ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত


পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

মধ্য আমেরিকার দেশ পানামা শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে কেঁপে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের প্রাথমিক মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭, যা দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল পানামার দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের পিতালোজা আররিবা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে।

ভূমিকম্পের ফলে বিভিন্ন স্থানে ভবন ও স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে। উপকেন্দ্র থেকে প্রায় ৭০ মাইল দূরের পেনোনোমে শহরে একটি গির্জার চূড়ার অংশ ধসে পড়েছে। একইভাবে, আরেকটি ভবনের সামনের দেয়ালও ভেঙে গেছে। পর্যটন শহর প্লায়া ভেনানোতে একটি বহুতল ভবন ধসে বেশ কয়েকটি গাড়ির ওপর পড়েছে। পানামা খালের ওপর সেন্টেনিয়াল সেতুর কাঠামোও কাঁপতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন: আম্বানির তেল শোধনাগারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের পেছনের কূটনীতি

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে, ভূমিকম্পের পর পানামা সিটির দুটি মেট্রো লাইনের চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েকটি স্টেশন থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দিনের বাকি সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস বাতিল করেছে। প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, মূল ভূমিকম্পের পর ৪০টিরও বেশি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে একটি পরাঘাতের প্রাথমিক মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৬। পূর্বে উপকূলে সম্ভাব্য সুনামির ঢেউয়ের বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হকার উচ্ছেদের পর মিরপুর-১০ নম্বরে চলাচলে নেই চিরচেনা ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ এম


হকার উচ্ছেদের পর মিরপুর-১০ নম্বরে চলাচলে নেই চিরচেনা ভোগান্তি

ফুটপাত থেকে হকারদের উচ্ছেদের ফলে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের হোপ মার্কেট এলাকার দৃশ্যপট পরিবর্তিত হয়েছে। আগের মতো আর নেই কোলাহল ও ভোগান্তি। পথচারীরা ফুটপাত দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছেন, এবং মূল সড়কেও যানবাহন চলছে স্বাভাবিক গতিতে। ফুটপাতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে গাছ লাগানো হচ্ছে। তবে নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, যদি আবার দখল হয়, তাহলে আগের ভোগান্তি ফিরে আসবে।

এক সময় হোপ মার্কেট এলাকার ফুটপাতের একটি অংশ ছিল হকারদের দখলে। এই ফুটপাত দিয়ে হাঁটার সময় ভিড়ের মধ্যে বারবার ধাক্কা খেতে হতো। অন্য পাশের ফুটপাতও ছিল প্রায় ব্যবহারের অযোগ্য। হকারদের দখলে হারিয়ে গিয়েছিল পথচারীদের চলাচলের জায়গা।

ফুটপাতজুড়ে দোকান বসিয়ে চলত কোটি টাকার বাণিজ্য। সেখানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগও ছিল। তবে উচ্ছেদ অভিযানের পর পুরো এলাকার চিত্র পাল্টে গেছে। দখলমুক্ত ফুটপাতে এখন পথচারীরা স্বস্তিতে হাঁটছেন।

আগে অবৈধ দোকান ও ব্যবসায়ীদের কারণে যে পথে চলাচল ছিল দুর্ভোগের, সেখানে এখন ফিরেছে স্বাভাবিক পরিবেশ। ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযানের প্রভাব আশপাশের সড়কেও পড়েছে। হকার ও ক্রেতাদের ভিড় কমে যাওয়ায় সড়কে জটলা কমেছে। যানবাহন চলছে তুলনামূলক স্বাভাবিক গতিতে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে হকারদের হাঁকডাকও নেই।

এক পথচারী মন্তব্য করেন, ‘আগে ভিড়ের কারণে নিঃশ্বাস নেয়া যেত না। এখন স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছি। আগে ফুটপাতে চাঁদাবাজির টাকা নানা ভাবে বণ্টন হতো। সেই বণ্টন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।’

ফুটপাতের দোকান ঘিরে নারী হয়রানির অভিযোগও ছিল। এক নারী পথচারী বলেন, ‘আমরা নারীরা যখন এখান দিয়ে যাতায়াত করতাম, তখন নানা ধরনের ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছি। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে আরও বেশি হয়রানি করা হতো।’

দখলমুক্ত হওয়ায় এ ধরনের ভোগান্তি কমেছে বলে সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই পরিবেশ যেন দীর্ঘস্থায়ী হয়। এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘যানজটের কারণে বাসায় ফিরতে দেরি হতো। কখনও দুইটার জায়গায় সাড়ে তিনটা, আবার কখনও চারটা বেজে যেত। এতে পড়াশোনার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতো।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে অন্যান্য এলাকার ফুটপাতও দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হবে। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ‘মিরপুর-১০ নম্বরের মতো এক নম্বরসহ যেসব মার্কেটের সামনে মূল সড়ক ও ফুটপাত দখল হয়ে আছে, সেসব জায়গায় একই পদ্ধতিতে অভিযান চালানো হবে। উচ্ছেদের পর যাতে আবার দখল না হয়, সে ব্যবস্থাও নেয়া হবে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, তা আগে বাস্তবায়িত হয়নি। এখন একে একে সেই কাজগুলো করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

দখলমুক্ত ফুটপাতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে গাছ লাগানো হচ্ছে। নাগরিকবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি ফুটপাত যাতে আবার দখল না হয়, সে জন্যও নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগ। তবে এই স্বস্তি কত দিন স্থায়ী হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়লো, দেশে ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ এম


বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়লো, দেশে ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা

সপ্তাহের শুরুতে দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পর স্বর্ণ কেনার প্রবণতা কম দামে বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা পর্যালোচনা করছেন। এই পরিস্থিতিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মূল্যবান এই ধাতুর দাম এক সপ্তাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৯৪ দশমিক ৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে শক্তিশালী ডলার ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ইল্ড বৃদ্ধির চাপের কারণে বুধবার স্বর্ণের দাম দুই মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।

এদিকে, ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১৬ দশমিক ৩ ডলারে স্থির হয়েছে।

স্টোনএক্সের বাজার বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান রোনা ও'কনেল মন্তব্য করেন, ‘৪ হাজার ডলারের কাছাকাছি একটি নিম্নস্তর তৈরি হওয়ায় কম দামে স্বর্ণ কেনার প্রবণতা বেড়েছে। এতে স্বর্ণের দামও বেড়েছে ফেডের সুদের হার আরও একবার বাড়ানোর বিষয়টি এরইমধ্যে বাজারদরে প্রতিফলিত হয়ে থাকতে পারে। একইভাবে সরকারি খাতের অব্যাহত নিট স্বর্ণ কেনার প্রত্যাশাও দামে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অপ্রত্যাশিত বড় কোনো ঘটনা না ঘটলে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে মনে হয় না।’

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি ইল্ড দুই দশকেরও বেশি সময়ের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কমে এসেছে। তবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার আরও বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন সেন্ট লুইস ফেডের প্রেসিডেন্ট আলবার্তো মুসালেম। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, মুদ্রাস্ফীতিকে ২ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আবারও সুদের হার বাড়াতে হতে পারে।

সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ১৯ শতাংশ বলে মনে করছেন ট্রেডাররা। এ ছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যে অন্তত একবার ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন ৮৪ শতাংশ ট্রেডার।

সাধারণত সুদের হার বেশি থাকলে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়। কারণ, স্বর্ণ কোনো সুদ বা মুনাফা দেয় না। ফলে উচ্চ মুনাফা পাওয়া যায় এমন সম্পদের তুলনায় স্বর্ণে বিনিয়োগ কম আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

বাইবিটের প্রধান বাজার বিশ্লেষক হান ট্যান জানান, ‘আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) প্রকাশ স্বর্ণের দামে পরবর্তী বড় উত্থানের অনুঘটক হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, মুদ্রাস্ফীতি যদি প্রত্যাশার তুলনায় বেশি থাকে এবং ফেডকে আরও দ্রুত সুদের হার বাড়ানোর পথে ঠেলে দেয়, তাহলে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম আবারও মনস্তাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ৪ হাজার ডলারের সমর্থনমূল্য পরীক্ষা করতে পারে।

এদিকে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও চলতি সপ্তাহে ভারতে স্বর্ণের চাহিদা ছিল মন্থর। অন্যদিকে, ছুটির কারণে লেনদেনের সময় কম থাকায় বিশ্বের শীর্ষ স্বর্ণ ভোক্তা চীনের বাজারেও লেনদেন ছিল নিরুত্তাপ।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৭৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৮৫ দশমিক ৬৪ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১৪৬ দশমিক ৩৯ ডলারে পৌঁছেছে। তবে সপ্তাহজুড়ে এই দুই ধাতুর দাম কমার দিকেই ছিল।

এদিকে, গত ৯ অক্টোবর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই দাম অনুযায়ীই দেশে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৬৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ অক্টোবর: ইতিহাসে এই দিনে আলোচিত ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ এম


১০ অক্টোবর: ইতিহাসে এই দিনে আলোচিত ঘটনা

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসে পরিণত হয়। ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদের। ইতিহাস আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে পথ দেখায়।

আজ ১০ অক্টোবর (শনিবার), ২০২৬। নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসের এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি

১৯ - রোমান সেনাপতি জার্মানিকাস আন্তিয়খিয়ার কাছে মারা যান। তিনি মনে করতেন যে, সিরিয়ার গভর্নর গনেয়াস কালপার্নিয়াস পিসো দ্বারা বিষপ্রয়োগের ফলে তার রহস্যজনক অসুস্থতা ঘটেছে, যাকে তিনি প্রদেশ ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

৬৮০ - কারবালার যুদ্ধ: খলিফা প্রথম ইয়াজিদের সেনাবাহিনী ইসলাম-প্রবর্তক নবী মুহাম্মদ (সঃ)-এর পৌত্র হোসাইন ইবনে আলীকে হত্যা করে। এই ঘটনার স্মৃতিরক্ষার্থে শিয়ারা আশুরা পালন করেন।

৭৩২ - তুরের যুদ্ধ: চার্লস মার্টেলের নেতৃত্বে একটি বাহিনী পশ্চিম ফ্রান্সের পাঁইতি ও তুরের মধ্যবর্তী স্থানে উমাইয়া খিলাফতের বাহিনীকে পরাস্ত করে।

১৪৭১ - সুইডেনের রিজেন্ট স্টেন স্টুরে দ্য এল্ডার কৃষক ও খনি শ্রমিকদের সহায়তায় ব্রুনকেবার্গের যুদ্ধে ডেনমার্কের রাজা প্রথম ক্রিশ্চিয়ানের আক্রমণ প্রতিহত করেন।

১৪৯২ - ক্রিস্টোফার কলম্বাসের জাহাজ সান্তা মারিয়া-র নাবিকরা বিদ্রোহের চেষ্টা করে।

১৫৭৫ - প্রথম হেনরি, ডিউক অফ গিজের নেতৃত্বাধীন রোমান ক্যাথলিক বাহিনী ডরম্যান্সের যুদ্ধে প্রোটেস্ট্যান্টদের পরাজিত করে এবং ফিলিপ দ্য মর্নে সহ অনেককে বন্দী করে।

১৫৮০ - পোপের ৬০০ এর বেশি সৈন্য আয়ারল্যান্ডে অবতরণ করে দ্বিতীয় ডেসমন্ড বিদ্রোহে সহায়তা করে।

১৭৫৬ - লর্ড রবার্ট ক্লাইভ মাদ্রাজ থেকে ৫টি যুদ্ধজাহাজে ৯০০ সৈন্য নিয়ে কলকাতা দখলের জন্য যাত্রা করে।

১৭৬০ - ওলন্দাজ ঔপনিবেশিক কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তিতে সুরিনামের নদিউকা জনগোষ্ঠী, যারা পলাতক দাসদের বংশধর, আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।

১৭৮০ - ১৭৮০-এর মহা হারিকেন ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটায়।

১৮১৪ - ১৮১২-এর যুদ্ধ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রেভিনিউ মেরিন রয়্যাল নেভির হাত থেকে কাটার ঈগল-কে রক্ষার চেষ্টা করে।

১৮৪৫ - মেরিল্যান্ডের আনাপোলিসে ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে নেভাল স্কুল, যা পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নৌ একাডেমি নামে পরিচিত হয়, চালু হয়।

১৮৪৬ - নেপচুন গ্রহের বৃহত্তম উপগ্রহ ট্রাইটন ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলিয়াম লাসেল আবিষ্কার করেন।

১৮৬৮ - কিউবায় স্পেনীয় শাসনের বিরুদ্ধে দশ বছরের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯০২ - হল্যান্ডের হেগ শহরে আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম বৈঠক বা এজলাস অনুষ্ঠিত হয়।

১৯০৩ - ব্রিটিশ নারীদের ভোটাধিকারের সমর্থনে উইমেন্স সোশ্যাল অ্যান্ড পলিটিক্যাল ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১১ - বোমা অকালে বিস্ফোরিত হওয়ার পরদিন চীনা রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে উচাং বিদ্রোহ শুরু হয়।

১৯১১ - চীনে দু হাজার বছরের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।

১৯১৩ - পানামা খালের গাম্বোয়া বাধ ভেঙে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর একাকার হয়ে যায়।

১৯১৭ - জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রাজিল যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯১৮ - আরএমএস লিনস্টার জার্মান সাবমেরিন এসএম ইউবি-১২৩ দ্বারা টর্পেডো আক্রমণে ডুবে যায়, ৫৬৪ জন নিহত হয়, যা আইরিশ সাগরে সবচেয়ে বড় প্রাণহানি।

১৯১৯ - পানামা খাল খনন শেষ হয় এবং একে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

১৯২০ - ক্যারিন্থিয়া গণভোটে নির্ধারিত হয় যে ক্যারিন্থিয়া ডাচির বৃহত্তর অংশ অস্ট্রিয়ার অংশ হিসেবে থাকবে।

১৯২৮ - চিয়াং কাই-শেক চীন প্রজাতন্ত্রের চেয়ারম্যান হন।

১৯৩২ - সোভিয়েত ইউনিয়নের নেভা নদীর উপর লেনিন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়।

১৯৩৩ - একটি ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স বোয়িং ২৪৭ নাশকতার মাধ্যমে ধ্বংস হয়, যা বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের ইতিহাসে প্রথম প্রমাণিত ঘটনা।

১৯৩৫ - গ্রিসে এক সামরিক অভ্যুত্থানে দ্বিতীয় হেলেনিক প্রজাতন্ত্রের অবসান ঘটে।

১৯৩৮ - মিউনিখ চুক্তি অনুযায়ী চেকোস্লোভাকিয়া সুদেতেনল্যান্ড থেকে তাদের প্রত্যাহার সম্পন্ন করে।

১৯৪২ - কবি কাজী নজরুল ইসলাম মস্তিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন (মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সুস্থ হননি)।

১৯৪৩ - চিয়াং কাই শেক চীনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৪৫ - চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও কুওমিনতাং চীনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ডাবল টেন্থ চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৫৪ - মাস্কাট সালতানাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিল ইনেস তেল অনুসন্ধানকারীদের সহ ফাহুদ-এ প্রবেশের জন্য সালতানাতের বাহিনীকে সংকেত পাঠান, যা জেবেল আখদার যুদ্ধের সূচনা করে।

১৯৫৭ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ঘানার অর্থমন্ত্রী কমলা আগবেলি গবেদেমাহকে ডেলাওয়্যারের একটি রেস্তোরাঁয় সেবা দিতে অস্বীকার করার পর ক্ষমা চান।

১৯৫৭ - উইন্ডস্কেল অগ্নিকাণ্ড যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনায় পরিণত হয়।

১৯৫৯ - আর্জেন্টিনায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৬৩ - ফ্রান্স বিজার্তে নৌ ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ তিউনিসিয়ার কাছে হস্তান্তর করে।

১৯৬৩ - আংশিক পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি কার্যকর হয়।

১৯৬৪ - এশিয়ার প্রথম টোকিও অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৬৭ - প্রায় ১০০ দেশের মধ্যে মহাশূন্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

১৯৬৯ - কিং ক্রিমসন তাদের প্রথম অ্যালবাম ইন দ্য কোর্ট অফ দ্য ক্রিমসন কিং প্রকাশ করে।

১৯৭০ - দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপ দেশ ফিজি দ্বীপপুঞ্জ ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭০ - কানাডার অক্টোবর সংকট ঘনীভূত হয় যখন কুইবেকের ভাইস প্রিমিয়ার পিয়েরে লাপোর্টে ফ্রন্ট ডি লিবারেশন ডু কুইবেকের সদস্যদের দ্বারা অপহৃত হন।

১৯৭১ - মস্কো ওব্লাস্টের উপর অ্যারোফ্লট ফ্লাইট ৭৭৩ বোমা বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়, ২৫ জন নিহত হয়।

১৯৭১ - দিনাজপুরের চড়ারহাট গ্রামে হানাদার বাহিনী মেতে ওঠে হত্যাযজ্ঞে। প্রায় শতাধিক মানুষকে গভীর রাতে ঘুম থেকে তুলে একত্রিত করে নির্মমভাবে হত্যা করে তারা। তাদের মধ্য থেকে গুলিবিদ্ধ ১১ জন প্রাণে বেঁচে গেলেও শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয় সেখানে। পাশের আন্দোল গ্রামটিও রেহাই পায়নি হানাদারদের হাত থেকে।

১৯৭২ - বঙ্গবন্ধুকে বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান ‘জুলিও কুরি’ পদক প্রদান করা হয়।

১৯৭৩ - বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গিনি।

১৯৭৩ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্পিরো অ্যাগনিউ ফেডারেল আয়কর ফাঁকির অভিযোগে পদত্যাগ করেন।

১৯৭৫ - পাপুয়া নিউগিনি জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৭৯ - ফিনল্যান্ডের ইউরাযোকির ওলকিলুওতো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়।

১৯৮০ - আলজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ৭.১ মাত্রার এল আসনাম ভূমিকম্পে ২,৬৩৩ জন নিহত ও ৮,৩৬৯ জন আহত হয়।

১৯৮০ - এল সালভাদরে ফারাবুন্দো মার্তি ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৫ - মার্কিন নৌবাহিনীর বিমান আকিলে লাউরো ছিনতাইয়ের অপরাধীদের বহনকারী মিশরীয় বিমানকে বাধা দিয়ে ইতালিতে অবতরণে বাধ্য করে।

১৯৮৬ - সালভাদের ভূমিকম্পে দুই সহস্রাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯২ - ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস’ পালনের শুরু করা হচ্ছে।

১৯৯৭ - ফ্রান্সের ৪০ জাতি শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৯৭ - উরুগুয়েতে অস্ট্রাল লিনিয়াস অ্যারিয়াস ফ্লাইট ২৫৫৩ বিধ্বস্ত হয়ে বিস্ফোরিত হয়, ৭৪ জন নিহত হয়।

১৯৯৮ - গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিন্দুতে বিদ্রোহীদের দ্বারা লিনিয়াস অ্যারিয়েন্স কঙ্গোলাইসের একটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়, ৪১ জন নিহত হয়।

২০০২ - ইরাক যুদ্ধ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ইরাকের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন প্রস্তাব অনুমোদন করে।

২০০৭ - শেখ মুজাফফর শুকর সয়ুজ টিএমএ-১১-এ চড়ে প্রথম মালয়েশীয় হিসেবে মহাকাশে যান।

২০০৯ - আর্মেনিয়া ও তুরস্ক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে জুরিখ প্রোটোকল স্বাক্ষর করে, তবে উভয় পক্ষই তা অনুমোদন করেনি।

২০১০ - দেশ হিসেবে নেদারল্যান্ডস অ্যান্টিলস বিলুপ্ত হয়।

২০১৫ - তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় জোড়া বোমা হামলায় ১০৯ জন নিহত ও ৫০০ জনের বেশি আহত হয়।

২০১৮ - হ্যারিকেন মাইকেল ফ্লোরিডা প্যানহ্যান্ডেলে ক্যাটাগরি ৫ মাত্রার ভয়াবহ হারিকেন হিসেবে আঘাত হানে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৫৭ জন, ফ্লোরিডায় ৪৫ জন নিহত হয় এবং আনুমানিক ২৫.১ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়।

২০১৮ - চীনের প্রধান অগ্নিনির্বাপক সংস্থা হিসেবে চায়না ফায়ার সার্ভিসেস ও পিপলস আর্মড পুলিশ ফরেস্ট্রি কর্পসের স্থলে ন্যাশনাল ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০২২ - বেন বার্নানকি, ডগলাস ডায়মন্ড ও ফিলিপ ডিবভিগ যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার লাভ করেন।

জন্ম

১৪৬৫ - প্রথম সেলিম, উসমানীয় খলিফা ও নবম উসমানীয় সুলতান।

১৬৮৪ - জাঁ-আন্টইনে ওয়াটেয়াউ, ফরাসি চিত্রশিল্পী।

১৭৩১ - হেনরি ক্যাভেন্ডিশ ফরাসি ইংরেজি রসায়নবিদ, পদার্থবিদ ও দার্শনিক।

১৮১৩ - জুসেপ্পে ভের্দি, ইতালীয় সুরকার।

১৮২২ - নরেন্দ্রকৃষ্ণ দেব, কলকাতার শোভাবাজারের মহারাজা।

১৮২৫ - পল ক্রুগার, দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতিবিদ ও ৫ম প্রেসিডেন্ট।

১৮৩০ - দ্বিতীয় ইসাবেলা, স্পেনের রানী।

১৮৪৪ - বদরুদ্দিন ত্যাবজী, অবিভক্ত ভারতের খ্যাতনামা বিচারপতি।

১৮৬১ - ফ্রিদতিয়ফ নানসেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নরওয়েজিয়ান এক্সপ্লোরার ও বিজ্ঞানী।

১৮৭০ - তিনকড়ি,বাংলা রঙ্গমঞ্চের অভিনেত্রী।

১৮৯৮ - তান ইউন-শান, চীনা পণ্ডিত এবং শান্তিনিকেতনে চীনা ভবনের প্রতিষ্ঠাতা-অধ্যক্ষ।

১৮৯৯ - শ্রীপাদ অমৃত ডাঙ্গে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতা।

১৯০০ - হেলেন হেইস, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯০০ - হেলেন হায়েজ, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯০১ - আলবার্তো গিয়াকোমেটি, সুইস ভাস্কর ও চিত্রকর।

১৯০৬ - আর. কে. নারায়ণ, ভারতীয় লেখক।

১৯০৮ - সবুর খান, রাজনৈতিক পার্লামেন্টারিয়ান।

১৯০৮ - মারসে রোডোরেডা, কাতালান ভাষার স্প্যানিশ উপন্যাসবিদ।

১৯১০ - দ্বারকানাথ কোটনিস, ভারতের পাঁচজন চিকিৎসকের মধ্যে একজন যাঁরা দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধের সময় চীনে চিকিৎসা সহায়তায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন।

১৯১২ - অনিল মুখার্জি, বাংলাদেশি লেখক এবং রাজনীতিবিদ।

১৯১৩ - ক্লাউডে সাইমন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মালাগাসি ফরাসি লেখক।

১৯১৬ - সমর সেন, ভারতীয় বাঙালি কবি এবং সাংবাদিক।

১৯২৪ - এড উড, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৩০ - হ্যারল্ড পিন্টার,ব্রিটিশ সাহিত্যিক এবং মঞ্চ নির্দেশক এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৩০ - ইভ শোভাঁ, ফরাসি রসায়নবিদ এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৩৫ - খলিল আল-ওয়াজির, ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা।

১৯৩৬ - গেরহার্ড এর্টল, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৩৭ - সিরাজুল ইসলাম (অভিনেতা), বাংলাদেশি মঞ্চ, বেতার ও টিভির সুপরিচিত অভিনেতা।

১৯৪১ - কেন সারো-ওয়িওয়া, নাইজেরিয়া লেখক ও সমাজ কর্মী।

১৯৪৬ - নাওতো কান, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৫৪ - রেখা, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৫৪ - ফার্নান্দো সান্টস, সাবেক পর্তুগিজ ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৫৭ - রুমিকো তাকাহাশি, জাপানি লেখক ও অঙ্কনশিল্পী।

১৯৬৩ - অনিতা মুই, হংকংয়ের গায়িকা এবং অভিনেত্রী।

১৯৬৩ - ড্যানিয়েল পার্ল, মার্কিন ইহুদি সাংবাদিক।

১৯৬৬ - টনি অ্যাডামস, ইংরেজ সাবেক পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় এবং ম্যানেজার।

১৯৭৪ - জুলিও রিকার্ডো ক্রুজ, সাবেক আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

১৯৭৯ - নিকোলাস মাসু, চিলির টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৮২ - ইয়াসির আল-কাহতানি, সৌদি আরব ফুটবল।

১৯৮৬ - এজেকিয়েল গারাই, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার।

১৯৯১ - জেরদান শাচিরি, সুইজারল্যান্ডীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৯৪ - বে সুজি, দক্ষিণ কোরীয় গায়িকা, অভিনেত্রী এবং মডেল।

মৃত্যু

১৯ খ্রিস্টাব্দ - গেরমানিকুস, রোমান জেনারেল।

৬৪৪ - পলিনুস, ইয়র্কের আর্চবিশপ।

৬৮০ - আব্বাস ইবনে আলী, আলী ইবনে আবু তালিবের পুত্র।

৬৮০ - হাবিব ইবনে মাজোয়াহির আল-আসাদি, বনু আসাদ গোত্রের লোক এবং আলী, হাসান ইবনে আলী এবং হুসেন ইবনে আলীর অন্যতম সঙ্গী ছিলেন।

৬৮০ - হুসাইন ইবনে আলী, ইসলামের নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৌহিত্র এবং আলি রদিয়াল্লাহুয়ানহু ও ফাতিমার রদিয়াল্লাহুয়ানহা এর পুত্র।

৬৮০ - আল-হোসেইন ইবন আলী ইবন আবি তালিব, ফাতিমা জাহরা-এর পুত্র ও হাসান ইবন আলী-এর কনিষ্ঠ ভ্রাতা।

১৫৩৯ - নানক, প্রথম শিখগুরু।

১৬৫৯ - আবেল তাসমান, ওলন্দাজ নৌ-অভিযাত্রী ও ব্যবসায়ী।

১৮২৭ - উগো ফস্কল, ইতালীয় লেখক ও কবি।

১৮৩৭ - চার্লস ফুরিয়ার, ফরাসি দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।

১৮৭২ - উইলিয়াম এইচ. সেওারড, আমেরিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ২৪তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

১৯১৩ - কাতসুরা তারো, জাপানি রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬৩ - এদিত পিয়াফ, ফরাসি সংগীতশিল্পী, গীতিকার, কাবারে গায়িকা ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৬৪ - গুরু দত্ত, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেতা।

১৯৭১ - সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ, বাঙালি কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।

১৯৭৩ - লুডভিগ ভন মিসেস, অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান অস্ট্রিয়ান স্কুল অর্থনীতিবিদ, ইতিহাসবিদ, তর্কশাস্ত্রী এবং সমাজবিজ্ঞানী।

১৯৮১ - জ্যাকব চার্লস গুটম্যান মার্কিন ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবী।

১৯৮৩ - রাফ রিচার্ডসন, ইংরেজ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৮৪ - আবদুল করিম আমিরি ফিরুজকুহি, ইরানের প্রখ্যাত কবি, গবেষক ও অধ্যাপক।

১৯৮৪ - আয়াতুল্লাহ মীর্যা খলিল কামারেহয়ী, বিখ্যাত মুফাসসির ও অধ্যাপক।

১৯৮৫ - ইউল ব্রাইনার, রুশ চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা।

১৯৮৫ - অরসন ওয়েলস, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা, লেখক এবং প্রযোজক।

১৯৯৪ - শেখ মোহাম্মদ সুলতান (এস এম সুলতান), বাংলাদেশি প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।

২০০০ - সিরিমাভো বন্দরনায়েকে, শ্রীলঙ্কার ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ।

২০০৪ - ক্রিস্টোফার রীভ, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

২০০৫ - মিল্টন ওবোতে, উগান্ডা রাজনীতিবিদ ও ২য় প্রেসিডেন্ট।

২০১০ - জোয়ান সুথেরলান্ড, অস্ট্রেলীয় সুইস সরু ও অভিনেত্রী।

২০১১ - জগজিৎ সিং, ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম গজল গায়ক।

২০১৫ - রিচার্ড এফ. হেক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

২০১৯ - রাম মোহন, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শিক্ষামূলক জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র মীনার রূপদানকারী।

২০২১ - পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আবদুল কাদের।

২০২২ - মুলায়ম সিং যাদব, ভারতীয় রাজনীতিবিদ, উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও একসময়ের ভারতের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

অন্যান্য

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস

মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব দিবস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক স্থাপনা নিয়ে আলোচনার খবর ‘সত্য নয়’: চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ এম


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক স্থাপনা নিয়ে আলোচনার খবর ‘সত্য নয়’: চীন

চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন নিয়ে আলোচনার খবরকে অস্বীকার করেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে আরও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রেক্ষিতে বেইজিং তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। খবরটি আনাদোলুর থেকে এসেছে।

শুক্রবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং মন্তব্য করেন, ‘সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি সত্য নয়।’

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পারস্পরিকভাবে তাদের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে।

সিএনএনের পূর্ববর্তী এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, প্রাথমিক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের গবেষণাগার এবং চীনের সমপর্যায়ের গবেষণাকেন্দ্র পরিদর্শনের বিষয়টি উঠে আসে। এছাড়া, দুই দেশের পারমাণবিক পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) জুন মাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত চীনের কাছে আনুমানিক ৬২০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। অন্যদিকে, বাতিল করা ওয়ারহেডসহ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঁচ হাজারের বেশি ওয়ারহেড বিদ্যমান।

এসআইপিআরআইয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের নয়টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশের কাছে মোট আনুমানিক ১২ হাজার ১৮৭টি ওয়ারহেড রয়েছে। এর মধ্যে ভারতের কাছে ১৯০টি, পাকিস্তানের কাছে ১৭০টি, ইসরায়েলের কাছে ৯০টি এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে ৬০টি রয়েছে। বিশ্বের মোট পারমাণবিক ওয়ারহেডের প্রায় ৮৬ শতাংশ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় দ্রুতগতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে চীন। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াও তাদের পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডারের ব্যাপক আধুনিকায়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাসসংক্রান্ত ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%