নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৬:১৬ পি.এম
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও স্বর্ণের বালা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি গোলাম সরোয়ারকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া গোলাম সরোয়ার নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বরছাকাঠী এলাকার মৃত হাবিব গোমস্তার ছেলে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বরছাকাঠী এলাকায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে বেড়া দেওয়ার ঘটনায় বাদী মো. মাসুদুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে আসামিদের বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৩ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বাদীর ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তানিয়া বেগম চলাচলের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আসামিরা তার পথরোধ করে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একপর্যায়ে আসামিরা ওই নারীকে মারধর করেন। ১ নং আসামি গোলাম সরোয়ার তাকে পেটে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেন এবং পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার হাতে থাকা এক জোড়া বালা, যার ওজন আনুমানিক এক ভরি ও মূল্য প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ওই নারীকে উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে তার স্বামী তাকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী মো. মাসুদুর রহমান নেছারাবাদ থানায় গোলাম সরোয়ারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১ নং আসামি গোলাম সরোয়ারকে গ্রেপ্তার করে।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় প্রধান আসামি গোলাম সারোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সন্দ্বীপের উন্নয়ন নিয়ে, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন সমস্যার প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান এবং সন্দ্বীপের কৃতী সন্তান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভাটি বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ হলরুমে সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত হয়। সভায় সন্দ্বীপে কর্মরত প্রিন্ট, অনলাইন, ইলেকট্রনিক এবং মোজো সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহসভাপতি এম এ হাশেম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন।
সভায় বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সন্দ্বীপ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, এবং সন্দ্বীপ প্রেস ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা, সহ বিভিন্ন অনলাইন ও মোজো সাংবাদিকরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন উল্লেখ করেন, “সন্দ্বীপের উন্নয়নে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। আপনাদের লেখনির মাধ্যমে দেশ ও জাতি উপকৃত হয়। জনগণও বস্তুনিষ্ঠ ও জনকল্যাণমূলক সংবাদ প্রত্যাশা করে।”
তিনি আরও বলেন, সন্দ্বীপের উন্নয়নের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন। সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও মানুষের প্রত্যাশার বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম নৌরুটে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সিডিএ চেয়ারম্যান জানান, নৌরুটের সমস্যা সমাধানের জন্য বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্টদের অবহিত করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি সন্দ্বীপবাসীর নৌযাতায়াতের সুবিধার্থে দ্রুত একটি সি-ট্রাক দেওয়ার বিষয়ে নৌ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার কথা জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা সন্দ্বীপের যোগাযোগব্যবস্থা, নৌরুটের সংকট, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উপকূলীয় সমস্যা ও জনদুর্ভোগসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় সন্দ্বীপের সার্বিক উন্নয়নে সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। নিজের নানা মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ভক্তদের সঙ্গে নিয়মিত শেয়ার করেন তিনি।
ব্যস্ত শিডিউল থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে তিনি এখন অবস্থান করছেন থাইল্যান্ডের ফি ফি দ্বীপপুঞ্জের বিখ্যাত ‘মায়া বে’তে।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সমুদ্রসৈকতের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন এ অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘লাল ফ্রক, সোনালি রোদ আর সমুদ্রের ধারে একটুখানি জাদু।’ তার এই ক্যাপশন ও ছবিগুলো মুহূর্তেই ভক্তদের নজর কেড়েছে।
ছবিগুলোয় তাকে সমুদ্রের ধারে ফুরফুরে মেজাজে দেখা যাচ্ছে। তবে সাদিয়ার থাইল্যান্ড ভ্রমণের গল্প শুধু সমুদ্রের নীলেই সীমাবদ্ধ নয়।
একই লাল ফ্রকে থাইল্যান্ডের ব্যস্ত শহরের গলিতেও তোলা ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে অবশ্য বদলে গেছে তার সাজের ধরন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. রফিকুল ইসলাম সেলিম।
আজ বুধবার দুুপুরে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে রফিকুল ইসলাম হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেন।
সভায় যুগ্ম সচিব রফিকুল ইসলাম উত্তর অঞ্চলের মানুষের হৃদরোগ চিকিৎসায় প্রতিষ্ঠানটি আরো এগিয়ে নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এ কে আজাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের আবু, কোষাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল কবির, সিনিয়র সদস্য খালেকুজ্জামান বাবু, জেলা ড্যাব-এর সদস্য সচিব ডা. জিয়াউর রহমান জিয়া, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী ও সিভিল সার্জন ডা. গোলাম রসুল রাখি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। নবীজির অসীম ভালোবাসা ও উম্মতের প্রতি তার ব্যাকুলতার স্মৃতি স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, “আপনাকে কী করে ভালো না বেসে থাকতে পারি, ইয়া রাসুলাল্লাহ? আপনি তো আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছিলেন সেই ১৪০০ বছর আগে। অশ্রুসিক্ত নয়নে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। আসন্ন সে বিভীষিকাময় দিনে আমার জন্য পেরেশান হয়ে ‘উম্মাতি উম্মাতি’ বলে কাঁদবেন। মাকামে মাহমুদে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমার মুক্তির জন্য আকুতি জানাবেন। কী করে আপনাকে ভালো না বাসি, ইয়া রাসুলাল্লাহ?”
উম্মতের প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গভীর মমত্বের কথা তুলে ধরতে গিয়ে আজহারী মূলত সহিহ হাদিসের একটি প্রসংগ টেনেছেন। হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) তার মৃত্যুর পর আগমনকারী উম্মতকে নিজের ‘ভাই’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
সহিহ মুসলিমে বর্ণিত আবু হুরায়রা (রা.)-এর এক হাদিস থেকে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদা জান্নাতুল বাকিতে গিয়ে উপস্থিত হন এবং মৃতের উদ্দেশ্যে সালাম জানানোর পর বলেন, ‘আমরা আশা করি, আমাদের ভাইদের দেখতে পাব।’ তখন সাহাবিরা প্রশ্ন করেন, তারা কি তার ভাই নন? উত্তরে রাসুল (সা.) জানান, উপস্থিত সবাই তার সাহাবি, আর তার ভাই হবেন তারা—যারা পরে দুনিয়ায় আগমন করবেন।
হাদিসে আরও উল্লেখ আছে, কিয়ামতের ময়দানে অজু করার কারণে উম্মতের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ শুভ্র উজ্জ্বল আলো ছড়াবে, যা দেখে মহানবী (সা.) তার অনুসারীদের সহজেই চিনে নেবেন এবং তাদের হাউজে কাউসারে স্বাগত জানাবেন। পবিত্র দিনে মহানবীর (সা.) এই অসীম দয়ার কথাই ভক্ত ও অনুসারীদের স্মরণ করিয়ে দেন এই আলেম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ