ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্যাটরিনাকে নিয়ে ভুয়া গুঞ্জন, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ঘনিষ্ঠজন


ক্যাটরিনাকে নিয়ে ভুয়া গুঞ্জন, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ঘনিষ্ঠজন

ভুয়ো খবর রটছে ক্যাটরিনাকে নিয়ে? ছবি: সংগৃহীত। সম্প্রতি এক খবর প্রকাশিত হয়েছে, সংসার এবং সন্তান — সবকিছু সামলে নাকি একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্যাটরিনা। আবার কি নাকি অভিনয়ে ফেরার পরিকল্পনা করছেন তিনি? চিত্রনাট্য পড়ার কাজও শুরু করেছেন। সত্যিই কি তাই?

গত বছর ক্যাটরিনা কইফ পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন। সংসার এবং সন্তান নিয়েই কাটছে তাঁর জীবন। এইসবের পাশাপাশি তিনি প্রসাধনী সংস্থার ব্যবসাও সামলাচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় থেকে তিনি দূরে রয়েছেন। সম্প্রতি আবার খবর ছড়িয়েছে, সংসার ও সন্তান সব সামলে নাকি বড় সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন ক্যাটরিনা। তিনি আবার অভিনয়ে ফিরতে চান বলেও শোনা যাচ্ছে। আবার সেই সাথে চিত্রনাট্য পড়ার খবরও এসেছে। তবে সত্যিই কি এইসব বক্তব্যের মধ্যে কোনো সত্যতা রয়েছে? ক্যাটরিনার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন।

উক্ত ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, অভিনয়ে ফেরার কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই ক্যাটরিনার। বরং খবরটি সম্পূর্ণ ভুল। সূত্রটি দাবী করেছে, “ওটিটি-তে ফিরছেন ক্যাটরিনা, এই খবরটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। ভবিষ্যতে অভিনয়ের পরিকল্পনা নিয়ে ক্যাটরিনার সম্পর্কে যে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল। এর মধ্যে কোন সত্যতা নেই। এসব সম্পূর্ণ ভুল তথ্য এবং জল্পনার ভিত্তিতে রটানো হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য যাচাই পর্যন্ত করা হয়নি।”

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

ক্যাটরিনার শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘মেরি ক্রিসমাস’ ২০২৪ সালে ছিল, যেখানে তিনি বিজয় সেতুপতির বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন। ছবির জন্য প্রশংসিতও হন তিনি। তবে তারপর থেকে তিনি আর নতুন কোনো ছবির কাজ শুরু করেননি। বেশ কিছু সময় তিনি আড়ালে ছিলেন। এর মধ্যেই আবার খবর রটেছে, কাজের দিকে ফিরে আসতে প্রস্তুত ক্যাটরিনা। বলিউডের এক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানায়, “কিছুদিন ধরে ক্যাটরিনা কইফ বিভিন্ন নতুন ছবির চিত্রনাট্য পড়া শুরু করেছেন। শোনা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে তিনি আবার শুটিং ফ্লোরে ফিরতে চান। তবে, তিনি এমন একটি গল্প খুঁজছেন, যেখানে সময় দিলে আদতে ভাল হবে। এই কারণেই তিনি ওটিটি-র কাজের দিকে নজর দিচ্ছেন। কারণ, সেখানে অভিনয় করার ভালো সুযোগ রয়েছে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উদ্বোধনী লড়াইয়ে তিন লাল কার্ড, ইতিহাস গড়ল বিশ্বকাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ এম


উদ্বোধনী লড়াইয়ে তিন লাল কার্ড, ইতিহাস গড়ল বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাসে এই প্রথমবার লক্ষ্য করা গেল তিন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখার পর মাঠ ছাড়তে হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সিফেফেলো সিথোল এবং থেম্বা জোয়ানে, বিশেষ করে মেক্সিকোর সিজার মন্টেস, এই তিনজন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেওয়া হয়।

মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মামুন ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তিন ফুটবলারর মধ্যে প্রথম লাল কার্ড দেখা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার স্ফেফেলো সিথোলে ম্যাচের ৫০ মিনিটে পেনাল্টি বক্সের মাথায় ফাউল করেন।

এরপর ৮৪ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেকটি লাল কার্ড দেখা যায়। এবার আক্রমণ করতে গিয়ে মেক্সিকোর একটি ফুটবলারকে ফেলে দিয়ে লাল কার্ড দেখেন মিডফিল্ডার থেম্বা জেওয়ানে। পরে যোগ করা সময়ে দেখা যায় মেক্সিকোর সেজার মন্তেসকেও লাল কার্ড দেওয়া হয়েছে।

এভাবে, দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৬ সালের পর প্রথম দল হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপে দুটি লাল কার্ড দেখার লজ্জার রেকর্ড গড়েছে।

ফুটবল পরিসংখ্যান প্ল্যাটফর্ম অপ্টাজো-এর মতে, এই জোড়া বহিষ্কারের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৬ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যকার রাউন্ড অফ সিক্সটিন ম্যাচের পর বিশ্বকাপের কোনো খেলায় প্রথমবার দুটি লাল কার্ড পাওয়া দল হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।

নুরেমবার্গে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচ ‘নুরেমবার্গের যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। ওই ম্যাচে পর্তুগাল এবং নেদারল্যান্ডসের উভয় দলেরই দুজন করে ফুটবলার লাল কার্ড পেয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে জসিম উদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ এম


কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে জসিম উদ্দিন

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পরিকল্পিত ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রধান চালিকাশক্তি, ‘কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (কউক)-এর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। সরকার তাকে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় এই সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থার শীর্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছে। নবনিযুক্ত এই চেয়ারম্যান কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।

প্রজ্ঞাপনে এটা উল্লেখ করা হয়েছে, কউক-এর চেয়ারম্যান পদে যোগদানের পূর্বে তাকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা অথবা সরকারি, আধা-সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে থাকা সমস্ত কর্ম-সম্পর্ক বা লিয়াজোঁ আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাগ করতে হবে। এছাড়াও এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলী পরবর্তীতে মূল চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশের অনুলিপি ইতিমধ্যেই অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ দফতর ও কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকতের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ এবং ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে ২০১৬ সালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) যাত্রা শুরু করে। ২০১৫ সালের ৬ জুলাই জাতীয় সংসদে ‘কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল’ পাস হওয়ার পর ২০১৬ সালের ৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এর সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়। একই বছরের ১১ আগস্ট প্রথম চেয়ারম্যান নিয়োগের মাধ্যমে সংস্থাটি তার পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম শুরু করে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এই সংস্থায় তিনজন চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল ও অংশীজনেরা আশা প্রকাশ করছেন, একজন দক্ষ প্রকৌশলী ও উপকূলীয় এলাকার সন্তান হিসেবে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের হাতে কক্সবাজারের চলমান মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত পরিবেশবান্ধব পর্যটন নগরী গড়ার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও বেগবান হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় স্ত্রীকে আড়ালে রাখার কারণ নিয়ে যা বললেন ঈশা রিখি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ এম


দ্বিতীয় স্ত্রীকে আড়ালে রাখার কারণ নিয়ে যা বললেন ঈশা রিখি

নিজের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বাদশা একেবারেই টুঁ শব্দ করেননি। কিন্তু এবারে তাঁদের বিয়ের সংক্রান্ত খবর প্রকাশ্যে এল বাদশা-পত্নী ঈশা রিখির দ্বারা।

চলতি বছরের মার্চ মাসে গায়ক বাদশার বিয়ের ছবি হঠাৎ করে প্রকাশ পায়। ‘টটীরী’ গানের জন্য যখন বাদশার বিরুদ্ধে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে, তখন অভিনেত্রী ঈশা রিখির সঙ্গে বিয়ের ছবি সামনে আসে। ঈশার মা পুনম রিকিই সামাজিক মাধ্যমে গায়কের বিয়ের একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন। তবে তার পর বাদশা বেশ কিছু অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেও, নিজের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। এবার ঈশা নিজেই তাঁদের বিয়ের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করলেন।

লেখায় বলা হচ্ছে যে ২০২০ সালে বিবাহবিচ্ছেদের পর গায়ক বাদশা ফের পঞ্জাবি অভিনেত্রী ঈশার সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছেন। যদিও তাঁরা নিজেদের সম্পর্ক বেশ গোপন রেখেছিলেন। কিন্তু বিয়ের ভিডিও প্রকাশের পর বাদশা বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়েন। তিনি এসব প্রশ্ন এড়াতে চাইলেও, বাদশার কোলে বসা অবস্থায় আদুরে ছবি দিয়ে ঈশা তাঁদের বিয়ের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করছেন। সম্প্রতি ঈশার অনুরাগীরা তাঁকে প্রশ্ন করেছেন, যদি বাদশার সঙ্গে তাঁর সত্যিই বিয়ে হয়ে থাকে, তবে কেন তাঁরা সমাজমাধ্যমে একে অপরকে অনুসরণ করেন না?

ঈশা তার স্বামীর সঙ্গে ছবির মাধ্যমে উল্লেখ করেন, ‘আমার মনে হয়, এই ধরনের প্রশ্ন সব সময়ই আসে। হ্যাঁ, আমি বিবাহিত। এখন আসছি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে, ‘আপনারা একে অপরকে ফলো করেন না কেন?’ সত্যি কথা বলতে, আমি মনে করি, স্বামীর কাছে আপনারা অবশ্যই একটি ব্যাখ্যা পাওয়ার অধিকারী। পতিদেব (বাদশা), দর্শকদের কিছু প্রশ্ন রয়েছে। অনুগ্রহ করে আপনার সুবিধামতো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, সেগুলোর উত্তর দিন।’

এছাড়া উল্লেখযোগ্য হল, প্রায় চার বছর ধরে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। শোনা গেছে, তাঁরা বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে চাচ্ছেন না। একটি সিনেমার পার্টিতে প্রথমবার বাদশা ও ঈশার দেখা হয় এবং প্রথম দেখাতেই নাকি তাঁরা একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হন। বাদশার বন্ধুমহল থেকে জানা যায়, তাঁদের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু মিল, যেমন একই ধরনের গান, সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন। এর আগে বাদশা এক বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু সে সংসার বেশি দিন টেকেনি। এবার পঞ্জাবি মেয়েকে বিয়ে করেছেন বাদশা। ৩২ বছরের ঈশা একটি পেশাদার অভিনেত্রী। বয়সের দিক থেকে বাদশার সঙ্গে ঈশার ফারাক প্রায় আট বছর। বাদশার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এক কন্যা সন্তান রয়েছে, যে বর্তমানে তার মায়ের সঙ্গে লন্ডনে বসবাস করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনসুলিন পাম্প: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ এম


ইনসুলিন পাম্প: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বহু মানুষের দিনে একাধিকবার ইনসুলিন নিতে হয়। বারবার সূচ ফোটানোর কারণে অস্বস্তি ও কষ্টের সৃষ্টি হয়। তবে বর্তমানে ইনসুলিন পাম্প নামে একটি যন্ত্র জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই যন্ত্রটি ইনসুলিন নেওয়ার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করে দিতে সক্ষম।

ইনসুলিন পাম্প হলো ছোট একটি ব্যাটারিচালিত যন্ত্র, যা সারাক্ষণ শরীরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এটি একটি সরু নলের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে শরীরে ইনসুলিন সরবরাহ করে। সাধারণত বাহু বা তলপেটের মতো চর্বিযুক্ত অংশে এটি লাগানো হয়।

এর ফলে যে কোনো সময়ে ইনসুলিন নেওয়ার জন্য বারবার সূচ ফোটানোর প্রয়োজন হয় না। কিছু ইনসুলিন পাম্পে রক্তে শর্করার মাত্রা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকে, যা দিনের বিভিন্ন সময়ে শর্করার ওঠানামা জানতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনসুলিন পাম্প কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। যেমন: যাদের প্রথম ধরনের ডায়াবেটিস রয়েছে, যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বারবার কমে যায়, যাদের খাবার খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় নেই এবং যাদের শর্করার মাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করে। এই ধরনের রোগীদের জন্য ইনসুলিন পাম্প বিশেষভাবে সুবিধাজনক হতে পারে।

ইনসুলিন পাম্প ব্যবহার করার সময় কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যেমন: যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। নল বন্ধ হয়ে গেলে বা ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে ইনসুলিন সরবরাহ বন্ধ হতে পারে। এতে হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত শর্করা পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

ইনসুলিন পাম্প ইনসুলিন নেওয়ার ঝামেলা কমাতে সাহায্য করে, তবে এর ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী এই যন্ত্র উপযুক্ত কি না, তা চিকিৎসকরাই নির্ধারণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%