শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৭ পি.এম
ইরান, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার তথ্য মোসাদের কাছে সরবরাহের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বিচার বিভাগের সূত্রে এই খবর জানা গেছে।
হোসেইন পেদারান নামের ওই ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা মিজান।
দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গুপ্তচরবৃত্তি ও ইসরাইলের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতার অভিযোগে দেওয়া তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছিল।
মিজানের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পেদারান ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে মধ্য ইরানের ইসফাহান প্রদেশে অবস্থিত স্পর্শকাতর সামরিক স্থাপনার তথ্য সরবরাহ করেছিল।
এই তথ্যের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে দাবি করেছে ইরানের বিচার বিভাগ।
ইরানি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তিনি আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে এই গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে জড়িত হয়েছিলেন।
এদিকে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত চলাকালে সামরিক স্থাপনা ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে।
সেই সময় ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরান বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউ ইয়র্কের ‘ইউএন চার্চ সেন্টারে’ আন্তঃধর্মীয় অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন একটি বেদনাবিধুর ও অভূতপূর্ব প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) হামলায় প্রাণ হারানো ২০ হাজার ফিলিস্তিনি শিশুর নাম হাতে লিখে ১০০ মিটার (৩২৮ ফুট) দীর্ঘ একটি শুভ্র কাফনের কাপড়ে প্রদর্শন করা হয়েছে।
‘ডক্টরস এগেইনস্ট জেনোসাইড’, ‘প্রিস্টস এগেইনস্ট জেনোসাইড ইউএসএ’ এবং ‘জাস্টিস ফর অল’-সহ একাধিক যৌথ মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগে এই স্মারক কাফনটি উন্মোচন করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, গাজার নিহত শিশুদের কেবল পরিসংখ্যান বা সংখ্যা হিসেবে না রেখে, তাদের নাম ও আত্মপরিচয় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য।
তবে প্রদর্শনীতে তালিকাভুক্ত নামগুলো কোন উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো উল্লেখ পাওয়া যায়নি। যুদ্ধকবলিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতের একটি দীর্ঘ তালিকা পরিচালনা করলেও সেখানে নিহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক ও সশস্ত্র যোদ্ধাদের আলাদা পরিসংখ্যান রাখা হয়নি।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া মোট ৭৩,৪০০ জন নিহতের পরিসংখ্যানটি মূলত সঠিক বলেই মনে করে তারা। আইডিএফ কর্মকর্তাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, গাজায় নিহত প্রতিটি সশস্ত্র যোদ্ধার বিপরীতে গড়ে দুই থেকে তিনজন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই প্রদর্শনীটি গাজায় শিশু হত্যা ও চলমান ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে এক জোরালো প্রতীকী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের নেতাকর্মীরা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার প্রতিবাদে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে জেলা শহরের চালাপাড়া পাইলিং রোডে ঝটিকা মশাল মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। তারা মশাল হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে বানিয়া বাজার ব্রিজপাড় এলাকার দিক থেকে চালাপাড়া এলাকা হয়ে ফৌজদারি মোড়ের দিকে আসতে থাকেন।
মিছিলের সামনে একটি ব্যানার দেখা যায়। ওই ব্যানারে লেখা ছিল, অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল। আয়োজনে জামালপুর জেলা যুবলীগ।
মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। পরে রাত দেড়টার দিকে মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিকভাবে মিছিলে থাকা কারও পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
মিছিলের পর পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে কয়েকবার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সফলতার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি উল্লেখ করেন, “ঐক্যতেই শক্তি। একটি লাঠি সবাই ভেঙে ফেলতে পারে, কিন্তু দশটি লাঠি একসঙ্গে বাঁধা থাকলে তা ভাঙা কঠিন। ঠিক তেমনি আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো শক্তিই আমাদের দুর্বল করতে পারবে না।”
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুঁচদহ ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দলকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে।
সভায় ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, শুধু মঞ্চে উপস্থিত নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করলে হবে না। সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে যেতে হবে। বিশেষ করে যেসব মা-বোন এখনও দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলা, আচরণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের মন জয় করতে পারলে জনগণও পাশে থাকবে।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরও বলেন, নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লে জনগণের কাছে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা কমে যাবে। তাই নিজেদের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের বিপদের সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে তারাও প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, আদিবাসী, হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান কিংবা সাঁওতাল—পরিচয় ভিন্ন হলেও আমরা সবাই মানুষ। সবার রক্তের রং একই। তাই সমাজে কোনো ধরনের ভেদাভেদ, হিংসা বা বিদ্বেষ থাকা উচিত নয়।
তিনি আরও বলেন, “আমরা কেন অন্যের জায়গা দখল করব কিংবা একে অপরের প্রতি হিংসা পোষণ করব? সবাইকে পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।”
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লোহিত সাগরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাবেল-মানদেব প্রণালির নিকটবর্তী অঞ্চলে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে অন্তত সাতজন হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে এক শীর্ষ কমান্ডারও রয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইয়েমেন সরকারের পক্ষ থেকে বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইয়েমেনের তথ্য উপমন্ত্রী আবদুলবাসিত আল-কায়েদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি বার্তা প্রকাশ করে জানান, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কাহবুব ফ্রন্টে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষটি সংঘটিত হয়। সংঘর্ষে হুথি বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার ফিরাক মহসিন আল-আসার এবং তাঁর সঙ্গে থাকা ছয়জন সহযোগী প্রাণ হারান।
এই ঘটনার পর হুথি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। তবে গোষ্ঠীটির অনুসারী কর্মী ও সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের এই শীর্ষ সামরিক নেতার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে শোক প্রকাশ করেছেন। যদিও তাঁরা কখন বা কী পরিস্থিতিতে তাঁর মৃত্যু ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
কাহবুব এলাকা পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত এবং এখান থেকে বাবেল-মানদেব প্রণালিটি স্পষ্ট দেখা যায়। আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল এই পথটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকা দখল করে নেওয়ার পর থেকেই ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে, যা মাঝে কিছুদিন শান্ত থাকলেও সম্প্রতি আবারও চরম আকার ধারণ করেছে।
সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ