাগের অনর্থক ফাউল ও কার্ডের মহড়া: ম্যাচ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে থাকার পরও পর্তুগিজ ডিফেন্ডারদের মধ্যে অনর্থক ফাউল করার প্রবণতা দেখা গেছে। ৬৮ মিনিটে রেনাতো ভেইগা যেভাবে আজিজ গানিয়েভকে বডি-চেক করে হলুদ কার্ড দেখলেন, তা ছিল সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। আগামী টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচগুলোতে এমন কার্ডের খেসারত পুরো দলকে দিতে হতে পারে।
৩. বল পজিশন ও অতিরিক্ত আত্মতুষ্টি: ম্যাচের একটি দীর্ঘ সময় (বিশেষ করে প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের পর এবং দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে) পর্তুগালকে কিছুটা ধীরগতির মনে হয়েছে। উজবেকিস্তান যখনই কিছুটা হাই-প্রেস করার চেষ্টা করেছে, পর্তুগিজ ডিফেন্ডাররা কিছুটা প্যানিকড হয়ে ব্যাক-পাস বা লং-বলের সাহায্য নিয়েছেন। ৫-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিতলেও আক্রমণভাগে আরও ক্লিনিক্যাল হতে এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ পুরো ৯০ মিনিট ধরে রাখতে হবে।
পর্তুগালের স্কোয়াডের গভীরতা অসাধারণ। বেঞ্চ থেকে রাফায়েল লিয়াওরা এসে যেভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন, তা কোনো কোচের জন্য একটি স্বপ্নের মতো। কিন্তু সোনালী ট্রফিটি ছুঁয়ে দেখতে হলে মার্তিনেজের দলকে নিচের তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে:
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে এই জয়টি নিশ্চিতভাবে পর্তুগালকে আত্মবিশ্বাস দেবে। তবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে হলে রবার্তো মার্তিনেজের দলকে আজ পাওয়া এই 'ওয়ার্নিং সাইন' বা সতর্কবার্তাগুলোকে অবহেলা করার একটিও সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ