ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে এমআইএসটি’র অসাধারণ সাফল্য


বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে এমআইএসটি’র অসাধারণ সাফল্য

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) রাজধানীর নভোথিয়েটারে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।

এ আয়োজনে দেশের ৭৩টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে অংশগ্রহণ করে। ৫০টি প্রকল্পকে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত করে প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এমআইএসটি’র ৬টি প্রকল্প এই নির্বাচনে স্থান পায়, যা একক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ।

এমআইএসটি’র গৌরবময় অর্জনের মধ্যে রয়েছে, তাদের দুটি প্রকল্প সেরা ১০-এর মধ্যে স্থান করে নেয়, যা অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বাধিক সাফল্য। সেরা ১০-এ স্থান পাওয়া এমআইএসটি’র প্রকল্প দুটি হলো ‘ওয়াটার রিপেলেন্ট জুট ফেব্রিক’ এবং ‘ভয়েস অ্যাসিস্ট ডিভাইস’। উক্ত প্রকল্পের উদ্ভাবকদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কৃত করা হয়। ‘ওয়াটার রিপেলেন্ট জুট ফেব্রিক’ প্রকল্পের মাধ্যমে পাটের তৈরি শপিং ব্যাগ, ল্যাপটপ ব্যাগ, মোবাইল ক্যারিয়ারসহ বিভিন্ন ব্যবহার্য পণ্যে পরিবেশবান্ধব জলরোধী প্রলেপ দেওয়ার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

অন্যদিকে, ‘ভয়েস অ্যাসিস্ট ডিভাইস’ প্রকল্পটি কথা বলতে অক্ষম, বিশেষ করে অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের দৈনন্দিন প্রয়োজন সহজে প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এ এমআইএসটির সাফল্য দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটির ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতিফলন। এই অর্জন এমআইএসটির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকান্ডকে আরও উৎসাহিত করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান তৈরির ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির নেত্রী সাদিয়া আক্তারকে সাময়িক অব্যাহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


এনসিপির নেত্রী সাদিয়া আক্তারকে সাময়িক অব্যাহতি

নেত্রকোনায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী সাদিয়া আক্তারকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে, তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও জারি করেছে দলটি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানার সই করা এক চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

দলীয় চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে সাদিয়াকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।

সাদিয়া আক্তার (২৩) নেত্রকোনা জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি নেত্রকোনা সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে অবস্থিত।

 

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সাদিয়া জামিনে মুক্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে সাদিয়া আক্তারের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাদিয়ার বিরুদ্ধে কয়েকজনের কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে তিন হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুড়পাড় এলাকায় আরো একজনের কাছ থেকে টাকা নিতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

ঘটনার পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর সকালে পৌর শহরের বলাইনগুয়া চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সুমন মিয়ার স্ত্রী প্রিয়া আক্তার বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় প্রতারণার মামলা করেন। পরে পুলিশ সাদিয়া আক্তারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

জেলা এনসিপির সদস্যসচিব ফাহিম রহমান খান পাঠান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাদিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সাদিয়া উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগের জবাব দিয়ে রেহাই পাবেন। তিনি আরও বলেন, "আমরা মনে করি, সাদিয়া সরকারদলীয় নেতৃবৃন্দের আক্রোশের শিকার।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেনাপোল বন্দরের উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা সরকারের: চেয়ারম্যান মানজারুল মান্না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


বেনাপোল বন্দরের উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা সরকারের: চেয়ারম্যান মানজারুল মান্না

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল ইসলাম মান্না দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন, বন্দরের উন্নয়নে নতুন এক্সেস প্রজেক্টের একটি ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া, পুরো বন্দরে পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল, নিরাপত্তা জোরদার এবং সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি বন্দরের বিভিন্ন শেড পরিদর্শন করেন এবং বন্দরের অবকাঠামো, পণ্য ওঠানামার স্থান, শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।

বন্দরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেনাপোল বন্দরে একটি বিশাল পরিবর্তন আসবে। নতুন এক্সেস প্রজেক্টের পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং কোথায় কী করা হবে, সেটির একটি ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা নিয়ে তিনি জানান, পুরো বন্দরে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। বন্দরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যাতে কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্রমিকদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, শ্রমিকদের জন্য একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। বন্দরে কর্মরত বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মানজারুল ইসলাম মান্না বলেন, সিকিউরিটি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত করা হবে। পুরো বন্দর সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

বন্দরে অনিয়ম ও অসাধু কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক করে চেয়ারম্যান বলেন, সকলকে সৎ হতে হবে। যারা কোনো ধরনের খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক রুহুল আমিন হাওলাদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব আনিসুল হক, সহকারী পরিচালক পার্থ ঘোষ, আব্দুল হান্নান ও সঞ্জয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এছাড়া, বেনাপোল স্থলবন্দরের হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫-এর সভাপতি তবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শহীদ আলীসহ সংশ্লিষ্ট শ্রমিক প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমানকে ‘রোস্ট’ করেননি সোনু, ভাইরাল ভিডিওর আসল ঘটনা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


সালমানকে ‘রোস্ট’ করেননি সোনু, ভাইরাল ভিডিওর আসল ঘটনা প্রকাশ

সোনু নিগমের ‘রোস্ট’ সালমান খানের গান নিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনা শুরু হয়। তবে সোনু নিগম জানিয়েছেন, ভিডিওটি সম্পাদনা করে এমনভাবে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর মতে, ভিডিওটির মূল প্রতিক্রিয়া সালমান খানকে কেন্দ্র করে ছিল না।

হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদন এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। সম্প্রতি সালমান খানের প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যায় হুঁ হিরো তেরা’ গানটির ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি পোস্ট করে। পোস্টে গানটির সুরকার আমাল মালিকের নাম উল্লেখ না থাকায় তিনি আপত্তি জানান। পরে পোস্টটি সংশোধন করা হলেও বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

এদিকে, একটি পুরোনো ভিডিও নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দেখা যায়, সালমান খান ‘ম্যায় হুঁ হিরো তেরা’ গানটি গাইছেন। সেই দৃশ্য দেখে সোনু নিগম মুখভঙ্গি করছেন ও কপালে হাত দিচ্ছেন। ভিডিওতে শোনা যায়, ‘অনেক দিন পর ভালো কিছু শুনলাম, এমন গান শুনলে আমি কেঁদে ফেলব।’

 

ভিডিওটির ওপর ‘সোনু নিগম রোস্ট সালমান খান সিংগিং’ লেখা থাকায় অনেকেই মনে করেন, সোনু সালমানের গান নিয়েই এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে সোনু ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম ফিডে শেয়ার করে বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, ভিডিওটি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছে যেন তিনি সালমান খানের গান নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। আসলে তার সেই প্রতিক্রিয়া ছিল এক পাকিস্তানি কিশোরী গায়িকার গান শুনে।

সোনু লেখেন, ইন্টারনেটে ‘অপ্রত্যাশিত’ কিছু দেখা যেতেই পারে। তিনি জানান, ভিডিওটি পাকিস্তানি কিশোরী গায়িকা হাদিয়া হাশমির গান শোনার সময় তাঁর দেওয়া পুরোনো প্রতিক্রিয়া থেকে নেওয়া হয়েছে।

গায়ক অনীশ ম্যাথিউও মন্তব্য করে জানান, তিনি মূল ভিডিওটি মনে করতে পারছেন। তাঁর দাবি, সোনু নিগম পাকিস্তানি গায়িকা হাদিয়া হাশমির ‘বল হু’ গান শোনার পর ওই প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। ২০২০ সালে হাদিয়া হাশমির ‘বল হু’ পরিবেশনার একটি ভিডিও দেখে সোনু নিগম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি গানটির প্রশংসা করে বলেছিলেন, অনেক দিন পর কোনো গান তাঁকে এভাবে আবেগপ্রবণ করেছে। অভিনেতা জাভেদ জাফরিও তাঁকে গানটি শুনতে পাঠিয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন সোনু। গানটি শুনে তার চোখে পানি চলে এসেছিল বলেও জানান তিনি।

 

এদিকে, ‘ম্যায় হুঁ হিরো তেরা’ গানটি নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে সালমান খান ফিল্মসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টকে কেন্দ্র করে। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হিরো’ সিনেমার গানটি আমাল মালিকের সুরে রচিত। গানটি গেয়েছিলেন সালমান খান, আর এর রিপ্রাইজ সংস্করণে কণ্ঠ দেন আরমান মালিক।

পোস্টটিতে আমালের নাম না থাকায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে পোস্টটি সংশোধন করে তাঁর নাম যুক্ত করা হয়। তবে এর পর আমাল ও আরমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। দুজনই নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে প্রতিক্রিয়া জানান।

এই বিতর্কের মধ্যে সোনু নিগমের পুরোনো ভিডিওটি নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় সেটি নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে সোনুর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে সালমানের গান নিয়ে তার কোনো প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, উৎপাদন ব্যয় কমানো, মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের নিরাপদ প্রোটিন সরবরাহের জন্য খামারি, ফিড উৎপাদনকারী ও সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর সদরের পিটিআই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ বাস্তবায়ন ও মান নিয়ন্ত্রণ জোরদারকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যদি খামারিরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উৎপাদন ও ওষুধ ব্যবহার করেন, তাহলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়। এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে খামারিদের সচেতন করতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতের মূল চালিকাশক্তি হলো প্রান্তিক খামারিরা। তাদের টিকিয়ে রাখা এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে খামারিদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে, যাতে তারা সহজ শর্তে ঋণ, বিদ্যুৎ সুবিধা ও সরকারি প্রণোদনা পেতে পারেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন শুধু খামারিদের স্বার্থে নয়, বরং পুরো জাতির স্বার্থে জরুরি। সরকার চায় উৎপাদন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে থাকুক এবং ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে নিরাপদ খাদ্য পান।

বাংলাদেশের পোল্ট্রি খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশ থেকে হ্যাচিং ডিম রপ্তানি শুরু হয়েছে। দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাণিজ পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা বাড়লে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং দেশের অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।

ভেজাল খাদ্য ও মাদকের বিস্তার রোধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও খামারিদের সমস্যা সমাধানে সরকার মাঠপর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করছে। উৎপাদন ব্যয় কমানো, সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি এবং বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, গাজীপুর আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. শাকিল আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন পিপিএম (বার) এবং বাংলাদেশ ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (ফিয়াব) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) ড. বেগম শামছুননাহার আহম্মদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সদর উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. এস. এম. হারুন-অর-রশিদ। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় প্রাণিসম্পদ খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%