ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি


বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

অপরদিকে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। সেখানে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।

বন্যায় মৃত্যু ঘটেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে, কক্সবাজারে ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটিতে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা, খাগড়াছড়িতে ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার ৯৯১টি খামারের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং ৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে ২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৪০ টাকা।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ১৬২ টন পশুখাদ্যে ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ৯৬০ টন ঘাসে ৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিতে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে।

এতে মৃত্যু ঘটেছে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।

আরও পড়ুন: কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

এদিকে, বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে।

এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ-পরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল হাসান জানান, মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তিনি জানান, তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ, ৫ জনের কারাদণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গভবন ছেড়ে কোথায় যাবেন মো. সাহাবুদ্দিন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


বঙ্গভবন ছেড়ে কোথায় যাবেন মো. সাহাবুদ্দিন?

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলবেলা তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং স্পিকার সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। পদত্যাগের পর তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে কোথায় উঠবেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তার দায়িত্ব ছাড়ার পরে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত তার নিজস্ব বাসভবনে উঠবেন। একই সময়ে উন্নত চিকিৎসা ও বিশ্রামের জন্য তার বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের তরফ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বঙ্গভবনের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, দায়িত্ব ছাড়ার বিষয়টি নীতিগতভাবে আগেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি তার মনোনীত কয়েকজন কর্মকর্তা বঙ্গভবন থেকে ব্যক্তিগত মালামাল গুছিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। এই চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছাড়ার বিষয়ে প্রস্তুত থাকার মৌখিক নির্দেশনাও ছিল, এমনটি বলাই হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার অভিযান চালিয়ে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) প্রায় ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫০ টাকা মূল্যের বিশাল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালকের নির্দেশনা “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”— এই মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে, সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি-এর দিকনির্দেশনা এবং পরিকল্পনারের ভিত্তিতে শুক্রবার সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার চন্ডিদার, কসবা, মঈনপুর, মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার সালদানদী ও শংকুচাইল বিওপি-র টহলদল পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে।

অভিযানের ফলে জব্দ করা হয়েছে ভারতীয় বাসমতি চাল, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, ফুসকা, শিং মাছ, গরু, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, বাজি, শাড়ি, ভ্যাসমল, গাঁজা এবং একটি ইজিবাইক। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য হলো ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫০ টাকা।

বিজিবি জানায়, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুশ-ইন প্রতিরোধ, নারী ও শিশু পাচার, মাদক এবং চোরাচালান রোধে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানির কোচ হওয়ার পরই পদত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন ক্লপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


জার্মানির কোচ হওয়ার পরই পদত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন ক্লপ

জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি) জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে ইয়ুর্গেন ক্লপকে নিয়োগ দিয়েছে জুলিয়ান নাগেলসম্যানের পদত্যাগের পর। ৫৯ বছর বয়সী ক্লপের সঙ্গে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

লিভারপুলকে ২০২৪ সালে বিদায় জানানোর পর ক্লপ ডাগআউটে ফেরার আগে যেন তার পরিচিত মেজাজ ফিরে এসেছে। লিভারপুলের প্রাক্তন কিংবদন্তি কোচ, দলের পুনর্গঠনের ছক কিংবা ট্যাকটিক্সের চেয়ে, প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ঝড় তুলেছেন একটি বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি দিয়ে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ক্লপ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, যদি মিডিয়া তার পরিবারের ব্যক্তিগত জীবনে বেশি নাক গলায় কিংবা সীমানা পার করে, তাহলে তিনি কোনো ধরনের দ্বিতীয় ভাবনা ছাড়াই তাৎক্ষণিক পদত্যাগ করবেন।

ক্লপ স্পষ্টভাবে বলেন, "আপনারা যদি সীমা লঙ্ঘন করেন এবং আমার পরিবারকে শান্তিতে থাকতে না দেন, তবে আমি কাজ ছেড়ে চলে যাব। স্রেফ মুখ ফিরিয়ে নেব। আমি জানি আরও কিছু দেশ আছে যেখানে জাতীয় দলের কোচদের এর চেয়েও বাজে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।"

তিনি বলেন, "আমি এই কাজটাকে ভালোবাসি, তবে প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো মুহূর্তে সরে দাঁড়াতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা করব না।"

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে প্যারাগুয়ের কাছে অভাবনীয় হারের পরrecently পদত্যাগ করেন জুলিয়ান নাগেলসম্যান। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ক্লপকে চার বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেয় জার্মানি।

চুক্তির মেয়াদ নিয়ে ক্লপ বলেন, "জাতীয় দলের পর্ব শেষ হওয়ার পর ইয়ুর্গেন ক্লপের আর নতুন করে কোনো কোচিং ক্যারিয়ার থাকবে না। কোচ হিসেবে এটিই আমার ফুটবল ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত চূড়া ও সর্বোচ্চ ধাপ। নিজের ভেতরের সবটুকু উজাড় করে দেব আমি।"

২০২৪ সালের গ্রীষ্মে ‘মানসিক শক্তির ঘাটতি’-র অজুহাতে লিভারপুলের ৯ বছরের দীর্ঘ অধ্যায়ের ইতি টেনেছিলেন ক্লপ। এরপর এটি তার জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রথম কোনো ডাগআউট মিশন হতে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়ে কাতারের আমিরকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়ে কাতারের আমিরকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল-মুরাইখির সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কাতারি বিনিয়োগের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে দেশটির আমিরের জন্য একটি চিঠি হস্তান্তর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ফিলিপাইনের ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তির (টিএসি) ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এই দিনে টিএসির ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, উদীয়মান হুমকি মোকাবেলার জন্য বাংলাদেশ আসিয়ান এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সহযোগিতা বৃদ্ধি চুক্তির (টিএসি) সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করবে। যৌথ আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, যৌথ ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং আঞ্চলিক সংকট মোকাবেলা ব্যবস্থা সহ বাস্তবসম্মত এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মহামারি, জলবায়ু অভিঘাত, সাইবার ঘটনা, ও সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করা সম্ভব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার আলোচনায় উদীয়মান হুমকি ও চ্যালেঞ্জ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উৎসাহিত সাইবার অপরাধ এবং সামাজিক মাধ্যমের ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবেলার জন্য কর্মপন্থা তুলে ধরেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%