বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:১৭ পি.এম
উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপির সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ শফিকুল হক মিলন। তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। মেধা, সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জনের মাধ্যমে রাজশাহীর সুনাম বৃদ্ধি করছে। ভবিষ্যতে তারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, শিক্ষানগরী রাজশাহীর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজ আমাদের গর্বের প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি সুন্দর ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শিখা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. এরশাদ আলী ঈশা, কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ মতিউর রহমান এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোঃ রাশেদ করিম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইব্রাহিম আলী, রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার পরিচালক প্রফেসর হুমায়ুন কবীর, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রউফ এবং সংবর্ধনা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর জুবাইদুর রহমান আল গালিবসহ কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। থানা ও ডিবি পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক ব্যবসায়ীসহ নানা অপরাধের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বেলপুকুর থানা পুলিশ ভড়ুয়াপাড়া গ্রাম থেকে ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মোঃ আশাদুলকে (২৭) গ্রেফতার করা হয়। সে ওই গ্রামের মোঃ সাদেকের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে বেলপুকুর থানায় পূর্বে আরও ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।
একই দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশ খরবোনা নদীর ধার রমনা পট্টি এলাকা থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ খরবোনা নদীর ধার (বাজে কাজলা) এলাকার মোঃ নজরুল ইসলাম নজুর ছেলে মোঃ রনি (৩৬) এবং মোঃ মিনালের ছেলে মোঃ সেন্টুকে (৩১) গ্রেফতার করে।
এর আগে সকাল ৭টার দিকে রাজপাড়া থানা পুলিশ সিটি বাইপাস মোড় এলাকা থেকে মোঃ ওয়াজাতুল্লাহ ওয়াস্তিকে (২৬) গ্রেফতার করে। হেতেমখাঁ লিচুবাগান এলাকা থেকে ৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মোঃ আইনুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে সে নতুন বিলসিমালা বন্ধগেট এলাকায় বসবাস করে।
এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন থানা পুলিশের অভিযানে মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদক মামলায় ৪ জন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ৫ জন এবং অন্যান্য অপরাধমূলক মামলায় ৭ জন রয়েছেন। সকল আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ অন্যান্য আইনে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সকল আসামীকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যেখানে সরকার ভর্তুকি দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে প্রাণী সম্পদ রক্ষার জন্য,আর অন্য দিকে শেরপুরের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা কাজ করছে প্রাণী সম্পদ ধ্বংস করার জন্য।যে সরকারি ভ্যাকসিন খামারিদের একমাত্র ভরসার জায়গা,সেই ভ্যাকসিনই যদি কাল হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে গায়ের রক্ত পানি করা, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিলে তিলে গড়া স্বপ্নের খামার বিলীন হয়ে যায়।আর তখন খামারীরা হবে দিশেহারা ধব্বংস হবে প্রাণী সম্পদ সেক্টর দেশের মানুষ থাকবে প্রোটিন, আমিষ ঘাটতিতে। খামারিদের স্বপ্ন ও সম্বল বাঁচানোর লড়াইয়ে ভ্যাকসিন সংরক্ষণ ও
পরিবহনের ভুল সিদ্ধান্তে এবং নষ্ট টিকার কারণে গবাদিপশু মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ২ দিন যাবৎ বস্তাবন্দি মাটিতে পড়ে থাকা প্রায় নয় লাখ ভ্যাকসিনের নিউজ করতে গেলে সাংবাদিককে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার হুমকি। তবে খামারী,সচেতন মহল,ও সাংবাদিকদের মনে প্রশ্ন
ভ্যাকসিন নিদিষ্ট নিয়মে ও সঠিক সময়ে হ্যান্ডেলিং ও পরিবহন না করার পিছনে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: রেজওয়ানুল হক ভূইয়ার বড় কোন সুবিধা আছে কি না।
গবাদিপশুর জীবন সুরক্ষায় সরকারের সরবরাহ করা হাঁসের ড্রাকপ্লেগ,মুরগীর ভিসি আরডিবি আরডিভি, গরুর তরকা,খুরা,ছাগলের পিপি আর রোগের মত মূল্যবান জীবন রক্ষাকারী ভ্যাকসিন সংরক্ষণের কথা ছিল হিমাঙ্কের নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কিন্তু প্রাণী সম্পদ বিভাগ এর ধারের কাছেও নেই।অনুসন্ধানে দেখা যায় প্রাণী সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান মহাখালীর পরিচালক এর ২১.০৯.২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত পএে ৩৩.০১.০০০০.৪০০.৫৭ নং স্মারকে ভ্যাকসিন সিডিওলে ২২.০৯.২৬ তারিখে সন্ধ্যা ৭ টায় শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে নিজস্ব জনবল দ্বারা কুলভ্যান হতে টিকার বক্স বা ভ্যাকসিন ক্যারিয়ার ঠান্ডা আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নামানো ও ওঠানোর জন্য অনুরোধ করেছে মহাখালীর পরিচালক। ২২ তারিখে রাতে রিসিভ হয় ড্রাগপ্লেগ ৫০০০০, পিজিয়ন পক্স এক লক্ষ,ফাউল পক্স এক লাখ, রানীক্ষেত ৫ লাখ, বাচ্চা রানীক্ষে ৫ লাখ, তড়কা ২০০০০,ক্ষুরা ৪০০০,এলএসডি ১৭৯০
মোট ৮২৫৭৯০ লাখ ডোজ। কিন্তু অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় যে শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদে অফিসে বড় দায়িত্বশীল ৩-৪ জন চৌকস কর্মকর্তা থাকার পরও ৮ বস্তা ভ্যাকসিন ২ দিন যাবৎ বস্তাবন্দি মাটিতে পড়ে থাকার পরে ২৪ তারিখে ৩৩.০১.৮৯০০.০০০.০০০.০১৬.০০৩.২৬.-স্মারকের জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পএে
শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে বরফ ছাড়াই বিতরণ করে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা। শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকেই যদি জীবন রক্ষাকারী এসব টিকা কোল্ড চেইন মেইনটেইন না করেই চালের পলিথিনের বস্তা ও সাধারণ ব্যাগে থেকে বের করে ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে আইসপ্যাক বা বরফ ছাড়াই মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করা হয়।।ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে ভ্যাকসিন ওঠানোর পর নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্য স্টেশনে পৌঁছাতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ