ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নির্ধারিত হলো খসড়া তারিখ


জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নির্ধারিত হলো খসড়া তারিখ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আগামী বছরের শুরুতেই দ্বিতীয় সমাবর্তনের আয়োজন করতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে, এ তথ্য জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

রবিবার (২৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দ্বিতীয় সমাবর্তন নিয়ে কয়েক দফা উদ্যোগ নেওয়া হলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড় দশক পর ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো সমাবর্তন আয়োজন করা হয়। এতে ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত মোট ১২টি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠে অনুষ্ঠিত ওই সমাবর্তনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের আহ্বান জানালেন শামা

এরপর ২০২৩ সালের মার্চে প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সে সময় প্রস্তুতি এগিয়ে গেলেও একই বছরের এপ্রিলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় নির্ধারিত আয়োজন স্থগিত হয়ে যায়।

তারপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দ্বিতীয় সমাবর্তনের নতুন তারিখ নির্ধারণ হয়নি। ফলে, সমাবর্তনের অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। অবশেষে নতুন তারিখ ঘোষণায় সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২৭ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়েই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়েই সমাবর্তন আয়োজনে সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলায় অচল শিক্ষকের দুই পা হারানোর শঙ্কা, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৪ পি.এম


হামলায় অচল শিক্ষকের দুই পা হারানোর শঙ্কা, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

মাদারীপুর জেলার কালকিনিতে সহকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ইমাম হোসেন রাজন, যিনি একজন সহকারী শিক্ষক। এ হামলায় তার দুটি পা ভেঙে গেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসাধীন থাকলেও, এ পর্যন্ত তার পা স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করার সক্ষমতা ফিরে আসেনি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, তার পা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনেরা।

এই ঘটনায় হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বিভাগীয় মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া হামলার ঘটনায় করা ফৌজদারি মামলার তদন্তও শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

ভুক্তভোগী ইমাম হোসেন রাজন কালকিনি উপজেলার ১৫৮ নম্বর চর আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিপি আক্তারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে টিফিন এবং স্কুল ফিডিংয়ের খাবার বিতরণ নিয়ে তার বিরোধ ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

অভিযোগ করা হয়েছে যে, এ বিরোধের জেরে গত ৩ জুলাই বিদ্যালয়ের ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে পশ্চিম আলীপুর খেয়াঘাট এলাকায় রাজনের ওপর বড় ধরণের হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ছিলেন লিপি আক্তারের ভাই মিলন মোল্লা এবং তার সহযোগীরা। তারা রাজনকে এলোপাতাড়ি মারধর করে, যার ফলে তার দুটি পা ভেঙে যায় এবং শরীরের অন্য অংশগুলোতে গুরুতর আঘাত করেন। পরে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই রাতেই তাকে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হামলার পর আহত শিক্ষকের বাবা মাজেদ আলী শিকদার বাদী হয়ে লিপি আক্তার, তার ভাই মিলন মোল্লা সহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে কালকিনি থানায় মামলা করেছেন। এই মামলার আসামিরা বর্তমানে উচ্চ আদালত এবং নিম্ন আদালত থেকে জামিনে আছেন।

আহত শিক্ষক ইমাম হোসেন রাজন এ ঘটনার সম্পর্কে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিডিংয়ের খাবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিপি আক্তার বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই বিষয়টিতে আমি প্রতিবাদ করায় আমাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এরপর তার নির্দেশে তার ভাই মিলন মোল্লা লোকজন নিয়ে আমার ওপর এই হামলা করে দুজন পা ভেঙে দেয়। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তবে হামলার সঙ্গে নিজের এবং ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিপি আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি এবং আমার ভাই কখনোই এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলাম না। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে না গিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আমার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে। আমি ন্যায়ের দিকে আছি এবং সত্যের জয় হবেই।’

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম বলেন, ‘মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। হাসপাতাল থেকে মেডিকেল রিপোর্টও এসেছে আমাদের কাছে। তদন্তের পর দ্রুত অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হবে।’

মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফজলে এলাহী জানিয়েছেন, ‘একজন শিক্ষক হয়ে অন্য শিক্ষকের ওপর এমন হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কালকিনির সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ দত্ত ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ঘটনার পর আহত শিক্ষকের পরিবার তৎকালীন হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছে। একই সাথে শিক্ষকসমাজও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার্ককে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


সার্ককে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সার্ককে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি করেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখতে পারে এমন পারস্পরিক স্বার্থ ও বাস্তব সহযোগিতার মাধ্যমে একটি গতিশীল, কার্যকর এবং জনকেন্দ্রিক সার্ক গঠনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। রবিবার, ২৩ আগস্ট, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই কথা বলেন।

মহাসচিব তাঁর বক্তব্যে সার্ক প্রক্রিয়া ও আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং সরকারের অবিচল অঙ্গীকারের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি এবং যৌথ উন্নয়ন প্রসারের জন্য সার্কের চিরস্থায়ী গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

মহাসচিব গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে বাংলাদেশের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন। তাঁর নেতৃত্ব এবং দূরদর্শিতার ফলেই সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মহাসচিব বাংলাদেশে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এই সংস্থার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন, দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা এবং জনগণের স্বার্থ পূরণের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি সার্ক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা, সংলাপ এবং বাস্তব সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা আঞ্চলিক সহযোগিতার চেতনাকে সজীব রাখবে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী একটি আরও গতিশীল, কার্যকর এবং জনকেন্দ্রিক সার্কের রূপকল্প উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন যে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ ও সমৃদ্ধিতে সরাসরি অবদান রাখতে পারে।

তিনি মহাসচিবের প্রশংসা করেন সার্কের কার্যক্রম বজায় রাখা ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টার জন্য। প্রধানমন্ত্রী ধারাবাহিক কর্মসূচি এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে আঞ্চলিক প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে মহাসচিবের নিষ্ঠার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মহাসচিব সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক মান সংস্থার আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের অবদানের কথাও স্বীকার করেন। তিনি জানান, সার্ক ও এর বিশেষায়িত সংস্থা ও আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোর প্রতি দেশটির দীর্ঘদিনের সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় সার্কের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তব, জনকেন্দ্রিক ও ফলপ্রসূ সহযোগিতায় রূপান্তরের গুরুত্বের ওপরও আলোচনা করা হয়। এটি স্পষ্ট যে, অর্থনৈতিক একীকরণ, সংযোগ, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রগুলোতে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

মহাসচিব সার্কের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সার্কের উদ্দেশ্যসমূহকে এগিয়ে নিতে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করলেন পিতা রক্তমাখা কুঠার উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জাহিদ মিয়া(নরসিংদী)প্রতিনিধি

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করলেন পিতা রক্তমাখা কুঠার উদ্ধার

নরসিংদীর মনোহরদীতে মিস্ত্রি আকাশ মিয়া (২৪) হত্যাকাণ্ডের রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আতাউর রহমান মিস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুড়ালও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৩ আগস্ট) মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কীর্তিবাসদী গ্রামের নিজ বাড়ির দক্ষিণ ভিটির গোয়ালঘরে আকাশ মিয়াকে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করে ফেলে রাখা হয়। ওই সময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না। পরে তার মা ফিরোজা খাতুন বাড়িতে ফিরে গোয়ালঘর থেকে আকাশকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। হাসপাতালে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পর নিহতের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মামলা করেন।

মামলা তদন্তের জন্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ নিহতের বাবা আতাউর রহমান মিস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত আকাশ মিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। এ কারণে প্রায়ই বাবা-ছেলের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। সম্প্রতি আতাউর রহমান তার ছোট মেয়েকে কিছু টাকা ধার দেন। ওই টাকা ফেরত নেওয়াকে কেন্দ্র করে বাবা-ছেলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আকাশ তার বাবা ও বোনকে নিয়ে অশালীন কথা বলায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন আতাউর রহমান।

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঘুমন্ত ছেলে আকাশ মিয়াকে নিজ ঘরের কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন তার বাবা। পরে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়।

তদন্তের সময় ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুড়ালটি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আতাউর রহমান মিস্ত্রী আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মনোহরদী থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানিয়েছেন, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে আবারও প্রাণ গেল শ্রমিকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে আবারও প্রাণ গেল শ্রমিকের

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ১০ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ কাটতেই, বারাকা শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে দুর্ঘটনার কারণে মো. আলাউদ্দিন (৪৫) নামে আরও একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার সকালে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে গত ১৬ আগস্ট ইয়ার্ডে কাজ করার সময় তিনি আহত হয়েছিলেন। নিহত শ্রমিক আলাউদ্দিন সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকায় অবস্থিত বারাকা শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে কাজ করার সময় গত ১৬ আগস্ট ভারি লোহার আঘাতে গুরুতর আহত হন আলাউদ্দিন। এরপর তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে লাইফ সাপোর্টেও রাখা হয়। এক সপ্তাহ মৃত্যুর সাথে লড়াই করার পর রবিবার সকালে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে নিশ্চিত করে সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মাহিনুল ইসলাম বলেন, ‘বারাকার ইয়ার্ডে কাজ করার সময় আহত আলাউদ্দিন এক সপ্তাহ ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার সকালে তার মৃত্যুর খবর শুনেছি। এই বিষয়টি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%