ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নামের সাথে কিছুটা মিল থাকার কারণে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ' হয়রানির প্রতিবাদের কারণে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মামলা নিয়েছে পুলিশ


নামের সাথে কিছুটা মিল থাকার কারণে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঋণসংক্রান্ত মামলায় নামের কিছুটা মিলের কারণে এক নিরপরাধ ব্যক্তিকে থানায় আটকে হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদ করায় সংবাদকর্মী মো. মোল্লা শাওনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠি পুলিশের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, ভুল ব্যক্তিকে শনাক্ত করে থানায় নেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিক মোল্লা শাওন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে পুলিশের নজরে আনেন এবং ঘটনার প্রতিবাদ করেন। পরে ওই ব্যক্তিকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তার বিরুদ্ধেই বাদী বানিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার সূত্রপাত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঝালকাঠি শাখার একটি ঋণসংক্রান্ত মামলা নিয়ে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঋণগ্রহীতা ও মামলার আসামি আজাদ হোসেন, পিতা—মহসিন হাওলাদার, থানা—রাজাপুর। কিন্তু পুলিশ নামের মিলের কারণে আজাদ খান, পিতা—মহসিন খান নামে অন্য এক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পরিবারের।

ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, আজাদ হোসেন ও আজাদ খান সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি। তাদের পিতার নাম, ঠিকানা ও পরিচয়গত তথ্যও আলাদা। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাই করা হলে বিষয়টি সহজেই নিশ্চিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করে আজাদ খানকে প্রায় একদিন একরাত থানায় আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‎সাইবার নিরাপত্তা, মিডিয়া ও সঙ্গীতে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন তরুণ প্রতিভাবান সোহান আহমেদ

পরিবারের অভিযোগ, আজাদ খান কোনো ঋণ নেননি এবং তার বিরুদ্ধে ব্যাংকের কোনো মামলা নেই। বিষয়টি জানার পর সংবাদকর্মী মো. মোল্লা শাওন ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করতে তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করেন। তিনি মামলার নথি, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং ভুক্তভোগীর পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।

পরিবারের দাবি, সাংবাদিকের প্রতিবাদ ও তথ্য সংগ্রহের পর পুলিশ আজাদ খানকে ছেড়ে দেয়। তবে এরপরই ঘটনাটি নতুন মোড় নেয়। অভিযোগ উঠেছে, যে আজাদ খানকে ভুলভাবে থানায় নেওয়া হয়েছিল, পরবর্তীতে তাকেই মামলার বাদী বানিয়ে সংবাদকর্মী মোল্লা শাওনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে কেন থানায় নেওয়া হয়েছিল—সাংবাদিক সেই প্রশ্ন তুলেছেন এবং তথ্য সংগ্রহ করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ না থাকলেও ঘটনার তথ্য প্রকাশ ও প্রতিবাদ করায় তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

এ ঘটনায় আরও অভিযোগ উঠেছে, আজাদ খান নিজে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করতে আগ্রহী ছিলেন না। পরিবারের দাবি, তাকে চাপ প্রয়োগ করে বা পুলিশের প্রভাবে মামলার বাদী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে গ্রাম পুলিশকে শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ

এ বিষয়ে আজাদ খান বলেন আমাকে মিথ্যা ভাবে ফাঁসানোর কারনে আমি অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি উল্লেখিত বিষয় ঝালকাঠি অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে জানাতে গেলে এখান থেকে ঝালকাঠি থানার এস আই জালাল সাহেব ঝালকাঠি থানায় আমাকে ডেকে নিয়ে যায় পরে থানায় নিয়ে নাম ঠিকানা যাচাই করে আমার নামে কোন মামলা অথবা অরেঞ্জ ছিল না অহেতুক ভাবে আমাকে এক রাত্র এক দিন আটকিয়ে রেখে মানসিক নির্যাতন করে সাংবাদিক মোল্লা শাওনের বিরুদ্ধে মামলা লেখে স্বাক্ষর দিয়ে আমাকে ছেড়ে দেয় আমি ওই মামলা এবং ওই দরখাস্ত পড়ার সুযোগও পায়নি আমার নিজের জান বাঁচাতে ওই কাগজের স্বাক্ষর করে থানা থেকে দুদিন পরে বাড়ি এসেছি।

 

 

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ঝালকাঠি শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা হলেন আজাদ হোসেন, পিতা—মহসিন হাওলাদার এবং তার বিরুদ্ধেই ব্যাংকের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। আজাদ খান, পিতা—মহসিন খান নামে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যাংক মামলা করেনি এবং আজাদ হোসেন এবং আজাদ খান দুজন ব্যক্তি ভিন্ন আজাদ খানের বিরুদ্ধে আমাদের কোন অভিযোগ নেই পুলিশ ভুলবশত তাকে গ্রেফতার করেছে আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

আরও পড়ুন: বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে নেতাকর্মীদের থাকার আহ্বান চিফ হুইপের

 

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—যদি আজাদ খান ব্যাংকের মামলার আসামি না হয়ে থাকেন এবং পরিচয় যাচাইয়ের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে তাকে পরবর্তীতে কীভাবে সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী করা হলো?

স্থানীয়দের মতে, ভুল ব্যক্তিকে শনাক্ত করে থানায় নেওয়ার অভিযোগের তদন্ত না করে সেই ঘটনার তথ্য সংগ্রহকারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হলে তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়। তবে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে সেটিও আইন অনুযায়ী তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা উচিত বলে তারা মনে করেন।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বলেন, ঋণ নিয়েছেন একজন, অথচ হয়রানির শিকার হয়েছেন আরেকজন; আর সেই হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা—পুরো ঘটনাটি স্বাধীনভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রাসিক প্রশাসক রিটন

তাদের দাবি, ভুল ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্যের দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা মামলাটি কী পরিস্থিতিতে এবং কার প্রভাবে করা হয়েছে, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঘটনাটি নিয়ে ঝালকাঠিতে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানির প্রতিকার এবং সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের ৬ দফা কীভাবে ৮ দফা হলো জাতি জানে না: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


জামায়াতের ৬ দফা কীভাবে ৮ দফা হলো জাতি জানে না: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াতে ইসলামীর আমিরের বক্তব্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘পূর্বের লং মার্চে জামায়াতের আমির বলেছিলেন, “জাতির প্রয়োজনে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে।” কিন্তু এবারের লংমার্চে তিনি বলেছেন, ‘জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে। জাতি কি জানে, তার প্রয়োজনে কখন ৬ দফা ৮ দফায় পরিণত হলো?’

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি এই প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, জামায়াতের আমির গত লং মার্চে বলেছিলেন, জাতির প্রয়োজনে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! আজকের লংমার্চ থেকে তিনি বলছেন, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! কিন্তু জাতি কি জানে, তার প্রয়োজনে কখন ৬ দফা ৮ দফায় পরিণত হলো? যে নেতা দাবিদাওয়া ঠিক করতে পারে না, সেই নেতা শুধুমাত্র জামায়াতি জাতির নেতা হতে পারে, সমগ্র জাতির নেতা হতে পারে না!

তিনি আরও উল্লেখ করেন, লংমার্চে জনগণের সাড়া কেমন হবে, তা গতকাল ছুটির দিনে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত কর্মসূচিতে থেকে মোটামুটি বোঝা গেছে! সেখানে নেতাকর্মীদের তুলনায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেশি মনে হয়েছে! কোন বাধা নেই, তারপরও জাতি সাড়াশব্দ করছে না! এনসিপি কি কখনো এই পিছনের কারণ অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছে?

সবশেষে তিনি লেখেন, দেখেন এই জাতি ভুলে যায়নি যে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, জামায়াতের নেতৃত্বকে এই দেশের জনগণ কখনোই গ্রহণ করবে না! কিন্তু যেদিন নাহিদ ইসলাম জামায়াতের আমিরের নেতৃত্বকে গ্রহণ করলেন, সেদিন থেকে জাতির দুই নেতার আহ্বানেই জাতি আর সাড়া দিচ্ছে না!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাফেজে কুরআনদের উপহার হিসেবে 'নেক্সাস' বই প্রদান: তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


হাফেজে কুরআনদের উপহার হিসেবে

বিশ্বজয়ী হাফেজে কুরআনদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিতর্কিত লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির লেখা ‘Nexus: A Brief History of Information Networks from the Stone Age to AI’ বইটি উপহার হিসেবে প্রদান করায় আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে।

১৯ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, বিশ্বজয়ী হাফেজে কুরআনদের সম্মাননা দেওয়া ও তাঁদের অর্জনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে, ৯২ শতাংশ মুসলমানের এই দেশে এমন একটি সম্মানজনক অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে বিতরণ করা বইয়ের বিষয়বস্তু ও লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি যথাযথভাবে বিবেচনা করা আবশ্যক ছিল।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, লেখক ইউভাল নোয়াহ হারারির বিভিন্ন লেখা ও বক্তব্য ইসলামি আকিদা, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৈতিকতার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। পবিত্র কুরআনে সমকামিতাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় ও সীমালঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই, এই লেখকের বই কুরআনের হাফেজদের উপহার হিসেবে নির্বাচন করা মোটেও যথাযথ নয়। সংগঠনটি মনে করে, এটি প্রধানমন্ত্রীর অগোচরে হয়ে থাকলেও এর পেছনে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁরা জানতে চান, কাদের পরামর্শে এবং কী ধরনের যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের যেসব কর্মকর্তা বইটি নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যাচাই করে তদন্ত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিতরণকৃত বইটি প্রত্যাহার করে হাফেজদের উপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য ইসলামি ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থ উপহার হিসেবে দিতে হবে। তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে সরকারি ইসলামিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মাননায় উপহার বা প্রকাশনা নির্বাচনের জন্য স্ক্রিনিং ব্যবস্থা বা বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। চতুর্থত, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও জনগণের অনুভূতির বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।

মহাসচিব বলেন, বিশ্বজয়ী হাফেজদের সম্মানিত করার এই মহতী উদ্যোগ যেন কোনো অনভিপ্রেত সিদ্ধান্তের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি একই সঙ্গে ঈমান, ইসলামি মূল্যবোধ ও দেশের ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় সর্বস্তরের তাওহিদী জনতাকে সচেতন ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চেলসি গোলপোস্টের সামনে ধারবাহিক বিবর্ণতা, মার্তিনেজ সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


চেলসি গোলপোস্টের সামনে ধারবাহিক বিবর্ণতা, মার্তিনেজ সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে লজ্জাজনক পারফরম্যান্সের মধ্যেও তিনি ছিলেন উজ্জ্বল। স্পেনের ক্ষুরধার আক্রমণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুর্ভেদ্য দেয়াল হিসেবে। একাই ঠেকিয়ে দিয়েছেন ডজনের বেশি আক্রমণ। বিশ্বকাপ জুড়েই ছিলেন, তবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে যেন নিষ্প্রভ আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। গোলপোস্টে সামনে যেন ফর্মই ধরে রাখতে পারছেন না তিনি।

চেলসির হয়ে নিজের প্রথম চার ম্যাচেই তিনি হজম করেছেন ১০টি গোল। টানা এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর দলটির সমর্থকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন মার্তিনেজ।

গত আগস্টের শেষ সপ্তাহে সাড়ে ৭৫ লাখ পাউন্ডের বিনিময়ে অ্যাস্টন ভিলা থেকে চেলসিতে পাড়ি জমান ৩৩ বছর বয়সী মার্তিনেজ। চেলসির নিয়মিত গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজের অধারাবাহিকতার কারণে কোচ জাবি আলোনসো মার্তিনেজকে দলে টেনেছিলেন ভরসা হিসেবে। তবে মাঠে নেমে প্রথম চার ম্যাচের একটিতেও ‘ক্লিন শিট’ রাখতে পারেননি এই আর্জেন্টাইন প্রাচীর।

ব্লুজদের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিওনের বিপক্ষে তিন গোল হজম করেন মার্তিনেজ। এরপর আর ছন্দে ফিরতে পারেননি। আর্সেনালের বিপক্ষে দুই, হাল সিটির বিপক্ষে দুই এবং সর্বশেষ গত রাতে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে আরও তিনবার তাকে পরাস্ত করে বল ঢুকেছে চেলসির জালে।

ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে চেলসির বড় হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন মার্তিনেজ। সেখানে তিনি নিজের পারফরম্যান্সের দায় স্বীকার করে লিখেছেন, "ক্লাব এবং সমর্থকদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের যে প্রতিদান আমাদের দেওয়া উচিত ছিল, তা আমরা দিতে পারছি না। চেলসির মতো বড় ক্লাবের হয়ে নিজের প্রথম চার ম্যাচেই ১০টি গোল হজম করা আমার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং হতাশাজনক।"

"প্রতি ম্যাচে সমর্থকেরা কতটা আশা এবং আবেগ নিয়ে আমাদের সমর্থন দিতে মাঠে আসেন, তা আমি বুঝি। চেলসি পরিবারের সবাইকে এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।"

তবে কঠিন পরিস্থিতি পার করে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। ফুটবলে কঠিন সময় আসতেই পারে, তবে আমি হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নই। চেলসিকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যাওয়ার যে প্রতিশ্রুতি আমি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাবো। আমাদের ঘুরে দাঁড়াতেই হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে ইরানের ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


তুরস্কে ইরানের ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিল

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : তুরস্ক কর্তৃপক্ষ ইরানের একটি প্রধান বেসরকারি ব্যাংক, ‘ব্যাংক মেল্লাতের’ লাইসেন্স বাতিল করেছে। শনিবার ভোরে সরকারি গেজেটে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, তুরস্কের ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তের পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক মেল্লাত, যা তেহরান ভিত্তিক, ইরান সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। ওপেনস্যাংশনস নামক একটি তথ্যভিত্তিক ডেটাবেস জানিয়েছে যে, ব্যাংকটি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

ডেটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক মেল্লাতের সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার হচ্ছে ইরান সরকার। লাইসেন্স বাতিলের সময় তুরস্কের নিয়ন্ত্রক সংস্থা দেশের ব্যাংকিং আইনের ৭১ (বি) ধারা উল্লেখ করেছে। ওই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে তা ‘আমানতকারী ও অংশগ্রহণ তহবিলের মালিকদের অধিকার এবং আর্থিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’ সৃষ্টি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে তুরস্কের একটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দুই সপ্তাহ পর ব্যাংক মেল্লাতের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো।

তবে, তুরস্কের ব্যাংকটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং ব্যাংক মেল্লাতের লাইসেন্স বাতিলের মধ্যে কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%