ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জাতীয় গ্রিডে বারবার বিপর্যয়, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন


জাতীয় গ্রিডে বারবার বিপর্যয়, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন

দেশে বারবার জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় এবং বড় ধরনের বিভ্রাটের ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় বেশি, তবুও জ্বালানির সংকট, সঞ্চালন অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং কার্যকর ব্যাকআপের অভাবে বড় কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র বা সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে তা মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য সরকারের। আগামী নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তির বিদ্যুতের চাহিদা সামাল দিতে জাতীয় গ্রিড কতটা প্রস্তুত, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, অতীতের গ্রিড বিপর্যয়ের অভিজ্ঞতা এবং নতুন প্রযুক্তির বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে গ্রিডের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে এখনই জোর দেওয়া জরুরি।

গত মঙ্গলবার মেঘনাঘাট এলাকায় জাতীয় গ্রিডে কারিগরি ত্রুটির পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, উৎপাদন থেকে বিতরণ পর্যন্ত গ্রিড সুরক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকি এড়ানো কঠিন হবে।

আরও পড়ুন: বেনাপোলে পাসপোর্ট যাত্রীর ১৩ হাজার টাকা ছিনতাই, দুই ব্যক্তি আটক

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, গ্রিডের ত্রুটি, দুর্ঘটনা ও বিপর্যয় মোকাবেলায় তাঁরা নিয়মিত কাজ করছেন। স্পিনিং রিজার্ভ বা আকস্মিক উৎপাদন ঘাটতি সামাল দেওয়ার মতো অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে বড় কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া বা উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রভাব সামাল দেওয়া সহজ হবে।

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। একই সময়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা। এসব বিদ্যুৎ দেশের উৎপাদনব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও সঞ্চালন ও গ্রিড পরিচালনায় নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সূর্যালোকের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভরশীল। ফলে আবহাওয়া ও দিনের সময় অনুযায়ী উৎপাদনে দ্রুত পরিবর্তন আসতে পারে। গ্রিডে এ ধরনের পরিবর্তন সামাল দেওয়ার জন্য প্রযুক্তি, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত রিজার্ভ সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। অন্যদিকে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কোনো কারণে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে বিকল্প উত্স থেকে ঘাটতি পূরণের সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যানশিয়াল অ্যানালিসিসের (আইইইএফএ) প্রধান বিশ্লেষক শফিকুল আলম কালের কণ্ঠকে জানান, "সাম্প্রতিক গ্রিড বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ এখনো চিহ্নিত হয়নি। কারিগরি কমিটির তদন্তে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তবে সঞ্চালন লাইনে কোনো ত্রুটির পর ফ্রিকোয়েন্সির ভারসাম্য নষ্ট হলে তার ক্যাসকেডিং ইফেক্ট তৈরি হতে পারে। এতে নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটতে পারে।"

আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভায় বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন

তিনি আরও বলেন, "সামনে দেশের বিদ্যুত্ব্যবস্থায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকার বড় পরিসরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় গ্রিডের আধুনিকায়নে এখনই গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে গ্রিডে ফ্রিকোয়েন্সির পরিবর্তন এবং বিদ্যুতের চাহিদা ও উৎপাদনের আকস্মিক ভারসাম্যহীনতা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে হবে।"

শফিকুল আলম বলেন, "নবায়নযোগ্য জ্বালানি আবহাওয়ানির্ভর ও পরিবর্তনশীল। সূর্যালোক থাকলে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন দ্রুত বাড়তে পারে, আবার সূর্যালোক কমে গেলে উৎপাদন হঠাৎ কমে যেতে পারে। ভবিষ্যতে গ্রিডে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের অংশ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লে এ ধরনের ওঠানামা সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তাই ১০ হাজার মেগাওয়াটের বেশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ যুক্ত করার লক্ষ্য থাকলে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রিডেও বিনিয়োগ ও আধুনিকায়ন করতে হবে।"

তিনি উল্লেখ করেন, "রুফটপ সোলারের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মার্ট মিটারের ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে জানতে পারবে কখন এবং কি পরিমাণ বিদ্যুৎ রুফটপ সোলার থেকে গ্রিডে আসছে। এতে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা সহজ হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হঠাৎ কমে বা বেড়ে গেলে কিংবা চাহিদায় আকস্মিক পরিবর্তন এলে ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ ব্যবস্থা গ্রিডের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।"

উৎপাদন সক্ষমতা বেশি, কার্যকর ব্যাকআপে ঘাটতি : দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থাপিত সক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট; কিন্তু স্থাপিত সক্ষমতা আর প্রয়োজনের সময় বাস্তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা এক নয়। গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানির সংকটের কারণে সব কেন্দ্র থেকে সব সময় পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় না। ফলে কোনো বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে অন্য কেন্দ্র থেকে উৎপাদন বাড়িয়ে ঘাটতি পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা গ্রিড বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন নিশ্চিত করা না গেলে এবং আকস্মিক ঘাটতি পূরণের মতো পর্যাপ্ত স্পিনিং রিজার্ভ না থাকলে গ্রিডের ওপর চাপ বাড়ে। এ অবস্থায় সঞ্চালন লাইনে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে। এর আগে গত মাসে হঠাৎ ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশে ওই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছিল। তখন অন্য কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় উৎপাদন বাড়াতে না পারায় দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়ে যায়।

বিপিডিবির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, "বর্তমানে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার প্রায় দ্বিগুণ হলেও ব্যাকআপে বড় ঘাটতি রয়েছে, যার ফলে বড় একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কারিগরি ত্রুটির কারণে আকস্মিক বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানির অভাব ও পরিচালনগত সীমাবদ্ধতার কারণে তাত্ক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুত্ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়।"

বারবার বিপর্যয়, একই উদ্বেগ : গত এক দশকে জাতীয় গ্রিড ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রিড উপকেন্দ্রে একাধিক বড় ধরনের বিপর্যয় ও বিদ্যুিবভ্রাটের ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২ মে জাতীয় গ্রিডের আংশিক বিপর্যয়ে ৩২ থেকে ৩৭টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়। ভৈরবের কাছে ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইনের টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ওই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ে উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকা ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিদ্যুত্হীন হয়ে পড়ে। ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর আমিনবাজার গ্রিড উপকেন্দ্রে ২৩০ কেভি সার্কিট ব্রেকার বিস্ফোরণে ঢাকা ও সাভারের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়।

২০২৫ সালের ১১ মার্চ একই উপকেন্দ্রে ট্রান্সফরমারের কারিগরি ত্রুটিতে ঢাকার কয়েকটি এলাকায় অন্তত দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। ওই বছরের ২৬ এপ্রিল আমিনবাজার উপকেন্দ্রে ত্রুটিতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়।

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মারামারি, আহত ১০

সর্বশেষ গত মঙ্গলবারের ঘটনা আবার দেখিয়েছে, সঞ্চালনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কোনো অংশে ত্রুটি দেখা দিলে তার প্রভাব একাধিক অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে প্রতিটি ঘটনার কারণ এক নয়। কোথাও সঞ্চালন লাইনের ত্রুটি, কোথাও উপকেন্দ্রের যন্ত্রপাতির সমস্যা, আবার কোথাও উৎপাদন ও সঞ্চালনব্যবস্থার ভারসাম্যহীনতা বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রিড বিপর্যয় ঘটলেই তা বড় দুর্ঘটনার ইঙ্গিত নয়। তবে একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটলে এর অন্তর্নিহিত কারণ অনুসন্ধান, ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো চিহ্নিত করা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আগামী দিনে পারমাণবিক বিদ্যুৎ এবং বিপুল পরিমাণ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ আরো বাড়বে। তাই শুধু উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ালেই চলবে না; উৎপাদন ও চাহিদার তাত্ক্ষণিক ভারসাম্য রক্ষা, পর্যাপ্ত স্পিনিং রিজার্ভ নিশ্চিত করা এবং গ্রিডের নিরাপত্তাব্যবস্থা আধুনিকায়নে সমন্বিত বিনিয়োগ প্রয়োজন। অন্যথায় একটি সঞ্চালন লাইন বা উপকেন্দ্রের ত্রুটিও বড় অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পল্লী বিদ্যুতের আগুনে ১৫টি বসতঘর পুড়ল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ঈশ্বরদীতে চাঁদাবাজি ও মাদক ব‍্যবসা করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ঈশ্বরদীতে চাঁদাবাজি ও মাদক ব‍্যবসা করছে

বিএনপির নাম ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি বাজারে চাঁদাবাজি ও মাদক ব‍্যবসা করছে। স্কুলের লাইব্রেরি দখল করে তারা ক্লাব গঠন করেছে। ক্লাবের মাধ্যমে সেখানে মাদক বিক্রির অভিযোগ করেছেন ঈশ্বরদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেকমত উল্লাহ কনক মণ্ডল।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদীতে সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়িয়া বাজারে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

এ কর্মসূচিটি সাঁড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ব‍্যানারে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দেড় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেকমত উল্লাহ কনক মণ্ডল, যুবদল নেতা আতাউর রহমান, মনোয়ার হোসেন মনির, সাজেদুল হোসেন, আকরাম হোসেন ও জাকারিয়া সেন্টু, মহিলা দলের নেত্রী আনজু খাতুন ও রনিফা বেগম, ছাত্রদল নেতা প্রিন্স মাহমুদ, তহিদুল ইসলাম, সাব্বির হোসেন ও জয় ইসলাম প্রমুখ।

হেকমত উল্লাহ কনক মণ্ডল বলেন, "অবৈধভাবে বেশ কয়েকটি দোকান তুলে জায়গা দখল করে আছে। বাজারের জায়গা দখল করে অফিস নির্মাণ করেছে। বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস‍্য হাবিবুর রহমান হাবিবের নামে তারা নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে।"

আতাউর রহমান মন্তব্য করেন, "আমাদের ইউনিয়ন খুব শান্তিপূর্ণ একটা জায়গা ছিল। কিন্তু কিছু কূচক্র, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি করে। মাদক ব্যবসা করে। গুলিবর্ষণ করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এতে আমাদের এলাকার শান্তি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে আমরা মানববন্ধন করছি। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবকে উদ্দ‍্যেশ‍্য করে তারা অশালীন বক্তব্য দেয়। মিথ‍্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ‍্য প্রনোদিতভাবে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।"

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে আসছে। এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।

মানববন্ধনের বক্তারা অবিলম্বে এসব মাদক ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়ামতিতে জনগণের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে উঠান বৈঠক,নেতৃত্বে সোহেল ফরাজী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব সংবাদদাতা :মোঃসানি

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


নিয়ামতিতে জনগণের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে উঠান বৈঠক,নেতৃত্বে সোহেল ফরাজী

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নে জনগণের সমস্যা ও তার সমাধানের লক্ষ্যে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় ট্যাংরাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোহেল ফরাজির উদ্যোগে এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে ৬, ৭ নং ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মুখ থেকে সরাসরি তাদের সমস্যার কথা শোনা এবং তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া।
বৈঠকে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের বিভিন্ন জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তারা ক্ষতবিক্ষত ইটের সলিং রাস্তা দ্রুত পিচ ঢালাই, ট্যাংরাখালী স্কুল মাঠ বালু দিয়ে ভরাট করে খেলার উপযোগী করা এবং যুব সমাজকে মাদক থেকে রক্ষায় করার জন্য নিয়ামতি ইউনিয়নে বিভিন্ন খেলার মাঠগুলো সংস্কার করে খেলার উপযোগীতা করে গড়ে তোল।
বৈঠকে এক অসহায় বৃদ্ধ মহিলা তার সংসারের করুণ দুর্দশা ও চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদন জানান। ওই বৃদ্ধ মহিলার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনা হয়। এ সময় বাউল গানের মাধ্যমে সোহেল ফরাজির করা উন্নয়নমূলক কাজের চিত্র তুলে ধরা হয়।
পরে জনগণের সমস্যার জবাবে সোহেল ফরাজি বলেন, "আমি নিয়ামতি ইউনিয়নে কোটি টাকার কাজ করেছি। তিনবার চেয়ারম্যান হলেও এত টাকা তোলা সম্ভব নয়। আমি নিয়ামতির বাইরেও দুটো রাস্তার কাজ করে দিয়েছি, সেখানে আমার কোনো ভোট নেই। আমি ভোটের আশায় নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করি।"
তিনি আরও বলেন, "আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হবো কিনা এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। একটি কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে আমি সরকারি অর্থায়নে কাজ করেছি। সরকারি বরাদ্দ তো আপনারাও পেয়েছেন, তাহলে আপনাদের কাজ কোথায়?"
পরে তিনি ওই অসহায় বৃদ্ধ মহিলার চিকিৎসা সহায়তা, ক্ষতবিক্ষত রাস্তা সংস্কার এবং স্কুল মাঠ ভরাটের আশ্বাস দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে রাত ৮টায় উঠান বৈঠক শেষ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়ায় পাহাড়ধসে নিহত ৩, আহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়ায় পাহাড়ধসে নিহত ৩, আহত ৫

ভারী বৃষ্টির ফলে তুরস্কের পর্যটনকেন্দ্র ক্যাপাডোসিয়ায় ভূমিধসের কারণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক এবং বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ক্যাপাডোসিয়ার গোরেমে শহরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। শহরের উন্মুক্ত জাদুঘরের নিকটবর্তী একটি গাড়ি পার্কিং এলাকার পাশে অবস্থিত পাথরের স্তম্ভটি ভূমিধসের কারণে ভেঙে পড়ে।

তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানান, প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় এবং পাঁচজন আহত হন। পরে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও একজনের লাশ উদ্ধার করেন, ফলে নিহতের সংখ্যা তিনে পৌঁছায়।

নেভশেহির প্রদেশের গভর্নর হুসেইন কোক জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিক রয়েছে। অন্যদিকে, বাকি দুজন তুরস্কের নাগরিক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পাথরের স্তম্ভটি ধসে পড়ার সময় একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে চারপাশ ধুলায় ঢেকে যায়।

দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকাটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকর্মীরা শক্তিশালী আলোর ব্যবস্থা করে সারা রাত ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালান। এই কাজে খননযন্ত্রও ব্যবহার করা হয়।

উদ্ধার অভিযান শেষে গভর্নর হুসেইন কোক জানান, উদ্ধার ও তল্লাশির সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ শেষে উদ্ধারকারী দলগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপাতত সেখানে আর অভিযান চালানোর প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার থেকে প্রধান সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়ের উদ্যোগে ঘটনার তদন্ত শুরু হবে। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞরা দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চল বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই অঞ্চলটি আগ্নেয়গিরির প্রাচীন কার্যকলাপে তৈরি শঙ্কু আকৃতির পাথুরে স্তম্ভের জন্য বিখ্যাত। স্থানীয়ভাবে এসব গঠনকে ‘ফেরি চিমনি’ বলা হয়।

তথ্যসূত্র: সিএনএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে বালুর স্তূপ, বাড়ছে দুর্ঘটনা ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ পি.এম


রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে বালুর স্তূপ, বাড়ছে দুর্ঘটনা ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে রাস্তার সংলগ্ন বিশাল বালুর স্তূপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন ড্রেজার এবং ডাম্প ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে বালু এনে সড়কের পাশে স্তূপ করা হচ্ছে। বালু বিক্রি হলে সেগুলোও ট্রাকে তোলা হচ্ছে। বালুর স্তূপগুলো মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায়, সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বিশেষ করে, হালকা বাতাস হলেই উড়ন্ত বালু চালকদের চোখে-মুখে এসে পড়ছে। এর ফলে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে বিঘ্ন ঘটছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে। মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহনের চালকদের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। পাশাপাশি, বালু উড়ে পরিবেশও দূষিত হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের গোদাগাড়ী উপজেলার সোনাদিঘী, গোপালপুর, বিজয়নগর, সারেংপুর, জৈতগশাই, সুলতানগঞ্জ, গাংগোবাড়ী ও মহিশালবাড়ীসহ প্রায় ১৫টি স্থানে মহাসড়ক ঘেঁষে এভাবে বালুর স্তূপ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় অটোরিকশাচালক দুলাল মন্তব্য করেন, "এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করি। বাতাস উঠলেই বালু উড়ে চোখে ঢুকে যায়, সামনে কিছু দেখা যায় না। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"

গোদাগাড়ী পৌরসভা এলাকার ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ও মোটরসাইকেলচালক ওবাইদুল্লাহ বলেন, "রাস্তার পাশে বালুর স্তূপ থাকায় আমাদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। এগুলো দ্রুত সরানো না হলে যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"

সুলতানগঞ্জ গাংগোবাড়ী এলাকার বালু ব্যবসায়ী আব্দুল করিম জানান, "রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বৈধভাবে সর্বোচ্চ দর দিয়ে আমরা ইজারা নিয়েছি। বালুর কারণে কিছুটা সমস্যা হয়, তা অস্বীকার করার কিছু নেই। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের কাছে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি।"

গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, "এভাবে সড়কের পাশে বালুর ব্যবসা চলায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, অথচ প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।"

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) রাজশাহী জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহমেদ টিটু বলেন, "রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কটি তুলনামূলক সরু দুই লেনের। সেখানে সব সময় যানবাহনের চাপ থাকে এবং বেশ কিছু বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে। বালুর ব্যবসার কারণে এখন ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। মহাসড়কের পাশে এভাবে বালু রাখা কিছুতেই কাম্য নয়।"

জানতে চাইলে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, "মহাসড়কের পাশে বালু রেখে ব্যবসা করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। সড়ক ও জনপথ বিভাগ তা সরানোর উদ্যোগ নিলে উপজেলা প্রশাসন অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেবে।"

রাজশাহী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, "সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, মহাসড়কের অন্তত ৩৩ ফুটের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা ব্যবসা পরিচালনা করার অনুমতি নেই। নিয়ম অমান্য করে কেউ সড়কের ওপর বা পাশ ঘেঁষে বালু রাখলে, তা অপসারণ ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মূল দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের।"

এ বিষয়ে রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, "সড়ক-মহাসড়ক ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বালু স্তূপ করে ব্যবসা বা মজুত করা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। বালুর ব্যবসা করতে হলে অবশ্যই তা পলিথিন বা অন্য কিছু দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং পরিবহনের সময়ও বালু ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। এ বিষয়ে নোটিশ দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%