ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ম্যানইউর ‘বিস্ময়বালক’ গ্যাব্রিয়েলকে দলে ভেড়াতে এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ


ম্যানইউর ‘বিস্ময়বালক’ গ্যাব্রিয়েলকে দলে ভেড়াতে এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের উদীয়মান সেনসেশন জেজে গ্যাব্রিয়েলের ভবিষ্যৎ ক্লাব ঠিকানা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এই প্রতিভাবান ফুটবলারের দলবদল নিয়ে এবার নতুন তথ্য দিয়েছেন দলবদল বাজারের বিশ্বস্ত সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো।

রোমানোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৬ বছর বয়সী এই তরুণকে নিজেদের ক্লাবে ভেড়ানোর লড়াইয়ে বর্তমানে সবার চেয়ে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে রয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ।

ওল্ড ট্রাফোর্ড ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ইচ্ছা প্রকাশের পর থেকেই ইউরোপের বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ক্লাব এই কিশোর তারকাকে দলে টানতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে রোমানো জানিয়েছেন, গ্যাব্রিয়েলকে পাওয়ার দৌড়ে থাকা কিছু ক্লাব এখন অন্য টার্গেটের দিকে মনোযোগ সরিয়ে নিয়েছে।

আরও পড়ুন: ফিফপ্রো বিশ্বসেরা একাদশের তালিকায় মেসি-এমবাপ্পে-ইয়ামাল, রোনালদোও অন্তর্ভুক্ত

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এক আপডেটে রোমানো জানিয়েছেন, পিএসজি এখন জেজে গ্যাব্রিয়েলকে সাইন করানোর প্রতিযোগিতা থেকে এক প্রকার সরে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, রিয়াল মাদ্রিদ এখনো এই তরুণকে ঘিরে তাদের আগ্রহ অটুট রেখেছে এবং তাকে দলে ভেড়ানোর জন্য পর্দার আড়ালে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদের পাশাপাশি অন্য কোনো ক্লাবও শেষ মুহূর্তে এই দৌড়ে নতুন করে প্রবেশ করতে পারে, ফলে পুরো পরিস্থিতি এখনো বেশ উন্মুক্তই রয়েছে। তাছাড়া, ফিফার নিয়ম অনুযায়ী আগামী ১ জানুয়ারির আগে জেজে গ্যাব্রিয়েল কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা দলবদলে স্বাক্ষর করতে পারবেন না। তবে এর আগে ক্লাবগুলোর মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা ও যোগাযোগে কোন সমস্যা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার ভবিষ্যৎ আবারও প্রতিশ্রুতির মধ্যে আটকে থাকবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ এম


তিস্তার ভবিষ্যৎ আবারও প্রতিশ্রুতির মধ্যে আটকে থাকবে?

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বছরের পর বছর প্রতিশ্রুতির মধ্যে কেটে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার তিস্তাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলেও, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া ঘোষণাও পূর্ণতা পায়নি। এবার বিএনপি সরকারও বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এবারও কি প্রতিশ্রুতিতেই আটকে থাকবে তিস্তার ভবিষ্যৎ? অধিকারকর্মীরা উল্লেখ করছেন, কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার প্রশ্নে প্রয়োজন হলে নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা জরুরি।

তিস্তা কেবল একটি নদী নয়, বরং উত্তরের দুই কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি ও অর্থনীতির সঙ্গে এর অস্তিত্ব জড়িত। নদীপাড়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তিস্তার নানামুখী সংকট থেকে মুক্তির জন্য তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তিস্তাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল। তবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করার ঘোষণা ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটিও আটকে যায় প্রতিশ্রুতিতেই।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান তখন বলেছিলেন, ‘১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে। এটি ১০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছরে সেচ, নদীভাঙন রোধ এবং স্থায়ী বাঁধ—এই তিনটি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হবে।’

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবারও আশার কথা শুনিয়েছেন নীতিনির্ধারকেরা। ফলে নতুন স্বপ্ন বুনছেন তিস্তা অববাহিকার মানুষ। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই তৈরি হবে ডিপিপি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তাপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে এবং শত বছর ধরে যেন তারা তিস্তা মহাপরিকল্পনার সুফল পায়, সেভাবেই ডিপিপি নির্মাণ করা হচ্ছে। এ জন্য পানি নিয়ে যেসব দেশ কাজ করে, তাদের সহযোগিতা নেওয়ারও চেষ্টা করছি।’

তিস্তা নিয়ে প্রতিশ্রুতির অভাব নেই, তবে দৃশ্যমান বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে। তাই উত্তরের মানুষের প্রত্যাশা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আর নতুন সময়সীমা নয়, তাঁরা চান মাঠপর্যায়ে কাজের সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ।

তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের রংপুরের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, ‘এই সরকারও বলেছে তারা নিজের টাকায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। তাই যদি হয়, তাহলে একটা রোডম্যাপ দিয়ে একনেকে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে কাজ শুরু করা উচিত। তা না হলে মানুষের আশাভঙ্গের যন্ত্রণা বিক্ষোভে রূপ নেবে।’

তিস্তা অববাহিকার দুই কোটি মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হোক দ্রুত, এখন সেই অপেক্ষায় নদীপাড়ের মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুরুদাসপুরে জনবসতি ও কৃষিজমিতে ১১টি অবৈধ ইটভাটা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ এম


গুরুদাসপুরে জনবসতি ও কৃষিজমিতে ১১টি অবৈধ ইটভাটা

নাটোরের গুরুদাসপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম থামছে না, যা আইন ও সরকারি নিষেধাজ্ঞার পরিপন্থী। পৌর সদর এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের আবাসিক ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই ইটভাটাগুলো যত্রতত্র গড়ে উঠেছে। এর ফলে স্থানীয় জনজীবন, কৃষিজমি, পরিবেশ এবং পাকা সড়ক মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। প্রশাসন বিভিন্ন সময় অভিযান ও জরিমানা করলেও অবৈধ ইটভাটাগুলোর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নিয়মের তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা ইটভাটাগুলোর চিমনির উচ্চতা কম হওয়ার কারণে নির্গত কালো ধোঁয়ায় চারপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এর ফলে শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগী এবং ঘনবসতি এলাকার মানুষ চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। আইন অনুযায়ী তিন ফসলি জমি, বনভূমি ও আবাসিক এলাকার কাছে ভাটা স্থাপন এবং জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কিন্তু এখানে প্রকাশ্যে আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে। ফসলি জমি কেটে মাটি সরবরাহ করা হচ্ছে ভাটায় এবং পোড়ানো হচ্ছে কাঠখড়ি। ইট ও মাটি বহনকারী ভারী ট্রাক্টর-ট্রলির দাপটে গ্রামীণ পাকা সড়ক নষ্ট হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, গত বছর ফসলি জমি হ্রাসের কারণে এ এলাকায় ধানের আবাদ কমেছে প্রায় ১০০ টন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ১১টি ইটভাটার মধ্যে মাত্র দুটির লাইসেন্স রয়েছে। পৌর এলাকার পাঁচটি অবৈধ ভাটা হলো—মেসার্স এমবিপি ব্রিক্স, মেসার্স একেবি ব্রিক্স, মেসার্স এমডিআর ব্রিক্স, মেসার্স এমডিএস ব্রিক্স এবং মেসার্স এএমবি ব্রিক্স। এছাড়া সাহাপুর, হাজীর হাট ও চন্দ্রপুর এলাকায় রয়েছে মেসার্স এইচবিবি ব্রিক্স, মেসার্স এইচআরবি ব্রিকস, মেসার্স এইচকেবি ব্রিকস, মেসার্স এমএসবি ব্রিক্স, মেসার্স এমডিপি ব্রিক্স এবং মেসার্স আরআরবি ব্রিকস। ২০২৪ সালের শেষের দিকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিচালিত এক অভিযানে উপজেলার ৯টি অবৈধ ইটভাটাকে ২৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রশাসনের ‘দায়সারা’ অভিযানের পর ভাটাগুলো আবার চালু হয়ে যায়। জনস্বার্থে এগুলো পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিয়ে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোশাররফ হোসেন স্বীকার করেছেন যে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কারো নেই। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ জানিয়েছেন, লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গজারিয়ায় সেতু থাকলেও সংযোগ সড়ক নেই, গ্রামবাসীর দুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


গজারিয়ায় সেতু থাকলেও সংযোগ সড়ক নেই, গ্রামবাসীর দুর্ভোগ

সেতু নির্মাণে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। কিন্তু দুপাশের সংযোগ সড়ক নেই। এর ফলে আট বছর অপেক্ষার পরও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দি ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর-আড়ালিয়া গ্রামের মানুষ সেতুর সুফল পাচ্ছেন না। তাদের যাতায়াতের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো কিংবা নৌকা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে আব্দুল্লাহপুর-আড়ালিয়া গ্রামের মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে ৬০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এই কাজের জন্য তিন কোটি ৪৮ লাখ টাকায় কার্যাদেশ পায় আহমেদ স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে সেতুর পাইলিংয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির অজুহাতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ বন্ধ করে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা পাইলিংয়ের কাজের সমপরিমাণ বিল উত্তোলন করে অসমাপ্ত কাজ রেখেই এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

এরপর প্রায় দুই বছর সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ থাকে। পরে এলজিইডির জিডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় তৎকালীন বাজারদর বিবেচনায় অবশিষ্ট কাজের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দ্বিতীয় দফায় তিন কোটি ২০ লাখ টাকায় কাজটি সম্পন্নের দায়িত্ব পায় ওরিয়েন্ট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের আরেকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

দ্বিতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় সাত-আট মাস আগে মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করলেও তারা দুপাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করেই কাজ গুটিয়ে নেয়। ফলে সেতুটি দাঁড়িয়ে থাকলেও তা দিয়ে চলাচলের কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গড়িমসি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকির অভাবে দীর্ঘ আট বছরেও প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হলেও সামান্য সংযোগ সড়কের অভাবে দুপাড়ের বাসিন্দাদের আগের মতোই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এ অবস্থায় আব্দুল্লাহপুর-আড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দারা দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কপ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ এম


কপ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কপ৩১-এর দুই দিনব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড লিডার্স সামিট’-এ অংশগ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ সম্মেলনে গ্রান্ট বা অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন এবং প্রধান কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলোর কাছ থেকে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানাবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানালেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এবার অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সফরে যাবেন, তিনি দুই দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দেবেন।’

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) ৩১তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ৩১) আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ার ‘আনতালিয়া এক্সপো সেন্টারে’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে আগামী ১১ ও ১২ নভেম্বর উচ্চপর্যায়ের ‘ওয়ার্ল্ড লিডার্স ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিট’ অনুষ্ঠিত হবে।

শামা ওবায়েদ জানান, জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজনের ক্ষেত্রে নিজেদের অর্জনগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর প্রতি উন্নত দেশগুলোকে তাদের দায়িত্ব পালনে চাপ দেয়ার ওপর বিশেষ জোর দেবে বাংলাদেশ।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ঋণের পরিবর্তে অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়নের পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরবে। কারণ, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে যেসব দেশের অবদান নগণ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি মোকাবিলায় তাদের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপানো উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, ‘কার্বন নির্গমনে বাংলাদেশের ভূমিকা প্রায় শূন্যের কোঠায় হলেও শেষ পর্যন্ত আমাদেরই এর পরিণতি ভোগ করতে হয়।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তির অধীনে প্রধান কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়টিও বাংলাদেশ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবে।

তিনি জানান, গত ছয় মাসে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের গৃহীত পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্মেলনে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে খাল খনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং সৌরবিদ্যুৎসহ অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ।

শামা ওবায়েদ বলেন, এসব উদ্যোগ জলবায়ু সহনশীলতা জোরদার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া এবং বৃহত্তর এশিয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মানুষ কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে এবং এর বিরূপ প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে, তাও তুলে ধরা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি, সফরসঙ্গীদের তালিকা এবং সম্মেলনে বাংলাদেশের বিস্তারিত আলোচ্য অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে শামা বলেন, সফরের আগে সরকারের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিং করা হবে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দেশত্যাগের আগে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এই সম্মেলনে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা, জলবায়ু অভিযোজন জোরদার করা, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন জোরদার করা এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে বৈশ্বিক রূপান্তরকে এগিয়ে নেয়ার ওপর আলোকপাত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অন্যতম বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন সহজলভ্য ও পূর্বানুমানযোগ্য করার দাবি জানিয়ে আসছে। বিশেষ করে জলবায়ু অভিযোজন, দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় এ অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

জলবায়ু সংকটের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় রাজনৈতিক অঙ্গীকার জোরদার, জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা অংশ নেবেন।

তুরস্ক এই কপ৩১ সম্মেলনটি আয়োজন ও সভাপতিত্ব করবে, অন্যদিকে আলোচনা বা দরকষাকষির মূল সভাপতিত্বের দায়িত্ব পালন করবে অস্ট্রেলিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%