১১:০২ পি.এম
চলমান বিশ্বকাপের আয়োজক ৩ দেশ হলেও, মূল আয়োজক হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র; কানাডা ও মেক্সিকো সহ-আয়োজক হিসেবে আছে এবং মোট ম্যাচের ৩ গুণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। তবে এই চলমান বিশ্বকাপ চলার সময়েই যুক্তরাষ্ট্র আরেকটি বিশ্বকাপ আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছিল।
হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গিলিয়ানো ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা ২০৩৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ এককভাবে নিজেদের দেশের মাটিতে আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন।
এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবার ৩২ থেকে দলে সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮টি করা হয়েছে। ফিফা এই সংখ্যাকে ৬৪-তে উন্নীত করার কথা ভাবছে। সেই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বিবিসির কাছে গিলিয়ানো বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ যদি ৬৪ দলেরও হয়, তা সফলভাবে সামাল দেওয়ার সামর্থ্য যুক্তরাষ্ট্রের আছে।’
আরও পড়ুন: সুষ্ঠু নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে জামায়াত: রুহুল কবির রিজভী
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের পক্ষে যুক্ত করার সময় তিনি আরও বলেন, 'বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে উপযুক্ত আর একটি দেশ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং এখানে আসা ফুটবল–ভক্তদের প্রতিক্রিয়া দেখলে তা সহজেই বোঝা যায়। যারা প্রথমবার বা দীর্ঘদিন পর এখানে এসেছেন, তারা দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ কতটা অতিথিপরায়ণ।'
তিনি বলেন যে, অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের খরচ অনেক কম হয়েছে। গিলিয়ানোর মতে, ‘আমাদের স্টেডিয়াম ও অবকাঠামো আগে থেকেই তৈরি ছিল এবং যেখানে অন্য দেশগুলোর হাজার কোটি ডলার খরচ হয়, সেখানে আমাদের খরচ হয়েছে মাত্র কয়েক বিলিয়ন।’
এছাড়া গিলিয়ানোর এই মন্তব্যে সরাসরি না হলেও এক যুগের মধ্যে আরও একটি বিশ্বকাপ আয়োজন করার ইচ্ছার ইঙ্গিত ছিল। তবে তিনি আরও বললেন, ‘২০৩৮ সালের বিড নিয়ে মাতামাতি করার আগে, আমরা চলমান বিশ্বকাপটি নির্বিঘ্নে শেষ করতে চাই।’
২০৩৪ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিফার ভেন্যু নির্ধারণ চূড়ান্ত হয়েছে। পরবর্তী বিডিং ২০৩৮ সাল থেকে শুরু হবে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র যদি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায়, তাহলে ২০৩৮-কে বেছে নিতে হবে তাদের।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহু হেরে গিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান, দাবি বিরোধীদের
বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বেশ গর্ব করলেও এবারের বিশ্বকাপে কিছু সমালোচনা রয়েছে। গত এপ্রিলে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ও বিতর্কিত অভিবাসন নীতির কারণে ১২০টির বেশি দেশের খেলোয়াড়, সাংবাদিক ও দর্শকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিশেষ ‘ভ্রমণ সতর্কতা’ জারি করা হয়। পাশাপাশি, টুর্নামেন্ট চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ খরচ বৃদ্ধি নিয়েও তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করেও অনেক সমালোচনা রয়েছে। ইরানকে যেমন ম্যাচ খেলে সঙ্গে সঙ্গেই আবার মেক্সিকোতে ফিরতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচের আগে এবং পরে তাদের থাকার সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন