বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৫৮ পি.এম
ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কেএম তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধারের ঘটনায়, নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বৃহস্পতিবার তার অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এই দাবি তুলে ধরেন।
নাহিদ ইসলাম জানান, এ ঘটনায় তিনি বিস্মিত এবং গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের ধৈর্য ধারণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেএম তাহসিফ সাওরির নিখোঁজ হওয়ার পর কী ঘটেছে, তার বিস্তারিত বিবরণ জাতির সামনে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। একই সাথে, যদি কেউ এই ঘটনায় জড়িত থাকে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার জান্নাতুল ফেরদৌস প্রাপ্তির জন্য দোয়া করেন।
প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার বিকেলে তুরাগ নদীতে তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ তাহসিফের পরিচয় নিশ্চিত করে তার পকেটে থাকা আইফোনের মাধ্যমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গণনা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১২৫টি কেন্দ্রের ভোট গণনা সম্পন্ন হয়েছে।
এই কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১ লাখ ৫২ হাজার ২৯৯ ভোট সংগ্রহ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৬৩ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়েছেন।
ভোটের ব্যবধান ৮৮ হাজার ৫৯০ ভোটের মতো।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ১৮৫টি কেন্দ্র রয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, কোনো কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়নি। বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গণনা প্রক্রিয়া চলছে। এখন পর্যন্ত ১৫০টি কেন্দ্রের ভোটের গণনা সম্পন্ন হয়েছে।
কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৮ হাজার ২১২ ভোট অর্জন করেছেন।
ভোটের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৩৩।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আসনটির মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৮৫টি। উল্লেখযোগ্য যে, কোনো কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়নি। বাকি কেন্দ্রগুলোর ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত সম্পন্ন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-৩৭৭ জাপান থেকে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার জাপানের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে উড়োজাহাজটি উড্ডয়ন করে।
এর আগে উড়োজাহাজটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার যাত্রা বিলম্বিত হয়েছিল। উড়োজাহাজের স্পয়লারে ত্রুটির সংকেত পাওয়ার পর পাইলট উড্ডয়ন স্থগিত করেন। পরে বিমানটিকে পার্কিং এলাকায় ফিরিয়ে নিয়ে কারিগরি পরীক্ষা ও মেরামতের কাজ শুরু করেন প্রকৌশলীরা।
ত্রুটি মেরামতে দীর্ঘ সময় লাগায় প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিমান থেকে নেমে যান। অন্য যাত্রীদেরও অপেক্ষার জন্য বিমানবন্দরের লাউঞ্জে নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফ্লাইটটির উড্ডয়নের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফ্লাইট ছাড়তে দেরি হওয়ার কথা জানান। এ জন্য তিনি যাত্রীদের কাছে দুঃখপ্রকাশও করেন।
পরে উড়োজাহাজটি টারমাকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। প্রকৌশলীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মেরামতের কাজ শেষে ত্রুটি সারানো হলে ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সূত্রে জানা গেছে, ভিভিআইপি যাত্রীদের বহনকারী বিজি-৩৭৭ ফ্লাইটটির নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত গন্তব্যে যাত্রা করার কথা ছিল। বোর্ডিং শেষে উড়োজাহাজটিকে টার্মিনাল থেকে পুশব্যাক করা হয়।
পরে রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় ককপিটে স্পয়লারের ত্রুটিসংক্রান্ত সংকেত দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে উড্ডয়নের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন পাইলট। পরে কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে সমন্বয় করে উড়োজাহাজটিকে নির্ধারিত পার্কিং এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পরপরই উড়োজাহাজটির কারিগরি পরীক্ষা ও মেরামতের কাজ শুরু করেন প্রকৌশলীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কমিটি অনুমোদন করেছে দলটি। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ও সাবেক রুকন সদস্য আবদুল মান্নানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এনসিপির নোয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজী মাঈন উদ্দীন তানভীর এবং সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরে ২৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদিত হয়। এই কমিটি আগামী ছয় মাসের জন্য গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে আবদুল মান্নানকে আহ্বায়ক, খন্দকার দিদারুল আলমকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মোহাম্মদ ফারুককে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
জামায়াতের সাবেক রুকন সদস্য আবদুল মান্নান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক এবং উপজেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি হিসেবে পরিচিত।
উপজেলা জামায়াতের আমির জামাল উদ্দিন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "৫ আগস্টের পর শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে আবদুল মান্নানের রুকনিয়ত সদস্য বাতিল করা হয়। দীর্ঘ এক বছর তার পদ স্থগিত ছিল। পরে তিনি নিজের ইচ্ছায় এনসিপিতে যুক্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।"
এদিকে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কমিটি অনুমোদনের পর রাত ১১টা ২৭ মিনিটে খন্দকার দিদারুল আলম নিজের ফেসবুক আইডিতে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
দিদারুল আলমের দাবি, সুবর্ণচরে এনসিপির কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে থেকেই তিনি মাঠপর্যায়ে সংগঠক হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনে যুক্ত হওয়া ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, জেলা পর্যায়ের নেতারা অনৈতিক ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন করেছেন এবং এ বিষয়ে আগে থেকে তাকে কিছু জানানো হয়নি।
তবে দিদারুল আলমের অভিযোগ অস্বীকার করে এনসিপির নোয়াখালী জেলা আহ্বায়ক কাজী মাইনুদ্দিন তানভীর জানান, "উপজেলা সংগঠকদের কাছ থেকে তালিকা চাওয়া হয়েছিল। পদপ্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহের পাশাপাশি সাক্ষাৎকারও নেওয়া হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "খন্দকার দিদারুল আলম সাক্ষাৎকার দেননি এবং তার জীবনবৃত্তান্তও জমা দেননি। তবে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।"
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অব্যাহতির ঘোষণা দিলেও জেলা কমিটির কাছে দিদারুল আলমের কোনো আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র পৌঁছায়নি। ফলে জেলা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানে না বলে জানান জেলা এনসিপির আহ্বায়ক।
নবগঠিত সুবর্ণচর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক আবদুল মান্নান বলেন, "আমরা স্থানীয়ভাবে সবার সঙ্গে আলোচনা করে জেলা কমিটির কাছে তালিকা পাঠিয়েছিলাম। জেলা কমিটি যাকে যোগ্য মনে করেছে, তাকেই আহ্বায়ক করেছে। এ নিয়ে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই।"
দিদারুল আলমের পদত্যাগের ঘোষণা প্রসঙ্গে আবদুল মান্নান আরও দাবি করেন, "দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে জেলা কমিটির কাছে কিছু লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ থাকায় তাকে আহ্বায়ক করা হয়নি। এরপরও আমাদের অনুরোধে তাকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এখন তিনি পদত্যাগ করতে চাইলে তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ