০৩:০৩ পি.এম
চীন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিটি দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, এই চুক্তি সফল হলে দীর্ঘ মেয়াদে শান্তি ফিরবে দেশটিতে। তবে মাঠের পরিস্থিতি ভিন্নতার ইঙ্গিত করছে। দুই দেশের প্রতিনিধিরা কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছালেও বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, তাদের দল মূলত কাতারে আটকে থাকা অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত হয়েছে। কিন্তু ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাদের কোনো বৈঠক করার পরিকল্পনা নেই। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিশেষ দূত ও জামাতাকে দোহায় পাঠিয়েছেন। এই টানাপোড়েনের মাঝেই ওমান ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে চুক্তিটি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করেছে, ইরান বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। জবাবে মার্কিন বাহিনী বোমাবর্ষণ করলে ইরান কুয়েত-বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তবে ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কড়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে আলোচনার টেবিলে সুবিধা পেতে চাইছে। এ বিষয়ে ইরান একাই জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের কাজ তারা করবে।
আরও পড়ুন: শাহজালালের রানওয়ে-অ্যাপ্রোন এলাকায় যানবাহনের অবাধ চলাচল
এই সংকটের মধ্যে ইরানের জন্য একটি বড় সুখবর এসে পৌঁছেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, কাতারে জব্দ থাকা ১ হাজার ২০০ কোটি ডলারের মধ্যে ৬০০ কোটি ডলার তারা ফেরত পাচ্ছেন। নিষেধাজ্ঞা শিথিলের এই সিদ্ধান্তকে তিনি জনগণের একটি বড় বিজয় বলে উল্লেখ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন