ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বের বৃহৎ স্টেডিয়াম হচ্ছে ভারতে


বিশ্বের বৃহৎ স্টেডিয়াম হচ্ছে ভারতে

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ভারতে অবস্থিত। দেশটির আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম রেকর্ড সংখ্যাক দর্শক খেলা দেখার সুযোগ পান। তবে এরই মধ্যে হায়দরাবাদে আরও একটি বৃহত্তম স্টেডিয়াম হতে যাচ্ছে।

রাজ্যটির ফিউচার সিটিতে প্রস্তাবিত এই স্টেডিয়ামে ১ লাখ ৩২ হাজারেরও বেশি দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকবে। যা নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামকে ছাড়িয়ে যাবে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে নতুন এই স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এর মধ্য দিয়ে এমন একটি প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে যা ক্রিকেট প্রশাসক এবং রাজ্য সরকারের বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, তেলেঙ্গানা সরকার এই প্রকল্পের জন্য জমি বরাদ্দ করবে এবং বিসিসিআই নির্মাণকাজের অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

স্টেডিয়ামটি ‘ফিউচার সিটি’-র অন্তর্গত একটি বৃহত্তর ‘স্পোর্টস সিটি’ প্রকল্পের অংশ হবে। উল্লেখ্য, এই ‘ফিউচার সিটি' এলাকাটি তেলেঙ্গানার ‘নেট-জিরো সিটি’ (কার্বন নিঃসরণমুক্ত শহর) ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই অবস্থানের কারণে স্টেডিয়ামটি কেবল একটি প্রথাগত ক্রিকেট মাঠের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং এটি একটি বৃহৎ পরিসরের নগর পরিকল্পনা ও পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামটির নকশা ইংল্যান্ডের লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত স্টেডিয়ামগুলোর আদলে তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই আদর্শগুলোর ওপর ভিত্তি করে এমন একটি স্থাপনা তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশৈলীর সাথে আধুনিক অবকাঠামোগত মানের সমন্বয় ঘটবে। যা চূড়ান্ত স্টেডিয়ামটির জন্য একটি উচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করবে।

এই পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান বা নকশা পরামর্শক চূড়ান্ত করা হয়নি। প্রকল্পের বিশাল পরিসর এবং পরিকল্পিত শহরের কাঠামোর সাথে এর সমন্বয় করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের বিস্তারিত নকশার কাজ এখনও চলছে। চূড়ান্ত রূপ পাওয়ার পর, এই ভেন্যুটি সর্বোচ্চ মানের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে; যেখানে আধুনিক ও বিশেষায়িত পরিবেশে ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি দর্শকের ধারণক্ষমতা থাকবে। রেকর্ড-গড়া দর্শক ধারণক্ষমতা এবং স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার সমন্বয় করে মাঠটিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ও বিখ্যাত ক্রিকেট ভেন্যুর কাতারে নিয়ে যেতে চায় ভারত।

‘ফিউচার সিটি’-র স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্টেডিয়ামটি ‘আউটার রিং রোড’ এবং ‘রিজিওনাল রিং রোড’ উভয়ের সাথেই সরাসরি সংযুক্ত থাকবে। যার ফলে হায়দারাবাদ ও এর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শকরা সহজেই মাঠে পৌঁছাতে পারবেন।

স্টেডিয়াম এলাকার পরিবহন নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছে রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বা টুর্নামেন্ট উপলক্ষে হায়দ্রাবাদে আসা বিদেশি দল ও দর্শকদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত সুবিধাজনক বিষয়। এছাড়া পরিকল্পিত মেট্রো রেল সম্প্রসারণের আওতায় এই এলাকাটিও যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা ম্যাচের দিন বিপুল সংখ্যক দর্শকের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৬ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগে সাজু মিয়া আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎ ‎স্টাফ রিপোর্টার:: মোহাম্মদ নূর

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


১৬ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগে সাজু মিয়া আটক

‎

পুলিশের একটি অভিযানে সাজু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে, যিনি ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে এক মিষ্টি কারিগরের কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশ জানায়, সাজু মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। আটক করার সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

‎

ভুক্তভোগী মামুন আহমদ সুনামগঞ্জের দক্ষিণ বাদাঘাটের মুকশেদপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি মিষ্টির দোকানে কারিগর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে সাজু মিয়া তার সহকারী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

‎

মামুনের অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের কথা বলে সাজু মিয়া তাকে লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ধাপে ধাপে ১৬ লাখ টাকা নেন। টাকা সংগ্রহ করতে মামুন বিভিন্ন জায়গা থেকে ধারদেনা করেন। পরে যখন তিনি টাকা ফেরত চান, সাজু নানা অজুহাত তৈরি করতে থাকেন এবং একপর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে মামুন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেনের কাছে প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে যান। পুলিশ সুপার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

‎

পুলিশ জানায়, সাজু মিয়া বিভিন্ন অপারেটরের সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করতেন। পরে ব্যবসা কিংবা বিভিন্ন সুযোগের কথা বলে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আটক করার সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।

‎

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ওসি রতন শেখের তত্ত্বাবধানে সুনামগঞ্জ শহর ফাঁড়ির ইনচার্জ অভিজিৎ ভৌমিকের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তের পর ৩০ আগস্ট রবিবার ভোররাতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের তাজউদ্দিনের বসতবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাজু মিয়াকে আটক করা হয়।

পুলিশের কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাজু মিয়ার ঠিকানা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর এলাকার মুসলিমপুর।

‎

‎

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজু মিয়া মামুন আহমদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে পুলিশকে তিনি জানান, "মামুনের কাছ থেকে আমি ধাপে ধাপে ১৬ লাখ টাকা নিয়েছি।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ বলেন, “একজন মিষ্টি কারিগর ১৬ লাখ টাকা প্রতারণার শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন স্যারের কাছে আসেন। স্যার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমলে নিয়ে আমাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। তাঁর নির্দেশনায় আমার তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে শহর ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ অভিজিৎ ভৌমিকের নেতৃত্বে বৃষ্টিভেজা ভোররাতে অভিযান চালিয়ে সাজু মিয়াকে আটক করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আটকের সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন অপারেটরের একাধিক সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এসব সিম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণা মামলার তথ্যও পাওয়া গেছে। বর্তমানে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক সাজু মিয়ার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তার ব্যবহৃত সিমকার্ড ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারণার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


ঢাকায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩

রাজধানীর গোন্ডারিয়ায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় গোন্ডারিয়ার একটি অফিসের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই ৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- চা দোকানি আলমগীর (৩৩), পথচারী সিয়াম (১৮) ও পথচারী আশা আক্তার (২০)। এর মধ্যে সিয়ামের বুকের বাম পাশে, আলমগীরের মাথায় এবং আশার ডান পায়ে গুলি লেগেছে।

এদিকে আহত সিয়াম জানিয়েছেন, তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকেন। সেখানে একটি হোটেলে কাজ করেন। সন্ধ্যায় গেন্ডারিয়ার মুন্সিরটেকে নিজের ফুফার চায়ের দোকানে এসেছিলেন। হঠাৎ রাস্তায় মারামারি শুরু হলে তিনি দোকানের ভেতর থেকে শাটার বন্ধ করে দিচ্ছিলেন। তখনই তার বুকের বাম পাশে কাঁধে দিকে একটি গুলি এসে লাগে।

অন্যদিকে আহত আলমগীরের স্ত্রী জান্নাতি আক্তার জানান, তার স্বামীও সেখানে চা দোকান করেন। সন্ধ্যায় দোকানের সামনে মারামারি ও গোলাগুলি শুরু হয়। তখন দোকানের ভেতর থাকা অবস্থায়ই তিনি কপালের ঠিক মাঝ বরাবর গুলিবিদ্ধ হন।

এ ছাড়া আহত আশা আক্তার জানিয়েছেন, তিনি ওই এলাকাতেই থাকেন। সন্ধ্যায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মারামারি মাঝে পড়ে যান তিনি। এতে তার ডান পায়ের রানে একটি গুলি বিদ্ধ হয়। তবে কারা গোলাগুলি করছিল, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গুলিবিদ্ধ তিনজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে যুব নেতৃত্ব ও সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


সুনামগঞ্জে যুব নেতৃত্ব ও সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

 

‘ইঁরষফরহম ণড়ঁঃয খবধফবৎংযরঢ় ড়হ চষঁৎধষরংস ধহফ ঝড়পরধষ ঐধৎসড়হু’ প্রকল্পের আওতায় তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের সহযোগিতায় ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-সুনামগঞ্জের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণের সময় সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করা হয়। আলোচনার মধ্যে ছিল সক্রিয় নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, বাংলাদেশের সফলতা ও দারিদ্র্যের চিত্র, উন্নয়নের ধারা, সমবেত প্রত্যাশা, সক্রিয় নাগরিক হওয়ার নীতিমালা, অ্যাডভোকেসি এবং সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের মতো বিষয়গুলো প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে উপস্থাপন করা হয়।

ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে তিনদিনের কর্মশালায় দায়িত্ব পালন করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের মুহিন আফসারী, নাজমুল হুদা মিনা, কুদরত পাশা, ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গারের সিলেট রিজিওনাল সাবেক কো-অর্ডিনেটর বর্ণা এবং সুনামগঞ্জ জেলা কো-অর্ডিনেটর আলী ইমরান। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি নুরুল হক আফিন্দী।

তিনি বলেন, “দি হাঙ্গার প্রজেক্ট একটি স্বেচ্ছাব্রতী সংগঠন। আমরা এখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করি। আজ যারা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলে, তাতে আমরা আরও সমৃদ্ধ হলাম। আমি মনে করি, তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ। তোমাদের নেতৃত্বেই আমরা ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই।” প্রশিক্ষণের শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি ইউনিট কমিটি গঠন করা হয়। প্রথম ইউনিটে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে উম্মে ফাব্বিহা জামান ইলন, যুগ্ম কো-অর্ডিনেটর মোস্তাকিম খান রোহান ও লামিসা, কর্মশালা সম্পাদক ইসরাত, দপ্তর সম্পাদক তাকান্না ইসলাম মাহা, অর্থ সম্পাদক রামিসা এবং প্রচার, প্রকাশনা ও পাঠাগার সম্পাদক হিসেবে অনিক দাস দায়িত্ব পান।

অন্য ইউনিটে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে আবিদা আক্তার আখিঁ, যুগ্ম কো-অর্ডিনেটর রুবাইয়া শাহরিন নাভা ও মোহাম্মদ তাহসিন আহমেদ, কর্মশালা সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, শিক্ষার্থী উন্নয়ন সম্পাদক সাফিয়া আক্তার কুসুম, প্রতিযোগিতা সম্পাদক সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক রিজবী আক্তার, অর্থ সম্পাদক তানজিদা আক্তার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শান্ত দাস, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক অর্পিতা তালুকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক তন্দ্রা রায় জয়া এবং বিশেষ দিবস পালন সম্পাদক মাহমুদা আক্তার সাদিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া আয়েশা ও হাফসাসহ অন্যান্যদের কার্যকরী সদস্য করা হয়েছে। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, বহুত্ববাদ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ৪৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে দেশটি থেকে ১৪ হাজার ৯০৫ জন বিদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ।

২০ থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ হাজার ৯৭৬ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের অভিযোগে আটক করা হয়েছে ৪ হাজার ১১০ জনকে। আর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন ৩ হাজার ৩৪৮ জন।

এ ছাড়া অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় আরও ১ হাজার ৪৫০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ৪১ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। দেশটি থেকে অবৈধভাবে বের হওয়ার চেষ্টার সময় আরও ৪৪ জনকে আটক করা হয়।

আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া কিংবা কাজে নিয়োগের অভিযোগে ২৭ জনকেও আটক করেছে কর্তৃপক্ষ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বহিষ্কৃত ১৪ হাজার ৯০৫ জনের পাশাপাশি ১৮ হাজার ৯১৪ জনকে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথিপত্র সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ভ্রমণসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে আরও ২ হাজার ৮৬৭ জনকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবে অবস্থানরত আরও ২৯ হাজার ৯৩৮ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আবাসন ও অভিবাসন আইন কার্যকরের প্রক্রিয়া চলছে। তাদের মধ্যে ২৭ হাজার ৯৫৭ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৯৮১ জন নারী।

সৌদি কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে দেশজুড়ে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করে। আবাসন অনুমতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে অবস্থান, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া কাজ করা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের মতো অভিযোগে এসব অভিযান চালানো হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবৈধভাবে কাউকে দেশটিতে প্রবেশে সহায়তা করা, পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া বা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এ ধরনের অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন এবং অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত সম্পত্তিও জব্দ করা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%