মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৫ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে তিনি নগরীর রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলে পূজাম-প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। এরপর এক মতবিনিময় সভায় সনাতন সম্প্রদায়ের প্রতি শারদীয় শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
জে এম সেন হলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। এ সময় সেখানে একটি নৃত্যদলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে নৃত্য প্রদর্শন করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী জে এম সেন হলের অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী রেডিসন ব্লুতে দলীয় নেতাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে জে এম সেন হল এলাকাকে সাজানো হয় বর্ণাঢ্য সাজে। অনুষ্ঠানস্থলে ৩০০ অতিথির জন্য আসন নির্ধারণ করা থাকলেও এর আশপাশে হাজার হাজার নেতাকর্মীর ভিড় দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে নগরীর রেডিসন ব্লু থেকে কাজির দেউড়ি, জামালখান হয়ে রহমতগঞ্জ পর্যন্ত এলাকায় মানুষের ঢল নামে।
প্রধানমন্ত্রীর আসা-যাওয়ার পথে বিএনপির নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান করেন। তাকে স্বাগত জানিয়ে সেøাগান দেন। রেডিসন ব্লুতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে হোটেল লবি থেকে শুরু করে আশপাশের সড়কে কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে রাজশাহী থেকে সামরিক উড়োজাহাজে করে তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখার জন্য নগরের কোতোয়ালি থানার জেএমসেন হল এলাকায় উৎসুক জনতা ভিড় করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে হলের আশপাশে বিভিন্ন বয়সের মানুষ জড়ো হতে থাকেন।
বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে নগরের রহমতগঞ্জের জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে তিনি গাড়ি থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, জেএমসেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণের কর্মসূচি রয়েছে। সব কর্মসূচি শেষে রাতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজার সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিনব্যাপী তিনি বাকেরগঞ্জ পৌরসভার বাকেরগঞ্জ বন্দর সার্বজনীন পূজামণ্ডপসহ উপজেলার কলসকাঠী, পাদ্রীশিবপুর ও নিয়ামতি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সংসদ সদস্য।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আবুল হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল ধরে এ দেশের সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন।
তিনি আরও বলেন, দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই বাঙালি। এমন একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে প্রত্যেকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত থাকবে।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদেরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন তিনি। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের কমিটির নেতৃবৃন্দ সংসদ সদস্যকে স্বাগত জানান। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক
মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও পূজার আয়োজন ঘুরে দেখেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সদস্যসচিব মোঃ আরিফুর রহমান ছোটন, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক মুরশিদ আলী গাজী, সদস্যসচিব মোস্তাফিজ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাজান, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী শরিফুল ইসলাম এবং উপজেলা ছাত্রদলের নাসিম, আবু হুসাইন সোহাগ, তাসিন, ইদ্রিস আলী, আবুল হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধের ময়দান থেকে মায়ের কাছে আকুতি, বেঁচে ফিরতে চান প্রিয়জনদের মাঝে
“মা, তোমাকে অনেক ভালোবাসি মা। তোমাকে অনেক মিস করি। যদি মারা যাই, তাহলে আমার গায়েবানা জানাজা দিও মা। আর যদি আল্লাহ আমাকে ফিরিয়ে আনেন, তাহলে তোমার কোলে ফিরে আসব মা…”
রাশিয়া থেকে ভিডিও বার্তায় মায়ের উদ্দেশে এভাবেই আবেগঘন কথাগুলো বলছিলেন এক বাংলাদেশি যুবক। তাঁর কণ্ঠে ছিল প্রিয়জনদের হারানোর ভয়, মায়ের জন্য গভীর ভালোবাসা আর নিরাপদে দেশে ফিরে আসার আকুলতা।
অভিযোগ উঠেছে, দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় যাওয়ার পর ওই যুবককে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে মায়ের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় ওই যুবক বলেন, “মা, এখানে মানুষের কোনো মায়া-দয়া নেই। ইন্টারনেটও নেই। সবার প্রতি খেয়াল রেখো মা। কারও কোনো দোষ নেই, নিজেই চলে এসেছি মা।”
নিজের সিদ্ধান্তের দায়ও যেন নিজের কাঁধেই নিতে চাইলেন তিনি। কিন্তু মায়ের কাছে তাঁর এই স্বীকারোক্তির আড়ালে ফুটে উঠেছে এক সন্তানের গভীর অনুশোচনা, অনিশ্চয়তা আর বেঁচে থাকার আকুতি।
তিনি আরও বলেন, “দোয়া করো মা, তোমাকে অনেক কথা বলার আছে। আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে সব বলব মা।”
কথাগুলো শুধু একজন ছেলের মায়ের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ নয়; যুদ্ধের অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে পড়া একজন মানুষের ভয় ও অসহায়ত্বেরও প্রতিচ্ছবি।
যে মা হয়তো সন্তানের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন, সেই মায়ের কাছে ছেলের এমন বার্তা কতটা কষ্টের, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। অন্যদিকে, পরিবার থেকে দূরে যুদ্ধের ঝুঁকির মধ্যে থাকা ওই যুবকের প্রতিটি মুহূর্তও যেন কাটছে অনিশ্চয়তার মধ্যে।
দালালের প্রলোভনে বিদেশযাত্রা, তারপর যুদ্ধের ঝুঁকি?
ঘটনাটি আবারও বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে দালালচক্রের প্রলোভন ও প্রতারণার ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিদেশে কাজের আশায় গিয়ে কেউ যেন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে না পড়েন, সে জন্য বিদেশযাত্রার আগে কাজের ধরন, ভিসা ও চুক্তির সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।
তবে ওই যুবককে কীভাবে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল, কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল এবং তাঁকে কী পরিস্থিতিতে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে—এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখনও প্রয়োজন।
একটি ভিডিও বার্তা, একটি মায়ের অপেক্ষা, আর দেশে ফেরার আকুতি।
যুবকটির শেষ কথাগুলো যেন বারবারই ফিরে আসে—“দোয়া করো মা, আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে তোমাকে অনেক কথা বলব।”
এখন তাঁর পরিবার ও স্বজনদের প্রত্যাশা, নিরাপদে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে আবার দেখা হোক তাঁর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ