বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:২৭ পি.এম
আন্তর্জাতিক হকি থেকে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা তিনি প্রকাশ করেছিলেন। তবে সেই বিদায় নিতে চেয়েছিলেন তিনি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে। এমন ইচ্ছার কথা জানানোর দিনেই তাকে শুভ খবর দিয়েছে হকি ফেডারেশন।
জাপানের এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের অধীনে চলমান জাতীয় হকি ক্যাম্পে নতুন করে আরও ছয়জন অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানেই ডাক পেয়েছেন অভিজ্ঞ রাসেল মাহমুদ জিমি।
জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়ে উচ্ছ্বসিত জিমি জানিয়েছেন, "ফেডারেশনে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাকে ক্যাম্পে ডাকার। আগের কমিটি আমাকে অন্যায়ভাবে বাদ দিয়েছিল। নতুন কমিটি ন্যায়বিচার দিচ্ছে আমাকে। আমিও ঠিক করেছি ক্যাম্পে যাবো। এরপর কোচ যদি যোগ্য মনে করেন, চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখবেন। অন্তত নিজেকে প্রমাণের সুযোগ তো পাচ্ছি, এটাই দারুণ খবর।"
নবগঠিত সিলেকশন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিদ্ধান্ত হিসেবে এই ছয়জন খেলোয়াড়কে ক্যাম্পে ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুনভাবে ডাক পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন— আবু সাঈদ নিপ্পন, মো. নাইম উদ্দিন, মো. শিশির, পুস্কর খীসা মিমো, রাসেল মাহমুদ জিমি এবং শহিদুল হক সৈকত।
এশিয়ান গেমসের মতো মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসরে দেশের জন্য সেরাগুণ অর্জন করার লক্ষ্যেই মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এই খেলোয়াড়দের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফেডারেশনের আশা, নতুন খেলোয়াড়দের সংযোজনে চলমান ক্যাম্পে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও বাড়বে এবং খেলোয়াড়দের মনোবলও চাঙা হবে। আগামীকাল থেকেই এই ছয় খেলোয়াড় মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে চলমান ক্যাম্পে যোগদান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিহারের সমস্তিপুরে পরিস্থিতি এমন ঘটেছে যে, এক স্বামী তার স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখতে পেয়ে নিজেই তাদের বিয়ের আয়োজন করেছেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, সম্পূর্ণ ঘটনা ঘটেছে সমস্তিপুরের বাসিন্দা অনুরাধা কুমারী ও মনোহর কুমারের মধ্যে। কিছু বছর আগে তাদের বিয়ে হয় এবং তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। এরই মধ্যে, অনুরাধার সঙ্গে পান্নালাল যাদব নামে এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। উল্লেখ্য, পান্নালালও একটি বিবাহিত ব্যক্তি এবং তারও দুই সন্তানের বাবা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সম্প্রতি মনোহর কুমার তার স্ত্রী অনুরাধা ও তার প্রেমিক পান্নালালকে একসঙ্গে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপর তিনি গ্রামের মাতব্বরদের ডাকেন এবং বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর, তাদের উপস্থিতিতে অনুরাধা ও পান্নালালের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। পরে সেই ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামে একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত হওয়ার পর এটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। বহু মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন, এবং এ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।
মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে ভিডিওটির প্রতি। কিছু মানুষ ঘটনাটিকে বিস্ময়কর বলে অভিহিত করেছেন, আবার কেউ স্বামীর সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করেছেন। এক নেটিজেনের মন্তব্য, চারদিকে শুধু পরকীয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে, বিষয়টি সত্যিই বিরক্তিকর। অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, স্বামীর জন্য খারাপ লাগছে। কিন্তু যে মানুষ আপনার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাকে জোর করে আটকে রাখার কোনও অর্থ নেই। সূত্র: আনন্দবাজার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রপ্তানি বৃদ্ধি, পরিবেশগত মানদণ্ড প্রতিপালন জোরদার এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে দেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করেছে, যার পরিমাণ ২ হাজার কোটি টাকা।
আজ প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে গঠিত এই স্কিমের মাধ্যমে চামড়া শিল্পকে টেকসই, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে পরিণত করা হবে, যার ফলে এই শিল্পের উন্নয়নে বিশেষভাবে সহায়তা প্রদান সম্ভব হবে।
এই স্কিমের আওতায় কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ যেমন- ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি), স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), ডাম্পিং ইয়ার্ড এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য অর্থায়ন করা হবে।
এ ছাড়া, লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্ল Üজি) সনদ অর্জনের ব্যয়, বিদ্যমান ট্যানারি আধুনিকীকরণ এবং চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিক, আনুষঙ্গিক উপকরণ ও অন্যান্য সহায়ক পণ্যের দেশীয় উৎপাদনে এই তহবিল থেকে সহায়তা গ্রহণ করা যাবে।
স্কিমের আওতায় ঋণগ্রহীতাদের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ প্রদান করা হবে। এছাড়া অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়ন (রিফাইন্যান্স) সুবিধা দেওয়া হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে।
আরও জানানো হয়েছে, এই তহবিল রিভলভিং ভিত্তিতে তিন বছর মেয়াদে পরিচালিত হবে। নতুন কারখানা নির্মাণকালে সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে দুই বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। বিদ্যমান কারখানা আধুনিকীকরণে সর্বোচ্চ চার বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। কার্যকর মূলধন (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) ঋণের মেয়াদ এক বছর, যেমনটি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নবায়ন করা যাবে।
বাংলাদেশের সকল তফসিলি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের সাথে চুক্তি সাপেক্ষে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
স্কিমের আওতায় নতুন চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা, নতুন চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন অবকাঠামোর জন্য ২০ কোটি টাকা, বিদ্যমান স্থাপনা আধুনিকীকরণের জন্য ১০ কোটি টাকা এবং সহায়ক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যকর মূলধনের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হবে। টেকসই উৎপাদন নিশ্চিতকরণের জন্য স্কিমের আওতায় বেশ কিছু শর্তও আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
চামড়া প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে এলডব্লিউজি সনদ অর্জন করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া, শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত ঋণগ্রহীতারা এই স্কিমের আওতায় অর্থায়নের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।
এছাড়া, একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) এবং গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিএফ) থেকে ইতোমধ্যে সহায়তা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও এই স্কিমের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী সাগরদাড়ি আপ ট্রেন রেখে চালক নিখোঁজ হয়ে যান। এই ঘটনায় ট্রেনের যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ করতে শুরু করেন।
পরে নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশনের মাস্টার ও কর্মচারীরা গা-ঢাকা দেন। তবে এক ঘণ্টা ৭ মিনিট পর চালক ফিরে এসে ট্রেন নিয়ে যাত্রা শুরু করেন।
ট্রেনের যাত্রী বাপ্পী বলেন, আগামীকাল (শুক্রবার) আমার বিসিএস পরীক্ষা। সময়মতো পৌঁছাতে না পারলে আমি পরীক্ষা দিতে পারবো না।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন মাস্টার শাহজাহান আলী জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে সাগরদাড়ি ১৬১ আপ ট্রেনটি ৬টা ৭ মিনিটে মোবারকগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়। নিয়মানুযায়ী ২ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর ক্লিয়ার দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে চালকের কাছে গিয়ে দেখা যায়, দরজা বন্ধ এবং ইঞ্জিনও বন্ধ। এরপর থেকে চালককে খোঁজাখুঁজি করা শুরু হয়।
এক ঘণ্টার অধিক সময় পর চালক ফিরে আসেন এবং ট্রেন নিয়ে যাত্রা শুরু করেন।
তিনি বলেন, এই বিষয়টি তদন্ত করে রেল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার ফি নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্নির্ধারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইসির উপসচিব মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এনআইডির দৃশ্যমান তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রথমবার আবেদন করলে ভ্যাটসহ গুনতে হবে ২৩০ টাকা। একই তথ্যের দ্বিতীয়বার সংশোধনের আবেদনের ক্ষেত্রে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা লাগবে এবং পরবর্তী যেকোনোবার আবেদনের জন্য ভ্যাটসহ ৪৬০ টাকা ফি দিতে হবে।
এনআইডির তথ্য-উপাত্ত সংশোধনে প্রথমবার আবেদনে ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয়বার আবেদনে ভ্যাটসহ ২৩০ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদন করতে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা ফি লাগে।
হারানো কার্ড উত্তোলনের জন্য সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে প্রথমবার লাগবে ১০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদনে ৫০০ টাকা ফি গুনতে হবে।
জরুরিভাবে উত্তোলনের জন্য প্রথমবার ৩০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৫০০ টাকা এবং পরবর্তী যেকোনো আবেদনে ১০০০ টাকা লাগবে। তাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত করা হবে।
রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০০ টাকা।
নির্বাচনী দলিল দস্তাবেজ পরিদর্শন ও কপি সংগ্রহের জন্য ১০০ টাকা দিতে হবে। ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি পেতে ১০০ টাকা দিতে হবে। ভোটার তালিকা দেখতে চাইলে ৫০ টাকা দিতে হবে। ছবি ছাড়া ভোটার তালিকার সিডি নিতে হলে প্রতিটি ইউনিয়ন/সিটি/পৌর ওয়ার্ডের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে।
এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য-উপাত্ত যাচাই/সরবরাহ সেবা (বিভিন্ন সংস্থার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে) সরকারি সংস্থা বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রে এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বার্ষিক সাব-ইউজার ফি/নবায়ন ফি ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিটি তথ্য যাচাইয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ২ টাকা ফি দিতে হবে।
বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ লাখ টাকা হয়েছে। সাব-ইউজার সংখ্যা অনুসারে প্রথম ৭০টি সাব-ইউজারের প্রতিটির জন্য ৪ হাজার টাকা এবং প্রথম ৭০টির পরবর্তী প্রতিটি সাব-ইউজারের জন্য ২ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রতিটি তথ্য যাচাইয়ের জন্য ৫ টাকা ফি দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ