০১:৪৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (প্রথম বর্ষ) শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা চাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ হিসেবে গড়ে উঠুক। বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তোমাদের। জীবনের এই সময়টিকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে। এ সময়ই তোমাদের প্রস্তুতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে মনোযোগসহকারে পড়াশোনা করতে হবে এবং দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
শিক্ষাখাতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে শিক্ষা খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে আমরা কাজ করছি। তারেক রহমানের সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জিডিপির বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত অর্থবছরে শিক্ষা বাজেট ছিল ৮৭ হাজার কোটি টাকা, আর এ বছর তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। ভবিষ্যতে এ বাজেট আরও বাড়ানো হবে বলে আমরা আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল এটিকে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা। পরবর্তীতে মালয়েশিয়ায় ওআইসির উদ্যোগে মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে ইসলামিক স্টাডিজের পাশাপাশি সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে। একইভাবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও মেডিকেল সায়েন্সসহ নতুন নতুন বিভাগ চালুর সুযোগ রয়েছে। আমি আশা করি, তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, মর্যাদা ও সুনাম আরও সমৃদ্ধ করবে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ওরিয়েন্টেশন বক্তা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের কালামাঝি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) আয়োজিত এ ক্যাম্পে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত চার শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম শনিবার নিয়মিতভাবে এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে।
ক্যাম্পে গাইনি, প্রসূতি ও মেডিসিন বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ চিকিৎসক ডা. নাঈমা আক্তার নয়ন এবং মেডিসিন, চর্ম ও যৌনরোগ বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ চিকিৎসক ডা. রাশেদুল ইসলাম (রিফাত)সহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা প্রদান করেন। চিকিৎসকরা রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রোগভেদে পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন।
মেডিকেল ক্যাম্পে সেবা নিতে আসা স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ায় গ্রামীণ জনগণের চিকিৎসা ব্যয় কমার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজক নাজমুল হক বলেন, “গ্রামবাসীর সহযোগিতায় এই মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রতিমাসের প্রথম শনিবার নিয়মিতভাবে এ ক্যাম্প পরিচালনার মাধ্যমে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। এবার প্রায় চার শতাধিক রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষ এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর।
শনিবার (১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্যটি করেন, যা ছিল প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে তেজগাঁও।
সার্জিও গোর সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, 'তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে।' এ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বাংলাদেশের জন্য তাদের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে (ভ্রমণ নির্দেশিকা) একটি ইতিবাচক সংশোধন এনেছে। এটি মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে পৌঁছবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত। এছাড়া, বৈঠকে আগামী মাসে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসনের (এফডিএ) সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপরও জোর দেওয়া হয়। মার্কিন বিশেষ দূত বাংলাদেশে এফডিএ-র পরীক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার আশ্বাসও দেন।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশন (ডিএফসি) মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গমসহ কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে মার্কিন বিনিয়োগ জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জবাবে বিশেষ দূত জানান, ডিএফসির মাধ্যমে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচকভাবেই কাজ করে যাবে। এ ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনার প্রশংসা করে তিনি বলছেন, ভবিষ্যতে 'প্যাক্স সিলিকা' উদ্যোগের অংশীদার হওয়ার ভালো সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শিগগিরই ঢাকায় একটি 'ইউএস ইনভেস্টর সামিট' আয়োজনে আগ্রহী এবং তিনি নিজেই এ নিয়ে কাজ করছেন বলেও জানান।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সাম্প্রতিক কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সার্জিও গোর লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং সাধারণ মানুষের প্রশংসা করেন।
প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তার অর্ধেকেরও বেশি আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।' তিনি মার্কিন সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি এ সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। সার্জিও গোর রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে আসিয়ান ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।
উচ্চপর্যায়ের এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেনসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৩ বিজিবি) অভিযান পরিচালনা করে ৯৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে।
৫৩ বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ৫৩ বিজিবি’র অধীনস্থ ফতেপুর বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন দূর্লভপুর ইউনিয়নের গাইপাড়া গ্রামে অভিযানে অংশ নেয় এবং সেখান থেকে ৯৬ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ করে। জব্দকৃত সিরাপগুলোর বাজার মূল্য ৩৮ হাজার ৪শ’ টাকা বলে জানা গেছে।
অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা এসব সিরাপগুলো পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, এই তথ্যও লাখ্য জানিয়েছে বিজিবি।
আজ শনিবার সকালে বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করে ৫৩ বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, "ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং পুশ ইন প্রতিরোধ, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধসহ যেকোনো অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে ও নিরলসভাবে কাজ করছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ