ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) পৃথক ২টি অভিযানে ২৭০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ জব্দ করেছে।

বিজিবি’র সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতে অভিযান ২টি পরিচালিত হয়। প্রথম অভিযানে সোনামসজিদ বিওপি হতে ১টি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার ১৮৫/১৩-এস হতে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামস্থ পাকা রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২শ’ বোতল ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ জব্দ করে।

এছাড়াও অপর অভিযানে চৌকা বিওপি’র আরেকটি টহল দল সীমান্ত পিলার ১৭৫/২-এস হতে আনুমানিক ৪শ’ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের রাঘববাটি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭০ বোতল ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ আটক করে। আজ সকালে বিষয়টি বাসস’কে নিশ্চিত করেছেন মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

তিনি জানান, জব্দ সিরাপগুলো শিবগঞ্জ থানায় জমা দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া চলমান। তিনি আরও জানান, বিজিবি দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির শেষকৃত্য ও বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের নজির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


খামেনির শেষকৃত্য ও বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের নজির

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য ও বিদায় অনুষ্ঠানে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। তেহরানের ইমাম খোমেনী গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সমবেত হওয়া শোকার্ত পুণ্যার্থীদের সেবায় দিনরাত কাজ করছেন হাজারো স্বেচ্ছাসেবী। যুদ্ধ ও প্রিয় নেতা হারানোর ক্ষত ভুলে ইরানিরা প্রদর্শন করছেন অনন্য জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের নজির। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত ইরানের দীর্ঘকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তেহরানে তৈরি হয়েছে এক আবেগঘন পরিবেশ। হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, সেনাসদস্য ও ধর্মীয় শিক্ষার্থীরা সমবেত হয়ে প্রিয় নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। এই বিশাল সংখ্যক শোকার্ত মানুষের সেবায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন শত শত স্বেচ্ছাসেবী ও দাতব্য সংস্থা। তেহরানের বিভিন্ন অস্থায়ী ক্যাম্পে অবস্থান নেওয়া পুণ্যার্থীদের জন্য দিনরাত চলছে খাবার ও পানীয় তৈরির কাজ। প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও রাতে হাজার হাজার মানুষের জন্য খাবার প্রস্তুত করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা, যার সম্পূর্ণ খরচ আসছে সাধারণ মানুষের অনুদান থেকে। মনের ভেতর গভীর ক্ষত ও শোক চেপে রেখে আগত অতিথিদের দেখভালে নিরলস পরিশ্রম করছেন এই যুবকেরা। এর আগে, শোকার্ত মানুষের ক্লান্তি দূর করতে তেহরানের রাস্তায় বসে অনন্য এক সেবার পসরা। গভীর রাত পর্যন্ত মোড়ে মোড়ে স্টল বসিয়ে পুণ্যার্থীদের হাতে গরম চা ও বিস্কুট তুলে দেন সাধারণ স্বেচ্ছাসেবী ও দাতব্য সংস্থার কর্মীরা। ইমাম হোসেন চ্যারিটির মতো নানা সামাজিক সংগঠন সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এই চায়ের স্টলগুলো পরিচালনা করছে। চায়ের কাপ হাতে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ ও দাতব্য কর্মীরা মেতে ওঠেন নানা আলাপে, যেখানে উঠে আসছে সদ্য সমাপ্ত যুদ্ধের কঠিন দিনগুলোর অভিজ্ঞতা। রমজান মাসের পবিত্র দিনগুলোতে যুদ্ধের তীব্রতার কারণে কীভাবে তাদের ফ্রি ইফতার কর্মসূচি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই অবরুদ্ধ সময়ের স্মৃতি রোমন্থন করেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধবিরতি কার্যকরের মাস না পেরোতেই লেবাননে ইসরাইলের প্রাণঘাতী হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


যুদ্ধবিরতি কার্যকরের মাস না পেরোতেই লেবাননে ইসরাইলের প্রাণঘাতী হামলা

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক মাসও পেরোতে না পেরে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

নাবাতিয়েহ এলাকায় ড্রোন হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। বৈরুত বলছে, অব্যাহত ইসরাইলি হামলার কারণে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে সীমান্তজুড়ে ধ্বংসস্তূপ আর নিরাপত্তাহীনতার কারণে লাখো বাস্তুচ্যুত মানুষ এখনো ঘরে ফিরতে পারছেন না।

দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকায় একটি গাড়িতে ড্রোন হামলার মাধ্যমে কয়েকজনকে হত্যা করেছে ইসরাইল।

নিহতদের মধ্যে রয়েছে একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, তার মা, এক গৃহকর্মী ও সিরিয়ার এক নাগরিক।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, তারা যখন নিজেদের বাড়ির পরিস্থিতি দেখতে যান, তখনই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হন। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, সীমান্তবর্তী নিরাপত্তা অঞ্চলের কাছে তাদের বাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে ওঠা সন্দেহভাজনদের লক্ষ্য করে এ হামলা হয়েছে।

শুধু নাবাতিয়েহ নয়, একই দিনে ইসরাইল বিমান হামলা চালিয়েছে বিনতে জুবেইল জেলার কৌনিন ও বারাআশিত এলাকাতেও। বারাআশিতে বেসামরিক নিহতদের জানাজার পরপরই নতুন করে হামলা চালানো হয়। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা অভিযোগ তুলেছে, কৌনিনে আবাসিক বাড়িঘর লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে মানুষ যাতে ফিরতে না পারে, সেই কৌশলের অংশ হিসেবেই ধারাবাহিকভাবে বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন্স বলেছেন, দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের দখল ও অব্যাহত হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।

চুক্তি অনুযায়ী ইসরাইলের সেনা প্রত্যাহার, লেবাননের সেনাবাহিনীর মোতায়েন এবং সীমান্তে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কথা ছিল, কিন্তু বাস্তবে কোনো পক্ষই পুরোপুরি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। তাই সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়ে গেছে।

চলমান সংঘাতের কারণে দক্ষিণ লেবাননে সরকারি জরিপে দেখা গেছে, ৯০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। প্রায় ছয় লাখ মানুষ এখনো নিজ এলাকায় ফিরতে পারেননি। যারা ফিরেছেন, তারাও প্রতিদিন বিস্ফোরণের শব্দ আর নতুন হামলার আশঙ্কায় বসবাস করছেন।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে শুরু হওয়া সর্বশেষ সংঘাতে দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩১৯ জনে, আর আহত হয়েছেন ১২ হাজার ২০৩ জনেরও বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


বরিশালে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বরিশালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলার একাধিক আসামির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মহানগর দায়রা জজ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না—এমন অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের দাবি, পুলিশ আসামিদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানালেও তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং মামলার বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, তাফস পাড়ৈ ও গাঁজা রফিক। অভিযোগ রয়েছে, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর না হওয়ায় তাদের মধ্যে এক ধরনের দায়মুক্তির মনোভাব তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মাইনুল ফকিরের বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাই-আগস্টে বরিশাল নগরীর হাতেম আলী চৌমাথা ও নতুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তাফস পাড়ৈকে স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগ নেতা ‘ইটালি শহীদ’-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি করা হয়েছে। গাঁজা রফিক শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেলের সহযোগী এবং বরিশালের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের একজন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, এসব আসামি ২০০২ সালে র‍্যাবের ক্রসফায়ার থেকে বেঁচে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত নাক কাটা রুবেলের সহযোগী।

মামলার বাদী ও তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামের অভিযোগ, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১৫ মিনিটে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাঠসংলগ্ন সড়কে নাক কাটা রুবেল বাহিনীর সদস্যরা তাকে অস্ত্রের মুখে হত্যার হুমকি দেয়। ওই ঘটনার পর থেকে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

বাদীর ভাষ্য, সন্ত্রাসীদের হুমকির কারণে তার সন্তানকে কয়েক মাস ধরে বিদ্যালয়ে পাঠানো সম্ভব হয়নি। পুরো পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তার প্রশ্ন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তা বা বিলম্ব কেন? এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানা ও বন্দর থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

এ বিষয়ে আসামিদের প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার এএসআই, বদিউজ্জামান বলেন, "আমরা আসামিদের গ্রেফতার করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।" আসামিরা শহরে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে— এমন পাল্টা প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে অত্যন্ত দায়সারাভাবে বলেন, আপনারা ধরে আমাদেরকে খবর দিন।

অন্যদিকে, বন্দর থানার এএসআই, ফারুক জানান, তিনি প্রতিদিন আসামি গ্রেফতার করার জন্য কর্ণকাঠি এলাকায় সোর্স নিয়োগ করে রেখেছেন, কিন্তু আসামিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর পরও পুলিশ গ্রেফতার করছে না— গণমাধ্যম থেকে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুললে তিনি তা অস্বীকার করে বলেন, এটা আপনাদের ভুল ধারণা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরীকে গণধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


কিশোরীকে গণধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ

কলকাতার অদূরে বারুইপুরে একটি কিশোরীকে গণধর্ষণ, হত্যা এবং বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেয়ার ঘটনায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠছে। ঘটনার পর পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তাছাড়া, আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক চাপ শুরু হয়েছে।

কলকাতার উপকণ্ঠে বারুইপুরে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যা করার পর তাকে বস্তাবন্দি করে জলাশয়ে ফেলে দেয়ার ঘটনায় সামাজিক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গত ৫ জুলাই মধ্যরাতে সূর্যপুর এলাকার একটি পুকুর থেকে স্থানীয়রা মরদেহটি উদ্ধার করে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিখোঁজের অভিযোগ জানানোর পরে পুলিশ প্রথমে যথাযথ তৎপরতা দেখায়নি।

এই ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলগুলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে। একই সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনের আশঙ্কায় রোববার রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে।

পরে সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশের সরে যাওয়ার পর মমতা ও তার সমর্থকরা সবুজ রঙের মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

বাম দলগুলোর পক্ষ থেকেও ঘটনার প্রতিবাদে আলাদা কর্মসূচি পালন করা হয়। পানিহাটিসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। একই সময়ে বাম নেতাঁরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বিরোধী শিবিরের দাবি যে, এই ঘটনা নারী ও শিশু নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে, পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ঘটনাকে কেন্দ্র করে যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সরকারি সম্পদ ভাঙচুর করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গত ৯ মে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সরকারের ৬০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই বারুইপুরের এই নৃশংস ঘটনা রাজ্যের নতুন সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%