ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধুপুরে ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাসুদ রানার গণসংযোগ


মধুপুরে ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাসুদ রানার গণসংযোগ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ১০ নম্বর ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছেন এডভোকেট মাসুদ রানা মাসুদ।
তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন, তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করছেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত শোনার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাঁর এ গণসংযোগ ও মতবিনিময় কার্যক্রম স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনী তৎপরতায় নতুন মাত্রা যোগ করছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং তাঁদের প্রত্যাশা জানার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে শান্তি-সম্প্রীতিতে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


নোয়াখালীতে শান্তি-সম্প্রীতিতে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন

ধর্মীয় সম্প্রীতি, নিরাপত্তা আর উৎসবের আমেজে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় উদ্‌যাপিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। উপজেলার ১৯টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্‌যাপন ঘিরে ছিল আনন্দ-উচ্ছ্বাস। নির্বিঘ্নে পূজা উদ্‌যাপনের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা।

পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তা হিসেবে প্রতিটি মন্দিরের নেতৃবৃন্দের হাতে ৬০০ কেজি করে চাল, শাড়ি-কাপড় ও নগদ অর্থ তুলে দেন তিনি।

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল, কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটনসহ উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এ বছর সারা দেশে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পূজা সম্পন্ন হওয়া  বিএনপি সরকারের সাফল্য।  

বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের নোয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি রনি চৌধুরী ইমন বলেন, কবিরহাটের ১৯টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হওয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সন্তোষ বিরাজ করছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান ও ধর্মীয় সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে উৎসব উদ্‌যাপন করলে সমাজে সৌহার্দ্য বাড়বে এবং সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজেকে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, আটকা ৩ হাজার পর্যটক; সেনাবাহিনী-পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


সাজেকে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, আটকা ৩ হাজার পর্যটক; সেনাবাহিনী-পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার

রাঙামাটির সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় চরম নিরাপত্তা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে সাজেকে ভ্রমণে যাওয়া প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার সকালে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে এ ঘটনা ঘটে। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে সড়ক অবরোধ এবং পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের জোরপূর্বক অবরোধে সম্পৃক্ত করে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও করা হয়েছে।

ঘটনার পর সাজেক থেকে পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয় সেনাবাহিনী ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে রাঙামাটির সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এতে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হয়। সড়ক অবরোধের কারণে বিভিন্ন যানবাহনে থাকা পর্যটকেরা আটকা পড়েন। তাঁদের মধ্যে নারী, শিশু ও অন্যান্য বয়সী পর্যটকও ছিলেন কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পরিস্থিতি বিবেচনায় আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়ির দিকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ জন্য সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেন। পর্যটকবাহী যানবাহন যাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারে, সে লক্ষ্যে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তবে আলোচনার মধ্যেই পরিস্থিতির অবনতি ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ থাকলে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণকারীদের যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিয়েও ভোগান্তির আশঙ্কা দেখা দেয়।


সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে অবরোধকারীদের একটি অংশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এ ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ লাঠিচার্জ করে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করার উদ্যোগ নেয়। একই সঙ্গে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল পুনরায় চালু করার চেষ্টা করা হয়।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধের কারণে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়াই তখন প্রধান অগ্রাধিকার ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যে উঠে এসেছে।


প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

সূত্রের দাবি, আত্মরক্ষা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। পরে সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যায়। তবে গুলিবর্ষণের ঘটনা, ব্যবহৃত অস্ত্র এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশ সমন্বিতভাবে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চালায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।


ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অবরোধে অংশ নিতে বাধ্য করা এবং তাঁদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অবরোধ ও সহিংসতার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে পূর্ণাঙ্গ যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ এবং অন্যান্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় সাধারণ বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরনের সংঘাত বা সশস্ত্র তৎপরতার মধ্যে স্থানীয় জনগণকে জড়িয়ে ফেলা হলে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, চলাচল ও জীবিকা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।


সাজেক বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য পর্যটক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে সেখানে যান। পর্যটনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পরিবহন, আবাসন, খাবারের দোকান, রিসোর্ট এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে বহু মানুষের জীবিকা জড়িত।

এ অবস্থায় সড়ক অবরোধ, গুলিবর্ষণ কিংবা নিরাপত্তাহীনতার ঘটনা পর্যটকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে ভ্রমণের পথে আটকে পড়া এবং নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা পর্যটন কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে শুধু ভ্রমণকারীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন না, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। তাই পর্যটকদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সচল রাখাও জরুরি।


পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং স্থানীয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।

সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনার পর সড়কে স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা, পর্যটকদের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অভিযোগগুলোর যথাযথ তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ অব্যাহত থাকা জরুরি। পাহাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় বিকাশে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেন ওসি মাহবুবুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৪ পি.এম


ভৈরবে দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় বিকাশে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেন ওসি মাহবুবুর রহমান

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে
দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে ভৈরব থানার ওসি মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে।
গত ৩ অক্টোবর, শনিবার বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে ওসি মাহবুবুর রহমান তাঁর ব্যক্তিগত বিকাশ নাম্বারে ০১৭১২৬৩৭৪১৮ প্রতিপক্ষ মুর্শেদ মিয়ার নাম্বার থেকে
৩০ হাজার টাকা সেন্ড মানি করা হয়। লেনদেনের ট্রানজেকশন আইডি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে DJ32CPB400। ওই লেনদেনের স্কিনসর্ট এই প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ৩ অক্টোবর, শনিবার বেলা ১১টার দিকে দুই পক্ষের জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষ মুর্শেদ মিয়ার লোকজন পৌর শহরের কমলপুর মনির কন্টাক্টরে বাড়ি ও দোকানের জায়গা দখল নিতে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এঘটনায় ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ ও হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে থানায় ফোন করা করে ভাংচুরের বিষয়ে অবগত করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসতে প্রায় একঘন্টা সময়ক্ষেপন করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলেও রাস্তার পশ্চিমপাশে দাঁড়িয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় থানা পুলিশ যেন ঘটনাস্থলে না আসে প্রতিপক্ষ মুর্শেদ মিয়া ও তাঁর লোকজন ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এবং ওইদিন বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে মুর্শেদ মিয়ার নাম্বার থেকে ওসি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত নাম্বারে ৩০ হাজার টাকা সেন্ডমানি করা হয়।

এদিকে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, তাদের দখলীয় বাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানা অভিযোগ জমা দিতে গেলে ওসি ওই অভিযোগ গ্রহণ করেনি। প্রায় ১সপ্তাহ ওসির ধারে ধারে ঘুরেও মামলা করতে না পেরে পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জ আদালতে মামলা করেন বলে জানান তিনি।

একজন ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ আমলে না নেওয়া এবং পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ গ্রহণের এমন অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। ঘুষ গ্রহণের ঘটনাটি মানুষের মুখে ছড়িয়ে যাওয়ায় ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের মাধ্যমে ওসির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করছেন সচেতন মহল।

এবিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমানের মুঠোফোনে কয়েক বার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এবিষয়ে ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি বিকাশে টাকা লেনদেন হয়েছে। যদি অভিযোগ আসে, সেটা যে কেউ করতে পারে, আপনিও সাংবাদিক হিসেবে অভিযোগ করতে পারবেন। তখন সেটা বিকাশ কল সেন্টার থেকে স্টেটমেন্ট এনে যাচাই-বাছাই করে যদি ওসির নাম্বার ঘুষ লেনদেন হয়, সেক্ষেত্রে উদ্বর্তন কতৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরপাড় মাটিয়ান গ্ৰামে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ।

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরপাড় মাটিয়ান গ্ৰামে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

 
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের মাটিয়ান হাওর পাড়ের মাটিয়ান গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য কাঁচা মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে নারীসংক্রান্ত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাটিয়ান গ্রামের কাঁচা মিয়া মেম্বারের পক্ষের মনসুর মিয়ার ছেলে ইমন আহমেদের (২৩) সঙ্গে নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যানের পক্ষের লোকজনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।
 
 
উল্লেখ্য,কয়েক দিন আগে ওই ঘটনা নিয়ে ইমন আহমেদ ফেসবুকে একটি উত্তেজনাপূর্ণ পোস্ট দেন বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি মন্তব্যের জেরে দুপক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপক্ষকে নিয়ে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সালিশের পরও উত্তেজনা থামেনি। এর জের ধরে বুধবার দুপুরে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
 
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে নুরুল ইসলাম পক্ষের রিফাত মিয়া (২০) এবং কাঁচা মিয়া মেম্বার পক্ষের শাহীনুর মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখুঞ্জি বলেন, মঙ্গলবার দুপক্ষের বিরোধ সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়েছিল। কিন্তু সালিশের পরও তারা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আবার বিরোধে জড়ান। রাতে ও বুধবার সকালে তিনি দুপক্ষকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা কথা শোনেননি। পরে দুপুরের দিকে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
 
এব্যাপারে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকায় পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে ব্যস্ত ছিলেন। মাটিয়ান গ্রামে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%