ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কলারোয়ায় গুদামে আগুনে ১৩০০ মণ পাট পুড়ে, ক্ষতি ৬৫ লাখ টাকা


কলারোয়ায় গুদামে আগুনে ১৩০০ মণ পাট পুড়ে, ক্ষতি ৬৫ লাখ টাকা

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় গভীর রাতে পাটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মণ পাট পুড়ে গেছে। গুদাম মালিক ব্যবসায়ী গোলাম ফারুক মধু দাবি করেছেন, এতে পাটের মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।

গোলাম ফারুক মধু অভিযোগ করেছেন যে, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে গুদামে আগুন দিয়েছে।

এটি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ১১ নম্বর দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজার পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় ঘটে।

আরও পড়ুন: নলছিটিতে দুমাউস এনজিও'র উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে গাভী গরু বিতরণ

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী গোলাম ফারুক মধু খোরদো বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সার ব্যবসা করছেন এবং ১১ নম্বর দেয়াড়া ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য। তিনি প্রতিবছর ধান ও পাটের মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে এসব পণ্য কিনে গুদামে সংরক্ষণ করেন এবং মৌসুম শেষে সেগুলো বিক্রি করেন। এবছরও তিনি প্রায় ১ হাজার ৩০০ মণ পাট গুদামে রেখেছিলেন।

গোলাম ফারুক মধু জানিয়েছেন, সোমবার রাত ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা গুদামের পেছন দিক থেকে টিনের চালের নিচ দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে তার ধারণা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসে যোগাযোগ করেন। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং গুদামে থাকা অধিকাংশ পাট পুড়ে যায়।

কলারোয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. হুমায়ূন হোসেন জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে তারা দুটি ইউনিট নিয়ে রাত ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এরপর টানা তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে গুদামে থাকা অধিকাংশ পাট পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে কেউ আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ৬ দিনেও নিখোঁজ স্কুলছাত্র আনিস ও রায়হানের সন্ধান মেলেনি

খোরদো পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক আন্দোলনে ভাঙচুর-আগুনের নেপথ্যে কারা, ব্যাখ্যা দিলেন আবিদুল ইসলাম খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


শ্রমিক আন্দোলনে ভাঙচুর-আগুনের নেপথ্যে কারা, ব্যাখ্যা দিলেন আবিদুল ইসলাম খান

পোশাক খাতে চলমান শ্রমিক আন্দোলন সাধারণ শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং এর পেছনে পতিত স্বৈরাচার ও নিষিদ্ধ সংগঠনের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র সক্রিয় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান।

মঙ্গলবার তিনি নিজের ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তায় এসব তথ্য তুলে ধরেন।

ভিডিও বার্তায় আবিদ বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প এলাকায় আন্দোলনের নামে যা ঘটছে, তা আর সাধারণ শ্রমিকদের হাতে নেই। পতিত স্বৈরাচারের সহযোগী ও তাদের নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরা অগ্নিসন্ত্রাস ও ভাঙচুরের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে দেশবিরোধী রূপ দেওয়ার জন্য গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি জানান, সরকার দুই দিন আগে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং শীঘ্রই সেখানে থেকে ইতিবাচক মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু পতিত স্বৈরাচারপন্থি কিছু সুবিধাভোগী গার্মেন্টস মালিক শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনে নামিয়ে রেখেছে। মালিকপক্ষের একটি অংশ শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করছে এই বলে যে—‘মালিকরা বেতন বাড়াতে চাইলেও সরকার বাধা দিচ্ছে এবং কাজ বন্ধ রাখতেই মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।’ এ ছাড়া পতিত স্বৈরাচারের অর্থায়নে শ্রমিকদের নগদ টাকা দিয়ে মাঠে রাখা হচ্ছে।

গাজীপুর ও মিরপুরের উদাহরণ তুলে ধরে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, চার থেকে পাঁচটি কারখানার স্বৈরাচারপন্থি মালিক যদি সক্রিয় হয়, তবে সহজেই ১০ থেকে ২০ হাজার শ্রমিককে রাস্তায় নামানো সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশি গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা দেশ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গাজীপুরে জড়ো করা হয়েছে। একদিকে শ্রমিকদের সামনে রেখে অন্যদিকে পেছনের সারির সন্ত্রাসীদের দিয়ে বাসে আগুন, গাড়ি ভাঙচুর ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের মতো নৈরাজ্য চালানো হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের তথ্য তুলে ধরে আবিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ডিসেম্বর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারত গার্মেন্টস খাতে শতভাগ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এতদিন বাংলাদেশই এককভাবে এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের এই বিপুল বাজার দখল করতে ভারত মরিয়া হয়ে উঠেছে। এমনকি বিগত কয়েক সপ্তাহে কিছু ভারতীয় ইনফ্লুয়েন্সার বাংলাদেশে এসে ঘুরে গিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়েছে।

তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দেশীয় নৈরাজ্য ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার আমাদের তৈরি পোশাক খাত। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে এই ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ অধিকার সরকারের রয়েছে। বর্তমানে আন্দোলনের নামে মাঠে নেমে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানোর কোনো নৈতিক বা আইনি বৈধতা নেই।

গণহত্যাকারী কোনো শক্তিকে বাংলাদেশের মাটিতে আর কখনোই মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ, সরকার ও সব গণতান্ত্রিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে এই গভীর চক্রান্ত রুখে দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে মেডিকেল রিসার্চ বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


রাজশাহীতে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে মেডিকেল রিসার্চ বাংলাদেশ

রাজশাহীতে মেডিকেল রিসার্চ বাংলাদেশ (Medical Research Bangladesh) এবং রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব আরএমসি পাইওনিয়ারের (Rotaract Club of RMC Pioneer) সহযোগিতায় বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজশাহী নগরীর সিলিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।

দিনব্যাপী এই মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, রক্তচাপ পরিমাপ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মানবতার সেবায় নিজেদের সম্পৃক্ত রাখার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭১-এর রাজাকার ফুল দিয়ে বরণ করল ২৪-এর রাজাকারকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


৭১-এর রাজাকার ফুল দিয়ে বরণ করল ২৪-এর রাজাকারকে

২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের ‘রাজাকারের সন্তান’ হিসেবে চিহ্নিত অবসরপ্রাপ্ত মেজর আক্তারুজ্জামান বর্তমানে জামায়াতের কাছে এক হিরো হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ২৪-এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছে ৭১-এর রাজাকার।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এসব কথা জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকলকে রাজাকারের সন্তান বলার পাশাপাশি মেজর আক্তারুজ্জামান এখন জামায়াতের কাছে হিরো হয়ে উঠেছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ‘ফেস দ্যা পিপল’ আয়োজিত একটি টকশোতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আক্তারুজ্জামান আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলে উল্লেখ করেছেন, এমন দাবি করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, “আলোচিত সেই টক শোতে আমি উপস্থিত ছিলাম। আমাকেও সে রাজাকারের বাচ্চা বলে আক্রমণ করে এবং আরো বলে যে, আন্দোলন করছে জামায়াত-শিবির রাজাকারের সন্তানেরা।”

রাশেদ খান আরও জানান, সেসময় ফেস দ্যা পিপলের সাগর ভাই মেজর আক্তারুজ্জামানকে প্রশ্ন করেন, এরা সবাই রাজাকারের বাচ্চা? তখন মেজর আক্তারুজ্জামান বলেন, “হান্ড্রেড পার্সেন্ট, এরা শতভাগ রাজাকারের সন্তান।”

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “সেই জুলাই গাদ্দার, গণহত্যার মদদদাতা মেজর আক্তারুজ্জামান এখন হয়ে গেছেন জামায়াত নেতা। জামায়াতকে সন্ত্রাসী দল বলা মেজর আক্তারুজ্জামান এখন সুন্দর করে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিতে শিখে গেছেন। আর এতেই তিনি পাকা ঈমানদার ও জনগণের নেতা হয়ে গেছেন।”

ধর্ম ব্যবসা শিখে গেলে সমাজে রাজনীতি করতে আর কী লাগে, এমন প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাছে প্রশ্ন রাখেন, শেখ হাসিনাও যদি ক্ষমা চেয়ে জামায়াত করতে আগ্রহী হন, তাহলে কি তিনিও জামায়াতে যোগদানের সুযোগ পাবেন?

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের মামলায় জামিনে মুক্তির পর জামায়াতের সহযোগী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের সংবর্ধনা দেয় দলটির নেতারা। জামায়াতের আমির দাবি করেন, আখতারুজ্জামান কারো গায়ে হাত দেননি। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলা মিথ্যা।

এই প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, “মেজর আক্তারুজ্জামানকে নিয়ে জামায়াতের আজকের আয়োজন দেখে জনগণ মন্তব্য করছে, ২৪-এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিল ৭১-এর রাজাকার।”

তিনি বলেন, জামায়াতের আমিরের পাশে দাঁড়িয়ে আজ যখন মেজর আক্তারুজ্জামান বলছিলেন, ইয়াহিয়া খানই তো ঠেকাইতে পারেনি, তোমরা কি ঠেকইবা। মেজর আক্তারুজ্জামান ‘ইয়াহিয়া খান ও ৭১-এর প্রসঙ্গে’ যাওয়ার সময় জামায়াতের আমির হয়তো জিহ্বায় কামড় দিচ্ছিলেন এবং ভাবছিলেন, আরে কি কয়, কি কয়, এখনো পাক্কা জামায়াত তো হতে পারলি না। আমি তোকে নিয়ে প্রশংসা করে বলিনি, মেজর আক্তারুজ্জামান এখন শুধু জামায়াতের নেতা নয়, পুরো বাংলাদেশের মানুষের নেতা। তাও ব্যাটা ৭১, ৭১ করে কলিজায় আগুন ধরিয়ে দিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতীক গাধা ও হাতির ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতীক গাধা ও হাতির ইতিহাস

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি, তাদের প্রতীক হিসেবে যথাক্রমে গাধা ও হাতিকে ব্যবহার করে থাকে। নির্বাচনী প্রচার, রাজনৈতিক কার্টুন এবং দলীয় প্রচারসামগ্রীতে এই দুই প্রাণীর ছবি প্রায়শই দেখা যায়। তবে, এই প্রতীকগুলোর জনপ্রিয়তার পেছনে উনিশ শতকের একটি রাজনৈতিক কার্টুনশিল্পীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তার নাম টমাস নাস্ট।

১৮৬২ থেকে ১৮৮৬ সাল পর্যন্ত ‘হার্পারস উইকলি’ পত্রিকায় কাজ করার সময়, নাস্ট যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক কার্টুনশিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তার আঁকা ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে ডেমোক্রেটিক এবং রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গে গাধা ও হাতির প্রতীকের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

১৮৭৪ সালে নাস্টের আঁকা ‘থার্ড টার্ম প্যানিক’ শিরোনামের একটি কার্টুন রিপাবলিকান পার্টির প্রতীক হিসেবে হাতির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করে। সে সময় রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ইউলিসিস এস গ্র্যান্ট তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল।

গ্র্যান্টের সম্ভাব্য তৃতীয় মেয়াদকে কেন্দ্র করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠার আশঙ্কা নিয়ে যে রাজনৈতিক প্রচার চলছিল, সেটিকেই ব্যঙ্গ করেন নাস্ট। সেখানে ‘দ্য রিপাবলিকান ভোট’ লেখা একটি বিশাল হাতিকে আতঙ্কিত ও দিশাহারা অবস্থায় দেখানো হয়। কার্টুনটি প্রকাশের পর রিপাবলিকানদের সঙ্গে হাতির প্রতীক আরও বেশি পরিচিতি লাভ করে।

তবে, হাতিকে রিপাবলিকান পার্টির প্রতীক হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নাস্টই প্রথম ছিলেন না। তার কার্টুন প্রকাশের আগেও দলটির প্রচারসামগ্রীতে হাতির ছবি ব্যবহারের নজির ছিল।

অন্যদিকে, ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে গাধার সম্পর্ক আরও পুরোনো। ১৮২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলটির নেতা অ্যান্ড্রু জ্যাকসনকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা ‘জ্যাকঅ্যাস’ বা গাধা বলে উপহাস করত। কিন্তু জ্যাকসন সেই বিদ্রূপকে দুর্বলতা হিসেবে না দেখে, নিজের নির্বাচনি প্রচারের কৌশলে কাজে লাগান। এভাবেই গাধার সঙ্গে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্পর্কের সূচনা ঘটে।

পরবর্তী সময়ে, নাস্ট তার বিভিন্ন কার্টুনে দুই দলের প্রতীকী প্রাণীকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্র আঁকেন। কখনো হাতিকে ভীত ও দুর্বল প্রাণী হিসেবে, আবার কখনো গাধাকে বিপদের মুখে থাকা একগুঁয়ে প্রাণী হিসেবে তুলে ধরেন। এসব কার্টুনে তিনি দুই দলের নেতা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দুর্বলতা, বিশৃঙ্খলা এবং দুর্নীতির চিত্র ফুটিয়ে তোলেন।

সময়ের সঙ্গে, রিপাবলিকান পার্টি হাতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করে। অন্যদিকে, ডেমোক্রেটিক পার্টি গাধাকে আনুষ্ঠানিক প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও, দলটির নির্বাচনি প্রচার, সমাবেশ এবং বিভিন্ন প্রচারসামগ্রীতে প্রাণীটির উপস্থিতি নিয়মিত দেখা যায়।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও বিদ্রূপের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত এই দুই প্রাণীই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে দুই প্রধান দলের স্থায়ী পরিচিতির অংশ হয়ে উঠেছে।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%