ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মহেশখালীতে রোগীদের জন্য এনসিপির তিনটি হুইল চেয়ার বিতরণ


মহেশখালীতে রোগীদের জন্য এনসিপির তিনটি হুইল চেয়ার বিতরণ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কক্সবাজারের মহেশখালী ঘাটে রোগীদের বোটে ওঠানামার সুবিধার্থে তিনটি হুইল চেয়ার বিতরণ করেছে।

এটি সোমবার বিকেল ৪টায় মহেশখালী ঘাটে অনুষ্ঠিত হয়।

এই বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম সুজাউদ্দিন এবং মহেশখালী উপজেলা এনসিপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: শিবগঞ্জ ভূমি অফিসে ভুয়া রায় দিয়ে রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টা: বাদীর ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

রোগীদের যাতায়াতকে সহজতর করার লক্ষ্যে এবং বিশেষ করে অসুস্থ ও চলাচলে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বোটে ওঠানামার ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন ডা. আমির হামজার, রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন ডা. আমির হামজার, রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি

দীর্ঘদিন ধরে সাশ্রয়ী খরচে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার দাবি; মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে চিকিৎসার প্রতিটি ধাপের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি**


সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে স্বল্পমূল্যে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে রয়েছেন চিকিৎসক ডা. আমির হামজা। তাঁর কাছ থেকে চিকিৎসাসেবা নেওয়া রোগী ও স্থানীয়দের অনেকের বক্তব্যে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সাশ্রয়ী খরচে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতিও রয়েছে। তবে রেনু বেগমের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হওয়ায় চিকিৎসকের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের সেবামূলক কার্যক্রম এবং মৃত্যুর আগে রোগীর চিকিৎসার পুরো ঘটনাপ্রবাহ নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি হয়ে উঠেছে।


চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ব্যয়বহুল চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের খরচ বহন করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এমন বাস্তবতায় ডা. আমির হামজা দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প খরচে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সাধারণ মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে আলোচিত। তবে একজন চিকিৎসকের পেশাগত ভূমিকা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তাঁর দীর্ঘদিনের সেবামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা-ঘটনার বাস্তবতা, রোগীর অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা-নথিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।


পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের উত্তর হলতা গ্রামের বাসিন্দা দুলাল মিয়ার স্ত্রী রেনু বেগম (৪৫) জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসার জন্য গত ১০ অক্টোবর বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা বাজারে ডা. আমির হামজার চেম্বারে যান। চিকিৎসকের পরামর্শে পরদিন তিনি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হন। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

অস্ত্রোপচারের পর কয়েক দিন অতিবাহিত হলে রেনু বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে ১৯ অক্টোবর তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়।

এই মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে অস্ত্রোপচার-পরবর্তী চিকিৎসা, রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন সামনে এসেছে। এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চিকিৎসার প্রতিটি ধাপের তথ্য ও নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ডা. আমির হামজার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি রেনু বেগমের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর নিয়মিত পরিচর্যা ও পরবর্তী চিকিৎসার দায়িত্ব ছিল কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের ওপর। ক্লিনিকের আবাসিক সার্জন প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁর কাছ থেকে মুঠোফোনে চিকিৎসাসংক্রান্ত পরামর্শও নিয়েছিলেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

চিকিৎসকের এই বক্তব্যের পাশাপাশি অস্ত্রোপচার-পরবর্তী সময়ে রোগীর দায়িত্বে কারা ছিলেন, কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল, রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি কখন থেকে শুরু হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত কখন ও কী পরিস্থিতিতে নেওয়া হয়েছিল—এসব বিষয় যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।


রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে অস্ত্রোপচারের নথিপত্র, রোগীর শারীরিক পরীক্ষার প্রতিবেদন, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ, ব্যবহৃত ওষুধের বিবরণ এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ এবং রোগীর পরিবারের বক্তব্যও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চিকিৎসা-প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ পর্যালোচনা হলে মৃত্যুর কারণ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো অবহেলা ছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।


স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের জন্য নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে সাশ্রয়ী খরচে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ডা. আমির হামজার ভূমিকা থাকলে সেটিও যথাযথভাবে মূল্যায়িত হওয়া উচিত। তবে একই সঙ্গে রেনু বেগমের মৃত্যুর ঘটনাটিও কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

একজন চিকিৎসকের দীর্ঘদিনের সেবামূলক কার্যক্রম যেমন মূল্যায়নের দাবি রাখে, তেমনি একজন রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং পরিবারের প্রশ্নের জবাব পাওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

কোনো পূর্বধারণা, অসম্পূর্ণ তথ্য কিংবা একপাক্ষিক বক্তব্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো নয়; বরং চিকিৎসা-নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা সামনে আসুক—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের। এতে একদিকে চিকিৎসকের পেশাগত অবস্থান সম্পর্কে স্বচ্ছতা তৈরি হবে, অন্যদিকে একজন মৃত রোগীর পরিবারও ন্যায়সংগতভাবে প্রকৃত ঘটনা জানার সুযোগ পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘প্রেম প্রকাশ্যে আনতে চাই না’—কেয়া পায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


‘প্রেম প্রকাশ্যে আনতে চাই না’—কেয়া পায়েল

তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল কখনোই শেষ হয় না। বিশেষ করে যখন প্রেম বা বিয়ের খবর সামনে আসে, তখন আলোচনা শুরু হয়ে যায়। সম্প্রতি ছোট পর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েল নিজের প্রেম ও বিয়ে নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রেমের সম্পর্ক গোপন রাখা তার কাছে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়।

মালদ্বীপে অবকাশযাপনের সময় এক যুবকের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় কেয়া পায়েলকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় ওই যুবকের সঙ্গে পাশাপাশি বসে খাবার খাচ্ছেন তিনি। একপর্যায়ে কেয়া পায়েল যুবককে নিজের হাতে খাবার তুলে দেন। ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, অভিনেত্রী নিজের একটি ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘প্রথম ভালোবাসা কি ভোলা যায়?’ তার এই মন্তব্যের পর রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। অনেকেই মনে করছেন, মালদ্বীপে তার সঙ্গে থাকা যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কিছু জানাননি কেয়া পায়েল।

কিন্তু প্রেম নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কেয়া পায়েল। তিনি মনে করেন, প্রেমের সৌন্দর্য অনেকটাই গোপনীয়তার মধ্যে নিহিত। তাই ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতে চান না তিনি।

অভিনেত্রীর কথায়, প্রেম গোপনে থাকলেই বেশি সুন্দর। সম্পর্কের কথা সবাইকে জানিয়ে দিলে সেই বিশেষ অনুভূতি আর আগের মতো থাকে না। তিনি লুকোচুরি ও ভালোবাসার মুহূর্তগুলো উপভোগ করতেই পছন্দ করেন।

বিয়ের বিষয়ে কেয়া পায়েল জানিয়েছেন, যদি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তবে সেটি আর গোপন রাখবেন না। তখন আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানাবেন। কারণ প্রেমের সম্পর্ক যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। তাই নিশ্চিত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চান না এই অভিনেত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ঘরের মেঝেতে দুটি ‘কবর’ সদৃশ ঢিবি, এলাকায় চাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


বরিশালে ঘরের মেঝেতে দুটি ‘কবর’ সদৃশ ঢিবি, এলাকায় চাঞ্চল্য

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় একটি বসতঘরের মেঝেতে দুটি ‘কবর’ জেগে ওঠার দাবি জানিয়েছেন ওই বাড়ির সদস্যরা। এই ঘটনাটি এলাকায় কৌতূহল ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। কথিত কবর দুটি দেখতে উৎসুক মানুষজন বাড়িতে ভিড় করছেন। কিছু লোক সেখানে ঝাড়ফুঁক ও তোলপড়া নিতে আসছেন বলেও জানা গেছে। তবে ঘরের মেঝেতে কিভাবে এই দুটি উঁচু জায়গা তৈরি হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাটি উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি গ্রামে ঘটেছে। বাড়িটির বাসিন্দা সজীব বেপারী। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একটি বসতঘরের পাকা মেঝের ওপর পাশাপাশি দুটি লম্বাটে উঁচু ঢিবির মতো রয়েছে। সেগুলো গামছা দিয়ে ঢাকা। ওপরের অংশে ফুলের মালা ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে। পরিবারটির দাবি, এগুলো কবর। এর মধ্যে একটি প্রায় দুই হাত এবং অন্যটি তিন হাত লম্বা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ২৬ অক্টোবর সোমবার সকাল ১০টার দিকে ঘরের মেঝেতে প্রথম কবরটি জেগে ওঠে। একই দিন রাত ১২টার দিকে এর পাশে আরেকটি কবর দেখা যায়। তাদের বিশ্বাস, কথিত কবর দুটি দুজন পীরের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সজীব বেপারী প্রায় ছয় মাস ধরে বাড়িতে ‘ভাড়ে’ বা ধ্যানে বসে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তার কাছে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন নারী-পুরুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। প্রতি সোমবার রোগীর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। কথিত কবর দুটি জেগে ওঠার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সজীবের মা শিউলী বেগম জানিয়েছেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হননি। ছয় মাস আগে স্বপ্ন দেখার পর তিনি নিজ বাড়িতে আসন স্থাপন করে ধ্যানে বসেন। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।

তবে সজীব কী ধরনের রোগে ভুগছিলেন তা জানা যায়নি। তিনি ধ্যানের মাধ্যমেই সেই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন কিনা, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সজীব বেপারীও দাবি করেন, ২৬ অক্টোবর সকালে ঘরের মেঝেতে প্রথম কবরটি এবং একই দিন রাতে দ্বিতীয় কবরটি জেগে ওঠে। সজীব দাবি করেন, কবর দুটি দুজন পীরের। তাদের একজন মারা যান ১১৬৬ সালে বাগদাদে এবং অপরজন ভারতের আজমিরে ১২৩৬ সালে মারা যান।

তবে সজীব এবং তার পরিবারের এই দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘরের পাকা মেঝের ওপর কাপড় দিয়ে ঢাকা দুটি উঁচু আকৃতি দেখা গেলেও সেগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা ছবিতে বা সরেজমিন পর্যবেক্ষণে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মেঝের নিচ থেকে স্বাভাবিকভাবে মাটি উঠে এসে এমন আকৃতি তৈরি হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

তবে পরিবারের এই দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তাদের মতে, ঘরের মেঝেতে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা দুটি উঁচু আকৃতির স্থাপনাকে অলৌকিকভাবে জেগে ওঠা কবর বলে প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টিকে ভুয়া ও ভিত্তিহীন দাবি বলেও মন্তব্য করছেন কেউ কেউ।

তাদের প্রশ্ন, সত্যিই যদি মেঝে ফুঁড়ে কবর দুটি তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে এর কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ কোথায়? স্থানীয়দের ভাষ্য, সজীব আগে একটি হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।

স্থানীয় একজন সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, এগুলো আসলে কবর বলে মনে হচ্ছে না। নিচ থেকে এগুলো ওঠেনি। ঘরের মেঝের উপর মাটি বা কিছু দিয়ে এমন তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ফজলুল হক বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের ঘটনার কোনো নজির বা ভিত্তি নেই। প্রশাসন তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। স্থানীয় মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারে, এমন আশঙ্কায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার জানান, সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটবল খেলা নিয়ে ভৈরব ও কুলিয়ারচরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০০ পি.এম


ফুটবল খেলা নিয়ে ভৈরব ও কুলিয়ারচরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১০

কিশোরগঞ্জের ভৈরব ও কুলিয়ারচর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রাম এবং কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের ষোলরশি গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০-১২ দিন আগে আতকাপাড়া ও ষোলরশি গ্রামের যুবকদের মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ম্যাচকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
তবে আজ সোমবার বিকেলে আতকাপাড়া গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে ও এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. হেদায়েতুল্লাহ ছয়সূতি হাইস্কুলে টেস্ট পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ষোলরশি গ্রামের কয়েকজন যুবক তাকে মারধর করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং সন্ধ্যায় তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।


এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভৈরব ও কুলিয়ারচর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%