বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫১ পি.এম
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ নির্দেশনা দিয়েছেন যে, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পান্থকুঞ্জ পার্ক সংলগ্ন আপ-র্যাম্পের নির্মাণকাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে যান চলাচলের জন্য খুলে দিতে হবে।
বুধবার সেতু ভবনে অনুষ্ঠিত একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। বৈঠকে ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানি লিমিটেডের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থায়ন এবং চলমান নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
এ সময় প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি নতুন অর্থায়ন, নির্মাণকাজের বর্তমান অবস্থা এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সেতু সচিব বৈঠকে বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পান্থকুঞ্জ পার্ক সংলগ্ন আপ-র্যাম্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি চীনা প্রতিনিধিদলসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেন যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যায়।
এছাড়া আবদুর রউফ প্রকল্পের অন্যান্য অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, "প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ সুফল ঢাকাবাসীর কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে হলে নির্মাণকাজের গতি আরও বাড়াতে হবে।" এই লক্ষ্যে তিনি প্রকল্প এলাকায় অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনের নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে প্রকল্পের অর্থায়ন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। চীনা প্রতিনিধিদল জানায়, তারা অর্থায়ন কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং এ প্রক্রিয়া বেগবান করতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তারা আরও জানায়, বিকল্প ঋণদাতা হিসেবে চীনের শ্যানডং প্রদেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি ব্যাংক ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।
এদিকে, এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজাগুলোতে যানবাহনের নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আরএফআইডি-ভিত্তিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে। এ ব্যবস্থা দ্রুত চালু করতে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের জন্য চীনা প্রতিনিধিদলকে অনুরোধ জানানো হয়।
সেতু সচিব প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত ও পরিচালনাগত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে একটি সুস্পষ্ট ও সময়ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন।
নির্মাণকাজ চলাকালে প্রকল্প এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার তাগিদও দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত পিপিপি প্রকল্প। এটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাওলা) থেকে শুরু হয়ে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মূল উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার এবং ওঠানামার সংযোগকারী র্যাম্পসহ প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এই প্রকল্পটি রাজধানীর সড়কপথের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও এফডিইইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মরক্কো ও পিএসজির তারকা ফুটবলার আশরাফ হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালতে করা আপিল খারিজ হয়ে গেছে। এর ফলে ২০২৩ সালের ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে হো-দ্য-সেন বিভাগের ফৌজদারি আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে পিএসজির এই ডিফেন্ডারকে।
তবে আপিল খারিজ হওয়া মানে হাকিমি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, এমন কিছু নয়। অভিযোগের সত্যতা এবং দায়-দায়িত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূল বিচারপ্রক্রিয়ায় নেওয়া হবে।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লেকিপ’ জানিয়েছে, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ফ্রান্সের কোর্ট অব ক্যাসেশন হাকিমির করা আপিল গ্রহণ করেনি। এর আগে, ১৯ জুন ভার্সাইয়ের আপিল আদালত তাকে ফৌজদারি আদালতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছিল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেছিলেন হাকিমি।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক তরুণী হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই মরক্কোর এই ফুটবলার তা অস্বীকার করে আসছেন। তার আইনজীবী ফ্যানি কোলিনের বক্তব্য অনুযায়ী, কোর্ট অব ক্যাসেশন অভিযোগের মূল বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেনি; সেগুলো নিয়ে মূল বিচারপর্বেই আলোচনা হবে।
সর্বোচ্চ আদালতের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের ফলে এই পর্যায়ে হাকিমির আইনি চ্যালেঞ্জের সুযোগ শেষ হয়ে গেছে। যদিও মামলাটি ফৌজদারি আদালতে যাওয়ার পথ পরিষ্কার হয়েছে, তবে বিচার শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
বাদীপক্ষের আইনজীবী র্যাচেল-ফ্লোর পার্দো জানিয়েছেন, তার মক্কেল বিচারের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে, হাকিমির আইনজীবী ফ্যানি কোলিন বলেছেন, তার মক্কেল শুরু থেকেই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে আসছেন এবং বিচারপর্বে তার পক্ষে থাকা সব বক্তব্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা জেলার পুলিশ, একযোগে ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানের ফলে নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানার আওতাধীন এলাকায় এ অভিযান শুরু হয়। কিশোর গ্যাং এবং উঠতি বয়সী তরুণদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া রোধ করার লক্ষ্যে বখাটেদের আড্ডাস্থল, অপরাধপ্রবণ এলাকা ও সন্দেহজনক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে উঠতি বয়সী কিশোরদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান পিপিএমের নির্দেশে ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। নগরীর বিভিন্ন স্থান ছাড়াও জেলার প্রতিটি থানার আওতাধীন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বখাটেদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পূর্বের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না দেওয়ার জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ঐতিহ্য ভেঙে এক অনন্য কূটনৈতিক সৌজন্য প্রদর্শন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে স্বাগত জানাতে তিনি সরাসরি সামরিক বিমানঘাঁটিতে পৌঁছে গেছেন, যেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটন ডিসিতে আসেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চীনা প্রেসিডেন্টের বিমান মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ‘জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ’-এ অবতরণ করে। বিমান থেকে শি নামার পরপরই, বিমানের সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়িয়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ট্রাম্প। মেরিল্যান্ডে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিটি হোয়াইট হাউস থেকে প্রায় ১৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
সাধারণত, ওয়াশিংটনে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান এলে তাদের হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানানোর নিয়মই মার্কিন প্রেসিডেন্টদের জন্য প্রচলিত। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ের প্রবেশদ্বারে এবং চলতি বছরের এপ্রিলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসকে সাউথ পোর্টিকোতে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে বিমানবন্দরে গিয়ে বিদেশি কোনো নেতাকে স্বাগত জানানোর ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বিরল দৃশ্য।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ১৯৬২ সালে ওয়াশিংটনের বিমানবন্দরে গিয়ে আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স উফুয়ে-বোয়িনির মতো কয়েকজন নেতাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে পোপদের সফর ছাড়া এই রীতি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৮ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টকে এবং ২০১৫ সালে বারাক ওবামা পোপ ফ্রান্সিসকে এই জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজেই স্বাগত জানিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের এই বিশেষ পদক্ষেপের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি অ্যাক্সিওসকে জানান, ‘চলতি বছরের গ্রীষ্মে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং চীনে এক ঐতিহাসিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক আতিথেয়তা দিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই চীনা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে সেই আতিথেয়তারই প্রতিদান দিচ্ছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান জনগণের সমৃদ্ধি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা হয়, এমন যেকোনো ভালো চুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট যেকোনো বিশ্বনেতার সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে প্রস্তুত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : টার্কিশ এয়ারলাইনস, যা তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা, বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৫০টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই উড়োজাহাজগুলো ২০৩৩ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।
বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে টার্কিশ এয়ারলাইনস জানায়, তারা বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৫০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ১০০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজের ক্রয় আদেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া, আরও ৫০টি উড়োজাহাজ কেনার সম্ভাবনা রাখা হয়েছে।
এ খবরটি আঙ্কারা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান নিউইয়র্কে অবস্থানকালে এই ঘোষণা দেন। এর আগে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে তিনি অংশগ্রহণ করেন।
ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, এটি ‘বোয়িং ও আমেরিকার উৎপাদন খাতের জন্য বড় দিন’। পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি ডলারের বিক্রি হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
প্রায় এক বছর আগে টার্কিশ এয়ারলাইনস জানিয়েছিল, তারা বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ২২৫টি উড়োজাহাজ কিনবে। হোয়াইট হাউসে এরদোগান ও ট্রাম্পের বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
টার্কিশ এয়ারলাইনসের প্রধান কার্যালয় ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে অবস্থিত। সংস্থাটির বহরে বর্তমানে ৫১৪টি উড়োজাহাজ রয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তারা ১৩০টিরও বেশি দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করে। ২০২৫ সালে, সংস্থাটি ৯ কোটি ২৬ লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ