ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে আন্দোলনকারীদের পানি-খাবার দেওয়ায় জুনায়েদের পরিবার আটক ও হয়রানি


ভারতে আন্দোলনকারীদের পানি-খাবার দেওয়ায় জুনায়েদের পরিবার আটক ও হয়রানি

ভারতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবার ও পানি বিতরণকারী মোহাম্মদ জুনায়েদ। 

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে খাবার ও পানি বিতরণকারী মোহাম্মদ জুনায়েদ এবং তার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে অভিযোগ উঠেছে যে, তাদের আটক ও হয়রানি করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ এবং ব্যাপক সমালোচনার পর আইনজীবীদের কার্যক্রমের মাধ্যমে জুনায়েদ ও তার পরিবার মুক্তি পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

জুনায়েদের আইনজীবী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন, জুনায়েদ এবং তার পুরো পরিবারকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পরিবারের একজন সদস্য এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, তারা এখন সম্পূর্ণ মুক্ত।

আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

জুনায়েদের অভিযোগ, গত শুক্রবার রাতে কুকুরের কামড়ের চিকিৎসা শেষ করে দিল্লির আরএমএল হাসপাতাল থেকে ফেরার সময়, সাধারণ পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের দিল্লি পুলিশ হিসেবে পরিচয় দেয় এবং তাকে আটকে নেয়। এরপর তার চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। সারারাত আটকে রাখার পর, তাকে পরদিন সকালে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আন্দোলনকারীদের জন্য বিতরণ করা খাবার ও পানির অর্থের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের অনুদান এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাঠানো খাবারই বিতরণ করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে উত্তরাখণ্ডের মুসৌরির একটি নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ট্যাক্সি ভাড়া করে তিনি দিল্লিতে ফেরেন।

জুনায়েদের অভিযোগ, শুধু তাকে আটক করা হয়নি, বরং উত্তর প্রদেশ পুলিশ গাজিয়াবাদের মাসুরিতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাবা মুস্তফাকে আটক করে। এ সময় তাদের প্যান কার্ড, ব্যাংকের পাসবইসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করার অভিযোগও তিনি করেন।

এছাড়া, মিরাটে তার বোনের বাড়িতে গিয়ে ভগ্নিপতি ও শ্বশুরকে আটক করে জুনায়েদকে দিল্লি থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তবে, মিরাট পুলিশ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, জুনায়েদের পরিবারের কাউকে আটক করা হয়নি।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব সিভিল রাইটস (এপিসিআর) গাজিয়াবাদ এবং মিরাট শাখা জুনায়েদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। সংগঠনটি তাদের আইনি সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মাসুরি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হরেন্দ্র মালিকের সাথে বৈঠক করেছে।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

এপিসিআর এক বিবৃতিতে জানায়, জুনায়েদের পরিবারের বিরুদ্ধে বেআইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকা অবস্থায় তারা আদালতের দ্বারস্থ হবে এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানবাধিকার সংগঠনটির তরফ থেকে কড়া হুঁশিয়ারির পরেই জুনায়েদ ও তার পরিবারের সদস্যদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলেও ধারণা করা যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউন্সিলর একরামুল হত্যা মামলায় সেনা হেফাজতে ব্রি. জেনারেল মিফতাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ এম


কাউন্সিলর একরামুল হত্যা মামলায় সেনা হেফাজতে ব্রি. জেনারেল মিফতাহ

কক্সবাজারের টেকনাফে ক্রসফায়ারের মাধ্যমে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া চার্জশিটভুক্ত আসামি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার রাতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আইএসপিআরটি জানায়, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহকে কাস্টডিতে নেয়া হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০১৮ সালে টেকনাফে কাউন্সিলর একরামকে হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময় সেনা বাহিনীতে তার পদ মর্যাদা ছিল লে. কর্নেল।

গত রোববার একরামুল হককে 'ক্রসফায়ারের' নামে মানবতাবিরোধী অপরাধে হত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিল করা হয়। আদালত এই অভিযোগ আমলে নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের সঙ্গে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর আগে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে তদন্ত কমিশনের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে ছয় শতাধিক মার্কিন সেনা আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ এম


ইরান যুদ্ধে ছয় শতাধিক মার্কিন সেনা আহত

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৬০০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিরক্ষা দপ্তরের নতুন পরিসংখ্যানে সেনাসদস্যদের এই বড় হতাহতের খবর জানা গেছে। নতুন হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৬২৪ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং ১৮ জন নিহত হয়েছেন।

হতাহতের সঠিক তথ্য সংরক্ষণে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর গত রোববার একটি নতুন রিপোর্টিং পদ্ধতি চালু করেছে। এই ব্যবস্থার আওতায় হতাহতের সামগ্রিক হিসাবকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ও ‘ওভারসিজ অপারেশনস’—এই দুই ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। তবে এই পদ্ধতি চালুর পর থেকেই তথ্যে অসচ্ছতা ও সত্য গোপনের গুরুতর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৭ জুলাইয়ের পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কর্মরত ২০৭ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৮২ জনই সেনাসদস্য। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৭ জুলাইয়ের পর আহতদের অন্তত ৯৬ শতাংশ সদস্য ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে পুনরায় দায়িত্বে ফিরে গেছেন।

হতাহতের তালিকায় এই নতুন বিভাজন ও হিসাবের পরিবর্তন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিপ্রণেতাদের মধ্যে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নিহত ও আহতদের দুই ভাগে বিভক্ত করায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা।

ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল বেন হজেস সরকারি হিসাবের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে ট্রাম্পের সমালোচক রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য থমাস ম্যাসি এই বিভাজনকে একটি ‘হাস্যকর চালাকি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

তবে মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই বিতর্ককে ‘সাময়িক তথ্যগত বিভ্রাট’ হিসেবে দাবি করছেন। তারা জানিয়েছেন, দ্রুত এই পদ্ধতিগত ত্রুটি সমাধান করতে কাজ চলছে। এদিকে অস্ত্র ও গোলাবারুদের সংকটে পড়ার শঙ্কায় গত তিন দিন ধরে ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত রেখেছে মার্কিন বাহিনী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর ইরাকের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


উত্তর ইরাকের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলা

উত্তর ইরাকের কুর্দি-নিয়ন্ত্রিত খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে সুলাইমানিয়া প্রদেশে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। খোর মোর গ্যাসক্ষেত্র থেকে কুর্দি অঞ্চলের অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করা হয়, যা এই অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রায় একই সময়ে, হামলার স্থান থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের রাজধানী এরবিলে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। বিস্ফোরণের মুহূর্তের বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঘটনার তীব্রতা নির্দেশ করে।

ইরাকি সংবাদমাধ্যম ও ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, এরবিলে মার্কিন কনস্যুলেটের নিকটবর্তী এলাকাসহ অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষ পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, এরবিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খালিফান এবং সোরান এলাকার বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে অন্তত চারটি ইরানি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

পুলিশের দাবি, এসব হামলার পরপরই এরবিলের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন টহল দিতে দেখা গেছে। তাছাড়া, লক্ষ্যবস্তু এলাকাগুলো এবং আশপাশে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি এসে বিধ্বস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়, নতুন দফায় টানা ১৩ রাত হামলার পর বুধবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান স্থগিত করছে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধের পর ইরানও পাল্টা হামলা থেকে বিরত ছিল। এর মধ্যেই উত্তর ইরাকে নতুন করে ড্রোন হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট রয়েছে যে, অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দাবি নাকচ করে বলছেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধেই হামলা স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার মিশিগানে যাওয়ার পথে প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের ভালো আলোচনা চলছে, এবং ভালো কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি মানুষের সচেতন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠা প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ এম


প্রতিটি মানুষের সচেতন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠা প্রয়োজন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের সচেতন এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠা প্রয়োজন। যদি প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে, তবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রসঙ্গে আরো বলেন, ২০ কোটি মানুষের দেশে সরকারের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল হতে হবে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি নিজের কর্তব্য পালন করতে হবে।

তিনি সরকারের আন্তরিকতায় জনগণের কল্যাণে কাজ করার কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে আইন সংশোধন করে কঠোর শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং এর শয্যাসংখ্যা ২৫০ থেকে ৬৭০-এ উন্নীত করা হয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও দাবি করেন, চীনের সহযোগিতায় যেসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতিমধ্যে একটি শিক্ষার্থী প্রতিনিধি দল চীন সফর করেছে, তারা দেশে ফিরে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশ নেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%