ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ময়মনসিংহ জজ কোর্টের জিপি অ্যাডভোকেট আজাহারুল হক মারা গেছেন


ময়মনসিংহ জজ কোর্টের জিপি অ্যাডভোকেট আজাহারুল হক মারা গেছেন

ময়মনসিংহ জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অ্যাডভোকেট আজাহারুল হক (৬০) আর আমাদের মাঝে নেই। আজ ভোরে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

অ্যাডভোকেট আজাহারুল হকের মৃত্যুতে আইনজীবী মহলসহ পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বাদ আসর তাঁর নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের জয়ধরখালীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

আরও পড়ুন: শিক্ষক নেতা আজিজীকে হয়রানির অভিযোগ, তদন্ত নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি

মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খান ইউনিসে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ২, রামাল্লায় অবৈধ বসতি স্থাপন অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


খান ইউনিসে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ২, রামাল্লায় অবৈধ বসতি স্থাপন অব্যাহত

গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা ও অবৈধ বসতি স্থাপন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ফিলিস্তিনি চিকিৎসা কেন্দ্র নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, খান ইউনিস শহরে ইসরায়েলি ড্রোনের হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা (WAFA) জানিয়েছে, ইসরায়েলি ড্রোনগুলো খান ইউনিসের দক্ষিণ এলাকায় একাধিক বোমা নিক্ষেপ করেছে। একই সময়ে, উত্তর খান ইউনিসের হামাদ সিটি আবাসিক এলাকার পূর্ব দিকে অবস্থিত ইসরায়েলি সামরিক যান থেকে ভারী গোলাবর্ষণ করা হয়।

এদিকে, খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আবু রাশওয়ান এলাকায় গত বুধবার ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে গুরুতর আহত আট বছর বয়সী শিশু ইয়ামেন হিশাম ইয়াহিয়া সাক্র চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে ওয়াফা নিশ্চিত করেছে।

অন্যদিকে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লার পশ্চিমে ফিলিস্তিনিদের ভূমিতে নতুন করে আরেকটি অবৈধ বসতি নির্মাণ কাজ শুরু করেছে ইসরায়েলি সেটলাররা।

ওয়াফার রিপোর্ট অনুযায়ী, দখলদার বসতি স্থাপনকারীরা ওই এলাকায় ফিলিস্তিনিদের মালিকানাধীন জমিতে একটি মোবাইল হোম ও তাঁবু স্থাপন করেছে, যা নতুন এই অবৈধ আউটপোস্ট বা বসতির মূল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের তৈরি সমস্ত বসতি ও আউটপোস্ট সম্পূর্ণ অবৈধ। সূত্র: আল জাজিরা ও ওয়াফা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং প্রান্তিক জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, এমনটি জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই মিডওয়াইফরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নরসিংদীর মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে অসহায় ও দুস্থ নারী, কর্মজীবী নারী এবং জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এই লক্ষ্যে স্তন ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কাউন্সেলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া, জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। নারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি জানান।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও দেশের সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের অনেক বন্ধু থাকবে, কিন্তু কোনো প্রভু থাকবে না। আমাদের দেশ আয়তনে ছোট হলেও, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের গুরুত্ব অনেক। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটির ওপরও কারও প্রভুত্ব মেনে নেওয়া হবে না। দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বিজ্ঞাপন

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাইলাতুল হোসেন, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান মিয়া, উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোস্তফা, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ অনেকে।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩০০ জনের মধ্যে সেলাই মেশিন ও ফলজ বৃক্ষ বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

দেশব্যাপী আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে একযোগে সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হবে, এমনটি জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। এই উৎসবে কাজী নজরুল ইসলাম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও সংগীতের পাশাপাশি ভাটিয়ালী, জারি, সারি, লোকসংগীত, বাউলসংগীত, পিঠা উৎসব, ঘুড়ি ওড়ানোসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তরুণদের ব্যান্ড সংগীতও এই উৎসবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পার্কের বৈশাখী মঞ্চে জেলা প্রশাসন আয়োজিত নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দুদিনব্যাপী ‘লোকজ সাংস্কৃতিক মেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, দেশের গ্রাম ও শহরে হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো পুনরুজ্জীবিত করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও বিকশিত ও গতিশীল করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি বর্তমানে একটি বিপন্ন সময় পার করছে, এমনটি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় ও সমতলের সংস্কৃতিসহ দেশের সামগ্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের যথাযথ পরিচর্যা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিচর্যার অভাবে আমাদের সংগীত, নৃত্য, কবিতা, লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনেক উপাদান বিকশিত হতে পারছে না। একটি গাছ যেমন পরিচর্যা, সার-পানি ও সুরক্ষা ছাড়া বড় হতে পারে না, তেমনি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সংস্কৃতির বিকাশ সম্ভব নয়।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অন্যান্য খাতের মতো সাংস্কৃতিক খাতকেও গতিশীল করার বিষয়ে আগ্রহী। এ বিষয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে আলোচনা করেছেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আগ্রহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশব্যাপী নজরুল বর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের আয়োজন শেষ হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে জাতীয় পর্যায়ে নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের মে মাস পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামকে কেন্দ্র করে আরও বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, যাত্রা, সার্কাস ও বিভিন্ন শিল্পকর্মসহ দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক ধারাগুলোকে সুস্থ, সাবলীল ও রুচিশীলভাবে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন প্রজন্মের মন ও চেতনাকে দেশের সংস্কৃতির মাধ্যমে সমৃদ্ধ করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা সম্ভব।

ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেক গর্ব ও অহংকার করার মতো। এখানকার ছেলেমেয়েরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে খুবই ভালো পারফর্ম করে। ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও বৃদ্ধি করতে হবে। সংস্কৃতির বিকাশে সরকার ও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কাজ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সব মহলকে এগিয়ে আসতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পরও বেঁচে যান, বললেন নারী আসামি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের পরও বেঁচে যান, বললেন নারী আসামি

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতার এক মাস পর, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি ক্রিস্টা পাইক প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর থেকে শারীরিক যন্ত্রণা এবং মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের অদক্ষতার জন্যও তিনি সমালোচনা করেছেন।

শুক্রবার, পাইকের আইনজীবীদের মাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি জানান, প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের ঘটনার পর থেকে এমন কোনো মুহূর্ত নেই, যখন তিনি ব্যথামুক্ত ছিলেন। তার কথায়, শরীর, হাত, বাহু ও গলায় এখনো ব্যথা রয়েছে এবং কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে। শারীরিক যন্ত্রণার পাশাপাশি মানসিক ও আত্মিকভাবে তিনি গভীর কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

বিবৃতিতে পাইক বলেন, সংশ্লিষ্টদের অদক্ষতার কারণে এত মানুষকে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। ৩০ সেপ্টেম্বর টেনেসির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষে স্ট্রেচারে বেঁধে পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা হয়েছিল। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য তার শরীরে শিরাপথে ওষুধ প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছিল। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে শিরায় সঠিকভাবে ওষুধ প্রয়োগের চেষ্টা চললেও প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হয়। তাকে পেন্টোবারবিটাল নামের শক্তিশালী ঘুমের ওষুধের বড় মাত্রা প্রয়োগ করা হলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়নি।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশের পর চিকিৎসাবিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি হয়। পাইকের আইনজীবী, যিনি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কক্ষে উপস্থিত ছিলেন, তার দেওয়া বিবরণে পুরো প্রক্রিয়ার নানা ত্রুটি উঠে আসে। বর্তমানে পাইককে ন্যাশভিলের ডেবরা জনসন পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। হাসপাতালে ১০ দিন নিবিড় চিকিৎসা নেওয়ার পর তাকে সেখানে ফিরিয়ে আনা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এখন তাকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। অন্য মানুষের সান্নিধ্য ও সম্পর্ক থেকে দূরে থাকাও তার জন্য নতুন করে মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠেছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিসেবে জীবনের প্রথম ২৮ বছরও তিনি নির্জন কারাবাসে কাটিয়েছেন।

এদিকে, ৩০ সেপ্টেম্বরের ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা টেনেসির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় স্বাধীন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অঙ্গরাজ্যটিতে পরবর্তী সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছেন রিপাবলিকান গভর্নর বিল লি।

তবে ক্রিস্টা পাইকের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহের শুরুতে গভর্নর বিল লি বলেছেন, আদালত ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত পাইকের মৃত্যুদণ্ডের সাজা বহাল থাকবে বলে তিনি আশা করছেন।

নিজের বিবৃতিতে পাইক জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিন তিনি মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন। এমনকি নিজের পরিণতি মেনেও নিয়েছিলেন। কিন্তু হাসপাতালের বিছানায় একাকী, বিভ্রান্ত ও যন্ত্রণাকাতর অবস্থায় জেগে ওঠার পর থেকে কেন তিনি বেঁচে গেলেন এবং সামনে কী অপেক্ষা করছে, তা নিয়ে ভাবছেন।

তিনি বলেন, প্রতিদিন নতুন করে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছেন। কোনো কোনো দিন আশাবাদী থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। তবু ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন তাকে সাহস জোগাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পাইক। চিকিৎসা দেওয়া হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও জরুরি সেবাকর্মীদের পাশাপাশি তার পাশে দাঁড়ানো আইনজীবী এবং সহায়তাকারীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বিবৃতির শেষাংশে পাইক বলেন, অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা ও সহমর্মিতা তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে, তিনি একা নন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%