কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
০৮:৪০ পি.এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছে উপজেলা যুবদল ও পৌর বিএনপির একাংশের নেতারা। একই সঙ্গে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ এবং কৃষকদের জন্য সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা পৌর সদর বাজারে বিএনপি নেতা খোসবুর রহমান খোকনের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহিন মোল্লা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. বাশারুল বারী।
লিখিত বক্তব্যে নেতারা অভিযোগ করেন, বিসিআইসি ও খুচরা সার ডিলার নিয়োগে একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা ও স্থানীয় সুবিধাভোগী চক্র আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তাঁদের দাবি, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে পুনরায় ডিলারশিপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষকদের স্বার্থ ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে চারটি ইউনিয়নের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাঁদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ডিলারশিপ পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান আয়োজকেরা। তাঁরা হলেন—আলফাডাঙ্গা ইউনিয়নের দাউদ মোল্যা (বিএনএফ), টগরবন্দ ইউনিয়নের আলামিন শেখ টোকন, বানা ইউনিয়নের কাজী অমিত হাসান জয় এবং পাচুড়িয়া ইউনিয়নের শওকত আলী। তাঁদের ডিলারশিপ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ তোলা হলেও এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নাম ব্যবহার করে স্থানীয় একটি সুবিধাভোগী চক্র ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস বলেন, ডিলার নিয়োগের বিষয়টি কৃষি বিভাগের। আমার জানা মতে, এ বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা বলেন, উপজেলা কমিটি তদন্ত করে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য তিনজন যোগ্য আবেদনকারীর নাম জেলা কমিটিতে পাঠায়। জেলা কমিটি তা অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। পরবর্তী সময়ে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকেই চূড়ান্ত ডিলার নিয়োগ সম্পন্ন হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর ৮৫টি পূজামণ্ডপে মোট ১৭ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। প্রতিটি পূজামণ্ডপকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে ওয়াইফাই সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় নগর ভবনের সিটি হল সভাকক্ষে পূজা উদযাপন উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতা, মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে রাসিকের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীর পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় পূজামণ্ডপের নেতারা ওয়াইফাই সংযোগের দাবি জানালে প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এ ছাড়া পূজামণ্ডপ ও বিসর্জন ঘাটের নিরাপত্তা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সড়ক সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও আনসার মোতায়েন, প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিসর্জনের সময় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং বিসর্জন ঘাটে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন বক্তব্য দেন। সভা সঞ্চালনা করেন রাসিকের সচিব সোহেল রানা। এ সময় রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ দুজন এবং মাদক সেবনের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সোয়া ১১টার দিকে নগরীর মিজানের মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ২৬০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন মোঃ রুমেল ওরফে রুবেল (৩৬) ও মোঃ বেল্লাল হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। রুবেল তালাইমারী গ্রামের মৃত জাহেদ আলীর ছেলে এবং বেল্লাল চরশ্যামপুর গ্রামের মকলেসুর রহমান ওরফে মকলেসের ছেলে।
এদিন বিকাল সোয়া ৫টার দিকে মতিহার থানার খোঁজাপুর গ্রামের জমসেদ আলীর মেয়ে ও আকবর আলী ওরফে লিটন মিয়ার (৩৫) বর্তমানে বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাসরত মোছাঃ শান্তা খাতুনের (২৫) বসতবাড়ি তল্লাশি করে ১৯ বোতল এসকাফ সিরাপ ও মাদক বিক্রির নগদ ৬ হাজার ৭০০ টাকা সহ তাকে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। এ সময় আকবর আলী ওরফে লিটন পালিয়ে যায়।
একই রাত পৌনে ১টার দিকে ধরমপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলাম (৩৯) নামের এক ব্যক্তিকে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, আরএমপির বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে মোট ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত চারজন, মাদক মামলার ছয়জন এবং অন্যান্য মামলার দুজন রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রবিবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। #
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ দিল্লীতে অবস্থান করছে এবং বাংলাদেশে জামায়াত ইসলাম দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
এই মন্তব্যটি তিনি রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আবায়ক মামুন মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে করেন।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জনগণ ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এনেছে। জনগণের সমর্থন বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণ যদি বিএনপি সরকারের পাশে থাকে, তাহলে কোনো অপশক্তি সফল হতে পারবে না। বরং জনগণকে সাথে নিয়ে বিএনপি সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে সফল হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ এবং জামায়াত অতীতে দেশের বিরুদ্ধে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। বিএনপি তাদের মোকাবেলা করেছে। ইনশাআল্লাহ, এখন ওই পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ দিল্লীতে বসে এবং বাংলাদেশে জামায়াত ইসলাম যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, সেটিকে জনগণের সহযোগিতায় মোকাবেলা করতে বিএনপি সরকার সক্ষম। দেশের জনগণ যদি সরকারের পাশে থাকে, তাহলে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করা সম্ভব, ইনশাআল্লাহ।
বিরোধীদলের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের আমীর নিজেই জ্বালানি সংকটকে জাতীয় সংকট হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু বিরোধী দল যে লং মার্চ করেছে, তা জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে কোন গুরুত্ব পায়নি। দেশের জনগণও তাদের লং মার্চকে গ্রহণ করেনি। সদ্য ক্ষমতায় আসা সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কর্মসূচি দেয়ার উদ্দেশ্যেই পতিত আওয়ামীলীগকে সুযোগ করে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সহযোগিতা করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই, এই কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলের প্রতি রাষ্ট্র পুন:গঠনে বিএনপি সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে পুনরায় ওয়ান ইলেভেনের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। কারণ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশি বিদেশী নানা ধরণের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। জামায়াতে ইসলাম যদি সেই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেয়, তবে দেশের জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রেণিকক্ষে ‘শারীরিক বলপ্রয়োগ’ বা শিক্ষার্থীদের ‘শাস্তি’ দেওয়ার অনুমতি ডেনমার্কের শিক্ষকদের দেওয়া হচ্ছে, সহিংসতা বৃদ্ধির অভিযোগের প্রেক্ষিতে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয়-বামপন্থি সরকারের প্রস্তাবিত একটি সংস্কারের আওতায়, আগামী বছরের আগস্ট মাস থেকে শিক্ষকরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ‘শারীরিক বলপ্রয়োগ বা নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণের অনুমতি পাবেন। এর ফলে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধরে রাখা, নির্দিষ্ট স্থানে আটকে রাখা বা অন্য কোনো কক্ষে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
বর্তমানে, যদি কোনো শিক্ষার্থী নিজের, অন্যদের বা স্কুলের সম্পত্তির জন্য ‘বিপদ’ সৃষ্টি করে, কেবল তখনই শিক্ষকদের বলপ্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত এই আইনটি জাতীয় শিক্ষক ইউনিয়নের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে করা হয়েছে; ইউনিয়নটি দীর্ঘদিন ধরে বলছে যে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী শিক্ষার্থীদের সামলানো ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে।
তবে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, কেবল ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই শারীরিক হস্তক্ষেপ করা যাবে এবং তা হতে হবে পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শারীরিক বলপ্রয়োগের যেকোনো ঘটনায় অভিভাবক ও পৌর পরিষদকেও অবহিত করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী ম্যাগনাস হিউনিকে বলেছেন, ‘পরিস্থিতি জটিল বা উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শিক্ষকরা কী করতে পারবেন, সে বিষয়ে তাদের মনে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকা উচিত নয়। কোনো শিক্ষকেরই উচিত নয় সহিংস পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করার কারণে চাকরি হারানোর ভয় পাওয়া।’
ডেনমার্কে প্রায় ৬০ বছর ধরে স্কুলে বলপ্রয়োগ কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। দেশটি ১৯৬৭ সালেই শারীরিক শাস্তি বেআইনি ঘোষণা করেছিল।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ