১২:৩৭ পি.এম
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ নৌ রুটে জাহাজ চলাচল বর্তমানে সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) জানিয়েছে যে, কারিগরি ত্রুটির কারণে এই রুটের যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই কারণে নৌপথে চলাচলকারী হাজারও যাত্রী চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন।
গত ১০ জুন সাগরে সতর্ক সংকেতের কারণে টানা দুই দিন বন্ধ থাকার পর নৌ রুটে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে জাহাজের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আবারও চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। আজ সকালে নির্ধারিত সময়েও সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাট থেকে যাত্রীবাহী জাহাজ এমভি মালিণ্চ ছেড়ে যায়নি। যাত্রা বাতিল করে জাহাজটি ঘাটে রেখে মেরামতের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
এমভি মালিণ্চের মাস্টার আমির হোসেন জানিয়েছেন, ‘জাহাজের গিয়ারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আজকের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে। তবে কবে নাগাদ জাহাজটি পুনরায় চলাচল শুরু করতে পারবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’ বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, বাঁশবাড়িয়া-গুপ্তছড়া নৌরুটে জাহাজের পাশাপাশি ফেরির মাধ্যমে যাত্রী ও যানবাহন পরিবহন করা হয়।
আরও পড়ুন: ত্রিশালে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে র্যালি ও দোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
এছাড়া কুমিরা-গুপ্তছড়া রুটে স্পিডবোট ও ট্রলারের মাধ্যমেও যাত্রী পারাপার হয়ে থাকে। তবে বর্ষা মৌসুমে উত্তাল সাগর ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্পিডবোট ও ট্রলারে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে অধিকাংশ যাত্রী নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াতের জন্য জাহাজ এবং ফেরির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। যাত্রীদের অভিযোগ রয়েছে, ফেরিতে যানবাহন পরিবহনের কারণে যাত্রী ওঠানামায় বিলম্ব ঘটছে এবং অনেক সময় নির্ধারিত সময়সূচিও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় না। এ কারণে জাহাজে যাতায়াতকে তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধাজনক ও নিরাপদ মনে করছেন তাঁরা।
এদিকে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় বর্ষার এই বৈরী মৌসুমে সন্দ্বীপ-সীতাকুণ্ড নৌপথে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগের মাত্রা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জাহাজটির মেরামত সম্পন্ন করে নৌপথে স্বাভাবিক যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন