ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০১ উপজেলায় নতুন ক্রীড়া অফিস, ৬০৩টি পদ সৃজনের অনুমোদন অর্থ মন্ত্রণালয়ের


২০১ উপজেলায় নতুন ক্রীড়া অফিস, ৬০৩টি পদ সৃজনের অনুমোদন অর্থ মন্ত্রণালয়ের

অর্থ মন্ত্রণালয় দেশের ২০১টি উপজেলায় নতুন উপজেলা ক্রীড়া অফিস স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে।

এছাড়া, এসব অফিস পরিচালনার উদ্দেশ্যে তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৬০৩টি নতুন পদ অস্থায়ী ভিত্তিতে রাজস্ব খাতে সৃজনের জন্য অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার, অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-২ থেকে জারি করা এক আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

আদেশ অনুযায়ী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে ক্রীড়া পরিদপ্তরের আওতায় উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই পদগুলো সৃজন করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে নির্মিত ১৬৭টি স্টেডিয়ামের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল এবং দ্বিতীয় ধাপে নির্মাণাধীন ৩৪টি উপজেলার স্টেডিয়ামের জন্যও জনবল সৃজনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মোট ২০১টি উপজেলার জন্য সর্বমোট ৬০৩টি পদ অস্থায়ী ভিত্তিতে রাজস্ব খাতে সৃষ্টি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

নতুন সৃষ্ট পদগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০১টি উপজেলা ক্রীড়া অফিসার, ২০১টি অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং ২০১টি অফিস সহায়ক পদ।

অর্থ বিভাগ আটটি শর্তে এই অনুমোদন প্রদান করেছে। শর্তগুলোর মধ্যে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির অনুমোদন গ্রহণ, অর্থ বিভাগের নির্ধারিত কোড অনুযায়ী ব্যয় নির্বাহ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরোপিত শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ এবং দ্বিতীয় ধাপে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামগুলোর কাজ শেষ হওয়া সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগ বা পদায়ন সম্পন্ন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এছাড়া, যেসব পদের জন্য এখনো নিয়োগবিধি প্রণয়ন হয়নি, সেগুলোর নিয়োগবিধি দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে এবং জনবল কাঠামো (টিওঅ্যান্ডই) হালনাগাদ করে অর্থ বিভাগে পাঠানোর জন্য নির্দেশ প্রদাণ করা হয়েছে।

এই সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা, মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়াল

ভেনেজুয়েলায় ২৪ জুন আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৫৩৫ জনে পৌঁছেছে। দেশে এই ঘটনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।

ভূমিকম্পের এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে, প্রায় ১৮ হাজার মানুষ গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই দুর্যোগে ১৬ হাজার ৭৪০ জন আহত হয়েছেন, এবং ১৭ হাজার ৮৫৪ জন তাদের বাড়িঘর হারিয়েছেন।

৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে রাজধানী কারাকাস এবং আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল লা গুয়াইরা।

এখানে এবং রাজধানী কারাকাসে ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এদিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে।

সরকার জানিয়েছে, কারাকাস ও লা গুয়ির ৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে অন্তত ১২ হাজার ৮০০ মানুষ অবস্থান করছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

অতিরিক্ত ভিড়, নিরাপদ পানির সংকট, স্যানিটেশন সমস্যা, খাদ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের অভাব রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

প্যান আমেরিকান হেলথ অরগানাইজেশনের জরুরি কার্যক্রমবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. মাউরিসিও সেরপা ক্যালদেরন বলেন, বর্তমানে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ডায়রিয়া, চর্মরোগ, ক্ষতস্থানে সংক্রমণ, ডেঙ্গু, টিটেনাস, হাম, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিওর মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগ মোকাবেলা করাই সবচেয়ে জরুরি।

এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ সরকারের পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ভূমিকম্পের পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে জরুরি পরিস্থিতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় একটি নতুন সামরিক ইউনিটও গঠন করা হয়েছে।

তবে অনেক ভেনেজুয়েলাবাসী সরকারের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমকে বিলম্বিত ও অপর্যাপ্ত বলে অভিযোগ করেছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর কয়েকটি সংগঠনও সরকারের দুর্যোগ মোকাবেলার সমালোচনা করেছে।

ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা লা গুয়াইরায় সোমবারও উদ্ধার ও দাফন কার্যক্রম চলতে দেখা গেছে। রয়টার্সের সাংবাদিকরা সেখানকার কফিন বহনকারী ট্রাক এবং ফরেনসিক কর্মীদের কাজ করতে দেখেছেন। একসাথে খোলা একটি এলাকায় যন্ত্রের সাহায্যে নতুন কবর খোঁড়া হচ্ছিল, যেখানে নিহতদের মরদেহ দাফন করা হচ্ছে। অনেক কবরের ওপর সাদা ক্রস স্থাপন করা হয়েছে।

স্পেনের সংবাদপত্র এল পাইস প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, কিছু কবরের ওপর নিহতদের নাম লেখা রয়েছে, আবার কিছু কবর শুধু নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক নিহতের মরদেহ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করতে প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন (পিএএইচও) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রযুক্তিগত সহায়তা, মরদেহ সংরক্ষণের ব্যাগ এবং লা গুয়াইরা বন্দরে তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনার সরবরাহ করেছে। এছাড়াও অন্য এলাকায় দুটি দাহকেন্দ্র পরিচালনায় সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, তারা কারাকাস সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণ ও সহায়তা কার্যক্রম আরো বাড়িয়ে চলছে। সংস্থাটির মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় এখনও অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। পাশাপাশি বিশেষায়িত প্রকৌশলী দল ও চিকিৎসা সহায়তাও সেখানে পৌঁছাচ্ছে।

এদিকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বিবেচনায় রেখে টিকাদান কর্মসূচি চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঝুঁকির মাত্রা, টিকার প্রাপ্যতা এবং জাতীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী কোথায় টিকাদান কার্যক্রম চালানো হবে, তা মূল্যায়ন করছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমছে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি, রফতানি আয় নিয়েও বাড়ছে শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


কমছে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি, রফতানি আয় নিয়েও বাড়ছে শঙ্কা

রেমিট্যান্সের প্রবাহে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়েছে, তবে দেশের অর্থনীতি এখনো প্রত্যাশিতভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এলসি (ঋণপত্র) সংক্রান্ত সর্বশেষ পরিসংখ্যানেও এই চিত্র উঠে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে, ভোগ্যপণ্য, মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং পেট্রোলিয়াম আমদানির পাশাপাশি ব্যাক-টু-ব্যাক এলসিও কমেছে। যা ভবিষ্যতে রফতানি আয় কমার সম্ভাব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করলেও দেশের অর্থনীতি এখনো গতি ফিরে পায়নি। গত রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত এলসি খোলার পরিসংখ্যান জানাচ্ছে যে, সদ্য সম্পন্ন অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে ১৪০ কোটি ডলারের এলসি মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য খোলা হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ৩ শতাংশ কম। একই সময়ে এলসি নিষ্পত্তি ১০ শতাংশেরও বেশি কমেছে।

এই সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে ১ হাজার ৮২১ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে শিল্পে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির জন্য। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮৭১ কোটি ডলার। এলসি খোলার পাশাপাশি কাঁচামাল আমদানির এলসি নিষ্পত্তিও ২.৫ শতাংশের বেশি কমেছে।

শিল্পে ব্যবহৃত মধ্যবর্তী পণ্য আমদানিতেও এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি কমেছে। গত মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে পেট্রোলিয়াম আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে ৫.৮ শতাংশ কম এবং এলসি নিষ্পত্তি ১৬.৩৪ শতাংশ কম হয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির পরিসংখ্যান। এক বছরের মধ্যে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ৭.৯৩ শতাংশ। একই সময়ে, রফতানি আদেশের বিপরীতে নতুন এলসি খোলার পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়ার কারণে বেসরকারি খাতের সক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে, যা এলসি খোলার পরিসংখ্যানেও প্রতিফলিত হচ্ছে। ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বহু দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর অর্থ হলো, বেসরকারি খাতের জন্য কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি, মধ্যবর্তী পণ্য বা শিল্পের প্রয়োজনীয় উপকরণের আমদানির সক্ষমতা কমে গেছে। এর ফলে অর্থনীতিতে নতুন কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, যা এখনও অতিক্রম করা সম্ভব হয়নি।

এ অবস্থায়, অর্থবছরের শুরু থেকে ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করার তাগিদ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, দেশের মুদ্রানীতিকে নতুনভাবে সাজানো প্রয়োজন। বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাড়িয়ে অন্তত ১০ শতাংশ করা উচিত। এছাড়াও খাতভিত্তিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে নীতি প্রণয়ন এবং যেসব পণ্যে কর বা শুল্ক কমানো হয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে আমদানি বাড়াতে বাজারভিত্তিক নীতিতে আরও নমনীয়তা আনার প্রয়োজন।

শুধু শিল্প-কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বা যন্ত্রপাতি নয়, বরং ডাল, ভোজ্যতেল ও চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানিতেও এলসি কমেছে। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ভোগ্যপণ্য আমদানিতে এলসি খোলা কমেছে শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ এবং এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ২.৭৫ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেছেন। দেশের ইতিহাসে এটি প্রথমবারের মতো ঘটে, যে কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মাঠপর্যায়ের সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৮ বীর-এর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়ে বিস্তীর্ণ অংশ হেঁটে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফার্ম বেস’-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে শোনেন পাশাপাশি সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি ‘রেইড’ (Raid) মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক ঘুরে ঘুরে ভালোভাবে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। এমনকি গাছের পাতার আড়ালে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়েও তাদের খোঁজখবর নেন প্রবল উৎসাহ দিয়ে।

একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার গ্রহণ করেন এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরকারপ্রধানের দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে উপস্থিত সেনাসদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে। জাতীয় সংকট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) পৃথক ২টি অভিযানে ২৭০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ জব্দ করেছে।

বিজিবি’র সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতে অভিযান ২টি পরিচালিত হয়। প্রথম অভিযানে সোনামসজিদ বিওপি হতে ১টি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার ১৮৫/১৩-এস হতে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামস্থ পাকা রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২শ’ বোতল ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ জব্দ করে।

এছাড়াও অপর অভিযানে চৌকা বিওপি’র আরেকটি টহল দল সীমান্ত পিলার ১৭৫/২-এস হতে আনুমানিক ৪শ’ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের রাঘববাটি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭০ বোতল ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ আটক করে। আজ সকালে বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি জানান, জব্দ সিরাপগুলো শিবগঞ্জ থানায় জমা দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া চলমান। তিনি আরও জানান, বিজিবি দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%