বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:০৯ পি.এম
বাংলাদেশের স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড স্কিন’ও-এর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কসল্যাব পারসোনাল কেয়ার লিমিটেড দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসাধনী বিশেষজ্ঞ ড. জুনোহ কিমকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এই নিয়োগের উদ্দেশ্য হলো গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
দেশের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা পণ্যের নির্মাতারা উন্নত ফর্মুলেশন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করে উচ্চমূল্যের পণ্য তৈরি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছে। এই প্রেক্ষাপটে কসল্যাব এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ড. জুনোহ কিমের ৩০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রসাধনী ফর্মুলেশন, উপাদান, উন্নত ডেলিভারি সিস্টেম ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে। তিনি ঢাকায় ও দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে কসল্যাবের আরঅ্যান্ডডি দলের সঙ্গে কাজ করবেন।
কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ড. কিম উন্নত ফর্মুলেশন, নতুন পণ্য উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করবেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসাধনী প্রতিষ্ঠান অ্যামোরেপ্যাসিফিকের আরঅ্যান্ডডি সেন্টারে তিনি প্রায় ২২ বছর কাজ করেছেন। সেখানে তিনি স্কিনকেয়ার ফর্মুলেশন, প্রসাধনী উপাদান এবং ন্যানোটেকনোলজি, লিপোসোম, ন্যানোপার্টিকল ও ত্বকের মাধ্যমে উপাদান প্রবেশের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন।
অ্যামোরেপ্যাসিফিকের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ইনিসফ্রি, কসআরএক্স, হেরা ও লেনেইজ অন্তর্ভুক্ত। পরবর্তীতে, ড. কিম ইন্টারকস কোরিয়া ও শিনসেগে ইন্টারকস কোরিয়ায় জ্যেষ্ঠ আরঅ্যান্ডডি পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি শিনসেগে ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রযুক্তি কৌশল, পণ্য উদ্ভাবন ও উন্নত আরঅ্যান্ডডি কার্যক্রমের দায়িত্বে ছিলেন।
ড. কিম সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পলিমার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি এবং সোগাং ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। কসল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর গবেষণার ফলাফল নিয়ে ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা হয়েছে এবং তাঁর নামে ৬০টির বেশি পেটেন্ট রয়েছে।
কসল্যাবের ঢাকায় ও সিউলের গবেষণা স্থাপনায় কাজ করা প্রায় ২০ জন রসায়নবিদ ও ফার্মাসিস্টের সঙ্গে ড. কিম কাজ করবেন। কোম্পানিটি বলেছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের আরঅ্যান্ডডি দল আরও দক্ষ হয়ে উঠবে এবং উন্নত প্রসাধনী ফর্মুলেশন ও পণ্য উন্নয়নে স্থানীয় সক্ষমতা বাড়বে।
স্কিন’ও-এর পাশাপাশি, কসল্যাব ইনসেই, ডেইলি বাথ ও ইনবিউটি ব্র্যান্ডের জন্য গবেষণা ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে। কসল্যাবের লক্ষ্য হলো দেশে প্রযুক্তিনির্ভর প্রসাধনী পণ্যের উন্নয়ন করা এবং ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করবে। একই সময়, জোটের পাঁচটি দেশ ইইউ’র বাইরে ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের পাঠানোর জন্য বিতর্কিত ‘ফেরত কেন্দ্র’ স্থাপনের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে।
ব্রাসেলস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।
জোটের ২৭টি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা লুক্সেমবার্গে বৈঠকে বসছেন। চলতি মাসে জার্মানিতে কট্টর ডানপন্থীদের বড় ধরণের সাফল্যের ফলে ইইউজুড়ে অভিবাসনবিরোধী মনোভাবের উত্থান স্পষ্ট হয়েছে।
বৈঠকের কর্মসূচি অনুযায়ী, ইইউ-তে থাকার অধিকার নেই—এমন ব্যক্তিদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া উন্নত করার বিষয়টি আলোচনা হবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য ‘অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত’ তৃতীয় দেশগুলোর সঙ্গে ‘বর্ধিত সহযোগিতা’ গুরুত্ব পাবে।
এছাড়া, নতুন কঠোর ইইউ বিধিমালার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বিধিতে কর্তৃপক্ষের আটক করার ক্ষমতা অনেক বাড়ানো হবে এবং তথাকথিত ‘ফেরত কেন্দ্র’ স্থাপনের সুযোগ রাখা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে একটি দেশগোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছে। এসব কেন্দ্র স্থাপনের জন্য রুয়ান্ডা সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
গ্রিনস গ্রুপের দুই ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা বুধবার জানান, আফ্রিকার দেশটি এবং প্রতিবেশী উগান্ডায় তাদের অনুসন্ধানী সফর থেকে ধারণা হয়েছে, দুই দেশই এ বিষয়ে আগ্রহী।
মানবাধিকারসহ বিভিন্ন উদ্বেগের কারণে ফেরত কেন্দ্রের বিরোধিতা করা আইনপ্রণেতা আন্না স্ট্রোলেনবার্গ ও টিনেকে স্ট্রিক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কিগালির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইইউর পাঁচ দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ডাচ পার্লামেন্টের সদস্য স্ট্রোলেনবার্গ বলেন, ‘সম্ভবত রুয়ান্ডার সঙ্গেই প্রথম কোনো চুক্তি হবে।’
ইইউ’র সংশ্লিষ্ট পাঁচ দেশ এখন পর্যন্ত কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে, তা জানায়নি।
সম্ভাব্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা-
গ্রিসের অভিবাসনমন্ত্রী থানস পলেভরিস এ সপ্তাহে বলেছেন, ২০২৭ সালে একটি আফ্রিকান দেশে কেন্দ্র খোলার লক্ষ্য নিয়েছে এথেন্স। দেশটির সঙ্গে ইতোমধ্যে তারা একমত হয়েছেন। তবে এখনো দেশটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
সমর্থকদের মতে, বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের চূড়ান্ত গন্তব্য অথবা স্থানান্তরকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ফেরত কেন্দ্রগুলো তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে পারে। একই সঙ্গে অনিয়মিতভাবে ইউরোপে প্রবেশে আগ্রহীদের নিরুৎসাহিত করতেও এসব কেন্দ্র ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে সমালোচকেরা এসব কেন্দ্রের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একই ধরনের প্রকল্পে দেখা দেওয়া নানা জটিলতার কথা তুলে ধরে তারা এগুলোকে এমন ‘আইনি অন্ধকূপের’ সঙ্গে তুলনা করছেন, যেখানে অভিবাসীরা পর্যাপ্ত নজরদারি ছাড়াই অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকা পড়তে পারেন।
চলতি গ্রীষ্মে স্পেনে উত্তর আফ্রিকার ভূখণ্ড সেউতায় অভিবাসীদের ঢল ইউরোপের সীমান্ত নিরাপত্তাকে বড় ধরণের পরীক্ষার মুখে ফেলে। একই সঙ্গে স্পেন ও অভিবাসনবিরোধী কঠোর অবস্থান নেওয়া ইতালির মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধও তৈরি হয়। এরপর লুক্সেমবার্গে অনুষ্ঠেয় বৈঠকটি হবে ইইউ মন্ত্রীদের প্রথম সরাসরি বৈঠক।
মাদ্রিদ তার উত্তর আফ্রিকার ওই ভূখণ্ডের পরিস্থিতি সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভবিষ্যতে এ ধরণের সংকট প্রতিরোধ ও মোকাবিলার প্রস্তাব নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে।
ইইউ’র প্রধান উরসুলা ফন ডার লিয়েন এ মাসে বলেছেন, ব্যাপক অভিবাসন প্রবাহ আরও ভালোভাবে মোকাবিলার জন্য সদস্য দেশগুলোকে সহায়তা করার জন্য ইউরোপীয় কমিশন একটি জরুরি ব্যবস্থা প্রস্তাব করবে। তবে এর বিস্তারিত এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
ইউরোপের আগাম সতর্ক ব্যবস্থার উন্নয়নেও কাজ চলছে। আলোচনায় থাকা প্রস্তাবগুলোর মধ্যে জোটের সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের ক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মাগুরায় ৩৬ তম আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় কালেক্টরেট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালির পর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় উপ-পরিচালক সমাজসেবা কার্যালয় মাগুরা, সায়েদুর রহমান মৃধার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোতাকাববীর আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাঃ শামীম কবীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল কাদের, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি সহকারি পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান, এবং মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান। এছাড়া প্রবীনদের মধ্যে এম আর খান, ৩৬ তম আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপন হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি সেতু টোলপ্লাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন দাউদকান্দি উপজেলা, পৌর ও মেঘনা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৭টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখার জন্য এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সর্বস্তরের নারী-পুরুষের ঢল নামে। বেলা সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে কুমিল্লা-১ আসনের এমপি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পুত্র ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে দাউদকান্দি ও মেঘনার দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে বিপুল সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে হাত নেড়ে সমবেত জনতাকে অভিবাদন জানান।
এ সময় সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন মন্তব্য করেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দূরদর্শী ভাষণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি শুনে জনগণ বিপুল উচ্ছ্বসিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সর্বত্র শান্তি ও স্বস্তির বাতাস বইছে। পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার নেতাদের এটি সহ্য হচ্ছে না। তারা হিংসাপরায়ণ হয়ে বিদেশে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদের সব ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার অপচেষ্টা রাজনৈতিক ও আইনি ভাবে মোকাবিলা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
খন্দকার মারুফ বিএনপির নেতাকর্মীদের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে বীর যোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে মাঠে থাকার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।
এ সময় দাউদকান্দি উপজেলা, পৌর ও মেঘনা উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাজ্যের একিউএ গ্লোবালের সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ধাপ ডিজিটালাইজেশন, মূল্যায়নের নির্ভুলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সমঝোতা স্মারক আজ গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে ভাইস-চ্যান্সেলরের দপ্তরের কনফারেন্স রুমে স্বাক্ষরিত হয়। এটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যের একিউএ গ্লোবালের সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠানের চুক্তি।
সমঝোতা চুক্তির আওতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পরিচালনা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপ পর্যালোচনা করে আধুনিকায়ন করা হবে। এতে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা, গতি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ মন্তব্য করেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এত বড় পরিসরে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হলে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই, পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দ্রুত, নির্ভুল ও স্বচ্ছ হোক।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উন্নত মূল্যায়ন ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। একিউএ গ্লোবালের সঙ্গে এই সহযোগিতা সেই সুযোগ তৈরি করেছে। এটি শুধুমাত্র একটি চুক্তি নয়; জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন জানান, ‘একিউএ গ্লোবালের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সফল হলে পরবর্তী সময়ে বড় পরিসরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে ঝুঁকি কম থাকবে এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।’
একিউএ গ্লোবালের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসের পরিচালক শন ক্রোলি বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমরা আনন্দিত। এত বড় একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে আমাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়েই আমরা কাজ করব।’
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, আঞ্চলিক কেন্দ্র সমন্বয় দপ্তরের পরিচালক মো. আমিনুল আক্তার, প্রধান প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীন এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম। একিউএ গ্লোবালের পক্ষে বিজনেস ডেভেলপমেন্টের লিড ইন্টারন্যাশনাল সৈয়দ শাহ এবং বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহিন রেজাসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও একিউএ গ্লোবালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ