শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২৫ পি.এম
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ফয়সাল নামক এক ডেকোরেটর কর্মীর মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজিপুর ইউনিয়নের বাদনোহালী গ্রামে রুহুল আমীনের বাড়িতে ডেকোরেশনের কাজ করছিলেন ফয়সাল। এক সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে গিয়ে তিনি জ্ঞান হারান। তাঁকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। দিনাজপুরে যাওয়ার পথে ফয়সালের মৃত্যু ঘটে। ফয়সাল বোর্ডহাটের শাহ আলম ডেকোরেটরের দোকানে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি নোহালী গ্রামে অবস্থিত।
হাজিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিন মাস্টার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে রুহুল আমিনের ছেলে মামুনের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। নববধু ঘরে আনা হয় এবং শুক্রবার বৌভাতের অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের কাজ করার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পীরগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন প্রামানিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন এবং সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা আশিকি ২–এর গান ‘সুন রাহা হ্যায় না তু’ পুনরায় রেকর্ড করতে হয়েছে গায়িকা শ্রেয়া ঘোষালকে। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিজ্ঞতার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
বিলবোর্ড ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রেয়া জানান, প্রথমবার গানটি গাওয়ার সময় তিনি নিজের স্বাভাবিক গায়কির ধরন অনুসরণ করেছিলেন। কিন্তু পরিচালক মোহিত সুরি এবং প্রযোজক মুকেশ ভাট তাকে গানটি পুনরায় গাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
এর পেছনে কারণ ছিল সিনেমার গল্প এবং শ্রদ্ধা কাপুরের অভিনীত চরিত্রের সঙ্গে গানের গায়কির সামঞ্জস্য। আশিকি ২–এ শ্রদ্ধার চরিত্র আরোহী একজন নবীন গায়িকা। সিনেমার একটি দৃশ্যে তাকে একটি ক্লাব বা বারে গান গাইতে দেখা যায়, যেখানে আদিত্য রায় কাপুরের চরিত্র তার প্রতি নজর দেয়। তখনো আরোহী গায়িকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে রয়েছে।
শ্রেয়া বলেন, চরিত্রটি তখনো পেশাদার গায়িকা হয়ে ওঠেনি—এই বিষয়টি মাথায় রেখে গানটি সহজভাবে গাওয়া জরুরি ছিল। নির্মাতারা তাকে বোঝান যে, চরিত্রটি এখনো গানের প্রশিক্ষণে দক্ষ হয়ে ওঠেনি। তাই গায়কিতে অতিরিক্ত কারুকাজ না রাখাই ভালো।
শ্রেয়া জানান, নির্মাতাদের নির্দেশনা মেনে তিনি গানটি পুনরায় রেকর্ড করেন। এবার তিনি কণ্ঠের বাড়তি কারুকাজ বাদ দিয়ে সহজভাবে গানটি গেয়েছেন। তবে কনসার্টে গানটি পরিবেশনের সময় তিনি নিজের গায়কির ধরন অনুযায়ী কিছুটা পরিবর্তন করেন।
২০১৩ সালে মুক্তি পায় আশিকি ২। মোহিত সুরি পরিচালিত এই সিনেমাটিতে অভিনয় করেন শ্রদ্ধা কাপুর ও আদিত্য রায় কাপুর। সিনেমাটির গানগুলো শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির জানিয়েছেন, ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলতে থাকবে। তিনি সন্ত্রাসীদের কঠোরভাবে দমন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শুক্রবার পেশোয়ারে কর্পস সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে তিনি এই ঘোষণা দেন। এই তথ্য দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) প্রকাশ করেছে।
আইএসপিআর জানায়, পরিদর্শনকালে আসিম মুনিরকে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চলমান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে মোতায়েন সেনা ইউনিটগুলোর প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
এ সময় তিনি সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের উচ্চ মনোবল এবং পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। তিনি হুমকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার এবং সর্বোচ্চ মাত্রার প্রস্তুতি নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন।
আইএসপিআরের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সেনাপ্রধান আসিম মুনির জোর দিয়ে বলেছেন, ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যেখানেই তাদের পাওয়া যাবে, সেখানেই কঠোরভাবে দমন করা হবে।
সূত্র: জিও নিউজ
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের হিন্দুদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি ভারতের মুসলিমদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
শুক্রবার তিনি নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই আহ্বান জানান।
স্ট্যাটাসে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উল্লেখ করেন, হিন্দুদের দখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধার নিয়ে অনেকেই কথা বলেন না। একইভাবে ভারতে মুসলিম পরিচয়ের কারণে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়েও অনেকে নীরব থাকেন।
তিনি আরও বলেন, অধিকার ও ন্যায়বিচার কখনো ধর্ম, জাতি কিংবা সীমান্তের পরিচয় দেখে নির্ধারিত হতে পারে না। বাংলাদেশের হিন্দুদের অধিকার নিয়ে যেমন সোচ্চার হতে হবে, তেমনি ভারতের মুসলিমদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়েও কথা বলা প্রয়োজন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির-গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পদ দখলের বিরুদ্ধে একই অবস্থান থাকতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় যাই হোক, কারও সম্পদ দখল কিংবা অধিকার হরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে সর্বজনীন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে সবার জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনায় লিওনেল মেসির ট্রফির অভাব ছিল না। একের পর এক শিরোপা জিতে সাফল্যের নতুন ইতিহাস লিখেছিলেন তিনি, জাভি হের্নান্দেস, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ও কার্লেস পুয়োলদের পাশে। তবে আর্জেন্টিনার মহাতারকা জানালেন, কাতালান ক্লাবটিতে কাটানো সেই সোনালি সময় শুধুমাত্র ট্রফি জয়ের আনন্দে সীমাবদ্ধ নয়। মাঠে ও মাঠের বাইরে সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিদিনের মুহূর্তগুলোও সমপরিমাণ মূল্যবান বলে মনে করেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার।
স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা এফেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন মেসি। বার্সেলোনার হয়ে সম্ভাব্য সব বড় সাফল্য পেলেও, ক্লাবের চেয়ে সতীর্থদের সঙ্গে ফুটবল উপভোগের স্মৃতিটাই মেসির কাছে বেশি উজ্জ্বল। ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সবকিছু জেতার সৌভাগ্য হয়েছিল আমাদের। যেভাবে আমরা সেসব অর্জন করেছিলাম, সেটাও ছিল বিশেষ কিছু। আমরা মাঠে নামতে, জিততে এবং গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেতে ভালোবাসতাম। তবে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করতাম অনুশীলনের প্রতিদিনের সময়গুলো। সতীর্থদের সঙ্গে আমাদের সময়টা দারুণ কাটত।’
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলা মেসি দুই মৌসুম ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে কাটিয়েছেন। ঠিকানা বদলালেও বার্সেলোনাকে এখনও নিজের ‘প্রাণের ক্লাব’ মনে করেন তিনি। তিন সন্তানের জন্ম এই শহরে উল্লেখ করে মেসি বলেন, ‘বার্সেলোনার সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেবল ফুটবলেই সীমাবদ্ধ নয়। শহর ও ক্লাবের প্রতি আমার খুব গভীর ভালোবাসা রয়েছে।’
ক্লাব ফুটবলে ধরা দেওয়া সাফল্য পেলেও, জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের জন্য মেসিকে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ২০২২ সালে কাতারে সেই অধরা ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মুহূর্তটি তার কাছে ‘স্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু’ ছিল। ফ্রান্সের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ফাইনালে করা গোলগুলোকে ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গোল হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ও ক্লাসিকোর গোলগুলোর পাশেই জায়গা পাবে বিশ্বকাপের ফাইনালের গোলগুলো।
সংবাদ সংস্থা এফেকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে গত আগস্টে প্রয়াত বাবা হোর্হে মেসির স্মৃতির কথাও উঠে আসে। স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস’ পুরস্কার পাওয়ার খবরের কথা জানিয়ে মেসি জানান, এই সম্মাননা নিয়ে তার বাবা ভীষণ রোমাঞ্চিত ছিলেন। ব্যস্ত সূচির মধ্যেও ছেলেকে ওবিয়েদোয় গিয়ে পুরস্কার গ্রহণের উৎসাহ দিয়েছিলেন তিনি। বাবার অকালপ্রয়াণে শোক প্রকাশ করে মেসি বলেন, মাঠের অর্জনের বাইরে গিয়ে দেওয়া এ সম্মাননা তার বাবা স্বচক্ষে দেখে যেতে পারলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বাবার দেওয়া এক বিশেষ উপদেশ আজও মনে রেখেছেন মেসি। ফল যাই হোক, চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার সেই দর্শনই তার ক্যারিয়ারের ভিত্তি। বাবার শিক্ষাকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘কখনও চেষ্টা বন্ধ করবে না—বাবা সব সময় আমাকে বলতেন, বল পায়ে নাও এবং চেষ্টা করো। সফল হও কিংবা ব্যর্থ, সেই মুহূর্তেই আটকে থেকো না। কারণ আবার চেষ্টা করার সুযোগ সব সময়ই আসবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ