ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, সোনারগাঁয়ে ৩ প্রতিষ্ঠান জরিমানার মুখে


অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, সোনারগাঁয়ে ৩ প্রতিষ্ঠান জরিমানার মুখে

 

স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণ-প্রক্রিয়াজাতকরণের নির্ধারিত নীতি অনুসরণ না করে খাবার প্রস্তুত করার দায়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে তিনটি খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ব্যস্ততম মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—সিকদার ডাইন, বৈশাখী রেস্তোরাঁ ও ঈশা খাঁ মিষ্টি ঘর। ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম।

অভিযানকালে রেস্টুরেন্ট ও মিষ্টির দোকান কর্তৃপক্ষকে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মজুত এবং বিক্রির ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য আইনের সংশ্লিষ্ট বিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সঠিকভাবে খাদ্য সংরক্ষণ এবং ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. মোশাররফ হোসেন (মুর্শিদ), উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক বায়েজিদ এবং কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের পেশকার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও খাদ্য সংরক্ষণের নির্ধারিত নীতি অনুসরণ না করার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুতের দায়ে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষক ৬ জন, শিক্ষার্থী ৯০০; তবু ৯ বছর ধরে সাফল্যের শীর্ষে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


শিক্ষক ৬ জন, শিক্ষার্থী ৯০০; তবু ৯ বছর ধরে সাফল্যের শীর্ষে

 

এসএসসি পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল করায় উল্লাস করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সরকারি এসএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সরকারি এসএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৯৫ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৯৩ জন সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে।

জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৪ জন।

দেশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষক বেশি থাকা সত্ত্বেও যেখানে ফল বিপর্যয় ঘটছে বা একজনও পাস করতে পারছে না, সেখানে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির ফল ভিন্ন। এই প্রতিষ্ঠানটিতে পাশের হার ৯৭.৮৯ শতাংশ।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯০০।

যার বিপরীতে শিক্ষক সংখ্যা মাত্র ছয়জন। তবুও সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিদ্যালয়টির ফলের তথ্য জানা যায়, যা বিগত ৯ বছর ধরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় সেরা হিসেবে চিহ্নিত।

সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ হওয়ার পর নতুন করে আর জনবল প্রদান করা হয়নি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

তবে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত উপস্থিত থাকলেও শিক্ষক নিয়ে রয়েছে বড় ধরনের সংকট। এ কারণে পার্টটাইম শিক্ষক দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকালে (১১ আগস্ট) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, টানা ৯ বছর উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বাদ্য বাজিয়ে উল্লাস করছেন এবং বিতরণ করা হচ্ছে মিষ্টি।

৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিথিলা বলেন, ‘পত্রিকায় লেখেন, আমাদের পর্যাপ্ত টিচার নেই। গরমে ফ্যান সংকটে ভুগছি।’

১০ম শ্রেণির ছাত্র মুশফিক বলেন, ‘আমাদের এটা সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অথচ এখনও আমরা টিনের কক্ষে ক্লাস করি। আমাদের হোস্টেল নেই। জরুরি আবাসিক ব্যবস্থা দরকার।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘আজ যদি আমাদের আরো শিক্ষক থাকতো, শতভাগ পাশসহ জিপিএ ৫ আরো বাড়তো। শ্রেণিকক্ষে ফ্যান নেই, বেঞ্চ সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সেরা ফল করছি।’

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে না পেয়ে এবিষয়ে কথা হয় বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলামের সঙ্গে।

ইউএনও বলেন, ‘আমি এখানে গত একবছর আগে যোগদানের পর থেকে দেখছি একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট। কিন্তু ফল ভালো। আমি শিগগির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত: ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উত্তরাঞ্চল থেকে বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমে যাবে, ফলে পুরো অঞ্চল সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণেই বর্তমান দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বিআইএএম মিলনায়তনে আয়োজিত এক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ বা ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করেছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ষড়ঋতুর বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেশের মানুষকে নিয়মিত নানা ধরনের দুর্যোগের মুখোমুখি হতে হয়। এসব দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব মানুষের পাশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ তিন জেলা গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরের ১৯টি উপজেলায় বর্তমানে ‘প্রভাতী’ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি বন্যার আগাম পূর্বাভাস দেওয়ার ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্রুত আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দিয়ে স্থানীয় জনগণকে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

এ ছাড়া, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবিএম সফিকুল হায়দার, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২ হাজার ৯৪১ রাজস্ব পদের প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২ হাজার ৯৪১ রাজস্ব পদের প্রস্তাব

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২ হাজার ৯৪১টি রাজস্ব পদ সৃজনের প্রস্তাব স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ দিয়েছে। পদ সৃজনের এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৪ অধিশাখা থেকে গতকাল (১০ আগস্ট) একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে এ সংক্রান্ত। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রণালয়ের ভবন নম্বর-০৩-এর ৩৩১ নম্বর কক্ষে। সভায় দেশের নয়টি সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন পদ সৃজনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

আলোচ্যসূচির মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জন্য ১ হাজার ১৯৬টি এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজির জন্য ১ হাজার ৮টি পদ সৃজনের প্রস্তাব।

এছাড়া ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল- নরসিংদীতে ৩৮৮টি, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল- চুয়াডাঙ্গায় ৫৩টি, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পেকুয়া, কক্সবাজারে ৬৫টি এবং ১০০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভৈরব, কিশোরগঞ্জে ৭২টি পদ সৃজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জে ৬৫টি, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল, ফেনীতে ৫৩টি এবং ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, মহেশপুর, ঝিনাইদহে ৪১টি পদ সৃজনের প্রস্তাব রয়েছে। সব মিলিয়ে সবগুলো প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত পদ মিলে ২ হাজার ৯৪১টি নতুন রাজস্ব পদ সৃজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নোটিশ অনুযায়ী, সভায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রস্তাবিত নতুন রাজস্ব পদ সৃজনের বিষয়টি পর্যালোচনা ও আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপনের মাধ্যমে পদ সৃজনের যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। সভায় আলোচনা শেষে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রস্তাবিত পদগুলো সৃজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সজীব আহমেদ স্বাক্ষরিত নোটিশে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন রাজস্ব পদ সৃজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল সংকট কমানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপের তুলনায় প্রয়োজনীয় জনবল না থাকলে চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

নতুন পদ সৃজনের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনবল বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সেবার সক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে সভায় প্রস্তাবিত ২ হাজার ৯৪১টি পদ চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হবে কি না, তা সভার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে কোনো পদ অপরিবর্তিত রাখা, সংশোধন করা কিংবা সংখ্যা কম-বেশি করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা জরুরি। এই কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাহিদা ও সেবার পরিধি বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে নতুন রাজস্ব পদ সৃজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আগামীকাল সভায় প্রস্তাবগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সভার সিদ্ধান্তের পর প্রস্তাবিত পদগুলোর পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়ক সামনে রেখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন এবং সক্রিয় করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১ টার সময় কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

এতে সহযোগিতার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

এই সময়ে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি, কুলিয়ারচর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস মিয়ার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আলম রাশিদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াছিন খন্দকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন কিশোরগঞ্জের সহকারী উপপরিচালক ইসতেহাক আহম্মেদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এস.আর.এম.জি কিবরিয়া, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যাবৃন্দ আব্দুল কাদির, লীলা রানী সাহা, মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম এবং আলি হায়দার শাহিনসহ বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কুলিয়ারচর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. রফিকুল বাহার।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা দুর্নীতির বিভিন্ন কারণ, এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের করণীয় বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরে। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর তথ্য, বক্তব্য এবং সাবলীল উপস্থাপনায় উঠে এসেছে দুর্নীতির ভয়াবহতা এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তরুণদের করণীয়।

এছাড়া, প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধের সূচনা ব্যক্তিগত পর্যায় থেকেই হওয়া উচিত। ঘুষ প্রদান ও গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। একইসঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্নীতি কেবল রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের পথে বাধা নয়, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের সম্পদের অপচয় হয়, সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন এবং প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়। সুতরাং, দুর্নীতি প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে নৈতিকতা এবং মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, তরুণ সমাজকে বাদ দিয়ে দুর্নীতিবিরোধী একটি কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। কারণ বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত হবে। তাদের মধ্যে সততা, স্বচ্ছতা, দেশপ্রেম এবং দায়িত্ববোধের চর্চা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ তৈরি হবে।

আয়োজকদের মতে, বিতর্ক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের শুধু বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা বৃদ্ধি করে না; বরং কোনো সমস্যাকে যুক্তি এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখার সুযোগ তৈরি করে। দুর্নীতির মতো সামাজিক ব্যাধি নিয়ে শিক্ষার্থীদের চিন্তা এবং মতামত প্রকাশের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সচেতন নাগরিক হওয়ার মানসিকতা গড়ে উঠছে।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার এবং সনদ বিতরণ করা হয়েছে। অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাদেরকে ভবিষ্যতে দুর্নীতিবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

পুরস্কার বিতরণ শেষে আয়োজকরা জানান, একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয়তো একদিনে সমাজ থেকে দুর্নীতি দূর করতে পারবে না। তবে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের চিন্তার জগতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে এবং তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে উৎসাহিত করছে। ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হলে সমাজে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা আরও বিস্তৃত হবে।

আয়োজকরা জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থী এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। তাদের প্রত্যাশা, আজকের সচেতন তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশকে আরও স্বচ্ছ, ন্যায়ভিত্তিক এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%