ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে সই করানোর অভিযোগ


রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে সই করানোর অভিযোগ

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হক এবং সেকশন অফিসার নাজমুল হোসাইনকে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘আপামর ছাত্র-জনতা’ পরিচয়ে একদল লোক প্রবেশ করে এ ঘটনা ঘটায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে হামলাকারীরা মিছিল নিয়ে জোরপূর্বক ভিসির কার্যালয়ে প্রবেশ করে। আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ অ্যাখ্যা দিয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ ঢাকার ঠিকাদারদের দেওয়ার অভিযোগ তুলে উপাচার্য ও সেকশন অফিসারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরে আগে থেকে লিখে আনা পদত্যাগপত্রে তাদের কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। স্বাক্ষর নেওয়ার পর তাদের কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপাচার্যের কক্ষ থেকে কম্পিউটারের সিপিইউ এবং সিসিটিভি ফুটেজের যন্ত্রপাতি খুলে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। একই সঙ্গে পুরো ক্যাম্পাসের বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার ও ভিসির পিএস নাজমুল হোসাইন জানান, সকাল ১০টা থেকে উপাচার্য মহোদয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে মন্ত্রণালয়ের একটি অনলাইন বৈঠকে যুক্ত ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে একদল লোক মিছিল নিয়ে জোর করে কক্ষে প্রবেশ করে উপাচার্যকে গালিগালাজ করতে থাকে এবং পূর্বপ্রস্তুতকৃত পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয়। এরপর আমাকেও পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। আমি এতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে মারধর করে।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের রাজপাড়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি ফোনে খবর পেলাম একদল লোক রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেছে। আমি গিয়ে দেখলাম উপাচার্যের রুম তালাবদ্ধ। সংঘবদ্ধ কাউকে পেলাম না। এ ব্যাপারে কেউ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢামেকে কারাবন্দি শ্যামল (৫২) মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


ঢামেকে কারাবন্দি শ্যামল (৫২) মারা গেছেন

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) অবস্থানরত শ্যামল (৫২) নামে এক বন্দি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে অসুস্থ অবস্থায় কারারক্ষীরা শ্যামলকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, মৃত শ্যামল একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বন্দি ছিলেন। তিনি রাজধানীর পল্টনের শান্তিনগর এলাকার শামসুদ্দিনের পুত্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীয়তপুরে খেলনা ভেবে ককটেল ধরায় গুরুতর আহত কিশোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


শরীয়তপুরে খেলনা ভেবে ককটেল ধরায় গুরুতর আহত কিশোর

শরীয়তপুরের জাজিরায় বল সদৃশ একটি ককটেল হাতে নেওয়ার পর আকস্মিক বিস্ফোরণের ফলে মো. কামরুল (১৪) নামের এক কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানাধীন পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের ফেদুল্লা বেপারীকান্দি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত কামরুল ওই এলাকার রাজ্জাক বেপারীর সন্তান। বিস্ফোরণের ফলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে যায় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কিশোর জুনায়েদ আহমেদ (১৭)। তিনি বস্তুটিকে খেলনা বল ভেবে সেটি হাতে তুলে নেন। এ সময় তার সহপাঠী কামরুল কাছে গিয়ে সেটির বিষয়ে জানতে চায়। পরে দুজনে মিলে বস্তুটি জুনায়েদের দাদি নাসিমা বেগমকে দেখালে তিনি সেটিকে ককটেল বোমা হিসেবে শনাক্ত করেন। আতঙ্কিত হয়ে জুনায়েদ হাত থেকে বস্তুটি ফেলে দিলে সেটি মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের কাছাকাছি থাকায় কামরুল গুরুতর আহত হয়।

খবর পেয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তার পাশ থেকে আরও দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে। পুলিশ এলাকায় আর কোনো বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

জনবহুল এলাকায় এ ধরনের বিস্ফোরক পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখানে অরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। আহত কিশোরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তথ্য প্রতিমন্ত্রী: সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যতের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


তথ্য প্রতিমন্ত্রী: সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যতের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা শুধুমাত্র অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নয়, বরং এটি মানুষের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। তিনি উল্লেখ করেন, কর্মক্ষম অবস্থায় নিয়মিত অবদান রাখার মাধ্যমে জীবনের পরবর্তী সময়ে সেই সঞ্চয়ের ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে এই ব্যবস্থা।

ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ বিভাগীয় সর্বজনীন পেনশন মেলা ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

ইয়াসের খান চৌধুরী আরও বলেন, সর্বজনীন পেনশন একটি সুদূরপ্রসারী ও পরিকল্পিত সামাজিক বিনিয়োগ। এর মাধ্যমে একজন নাগরিক কর্মজীবনে নিয়মিত অবদান রাখবেন এবং ভবিষ্যতে সেই সঞ্চয়ের ভিত্তিতে আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন।

তিনি জানান, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় চারটি স্কিম রয়েছে—প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা। প্রত্যেক নাগরিক নিজের পেশা ও অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্কিম বেছে নিতে পারবেন। এসব স্কিমের মাধ্যমে শুধু নিজের নয়, সন্তানের ভবিষ্যৎও নিরাপদ করার সুযোগ রয়েছে।

পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য প্রতিমন্ত্রী আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এবং পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য এ ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়া জরুরি।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে অধিকাংশ চাকরিজীবী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের কর্মজীবন শেষে পেনশনসহ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু ক্ষেত্রে কর্মী ও প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে অবদান রাখলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বজনীন পেনশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আজাদ জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব শরীফ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার নির্বাহী পরিচালক আরিফুজ্জামান। মূল আলোচক ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ব্যাংক ও জাতীয় পেনশন স্কিমের কর্মকর্তারা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, সর্বজনীন পেনশন মেলা উপলক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউস মাঠে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে ৩০ নিহত, নিখোঁজ বহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে ৩০ নিহত, নিখোঁজ বহু

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) কঙ্গো নদীতে সংঘর্ষের ফলে দুই নৌকার মধ্যে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আরও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইকুয়েটর প্রদেশের এনগোম্বে-লুকোলেলা এলাকার নিকটবর্তী স্থানে নৌকা দুটি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেশ কয়েকজন যাত্রী পানিতে ডুবে মারা যান। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইকুয়েটর প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন এমপুতু জানিয়েছেন, ‘দিয়ু সে কাশে’ নামের একটি ধাতব নৌকা রাজধানী কিনশাসা থেকে আসার সময় ‘এইচবি সুপার ভিক্টোর’ নামের কাঠের নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। দ্বিতীয় নৌকাটি বাসিঙ্গা থেকে আসছিল।

সংঘর্ষের পর অধিকাংশ যাত্রী পানির নিচে আটকা পড়ে যায় এবং একটি নৌকা ডুবে যায়। নিহতদের ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, রাতে নৌযান চলাচলের সময় দেশে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক নিরাপত্তাকর্মী জানিয়েছেন, কিনশাসা থেকে আসা নৌকাটিতে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ছিল।

ডিআর কঙ্গোতে নৌদুর্ঘটনা ঘটে নিয়মিত। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, রাতে নৌযাত্রা, দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং প্রত্যন্ত এলাকায় পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব এসব দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এর আগে জুলাই মাসে কাসাই প্রদেশে সরকারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু ঘটে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%